জাতীয়
শপথ অনুষ্ঠানে আসছেন না মোদি, ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন স্পিকার
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নবনির্বাচিত বাংলাদেশের সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আসছেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। আগামী মঙ্গলবার এই শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রিও উপস্থিত থাকবেন বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘গুরুত্বপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে স্পিকারের অংশগ্রহণ ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বকে তুলে ধরে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, যা আমাদের দুই জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছে, তার প্রতি ভারতের অবিচল প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।’
অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে আবদ্ধ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত বাংলাদেশে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন একটি নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে যে গণতান্ত্রিক উত্তরণ ঘটছে, তাকে স্বাগত জানায়। তারেক রহমানের লক্ষ্য ও মূল্যবোধ দেশের জনগণের বিপুল সমর্থন লাভ করেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিএনপি। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকার আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নিতে যাচ্ছে।
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস চীন, ভারত, পাকিস্তানসহ ১৩ দেশের সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। দিল্লি থেকে জানা গেছে, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গতকাল শনিবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পাঠানো আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন।
জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দল বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার ১৩টি দেশের সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়। আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় আরও রয়েছে সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান।
এমএন
জাতীয়
হামের চিকিৎসায় বিএমইউতে ৮ শয্যার ওয়ার্ড চালু
দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ায় উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিতে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) বিশেষায়িত হাম ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিএমইউ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএমইউয়ের পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতেকা রহমান জানিয়েছেন, সি ব্লকের দ্বিতীয় তলায় হামে আক্রান্ত রোগীদের জন্য আট শয্যার একটি ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি ওয়ার্ডটির পরিসরও সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া হাম শনাক্তে একটি স্ক্রিনিং সেন্টার চালু করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার হাম ওয়ার্ডটি পরিদর্শন করেন পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতেকা রহমান ও উপ-পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. মোহাম্মদ আবু নাছেরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বর্তমানে ওয়ার্ডটিতে চারজন রোগী ভর্তি রয়েছেন। হাম পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে এবং ২ নম্বর বহির্বিভাগে একটি স্ক্রিনিং সেন্টার চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া এফ ব্লকের দ্বিতীয় তলায় একটি সম্প্রসারিত আইসোলেশন ওয়ার্ড স্থাপনেরও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জাতীয়
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে, জানালেন প্রতিমন্ত্রী
সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলো জাতীয় সংসদে আইনে পরিণত হওয়ার পরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
আজ শনিবার (০৪ মার্চ) সকালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে ১৪ জেলার পরিষদে নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকদের শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় এ কথা বলেন তিনি।
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশসমূহ সংসদে আইনে পরিণত হওয়ার পরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন সংসদের মাধ্যমে বাতিল করা হবে।
এ ছাড়া আরো কিছু অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করার পর স্থানীয় সরকার নির্বাচন।’
মীর শাহে আলম বলেন, ‘যারা ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে নির্যাতনের শিকারের পাশাপাশি জনগণের পাশে থেকে কাজ করেছে এবং জাতীয় নির্বাচনে যাদের মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ পেলেও সব বিষয়ে তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।’
অর্থনীতি
শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির উপস্থিত রয়েছেন বলে সরকারি জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈঠকে জ্বালানির চলমান সংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে।
এ ছাড়া এ বৈঠকের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো ‘বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদ’ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে। নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে একটি কাঠামোগত সংলাপের পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করবে প্লাটফর্মটি।
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গঠিত এই পরিষদে অর্থমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি বস্ত্র, ওষুধ, ফুটওয়্যার, অটোমোবাইল ও ভোগ্যপণ্য খাতের ৯ জন উদ্যোক্তা সদস্য হিসেবে থাকছেন। ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা এবং পুঁজিবাজারের অস্থিরতা নিয়েও ব্যবসায়ীরা উদ্বেগ প্রকাশ করতে পারেন।
জাতীয়
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ আইন হচ্ছে
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশকে’ আইনে রূপান্তর করতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার।
