জাতীয়
বাংলাদেশ মিশনে গিয়ে খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানালেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শাহবাজ শরিফ। এ উপলক্ষে তিনি ইসলামাবাদে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন পরিদর্শন করে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন।
বাংলাদেশ হাইকমিশন ও পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের বিবৃতিতে জানায়, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ হাইকমিশনে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ইসরাত জাহানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আনুষ্ঠানিকভাবে সমবেদনা জানান।
এ সময় প্রেস কাউন্সেলর মো. তৈয়ব আলী ও কাউন্সেলর (কনস্যুলার) সরদার মোহাম্মদ নোমানুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি পাকিস্তানের ফেডারেল তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তারিক ফাতেমিও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
শোকবইয়ে স্বাক্ষরকালে বেগম খালেদা জিয়াকে একজন দূরদর্শী নেতা ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন শাহবাজ শরিফ।
তিনি বলেন, জনসেবায় নিবেদিত এই নেত্রী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি স্থায়ী ও অনুপ্রেরণাদায়ক উত্তরাধিকার রেখে গেছেন। পাকিস্তানের একজন আন্তরিক বন্ধু হিসেবেও তার ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
শোকবার্তা শেষে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন এবং তার পরিবার, গুণগ্রাহী ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।
একই সঙ্গে তিনি দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বাংলাদেশের সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছাও জানান।
এদিকে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনে এসে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ইসরাত জাহান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শেহবাজ শরিফকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
এমকে
জাতীয়
অবশেষে পুরস্কার পাচ্ছেন কবি মোহন রায়হান, হস্তান্তর ২ মার্চ
স্থগিত থাকা কবি মোহন রায়হানের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হবে আগামী ২ মার্চ। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, কবি মোহন রায়হানকে ২৯২৬ সালের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন পত্রিকা ও সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরূপ সমালোচনা হওয়ায় তাৎক্ষণিক এ পুরস্কার প্রদান স্থগিত রেখে অভিযোগ পর্যালোচনা করার সিদ্ধান্ত হয়।
‘উত্থাপিত অভিযোগ পর্যালোচনা করার জন্য গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রণালয়ে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিব উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ পর্যালোচনান্তে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিক্রমে কবি মোহন রায়হানকে ২০২৬ সালের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।’
‘উত্থাপিত অভিযোগ পর্যালোচনা করার জন্য গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রণালয়ে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিব উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ পর্যালোচনান্তে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিক্রমে কবি মোহন রায়হানকে ২০২৬ সালের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।’
জাতীয়
১৩ সচিব পদ খালি
প্রশাসনে ১৩ জন সচিবের পদ খালি রয়েছে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার গঠনের পর আগের সরকারের সময়ে চুক্তিতে নিয়োগ পাওয়া সচিবদের চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকজন সচিবকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রশাসনিক শীর্ষ পদে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের পদ খালি রয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের সচিব পদমর্যাদায় তিনজন সদস্যের পদ খালি রয়েছে। ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য, আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য এবং শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য পদে কোনো কর্মকর্তা নেই।
এছাড়া জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক, ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যানের পদ শূন্য রয়েছে। মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি) সিনিয়র সচিবদের পদটিও খালি রয়েছে।
এসব পদে নিয়োগ পেতে কর্মকর্তাদের দৌড়ঝাঁপ চলছে। সরকার আস্থাভাজন হিসেবে অবসরে যাওয়া কিছু কর্মকর্তাকে এসব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মাধ্যমে ফেরাতে চাইছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
তবে সরকারের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের উদ্যোগের কারণে কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। এরইমধ্যে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি অবসরপ্রাপ্ত সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীকে এক বছরের চুক্তিতে স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে বিএনপি।
নতুন সরকারের শপথ নেওয়ার একদিন আগে ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়ার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদও বাতিল করা হয়। তিনিও পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।
এরপর গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া ৯ সিনিয়র সচিবের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়। তারা সবাই অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিয়োগ পেয়েছিলেন। প্রায় সবার মেয়াদই চলতি বছরের শেষের দিকে শেষ হওয়ার কথা।
একই দিন গত সরকারের সময়ে সচিব হওয়া তিনজন কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
জাতীয়
