জাতীয়
সংবিধান সংশোধনে বিরোধী দলকেও রাখতে চায় সরকার: চিফ হুইপ
সংবিধান সংশোধনের জন্য সরকার আন্তরিক বলে জানিয়েছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি।
বুধবার (১ এপ্রিল) সংসদ কমিটির তৃতীয় বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি।
নুরুল ইসলাম মণি বলেন, সংবিধান সংশোধনে অচিরেই সবার অংশগ্রহণে একটি কমিটি গঠন করা হবে। খুব শিগগিরই করা হবে। কত সদস্যের কমিটি হবে তা চূড়ান্ত নয়, তবে সরকারি ও বিরোধী দলের আইন বিশেষজ্ঞরা কমিটিতে থাকবেন।
তিনি আরও বলেন, সংসদকে কার্যকর করতে চাই। আমরা যা কিছুই করি তার জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আমরা তাদের (বিরোধী দল) চাই। আমাদের সদিচ্ছা আছে। তারা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে থাকবেন এমনটাই প্রত্যাশা করি।
সরকার দলীয় চিফ হুইপ বলেন, সংবিধান সংশোধনের জন্য, দেশের কল্যাণের জন্য যা করণীয় সব আমরা করতে চাই এবং এই চাওয়ায় বিরোধী পক্ষকে সঙ্গে চাই।
জাতীয়
সংবিধান সংশোধনে শিগগির বিশেষ কমিটি করা হবে: চিফ হুইপ
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, সংবিধান সংশোধনে অচিরেই একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হবে। সংবিধান সংশোধনের এই কমিটিতে আনুপাতিক হারে সব দলের প্রতিনিধি রাখার পরিকল্পনা রয়েছে জানান তিনি। স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্য থেকেও সদস্য রাখা হবে। সবার মতামত নিয়ে এই কমিটি অচিরেই করা হবে। আগামী রোববারের মধ্যে এই কমিটি হতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ হুইপ বলেন, সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে যারা আইন বিশেষজ্ঞ রয়েছেন তাদের রাখা হবে। অন্যান্য দল থেকে আইন বিশেষজ্ঞ না পাওয়া গেলেও প্রতিনিধি রাখা হবে। সবমিলিয়ে ১৫ থেকে ২০ সদস্যের কমিটি করা হতে পারে। যদিও এটা নির্দিষ্ট নয়।
সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনকে এমন পর্যায়ে নেওয়া হবে, যাতে বারবার কাঁচি চালাতে না হয়।
সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি করলে বিরোধী দল থাকবে না এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, তাদের এ অবস্থান সঠিক হবে না। আজ বা কাল হোক সংবিধান সংশোধন করতেই হবে। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে তাদেরকে আমরা চাই। এক হাতে যেমন হ্যান্ডশেক হয় না, কাঁচির একটা অংশ দিয়ে যেমন চুল কাটা যাবে না, দুটোই লাগবে। বিরোধীদল কমিটিতে থাকবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কারণ সংবিধান সংশোধন ছাড়া কোন রাস্তা নেই। জুলাই সনদ অনুযায়ী এটা করা উচিত। এটা দেশের জন্যই করা হবে। সরকারি দল সংসদকে কার্যকর করতে চায় দাবি করে চিফ হুইপ বলেন, সংসদের মাধ্যমে দেশের সব সমস্যার সমাধান করতে হবে।
বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে সংসদ অধিবেশন কক্ষে শব্দ তৈরি হওয়ার এক সেকেন্ড বা তার কম সময়ের মধ্যে শোষণ করতে সক্ষম ও প্রতিধ্বনিবিহীন সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের সুপারিশ করা হয়।
এছাড়া সংসদ অধিবেশন কক্ষে ইন্টারনেটের ধীরগতি দূর করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সংসদ এলাকায় পর্যাপ্ত সুপেয় পানি সরবরাহ ও আগামী ১০ তারিখের মধ্যে বাসা প্রস্তুতপূর্বক সংসদ সদস্যেদর বরাদ্দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
কমিটির সভাপতি ও চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশগ্রহণ করেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, মো. শহিদুল ইসলাম, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, অলি উল্লাহ, সাইফুল আলম মিলন এবং আবুল হাসনাত।
এমএন
জাতীয়
আরও ৪ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ
আরও চার জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বুধবার (১ এপ্রিল) রাজবাড়ী, ঠাকুরগাঁও, পাবনা ও রংপুর জেলায় ডিসি নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথোরিটির পরিচালক (উপসচিব) আফরোজা পারভীনকে রাজবাড়ী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হককে ঠাকুরগাঁও ও আমিনুল ইসলামকে পাবনা এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের সচিব (উপসচিব) মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে রংপুরের ডিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে এই চার জেলায় জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব চালিয়ে আসা উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
জাতীয়
পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে ৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
দেশের ৬৪ জেলায় পে স্কেলের দাবিতে কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সমিতির আহবায়ক আবদুল মালেক এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।
বুধবার (১ এপ্রিল) পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ৫ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
এদিন, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহবায়ক আব্দুল মালেক এবং সদস্যসচিব আশিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচি ঘোষণার কথা জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালে ৮ম পে স্কেল বাস্তবায়নের পর এখন পর্যন্ত নতুন কোনো পে স্কেল ঘোষণা করা হয়নি। এ সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা, গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের খরচ অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।
সংগঠনটির নেতারা মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রুত ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। তারা আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রেখে দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান।
