সারাদেশ
যশোরের চৌগাছায় তিন দিনব্যাপী গুড়ের মেলা অনুষ্ঠিত, উৎসবে মেতেছেন গাছি ও দর্শনার্থীরা
চৌগাছায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্ত প্রদর্শন ও গুড়েরমেলা উদ্বোধন হয়েছে।এ উপলক্ষে রযালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি অফিসের আয়োজনে উপজেলা চত্বরে যশোর অঞ্চলের টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (১৭ই ফেব্রুয়ারী) সকালে মেলা উপলক্ষে এক রযালী অনুষ্ঠিত হয়। রযালীটি বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে উপজেলা চত্তরে এসে শেষ হয়। এরপর কাংখিত সেই মেলার ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আহমদ। এরপর নেতৃবৃন্দ মেলায় অংশ নেয়া বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
সকাল সাড়ে ১১ টায় বৈশাখী মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আহমদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির আলোচনা করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক আলমগীর বিশ্বাস ।
বিশেষ অতিথির আলোচনা করেন কৃষি সম্প্রসারণ যশোরের উপপরিচালক মোঃ মোশারফ হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসাব্বির হুসাইন প্রমুখ।
এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেশমা খাতুন, উপজেলা প্রকৌশলী সিদ্ধার্থ কুমার কুন্ডু, শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সামছুন্নাহারসহ উপজেলা পরিষদের সকল দপ্তরের কর্মকর্তা, থানা পুলিশ,বিজিবি ,বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, স্কুল কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থী, মেলায় অংশ নেয়া গাছি ও কৃষক, গণমাধ্যমকর্মী স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
নেতৃবৃন্দ এ সময় বলেন, যশোরের চৌগাছা হচ্ছে কৃষির জন্য বিখ্যাত। এখানকার কৃষকরা ব্যাপক পরিশ্রমী ও তারা মাঠে যে ফসল ফলান তাতেই লাভবান হন। কৃষির সাথে যুক্ত হয়েছে জিআই পন্য খেজুরের গুড়। গত কয়েক বছর থেকে প্রতি বছর কোটি টাকার গুড় বিক্রি করছে গাছিরা ।
কয়েক বছর ধরে অনুষ্ঠিত এই গুড়ের মেলা মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। কৃষি ও খেজুর গাছ কাটার সাথে সম্পৃক্ত গাছিদের সার্বিক মানউন্নয়নে কৃষি অফিস সর্বদা কাজ করে যাচ্ছেন।
আলোচনা শেষে বৈশাখী মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পিদের পাশাপাশি খুলনার বহুল পরিচিত কৌতুক অভিনেতা শ্যাম্পুটুকু কৌতুক উপস্থাপন করেন।
উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের হয়াতপুর গ্রামের সফল গাছি কাজী আব্দুল হাই বলেন, তিনবার মেলা হয়েছে এবং তিন বারই আমি সেরা গাছি ও গুড় তৈরীর জন্য পুরস্কার পেয়েছি অন্য গাছি একই গ্রামের কামাল বলেন আমার ১০৫ টা খেজুর গাছ আছে আমি পালা করে গাছ কাটি, আমার গুড়ের গুণগত .মান ১০০% বিশুদ্ধ ।
গুড়ের মেলায় অংশ নেয়া চৌগাছার পাঁচনামনা গ্রামের আছের আলী বলেন, গুড় মেলা আমাদের প্রাণের মেলায় পরিনত হয়েছে। এবছর মেলা বিলম্ব হওয়ায় দুঃশ্চিন্তায় ছিলাম, অববেশে কাংখিত মেলা শুরু হয়েছে। আমার নিজের হাতে কাটা গাছ থেকে গুড় নিয়ে এসেছি আশা করছি সবই বিক্রি হয়ে যাবে।
আশা করছি এবছরও তার ব্যতিক্রম ঘটবে না। প্রকার ভেদে এক কেজি গুড় ৪শ থেকে ৫শ টাকা এবং পাটালি ৫শ থেকে ১ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বলে মেলায় অংশ নেয়া গাছিরা জানান।
এমএন
সারাদেশ
প্রথম রোজায় ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ
পবিত্র রমজান মাসের শুরুর দিনে দেশে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সুনামগঞ্জের ছাতক।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
ইউরোপিয়ান-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।
ভূমিকম্পটির উত্তপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ১৮১ কিলোমিটার দূরে সুনামগঞ্জের ছাতকে উল্লেখ করে মাই আর্থকোয়েক অ্যালার্ট জানায়, সিলেট নগরীসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় কয়েক সেকেন্ড ধরে কম্পন অনুভূত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর সিলেট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ১০। এর গভীরতা স্বল্পমাত্রার হওয়ায় আশপাশের এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে।
সারাদেশ
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ আহম্মেদ হাওলাদারের শেষ বিদায়
শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানাধীন উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ফরিদ আহম্মেদ হাওলাদার ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় এলাকাবাসী এবং উপজেলা প্রশাসনের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শোকবার্তায় বলা হয়, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ আহম্মেদ হাওলাদারের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। স্বাধীনতার এই ঋণ কখনো শোধ হবার নয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।
