কর্পোরেট সংবাদ
রূপগঞ্জে নতুন ঠিকানায় চালু হলো রূপালী ব্যাংকের বরপা শাখা
নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলায় রূপালী ব্যাংক পিএলসি’র বরপা শাখা নতুন ঠিকানায় স্থানান্তর করা হয়েছে । বুধবার (১ এপ্রিল) তারাব পৌরসভার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সাউদ টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় আধুনিক ও গ্রাহকবান্ধব পরিবেশে শাখাটির কার্যক্রম শুরু হয় ।
নতুন ঠিকানায় ব্যাংকিং কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম। এ সময় ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, গ্রাহকদের উন্নত ও আরও দ্রুত ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে রূপালী ব্যাংক নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে । মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা পৌঁছে দিতে রূপালী ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা উত্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রধান ও মহাব্যবস্থাপক শেখ মনজুর করিম । এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়নগঞ্জ জোনের জোনাল ম্যানেজার মো. সাখাওয়াত হোসেন ।
এছাড়াও ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আনিছুর রহমান, মো. শাফি উদ্দিন, মো. আবু তাহের প্রধান, মোহাম্মদ মনসুর আলম ও শাহরিন বজল, শাখা ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলামসহ ব্যাংকের অন্যান্য ঊর্ধতন কর্মকর্তা, গ্রাহক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে মাসব্যাপী চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাব ক্যাম্পেইন শুরু
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির আওতাধীন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে মাসব্যাপী চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাব খোলা বিষয়ক ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের কর্পোরেট শাখায় এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোঃ শওকাতুল আলম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের প্রশাসক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মুহাম্মদ বদিউজ্জামান দিদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের প্রশাসক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক মো. মোকসুদুজ্জামান।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের এ্যাসোসিয়েট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক বিশ্বজিৎ কুমার দে, মুহাম্মদ আনছারুল কবির এবং মোহাম্মদ ফয়সল খান, এ্যাসোসিয়েট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ও বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক মো. ওমর ফারুকসহ ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তা ও গ্রাহকবৃন্দ।
মো. শওকাতুল আলম বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক দেশের একমাত্র রাষ্ট্র মালিকানাধীন ইসলামী ব্যাংক। এই ব্যাংকে গ্রাহকদের আমানত সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুরক্ষিত রয়েছে। তিনি গ্রাহকদের আতঙ্কিত না হয়ে আস্থার সাথে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের সকল কর্মকর্তা যেন আন্তরিকতা ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ বদিউজ্জামান দিদার বলেন, গ্রাহকরাই ব্যাংকের মূল চালিকাশক্তি। গ্রাহকদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই ক্যাম্পেইন আয়োজন করা হয়েছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
আইএফআইসি ব্যাংকে ৫৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি, কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি
প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক অগ্রযাত্রায় অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ আইএফআইসি ব্যাংক বিভিন্ন পর্যায়ের ৫৯ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি প্রদান করেছে। পেশাগত দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা এবং ধারাবাহিক কর্মসাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এই পদোন্নতি দেওয়া হয়।