আন্তর্জাতিক
শত্রু আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে: ইরানের সেনাবাহিনীর হুঁশিয়ারি
ইরানের সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারণা অসম্পূর্ণ বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনীর খতম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল কমান্ড সদরদপ্তর। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, শত্রুরা আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে বলেছেন, ইরানকে প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। এরপরই কঠোর ভাষায় বার্তা দিলো দেশটির সেনাবাহিনী।
সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, “আমাদের সামরিক শক্তি ও সরঞ্জাম সম্পর্কে আপনাদের ধারণা একেবারেই অপূর্ণ। আমাদের বিশাল এবং কৌশলগত সক্ষমতা সম্পর্কে আপনাদের বিন্দুমাত্র জ্ঞান নেই।”
“এমনটি ভাবার কোনো সুযোগ নেই যে, আপনারা আমাদের মিসাইল উৎপাদন কেন্দ্র, দূরপাল্লার আক্রমণাত্মক ও নিখুঁত লক্ষ্যভেদী ড্রোন, আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম কিংবা বিশেষ সরঞ্জামগুলো ধ্বংস করে দিয়েছেন।”
সেন্ট্রাল কমান্ড আরও বলেছে, “আমাদের কৌশলগত সামরিক উৎপাদন এমন সব জায়গায় সচল রয়েছে, যা সম্পর্কে আপনাদের কোনো ধারণাই নেই এবং যেখানে পৌঁছানো আপনাদের পক্ষে কখনোই সম্ভব হবে না।”
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত হামলা চলবে উল্লেখ করে ইরানি সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড আরও বলেছে, “আরও বিচূর্ণকারী, বিস্তৃত এবং ধ্বংসাত্মক হামলা হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনারা স্থায়ী, চূড়ান্ত আত্মসমর্পণ না করবেন।”
সূত্র: আলজাজিরা
আন্তর্জাতিক
ট্রাম্পের ভাষণের পর ইসরাইলে আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ওয়াশিংটন ইরানের সামরিক বাহিনীকে ধ্বংস করে দিয়েছে এবং তাদের যুদ্ধাভিযানের লক্ষ্য অর্জনের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এর পরই ইসরাইলের দিকে আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। আল জাজিরা।
স্থানীয় সময় বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে হোয়াইট হাউস থেকে ইরান যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন ট্রাম্প। যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘মূল কৌশলগত লক্ষ্যগুলো’ প্রায় সবগুলো অর্জিত হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, গত চার সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধে ইরানের ওপর ‘দ্রুত, নির্ণায়ক ও ব্যাপক’ আঘাত হানা হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, ‘এই অভিযানে এমন ধরনের বিজয় অর্জিত হয়েছে, যা খুব কম মানুষ আগে কখনও দেখেছে।’ যুদ্ধ আর দুই তিন সপ্তাহ চলবে জানিয়ে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন যে, এই সময়টাতে যুক্তরাষ্ট্র হামলা আরও জোরদার করবে এবং তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, ইরানকে ‘প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেয়া’ হতে পারে।
এদিকে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনী ইরানে হামলা অব্যাহত রাখে। এতে দেশটির লরেস্তান ও মিয়ানেহতে নয়জন নিহত হন এবং বিমানবন্দর ও জেটির ক্ষতি হয়। পাল্টা হামলা চালায় ইরানের সামরিক বাহিনীও।
ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ডস কোর (আইআরজিসি) জানায়, তারা বুধবার ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ও জায়নবাদী অবস্থানগুলোকে লক্ষ্য করে ১০০টিরও বেশি ভারি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের পাশাপাশি ২০০টি রকেট নিক্ষেপ করেছে।
এই সমন্বিত অভিযানগুলো ইরানের অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনী এবং প্রতিরোধ ফ্রন্টগুলোর সাথে যৌথভাবে চালানো হয়। আইআরজিসি-র জনসংযোগ বিভাগের তথ্য অনুসারে, এই হামলাগুলো ইসরাইলের এইলাত, তেল আবিব ও বেনি ব্রাকে জায়নবাদী সরকারের সামরিক লক্ষ্যবস্তু ও সন্ত্রাসী বাহিনীকে নিশানা করে চালানো হয় এবং এতে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