এদিকে, দাবি আদায়ে দেশব্যাপী কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে আছে আগামী ৫ এপ্রিল থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের প্রতিটি জেলা শহরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান। এ ছাড়া ১০ এপ্রিল থেকে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় শহরে শান্তিপূর্ণ আলোচনাসভা ও প্রতিনিধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আছে।
সংগঠনের আহবায়ক আব্দুল মালেক এবং সদস্যসচিব আশিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি কামনা করা হচ্ছে।
এদিকে, নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ চেয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। একই সঙ্গে সংগঠনটি পে স্কেল বাস্তবায়নে ১০ দাবি উত্থাপন করেছে। রবিবার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
সংগঠনটির উত্থাপিত ১০ দাবি হলো-
১. অবিলম্বে নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন করা।
২. সার্ভিস বেনিফিটসহ টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল।
৩. ব্লক পোস্ট সমস্যা সমাধান করে পদোন্নতির পথ সুগম করা।
৪. কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পরিবারের স্বাস্থ্য ও আর্থিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি।
৫. কর্মকর্তা-কর্মচারীর দক্ষতা ও মানসিক কল্যাণ বৃদ্ধি।
৬. স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে অযাচিত পোস্টিং ও পদোন্নতির বাধা দূর করা।
৭. সমন্বিত অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা : সমস্যা সমাধানের জন্য দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা।
৮. নাগরিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দৈনন্দিন জীবন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৯. প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন প্রগ্রাম : কর্মকর্তা-কর্মচারীর দক্ষতা ও মানসিক কল্যাণ বৃদ্ধি করা।
১০. স্থানান্তর ও পোস্টিং নীতি : স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে অযাচিত পোস্টিং ও পদোন্নতির বাধা দূর করা।
গত বছরের ২৭ জুলাই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে ২১ সদস্য নিয়ে বেতন কমিশন গঠন করা হয়। সাবেক অর্থসচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের প্রধান করা হয়। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।
জাতীয়
হিটলারের প্রশংসা করায় আজহারিকে অস্ট্রেলিয়া ছাড়ার নির্দেশ
বাংলাদেশের জনপ্রিয় ধর্মীয় আলোচক মিজানুর রহমান আজহারিকে অস্ট্রেলিয়া ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সরকার। বুধবার (১ এপ্রিল) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজহারি তার ‘লিগ্যাসি অব ফেইথ’ নামক সিরিজের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেন, মেলবোর্ন, সিডনি ও ক্যানবেরা সফর করছিলেন। তবে সফরের মাঝপথেই মঙ্গলবার তার ভিসা বাতিল করে দেয় অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে তিনি দেশটি ত্যাগের অপেক্ষায় রয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ার লিবারেল সিনেটর জোনাথন ডুনিয়াম সিনেটে জানান, আজহারির অস্ট্রেলিয়া আগমন সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের আগে থেকেই বিভিন্ন গোষ্ঠী সতর্ক করেছিল।
ডেইলি মেইলের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে ২০২৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এক আলোচনায় হিটলারের প্রশংসা এবং ইহুদিবিদ্বেষী মন্তব্য করেন আজহারি। ওই আলোচনায় ইহুদিদের অমানবিক আখ্যায়িত করে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানান আজহারি।
জাতীয়
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর সাক্ষাৎ
বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক সমন্বয়কারী (ইউএনআরসি) ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেচনিয়াক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হওয়া সাক্ষাতে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে জাতিসংঘের কান্ট্রি অফিস ও বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রমের প্রশংসা করেন, বিশেষ করে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তাদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।
তিনি জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কাজ করার নিজের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিজয়ের পর জাতিসংঘ মহাসচিবের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাঠানো চিঠির কথা স্মরণ করেন এবং নতুন সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়নে জাতিসংঘের অব্যাহত সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
২০২৫ সালে জাতিসংঘ মহাসচিবের বাংলাদেশ সফরের কথা স্মরণ করে প্রতিমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন নতুন সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি এ বিষয়ে বহুপাক্ষিক উদ্যোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে অর্থায়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেচনিয়া বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার আশ্বাস দেন। তিনি নারী ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ সমতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে জাতিসংঘের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথাও উল্লেখ করেন।
প্রতিমন্ত্রী এসব অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং জাতিসংঘের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এর আগে, ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেচনিয়াক পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।



