সারাদেশ
নির্বাচনে আর্থিক সহযোগিতা চাইলেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) সংসদীয় আসনের আলোচিত প্রার্থী এবং এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে সমর্থকদের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন।
এর আগে ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা একইভাবে সমর্থকদের কাছে নির্বাচনী ব্যয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়েছিলেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে, ডা. তাসনিম জারার দেখানো পথেই হাঁটলেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ। নির্বাচনী ব্যয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের বিকাশ পার্সোনাল নম্বর ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য প্রকাশ করেন। রোববার (৪ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে ৪৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি এই আহ্বান জানান।
ফেসবুক পোস্টের শিরোনামে তিনি লেখেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনাদের আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন। আমি বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে নির্বাচন করছি। পাঁচটি বড় নদীঘেরা প্রত্যন্ত ও প্রান্তিক অঞ্চলে নির্বাচনী প্রচারণার খরচ মেটাতে দরকার আপনাদের দোয়া ও আর্থিক সহযোগিতা। ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে জুলাই সনদের ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লড়াই শত শত শহীদের রেখে যাওয়া আমানত। আসুন, সবাই মিলে শহীদ ওসমান হাদির দায় ও দরদের বাংলাদেশ গড়ি, ইনসাফ ও আজাদির লড়াই চালিয়ে যাই।
পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, যারা জনতার টাকায় জনমুখী রাজনীতিতে সহায়তা করতে চান, তাদের জন্য তিনি ব্যাংক হিসাব নম্বরসহ নগদ ও বিকাশ নম্বর প্রকাশ করেছেন।
ভিডিও বার্তায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, আসসালামু আলাইকুম প্রিয় দেশবাসী। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমি এবি পার্টির পক্ষ থেকে ঈগল প্রতীকে বরিশাল-৩ আসন থেকে নির্বাচন করছি। নির্বাচন করতে অর্থ প্রয়োজন। আমার ব্যক্তিগত আর্থিক অবস্থা এমন নয় যে নিজের টাকায় পুরো নির্বাচনী ব্যয় বহন করতে পারি। তাই যারা আমাকে ভালোবাসেন ও সমর্থন করেন অনলাইনে কিংবা অফলাইনে তাদের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ, যাদের পক্ষে সম্ভব তারা যেন আমার নির্বাচনী তহবিলে সহযোগিতা করেন।
তিনি আরও জানান, নগদ, বিকাশ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রাপ্ত অর্থের পূর্ণ হিসাব এবং কোথায় ও কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, তা নিয়মিতভাবে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভিডিও বার্তাটি শেষ করেন তিনি।
সারাদেশ
নওগাঁয় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৭ ডিগ্রি
উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা নওগাঁয় বুধবার (০৭ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। জেলার বদলগাছী উপজেলায় রেকর্ড করা এ তাপমাত্রা ৬.৭ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নওগাঁর বদলগাছীতে, ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি চলতি মৌসুমেরও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
বদলগাছী কৃষি ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য মতে, সকাল ৯টা পর্যন্ত জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে প্রায় সাড়ে ৪ ডিগ্রি। তাপমাত্রা কমার সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাস শীতকে বাড়িয়ে তুলেছে কয়েকগুণ। দিনে ঠিকমতো দেখা মিলছে না সূর্যের। ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকছে চারপাশ। যানবাহনগুলো চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে।
শহরের বরুণকান্দি এলাকার রিকশা চালক দবিরুল ইসলাম বলেন, দুইদিন থেকে অনেক বেশি শীত। শীতের কারণে বাইরে বের হওয়ায় যাচ্ছে না। লোকজন সেভাবে বাইরে বের হচ্ছে না দেখে আগের মতো ভাড়াও হচ্ছে না। শীতে কষ্ট হলেও দু-মুঠো খাবারের জন্য গাড়ি চালাতে হচ্ছে।
বদলগাছী কৃষি ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের উচ্চ পর্যবেক্ষক মোহাম্মদ হামিদুল হক বলেন, জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এই মৌসুমের সর্বনিম্ন। আকাশে মেঘ এবং বাতাস থাকায় শীতের তীব্রতা বেশি।
যখন কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে, তখন তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা ৬.১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে বলা হয় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রা ৪.১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। আর তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে গেলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।
সারাদেশ
শরীয়তপুরের সখিপুরে নির্বাচন আচরণবিধি প্রতিপালনে মতবিনিময়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে নির্বাচন আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে শরীয়তপুরের সখিপুরে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজুল হক। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শরীয়তপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাসুদ আলম।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে এম রাফসান রাব্বি, সখিপুর থানার ওসি (তদন্ত) ফরিদ আহমেদ, উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আক্তার আসামি, মামুন সরকার, আ. মান্নান মাঝি, হাবিবুর রহমান মাঝি, আ. হালিম মোল্লা, মোস্তফা মাদবর, সুমন বকাউল, আ. হামিদ বকাউল, ইমরান সরকারসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ জনগণ।
সভায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন আচরণবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এসময় বক্তারা বলেন, নির্বাচনকালীন পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা অপরিহার্য।
এসময় নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্নের উত্তর দেন অতিথিরা এবং সবার মধ্যে নির্বাচন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
অর্থসংবাদ/তাহের/এসএম
সারাদেশ
ফরিদপুর-১ আসনের সব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ও স্থগিত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ (আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী ও মধুখালী) আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে এক ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই আসনে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা ১৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্রের মধ্যে প্রাথমিকভাবে কাউকেই বৈধ ঘোষণা করা হয়নি। যাচাই শেষে ৭ জনের প্রার্থিতা বাতিল এবং ৮ জনের মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লার সভাপতিত্বে এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