এমএন
সারাদেশ
তারাবুনিয়া দরবার শরীফে ৫৫তম বার্ষিক ইছালে ছাওয়াব মাহফিল ও পাগড়ি প্রদান সম্পন্ন
শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানাধীন তারাবুনিয়া দরবার শরীফে মরহুম পীরে কামেল আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা ইদ্রিস সাহেব (রহ.) এবং পীরে কামেল আলহাজ্ব মাওলানা আবুল খায়ের মো. ওবায়েদ উল্লাহ সাহেব (রহ.)-এর স্মরণে ৫৫তম বার্ষিক ইছালে ছাওয়াব ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তারাবুনিয়া দরবার শরীফ মাঠে আয়োজিত এই মাহফিলে সভাপতিত্ব ও দোয়া পরিচালনা করেন আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আবুছালেহ পীর সাহেব। মাহফিলে দেশ-বিদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বরেণ্য আলেম-ওলামারা উপস্থিত ছিলেন। তারা দুনিয়াবি জীবন, আখিরাত এবং মানুষের হেদায়েতের ওপর গুরুত্বপূর্ণ ও তাত্ত্বিক আলোচনা পেশ করেন।
মাহফিলের বিশেষ মুহূর্ত ছিল, আখেরি মুনাজাতের পূর্বে ৯ জন কোরআনের পাখিকে দস্তারবন্দী (পাগড়ি) পরিয়ে দেওয়া। হিফজ সম্পন্ন করা কোরআনের পাখিরা হলেন:
- হাফেজ মো. ছিয়াম হোসেন (পিতা: শরীফ আখন)
- হাফেজ মো. আবু রায়হান (পিতা: শাহজাহান সরকার)
- হাফেজ মো. ছাকিব আখন হাসান (পিতা: আব্দুল জলিল লস্কর)
- হাফেজ মো. শাহাদাৎ হোসেন (পিতা: আ. রহমান বকাউল)
- হাফেজ মো. রাতুল (পিতা: মো. বিল্লাল পাঠান)
- হাফেজ মো. আবু রায়হান (পিতা: কালা মদ্দীন সরদার)
- হাফেজ মো. নিজুম আরাফাত (পিতা: হাসান আলী আখন)
- হাফেজ মো. মাহবুব সরকার (পিতা: নুরে আলম সরকার)
- হাফেজ মো. জালাল উদ্দিন (পিতা: মুনছুর আহমদ কাজী)
আখেরি মুনাজাতের পূর্বে নতুন হাফেজদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং দেশ ও প্রবাসীদের কল্যাণ কামনা করে দোয়া করা হয়। এছাড়া যারা এই মাহফিল বাস্তবায়নে শ্রম ও অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন, তাদের জন্যও মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় ও দোয়া করা হয়। মাহফিলে বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি মাহফিলের মূল কার্যক্রম শেষে ১৬ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) সকালে আখেরি মুনাজাতের মাধ্যমে এই ধর্মীয় আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।
সারাদেশ
ওমরাহ পালনে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৫
ওমরাহ শেষে সৌদি আরবে বাসায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত তিনটার দিকে জেদ্দা থেকে বাসায় ফেরার পথে আবহা শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিহত মিজানের বড় ভাই বাহারুল আলম পাঁচজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন- লক্ষ্মীপুরের সৌদি প্রবাসী মিজানুর রহমান মিজান (৪০), তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার সুমি (৩০), স্কুলপড়ুয়া মেয়ে মেহের আফরোজ (১৩) ও দেড় বছর বয়সী মেয়ে সুবহা আক্তার।
এছাড়া দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ির চালক মো. জিলানী বাবর (৩০) নিহত হন। এদিকে একই ঘটনায় মিজানের মেজো মেয়ে ফাইজা আক্তার (১১) গুরুতর আহত হয়ে জেদ্দা শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
নিহত মিজান লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের নলচরা গ্রামের ওশিম উদ্দিন বেপারী বাড়ির শহিদ উল্যার ছেলে। নিহত মেহের আফরোজ স্থানীয় টিউরি উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। নিহত প্রবাসী গাড়ির চালক একই ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের পাটওয়ারী বাড়ির আবুল হোসেন পাটওয়ারী খোকার ছেলে।
নিহতের মিজানের বড় ভাই বাহারুল আলম জানান, মিজান সৌদি প্রবাসী। ৩ ফেব্রুয়ারি তার স্ত্রী ও ৩ মেয়েকে নিয়ে ওমরাহ করতে যান। ৫ দিন আগে ওমরাহ’র উদ্দেশ্যে তারা সৌদির বাসা থেকে বের হন। ওমরাহ শেষে রবিবার রাতে জেদ্দা থেকে বাসায় ফেরার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন।
নিহত মিজানুর রহমানের মামাতো ভাই রিফাতুল ইসলাম জানান, পার্শ্ববর্তী গ্রামের সৌদি প্রবাসী পারভেজ ভূঁইয়ার মাধ্যমে তারা মিজানসহ ৫ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন। এছাড়া মিজানের মেজো মেয়ে ফাইজা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাশিদ বিন এনাম বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় সৌদি আরবে পাঁচজন মারা গেছে বলে শুনেছি। শোকাহত পরিবারের প্রতি আমরা সমবেদনা জানাচ্ছি। মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনতে আমরা সব রকম সহযোগিতা করব।
এমএন
সারাদেশ
কুমিল্লায় ৮৩ প্রার্থীর মধ্যে ৫৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি আসন থেকে ৮৩ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাদের মধ্যে ৫৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জামানত টিকেছে ২৬ জনের। জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সব প্রার্থীর।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