এমএন
আন্তর্জাতিক
ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের টারনেট উপকূলের কাছে নর্দার্ন মলুক্কা সাগরে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আশপাশের দ্বীপগুলোতে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, এ ঘটনায় অন্তত একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের ফলে স্থানীয় অনেক বাসাবাড়ি ধসে পড়েছে। দমকলকর্মীরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।
টারনেটের বাসিন্দা ৪২ বছর বয়সী বুদি নুরগিয়ান্তো জানান, তিনি ঘরের ভেতরে ছিলেন যখন হঠাৎ দেয়াল কাঁপতে শুরু করে। কম্পনটি এক মিনিটেরও বেশি সময় ধরে অনুভূত হয়।
তিনি বলেন, আমি বাইরে বেরিয়ে দেখি অনেক মানুষ রাস্তায়। সবাই আতঙ্কিত ছিল… এমনকি কেউ কেউ গোসল শেষ না করেই ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছে।
একই এলাকার আরেক বাসিন্দা সাইফুল স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, শুরুতে কম্পন হালকা ছিল, কিন্তু ধীরে ধীরে তা তীব্র হয়ে ওঠে। আমার ঘরটা খুব জোরে কাঁপতে থাকে, তখন আমরা সবাই দ্রুত বাইরে চলে যাই।
অন্যদিকে মানাদো শহরে ফানলি নামের এক চালক জানান, ভূমিকম্পের সময় তিনি রাস্তার পাশে গাড়ি থামিয়ে দেন, যাতে গাছ বা বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়ে গাড়ির ওপর না লাগে।
মানাদোতে অবস্থানরত এক সাংবাদিক জানান, ভূমিকম্পের কারণে তিনি ঘুম থেকে জেগে ওঠেন এবং দ্রুত বাইরে চলে আসেন। তার মতে, কম্পন বেশ কিছুক্ষণ স্থায়ী ছিল, তবে তিনি বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি দেখতে পাননি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সংঘটিত এই ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। প্রাথমিকভাবে এর মাত্রা ৭ দশমিক ৮ হিসেবে ধারণা করা হলেও পরে তা সংশোধন করে ৭ দশমিক ৪ নির্ধারণ করা হয়। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ইন্দোনেশিয়ার নর্থ মালুকু প্রদেশের কাছে টারনেট শহর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ টারনেট ও তিদোরসহ বিভিন্ন এলাকায় মানুষকে সম্ভাব্য সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে কিছু ভবনের ক্ষতির ছবিও প্রচার করা হয়েছে।
মার্কিন সুনামি সতর্কতা ব্যবস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কেন্দ্র থেকে প্রায় ১,০০০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও মালয়েশিয়ার উপকূলে বিপজ্জনক সুনামি আঘাত হানতে পারে।
প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানিয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার কিছু উপকূলে জোয়ারের উচ্চতার চেয়ে ০ দশমিক ৩ থেকে ১ মিটার পর্যন্ত ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। এছাড়া গুয়াম, জাপান, মালয়েশিয়া, পাপুয়া নিউগিনি, ফিলিপাইন ও তাইওয়ানের উপকূলে ০ দশমিক ৩ মিটারের কম উচ্চতার ঢেউয়ের আশঙ্কা রয়েছে।
জাপান আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, দেশটিতে সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ২ মিটার উচ্চতার ঢেউ আঘাত হানতে পারে। তবে এতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। ফলে এ অঞ্চলে টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে।
আন্তর্জাতিক
ন্যাটো হরমুজ প্রণালিতে অভিযানের জন্য নয়: ফরাসি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
আন্তর্জাতিক সামরিক জোট ন্যাটোর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের মধ্যে ফ্রান্স নিজের স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছে। দেশটির কনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী অ্যালিস রুফো বলেছেন, ন্যাটোর মূল লক্ষ্য ইউরো-আটলান্টিক অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। হরমুজ প্রণালিতে সামরিক অভিযান পরিচালনা নয়।
তিনি বলেন, ন্যাটো একটি আঞ্চলিক সামরিক জোট, যার কাজ নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের নিরাপত্তা রক্ষা করা।