ছুটির দিনেও অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার পর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত কার্যালয়ে আসেন তিনি। কার্যালয়ের দপ্তর প্রধান, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী তেজগাঁও কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অধীনস্থ দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন।
এ ছাড়া বিকেলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সন্মেলন কেন্দ্রে সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিলে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।
জাতীয়
রাজধানীতে আজ কোথায় কী
রাজধানীতে প্রতিনিয়ত সড়কে বের হয়ে নানা ধরনের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। বিভিন্ন কর্মসূচির কারণে স্থবির হয়ে পড়ে নানা সড়ক। তাই সকালে বের হওয়ার আগে আজ কোথায় কোন কর্মসূচি তা জেনে নিন।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিনের শুরুতেই দেখে নিন গুরুত্বপূর্ণ কিছু কর্মসূচির তালিকা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কর্মসূচি বিকেল ৪টায় দৈনিক প্রথম আলো অফিস পরিদর্শন করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সেতুমন্ত্রীর কর্মসূচি বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৮নং ওয়ার্ডে নিউমার্কেট ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিথি থাকবেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।
মৎস্যমন্ত্রীর কর্মসূচি সকাল সাড়ে ১০টায় জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ।
মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রীর কর্মসূচি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন নবনিযুক্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালামের সঙ্গে দুপুর ১২টায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে নগর ভবনে যাবেন। তথ্যমন্ত্রীর কর্মসূচি বিকেল ৪টায় প্রথম আলো অফিস পরিদর্শন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
এরপর বিকেল ৫টায় নিটোরে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ইফতার মাহফিলে অংশ নেবেন তিনি।
জাতীয়
ভূমিকম্পে বেশি ঝুঁকিতে যেসব এলাকা
চলতি ফেব্রুয়ারির ২৭ দিনে দেশবাসী অনুভব করল ১০টি মৃদু ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প; গতকালের দুই দফা কম্পন আলাদা করে ধরলে সংখ্যা দাঁড়ায় ১১।
সর্বশেষ গতকাল (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫২ মিনিট ২৯ সেকেন্ডে অনুভূত হয় একটি মাঝারি মাত্রার ভূকম্পন। উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার আশাশুনি এলাকা। পশ্চিমের জেলা সাতক্ষীরায় সৃষ্ট কম্পন রাজধানী ঢাকা হয়ে পূর্বে চট্টগ্রাম পর্যন্ত অনুভূত হয়।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা জানান, সর্বশেষ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৪, যা মাঝারি মাত্রার।
চলতি মাসের শুরু থেকেই একের পর এক কম্পন অনুভূত হচ্ছে। ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে ৩ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। ৩ ফেব্রুয়ারি একই দিনে একাধিকবার কেঁপে ওঠে দেশ; সেদিন সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪ দশমিক ১ মাত্রার কম্পন রেকর্ড হয়।
একই সময়ে মায়ানমারে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার প্রভাব পড়ে বাংলাদেশেও। ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সিলেটে আরো দুটি কম্পন টের পাওয়া যায়। ১৯ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের ছাতকে ৪ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে ৫ দশমিক ১ মাত্রার আরেকটি কম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল মায়ানমারে।
২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের সিকিমে ৩ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের প্রভাব পড়ে বাংলাদেশে। সর্বশেষ ২৭ ফেব্রুয়ারির ৫ দশমিক ৪ মাত্রার কম্পন মিলিয়ে সংখ্যাটি দাঁড়ায় ১০।
এর আগে গত নভেম্বরে ঘন ঘন ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে। ২১ নভেম্বর নরসিংদীর মাধবদীতে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দেশের অধিকাংশ এলাকা। নিহত হন ১০ জন, আহত হয় ছয় শতাধিক।
পরদিন তিনটি ভূমিকম্প হয়। পরবর্তী কয়েক দিনে একের পর এক ভূকম্পে বারবার কেঁপে ওঠে দেশ। তখন বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছিলেন, বড় ধরনের ভূমিকম্পের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না- প্রস্তুতি বাড়াতে হবে এখনই।
ভূতত্ত্ববিদদের মতে, বাংলাদেশ ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত, ফলে এখানে ভূমিকম্পের ঝুঁকি ঐতিহাসিকভাবেই বেশি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও জলবায়ু সহনশীলতা বিভাগের অধ্যাপক ড. জিল্লুর রহমান বলেন, সাতক্ষীরা অঞ্চল তুলনামূলক কম ঝুঁকিতে থাকলেও উত্তর ও পূর্বাঞ্চল উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ। ঢাকাকে মাঝারি ঝুঁকির মধ্যে ধরা হলেও ঘনবসতি ও অনিয়ন্ত্রিত নগরায়ণের কারণে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পও ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
তিনি বলেন, ‘দেশের ভিতরে ছোট ছোট অজ্ঞাত ফল্ট লাইন চিহ্নিত করা জরুরি। রাজধানী ও চট্টগ্রামকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ নগরী হিসেবে চিহ্নিত করছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, রাজধানীতে প্রায় ২১ লাখ ৪৬ হাজার ভবনের বড় অংশই ঝুঁকিপূর্ণ।’
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি (সিডিএমপি) ও জাইকার যৌথ জরিপে বলা হয়েছে, ঢাকায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হলে অন্তত ৭২ হাজার ভবন ধসে পড়তে পারে এবং ১ লাখ ৩৫ হাজার ভবন আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে তৈরি হবে ৭ কোটি টন কংক্রিটের স্তূপ।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) তথ্য অনুযায়ী নগরীর ৩ লাখ ৮২ হাজার ১১১টি ভবনের মধ্যে ৭০-৮০ শতাংশ বিভিন্ন মাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ।