কুমিল্লা-১ আসনে নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় করেন। তাদের মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত হয় সাতজনের। জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জায়েদ আল মাহমুদ, ওমর ফারুক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বশির আহমেদ, বাংলাদেশ জাসদের বড়ুয়া মনোজিত ধীমান, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোহাম্মদ আবুল কালাম, এবি পার্টির মো. সফিউল বাসার ও জাতীয় পার্টির সৈয়দ মো. ইফতেকার আহসান।
কুমিল্লা-২ আসনে ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তারা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আশরাফুল আলম, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আব্দুস সালাম ও জাতীয় পার্টির মো. আমির হোসেন। কুমিল্লা-৩ আসন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন নয়জন। তাদের মধ্যে সাতজনের মনোনয়ন বাজেয়াপ্ত হয়।
ওই প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আহমদ আবদুল কাইয়ুম, আমজনতার দলের চৌধুরী রকিবুল হক, গণঅধিকার পরিষদের মনিরুজ্জামান, বিআরপির মো. এমদাদুল হক, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. খোরশেদ আলম, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. শরীফ উদ্দিন সরকার ও এনডিএমের রিয়াজ মো. শরীফ।
কুমিল্লা-৪ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন পাঁচ প্রার্থী। এদের মধ্যে তিনজনের মনোনয়ন বাজেয়াপ্ত হয়। তারা হলেন-ইনসানিয়াত বিপ্লবের ইরফানুল হক সরকার, খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ মজিবুর রহমান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল করিম।
কুমিল্লা-৫ আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে আটজনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন- বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবদুল্লাহ আল ক্বাফী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আবুল কালাম ইদ্রিস, ইনসানিয়াত বিপ্লবের তানজিল আহমেদ, এনপিপির মো. আবুল বাসার, জাতীয় পার্টির মো. এমরানুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রাশেদুল ইসলাম, এবি পার্টির যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া ও জেএসডির শিরিন আক্তার।
কুমিল্লা-৬ আসনে নয় প্রার্থীর মধ্যে সাতজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তারা হলেন- জেএসডির ওবায়দুল করিম মোহন, বাসদের কামরুন্নাহার সাথী, গণঅধিকার পরিষদের মোবারক হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, মুক্তিজোটের মো. আমির হোসেন ফরায়েজী, বিএমএলের মো. ইয়াছিন ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মাসুমবিল্লাহ মিয়াজী।
কুমিল্লা-৭ আসনে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে দুইজনের মনোনয়ন বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. এহতেশামুল হক এবং মুক্তিজোটের সজল কুমার কর।
কুমিল্লা-৮ আসনে আটজন প্রার্থীর মধ্যে ছয় জনের মনোনয়ন বাজেয়াপ্ত হয়। তারা হলেন- ইসলামী ঐক্যজোটের আবদুল কাদের, জাতীয় পার্টির এইচ এম এম ইরফান, বিএসপির মোহাম্মদ গোলাম মোরশেদ, বাসদের মো. আলী আশ্রাফ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. গোলাম ছাদেক ও বিআরপির মফিজ উদ্দীন আহমেদ।
কুমিল্লা-৯ আসনে আট প্রার্থীর মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ছয়জনের। ওই প্রার্থীরা হলেন- ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবু বকর ছিদ্দিক, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল কাশেম, জাতীয় পার্টির গোলাম মোস্তফা কামাল, মুক্তিজোটের মিজানুর রহমান চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিরা আজিম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সেলিম মাহমুদের।
কুমিল্লা-১০ আসনে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনের মনোনয়ন বাজেয়াপ্ত হয়। তারা হলেন- মুক্তিজোটের কাজী নুরে আলম ছিদ্দিকি, আমজনতার দলের আবদুল্লাহ আল নোমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. শামসুদ্দোহা, গণ অধিকার পরিষদের রমিজ বিন আরিফ ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের হাছান আহমেদ।
কুমিল্লা-১১ আসনে সাতজনের মধ্যে পাঁচজনের মনোনয়ন বাজেয়াপ্ত হয়। তারা হলেন-বাংলাদেশ কংগ্রেসের আ ফ ম আবদুর রহিম, মুক্তিজোটের মোহাম্মদ ইউসুফ, গণফ্রন্টের মো. আলমগীর ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মহিউদ্দিন।
ইসির জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হবে। অন্যথায় জামানত বাবদ জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রার্থীরা ৫০ হাজার টাকা জামানত বাবদ জমা দিতে হয়েছে।