স্বতন্ত্র ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হওয়া সাতজনই স্বতন্ত্র প্রার্থী। নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী মোট ভোটারের ন্যূনতম ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের সত্যতা প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁদের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন- জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা আহ্বায়ক মো. হাসিবুর রহমান অপু, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু, ঢাকা টাইমস সম্পাদক আরিফুর রহমান দোলন, মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ, মো. গোলাম কবীর মিয়া, মো. আব্দুর রহমান জিকো এবং বিএনপি প্রার্থীর স্ত্রী লায়লা আরজুমান বানু।
এই আসনে বিএনপি ও জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর মনোনয়নও প্রাথমিকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। হলফনামায় উল্লেখিত সম্পদ বিবরণীর সঙ্গে আয়কর নথির অসংগতি ও তথ্য গোপনের অভিযোগে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহ-সভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলামের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়। অন্যদিকে বার্ষিক আয়ের তথ্যে ত্রুটির কারণে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্যার মনোনয়নও স্থগিত রাখা হয়েছে।
এছাড়া মামলা সংক্রান্ত তথ্য উল্লেখ না করায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল বাসার খানের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার কপি দাখিল না করায় বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী মুহাম্মদ খালেদ বিন নাছের এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির প্রার্থী মৃন্ময় কান্তির মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে।
প্রশাসনিক ও বিধিগত বিভিন্ন ত্রুটির কারণে জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর, জাতীয় পার্টির প্রার্থী সুলতান আহমেদ খান এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ শরাফাতের মনোনয়নও স্থগিত রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মোল্লা বলেন, “যেসব প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে, তাঁদের বিকাল ৪টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংশোধনী ও কাগজপত্র দাখিল করলে বিধি অনুযায়ী পুনরায় যাচাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।”
মনোনয়ন সংশোধন ও আপিল প্রক্রিয়া শেষে ফরিদপুর-১ আসনে চূড়ান্তভাবে কোন প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকবেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।
এমকে
সারাদেশ
সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ফাঁদে পড়া বাঘ উদ্ধার
সুন্দরবনে চোরা হরিণ শিকারিদের ফাঁদে আটকে পড়া বাঘটিকে উদ্ধার করেছে বনবিভাগের বিশেষজ্ঞ দল। বাঘটি খাঁচায় বন্দি করে খুলনায় নেওয়া হচ্ছে। এর আগে ‘ট্রানকুইলাইজার গান’ দিয়ে ইনজেকশন পুশ করে অচেতন করে বাঘটিকে ফাঁদ থেকে উদ্ধার করা হয়।
রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে বাঘটিকে অচেতন করা হয়। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরের পর ফাঁদে বাঘ আটকের খবর পায় বনবিভাগ। এরপর থেকে বাঘটি উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়।
উদ্ধার পুরুষ বাঘটি পূর্ণবয়স্ক। বাঘের সামনের বাম পা ফাঁদে আটকে ছিল। ফলে পায়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। ৪-৫ দিন ধরে বাঘটি ফাঁদে আটকে ছিল বলে ধারণা করছে বনবিভাগের বিশেষজ্ঞ টিম।
সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী স্টেশনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির জানান, বাঘটিকে উদ্ধার করে খুলনায় বনবিভাগের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেসকিউ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাঘটি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তার শরীরে ওষুধ ও স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। খুলনায় চিকিৎসা শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শনিবার দুপুরের পর বনবিভাগের কাছে খবর আসে মোংলার শরকির খাল দিয়ে আধা কিলোমিটার ভেতরে হরিণ শিকারিদের ফাঁদে একটি বাঘ আটকে রয়েছে। সেটি উদ্ধারের জন্য ঢাকা থেকে ভেটেরিনারি সার্জনসহ বিশেষজ্ঞ দল আসে রোববার দুপুরে। এছাড়াও উদ্ধার কাজে খুলনা থেকে আসেন বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তারা।
বনবিভাগের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের খুলনা কার্যালয়ের মৎস্য বিশেষজ্ঞ ও স্মার্ট ডাটা কো-অর্ডিনেটর মো. মফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে বাঘটিকে ট্রানকুইলাইজার দিয়ে অচেতন করা হয়। উদ্ধারের পর বাঘটিকে চিকিৎসার জন্য খুলনায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
এমকে
সারাদেশ
জান্নাতুন নাঈম নূরানী কিন্ডারগার্টেনে অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ
শরীয়তপুরের সখিপুরে পশ্চিম মালতকান্দির বেপারী বাড়ি জান্নাতুন নাঈম নূরানী কিন্ডারগার্টেন মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ, বই বিতরণ ও ছাত্র-ছাত্রীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হযরত মাওলানা মোশারফ হোসেন ও হাফেজ মোহাম্মদ নুরে আলম আর ও উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাজী আবুল বেপারী, সহ-সভাপতি মোশারফ হোসেন বেপারী, সহ-সভাপতি শাহ আলম বেপারী, সাধারণ সম্পাদক মিল্টন ভূঁইয়া, কোষাধ্যক্ষ (মাদ্রাসা ও মসজিদ বিষয়ক) জুলহাস বেপারী, জাহিদ হাসান সোভন এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম।
সহকারী শিক্ষক আসিফ মাহমুদ বক্তারা বলেন, নূরানী মাদ্রাসা শিক্ষার মাধ্যমে শিশুরা কুরআনভিত্তিক প্রাথমিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা, শালীনতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধে গড়ে ওঠে। এতে তারা দুনিয়াতে সুনাগরিক এবং আখিরাতে সফল জীবন গঠনের পথে এগিয়ে যেতে পারে।
অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বক্তারা বলেন, সন্তানদের মাদ্রাসায় ভর্তি করালে তাদের চরিত্র গঠন ও ইসলামী শিক্ষায় অগ্রগতি নিশ্চিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হয় এবং কৃতী ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
এমকে