এটি হরমুজ প্রণালিতে অভিযান চালানোর জন্য গঠিত হয়নি। সেখানে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এর পরপরই ইরান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ করে দেয়।
ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়।
এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিত্রদেশগুলোকে হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানান। তবে ইউরোপীয় দেশগুলো সেই আহ্বানে সাড়া দেয়নি। এর জেরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ইউরোপীয় অংশীদারদের প্রতি আস্থাহীনতা বাড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ন্যাটো সদস্যদের এই অনাগ্রহের কারণে জোটটির প্রতি কটাক্ষও করেছেন ট্রাম্প। যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে ব্যর্থ হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাটো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি তিনি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন। এর আগেও তিনি ন্যাটো মিত্রদের ‘ভীরু’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।
আন্তর্জাতিক
ন্যাটো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন ট্রাম্প
ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি ‘গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ন্যাটো জোটকে ‘কাগুজে বাঘ’ বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প এবং যুক্তরাজ্যের নৌবাহিনীর সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো যে মধ্যপ্রাচ্যের এই চলমান যুদ্ধ বা সংঘাত শেষ হওয়ার পর তিনি ন্যাটোতে যুক্তরাষ্ট্রের সদস্যপদ পুনর্বিবেচনা করবেন কি না; এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি ‘পুনর্বিবেচনার বাইরে’ চলে গেছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি কখনোই ন্যাটোর দ্বারা প্রভাবিত হইনি। আমি বরাবরই জানতাম যে তারা কাগুজে বাঘ, আর পুতিনও বিষয়টি জানেন।’
এছাড়া, যুক্তরাজ্যের যুদ্ধজাহাজ বহরের অবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এমনকি, তোমাদের তো নৌবাহিনীও নেই। তোমরা খুব পুরোনো হয়ে গেছ। তোমাদের বিমানবাহী রণতরী ছিল, কিন্তু সেগুলোকে ব্যবহার করা যায়নি।’
সূত্র: বিবিসি
আন্তর্জাতিক
ট্রাম্পের ‘যুদ্ধ বন্ধ’ বার্তায় তেলের দামে বড় পতন, বিশ্ববাজারে স্বস্তি
ইরানের সঙ্গে চুক্তি হোক বা না হোক ডোনাল্ড ট্রাম্প চান এই যুদ্ধ দ্রুততম সময়ের মাঝে শেষ করতে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন আশ্বাসের পর বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম। একই সঙ্গে ইউরোপের শেয়ারবাজারও বেড়েছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। বুধবার দিনের শুরুতে তেলের দাম ৩ শতাংশেরও বেশি কমে গিয়েছিল। সর্বশেষ তা ৯৯.৩২ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
ইউরোপের শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। লন্ডনের এফটিএসই ১০০ সূচক ১.৭ শতাংশ বেড়েছে। জার্মানির ডিএএক্স বেড়েছে ২.৫ শতাংশ এবং ফ্রান্সের সিএসি ৪০ সূচক ২.১ শতাংশ উর্ধ্বমুখী হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, গত পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান যুদ্ধের কারণে তেলের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা গেছে। বিশেষ করে যুদ্ধের শুরুতে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আংশিকভাবে বন্ধ করে দিলে সরবরাহ নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়।
তবে সাম্প্রতিক পতন সত্ত্বেও তেলের দাম এখনো যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় অনেক বেশি। ২৮ ফেব্রুয়ারির তুলনায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এখনো প্রায় ৩৯ শতাংশ বেশি রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির অগ্রগতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার ওপর নির্ভর করেই আগামী দিনে তেলের বাজারের দিক নির্ধারিত হবে।