অধ্যাদেশটি সংশোধন করে শাস্তির বিধানও যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিএনপি বলেছিল, নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নয় তারা। এ বিষয়ে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু সরকার গঠনের পর বিএনপি অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করার উদ্যোগ নিয়েছে।
ফলে নির্বাহী আদেশ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকছে। আর শাস্তির বিধানসহ এটি আইনে পরিণত হলে আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে আরও বেগ পেতে হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩ অধ্যাদেশ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনে গত ১৩ মার্চ উত্থাপন করা হয়। সেদিন গঠিত ১৪ সদস্যের বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই করে।
সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অধ্যাদেশ সংসদে পাস না হলে ৩০ দিন তথা ১২ এপ্রিলের পর তা কার্যকারিতা হারাবে।
গত বৃহস্পতিবার বিশেষ কমিটি ৯৮টি অধ্যাদেশ পরির্বতন ছাড়াই আইনে পরিণত করতে সংসদে বিল উত্থাপনের সুপারিশ করেছে। ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়। ১৬টি অধ্যাদেশে এখনই উত্থাপন নয় এবং চারটি রহিত করে হেফাজতের সুপারিশ রয়েছে প্রতিবেদনে।
যে ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল হিসেবে সংসদে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে এর অন্যতম হলো- ২০২৫ সালের ১১ মে জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ’।
এই অধ্যাদেশ বলে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ এবং ২০ ধারা সংশোধন করে গত বছর আওয়ামী লীগ এবং দলটির সব সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। একই আইনে ২০২৪ সালের অক্টোবরে নিষিদ্ধ করা হয় ছাত্রলীগকে।
এনসিপি নেতারা গত বছরের ৯ মে রাতে তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনার কাছে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। পরে এতে জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন, এবি পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন দল যোগ দেয়।
১১ মে রাতে যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুটি ধারা সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার।
এতে বলা হয়, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কাজের জন্য জড়িত থাকলে নির্বাহী আদেশে সরকার তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে পারবে।
একই দিনে সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে।
অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগকে সরাসরি নিষিদ্ধ করেনি। তবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় অধ্যাদেশের ২০ ধারা অনুযায়ী আওয়ামী লীগ মিছিল-সভা-সমাবেশ করতে পারবে না, দলটির কার্যালয় বন্ধ থাকবে, ব্যাংক হিসাব জব্দ হবে, পোস্টার-ব্যানার প্রচার করতে পারবে না, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিতে পারবে না, গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে তা প্রকাশ করা যাবে না এবং সংবাদ সম্মেলন করতে পারবে না দলটি।
আইনে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ সংগঠন এসব কার্যক্রম পরিচালনা করলে চার থেকে ১৪ বছর কারাদণ্ড হতে পারে। তবে অধ্যাদেশে বলা হয়নি কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন সভা-সমাবেশ করলে কী শাস্তি হবে। ফলে এতদিন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকলেও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার শাস্তির বিধান ছিল না।
অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়েছে সংসদের বিশেষ কমিটি। সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশটি সংসদে পাসের সুপারিশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের মতামতে বলা হয়েছে, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ সত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করলে সাজার বিধান নেই অধ্যাদেশে। সাজার বিধান যুক্ত করা যেতে পারে।’
তবে সরকারি সূত্র জানিয়েছে, নিষিদ্ধ সংগঠনের জন্য আইনের ১৬ ধারায় যেসব সাজার বিধান রয়েছে, সেগুলোই প্রযোজ্য হবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের জন্য।
আওয়ামী লীগ এ ব্যাপারে দলীয়ভাবে মন্তব্য করতে চায় না বলে জানিয়েছেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুর রহমান। তবে তিনি এ বিষয়ে গনমাধ্যমকে বলেছেন, যা করার জনগণই করবে। দল নিষিদ্ধ হওয়া ও কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আওয়ামী লীগের জন্য নতুন নয়। অতীতে এমন বিপর্যয় মোকাবিলা করেছে আওয়ামী লীগ।
অধ্যাদেশটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আওয়ামী লীগ আদালতে যাবে কিনা- এমন প্রশ্নে আবদুর রহমান বলেন, যেখানে যে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, সেখানে তাই নেওয়া হবে। যেখানে প্রতিবাদ করার দরকার হবে, সেখানে প্রতিবাদ করা হবে।
জাতীয়
দোকানপাট বন্ধ ও খোলার সময়সূচি পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট ক্রমেই গভীর হচ্ছে, যার প্রভাবে বাংলাদেশে দোকানপাট ও শপিংমলগুলোর কার্যক্রমে নতুন সময়সূচির ঘোষণা এসেছে। সরকারের পক্ষ থেকে দেশের সব দোকানপাট এবং শপিংমল সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে, এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা।
শুক্রবার সন্ধ্যায় এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান জানান, সরকারের নতুন সময়সূচি ব্যবসায়ীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। সন্ধ্যা ৬টার পরিবর্তে রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হলে ব্যবসায়ীরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন। এছাড়াও তারা সকাল ৯টার পরিবর্তে সকাল ১১টায় দোকান খোলার অনুমতি চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দিয়েছেন।
বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক জরুরি ভার্চুয়াল সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়। যেখানে বলা হয় প্রায় ৭০ লাখ দোকান ব্যবসায়ী এবং আড়াই কোটি কর্মচারীর জীবন-জীবিকা স্বাভাবিক রাখতে সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা জরুরি।
এই প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে, ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলে দোকানপাট ও শপিংমল সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী নেতারা।
এদিকে, এই প্রস্তাবের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি, তবে দ্রুতই এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সমিতির নেতারা।