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাজধানীর আইএফআইসি টাওয়ারে “সেলিব্রেটিং ক্যারিয়ার প্রগ্রেশন” শীর্ষক পদোন্নতি প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মনসুর মোস্তফা এবং সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সরাসরি ১৯ জন কর্মকর্তার হাতে পদোন্নতি পত্র হস্তান্তর করেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন শাখা ও উপশাখায় ভার্চুয়ালি আরও ৪০ জন কর্মকর্তার কাছে পদোন্নতি পত্র হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে পদোন্নতিপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতির পেছনে দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ জনবলই সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, নতুন দায়িত্বে কর্মকর্তারা আরও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তগ্রহণ, দায়িত্ববোধ এবং সেবামুখী মনোভাবের মাধ্যমে ব্যাংকের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবেন এবং গ্রাহকদের জন্য উন্নততর সেবা নিশ্চিত করবেন।
উল্লেখ্য, কর্মদক্ষতা ও মেধাভিত্তিক মূল্যায়নের অংশ হিসেবে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত আইএফআইসি ব্যাংক মোট ৩৩৪ জন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন পদে পদোন্নতি দিয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও সুসংহত করতে সহায়তা করছে।
কর্পোরেট সংবাদ
ক্যাশ রেমিট্যান্স গ্রহণ করে মোটর সাইকেল পেলেন মাঈন উদ্দিন ও জিয়াউল হক
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে রিয়া মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে ক্যাশ রেমিট্যান্স উৎসবে ১৯তম মোটর সাইকেল পেলেন কুমিল্লা নাঙ্গলকোট শাখার গ্রাহক মাঈন উদ্দিন এবং ২০তম মোটর সাইকেল পেলেন ফেনী শাখার সেলফিন গ্রাহক মো. জিয়াউল হক। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী নাসির উদ্দিনের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রেক্ষিতে মাঈন উদ্দিন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী মোহাম্মদ মমিনুল হকের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রেক্ষিতে মো. জিয়াউল হক এই পুরস্কার পেয়েছেন।
২৯ মার্চ ২০২৬, রবিবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল র্যাফেল ড্রতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ ওমর ফারুক খাঁন।
এসময় ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম, ফরেন রেমিট্যান্স সার্ভিসেস ডিভিশন প্রধান মো. মোতাহার হোসেন মোল্লা, ওভারসিজ ব্যাংকিং ডিভিশন প্রধান মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, ফরেন ট্রেড প্রসেসিং ডিভিশন প্রধান মো. দাউদ খান এবং রিয়া মানি ট্রান্সফার বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম তালুকদার ও অ্যাসিস্ট্যান্ট অপারেশনস ম্যানেজার মো. আরাফাত হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য মাহে রমাদান উপলক্ষ্যে ইসলামী ব্যাংকে রিয়া মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে ক্যাশ রেমিট্যান্স গ্রহীতাদের মধ্যে ডিজিটাল র্যাফেল ড্র’র মাধ্যমে প্রতি ব্যাংকিং কর্ম দিবসে (রবি-বৃহস্পতিবার) একটি করে মোট ২০টি মোটর সাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে।
কর্পোরেট সংবাদ
রূপালী ব্যাংক যশোর জোনে খেলাপি ঋণ আদায়ে কর্মপরিকল্পনা সভা
রূপালী ব্যাংক পিএলসি যশোর জোনে খেলাপি ঋণ আদায় জোরদারে সকল শাখা ব্যবস্থাপক সমন্বয়ে খেলাপী ঋণ আদায় সংক্রান্ত কর্মপরিকল্পনা অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (২৮ মার্চ) আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রূপালী ব্যাংক পিএলসি খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক রোকনুজ্জামান। সভাপতিত্ব করেন যশোর জোনের জোনাল ম্যানেজার ও উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ সাহাদ আলী।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, খেলাপি ঋণ আদায়ের পাশাপাশি নতুন করে ঋণ খেলাপি যেন না বাড়ে, সে জন্য নিয়মিত মনিটরিং ও তদারকি জোরদার করতে হবে।
রোকনুজ্জামান বলেন, নগদ আদায়, পুনঃতফসিল, নবায়ন এবং প্রয়োজনে সুদ মওকুফের মাধ্যমে খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনতে হবে। খেলাপি ঋণ দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সভায় খেলাপি ঋণ আদায়ের পাশাপাশি নতুন সিএমএসএমই ঋণ বিতরণ, লো-কস্ট ও নো-কস্ট আমানত সংগ্রহ, কৃষি ও পল্লীঋণ এবং হোম লোন কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে যশোর জোনের ১৮টি শাখার ব্যবস্থাপক ও নির্বাহীরা অংশগ্রহণ করেন।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ডাক বিভাগকে ১৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা রেভিনিউ’র অংশ দিল নগদ
রেভিনিউ ভাগাভাগির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ডাক বিভাগকে ১৩ কোটি ৮২ লাখ ৩০ হাজার ৪৭০ টাকা দিয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত সময়ে নগদের রেভিনিউ থেকে ডাক বিভাগকে এই অর্থ প্রদান করা হয়।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ডাক ভবনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম কাছে এই চেক হস্তান্তর করেন নগদের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার আফজাল আহমেদ। এ সময় ডাক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এস এম হারুনুর রশীদ, নগদে বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত সহযোগী প্রশাসক মো. নাহিম উদ্দিন, নগদের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মো. সামসুল ইসলাম এবং নগদ লিমিটেড ও ডাক বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডাক বিভাগের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, ব্যবসা পরিচালনার জন্যে প্রযুক্তিসহ প্রয়োজনীয় সকল বিনিয়োগই করবেন নগদ লিমিটেড। সেবা পরিচালনার ক্ষেত্রে ডাক বিভাগের কোনো আর্থিক বিনিয়োগও থাকবে না। তবে সেবা থেকে রেভিনিউ’র ৫১ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ। নগদ লিমিটেড পাবে বাকি ৪৯ শতাংশ রেভিনিউ।
এর আগে সেবা শুরুর পর থেকে বিভিন্ন সময়ে ডাক বিভাগকে মোট ১৪ কোটি ৬০ লাখ ৯৪ হাজার ৬৬০ টাকা রেভিনিউ’র অংশ দিয়েছে নগদ লিমিডেট। এর মধ্যে ২০২৪ সালের মে মাসে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৫ কোটি ৫১ লাখ ৩৭ হাজার ৫৫৮ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। তারও আগে ২০২২ সালে ৪ কোটি ৫০ লাখ ৪৬ হাজার ৬৪৭ টাকা এবং ২০২০ সালে ১ কোটি ১২ লাখ টাকা ডাক বিভাগকে প্রদান করে নগদ লিমিটেড।
চেক হস্তান্তরের পর নগদের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম । তিনি বলেন, নগদ এই খাতের বাজারে যথেষ্ট প্রতিযোগিতা সৃস্টি করতে সক্ষম হয়েছে যা ক্যাশলেস লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাহককে আরো উৎসাহ দিচ্ছে। এর ফলে এই খাতে বাংলাদেশের প্রভূত উন্নতি ঘটছে।
তিনি বলেন, নগদ ডাক বিভাগেরই সেবা। ডাক বিভাগ এবং নগদের সবাই মিলে আমরা নগকে আরো এগিয়ে নেবো। ডাক বিভাগ থেকে আমরা যেমন নগদকে ওউন করি একইভাবে সরকারও ওউন করে। এখন বছরে ১৩/১৪ কোটি টাকা পাওয়া যাচ্ছে। আশা করি সেই সময় দূরে নয় যখন বছরে এখান থেকে সরকার একশ কোটি টাকা রাজস্ব পাবে।
নগদের প্রসাশক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের সাধারণ মানুষকে আর্থিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে নগদের অবদান অসামান্য। নতুন নতুন উদ্ভাবনের পাশাপাশি বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করে গ্রাহক স্বার্থ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নগদের অবদান সবচেয়ে বেশী। সেই সঙ্গে প্রতি বছর সরকারের রাজস্ব আয়েও নগদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
২০১৯ সালের মার্চে যাত্রার পর থেকেই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে নগদ। পিছিয়ে পড়া মানুষকে আর্থিক অন্তৰ্ভুক্তিতে যুক্ত করার মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল আর্থিক খাতে বিপ্লব ঘটিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটির দৈনিক গড় লেনদেন প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা।
উদ্ভাবনী সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট চার্জসহ অত্যাধুনিক সব সেবা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে আর্থিক খাতে অভুতপূর্ব পরিবর্তন ঘটিয়েছে নগদ। সরকারের ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বিতরণের শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা উপবৃত্তি বিতরণ; প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের অনুদান বিতরণ, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বিভিন্ন সহায়তা ও ভাতার টাকা স্বচ্ছতার সঙ্গে উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে নগদ। ভবিষ্যতে কৃষক কার্ড, ইমাম-মোয়াজ্জিনদের ভাতা বিতরণ এবং সরকারের অন্যান্য যে সব ভাতা ও অনুদান বিতরণ হবে সেখানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে নগদ।



