জাতীয়
সারাদেশের বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করলো ইসি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই কার্যক্রম শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যাচাই শেষে প্রাথমিকভাবে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে জমা পড়া মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই শেষে মোট ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এ প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হয়। ইসি জানায়, এবারের নির্বাচনে মোট ৩ হাজার ৪০৬টি মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়েছিল। এসব মনোনয়নপত্রের মাধ্যমে ২ হাজার ৫৬৮ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, অঞ্চলভিত্তিক যাচাই-বাছাইয়ের ফলাফল নিম্নরূপ—
ঢাকা অঞ্চল: বৈধ মনোনয়ন ৩০৯টি, বাতিল ১৩৩টি
চট্টগ্রাম অঞ্চল: বৈধ ১৩৮টি, বাতিল ৫৬টি
রাজশাহী অঞ্চল: বৈধ ১৮৫টি, বাতিল ৭৪টি
খুলনা অঞ্চল: বৈধ ১৯৬টি, বাতিল ৭৯টি
বরিশাল অঞ্চল: বৈধ ১৩১টি, বাতিল ৩১টি
সিলেট অঞ্চল: বৈধ ১১০টি, বাতিল ৩৬টি
ময়মনসিংহ অঞ্চল: বৈধ ১৯৯টি, বাতিল ১১২টি
কুমিল্লা অঞ্চল: বৈধ ২৫৯টি, বাতিল ৯৭টি
রংপুর অঞ্চল: বৈধ ২১৯টি, বাতিল ৫৯টি
ফরিদপুর অঞ্চল: বৈধ ৯৬টি, বাতিল ৪৬টি
সব মিলিয়ে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় মোট ৭২৩টি মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
বিশেষ পরিস্থিতি
নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্যে আরও জানানো হয়, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত কারণে দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১—এই তিনটি আসনের মনোনয়নপত্র কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
আপিলের সুযোগ
ইসি জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে প্রকাশিত এই ফলাফলের বিরুদ্ধে কোনো প্রার্থীর আপত্তি থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। আপিল শুনানি শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে, ফলে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যায় পরিবর্তন আসতে পারে।
এমকে
জাতীয়
পুলিশের নতুন আইজিপি হলেন মো. আলী হোসেন ফকির
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরকে পদোন্নতি দিয়ে নতুন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
মো. আলী হোসেন ফকির বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের সদস্য। তার গ্রামের বাড়ি বাগেরহাট জেলায়।
এমএন
জাতীয়
১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান
আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, আজকে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের উপ-কমিটির একটি সভা হয়েছে এবং এখানে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উপকমিটি ছিল। মন্ত্রিপরিষদের সেই উপকমিটির সুপারিশের আলোকে আজ ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ে পাইলটিংয়ের একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রকল্পের পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এই কার্যক্রমের জন্য আমরা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগের ১৪টি উপজেলাকে নির্ধারণ করেছি। এই ১৪টি উপজেলার প্রতিটি থেকে একটি করে ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে সর্বজনীনভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। ইনশাআল্লাহ, ১০ মার্চ একযোগে এই ১৪টি উপজেলায় কার্যক্রমটি শুরু হবে। এই প্রক্রিয়াটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং পর্যায়ক্রমে তা সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে একটা সময়ে বাংলাদেশের যারা হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত এই তিন শ্রেণির সুবিধাভোগী আমাদের যে মা-বোন আছেন, তারাই এটার সুবিধা পাবেন।
তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। একজন নারী স্বাবলম্বী হলে একটি পরিবার স্বাবলম্বী হয় এবং এর মাধ্যমে আগামী প্রজন্মও স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রকল্পের ওপর কাজ করেছেন। আজ তার সভাপতিত্বে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা প্রতি মাসে ইনশাআল্লাহ দুই হাজার পাঁচশত (২,৫০০) টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য করা হবে না। এটি একটি সর্বজনীন (ইউনিভার্সাল) কার্ড হবে এবং বর্তমানে এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে। এ ব্যাপারে আমি আপনাদের সবার সহযোগিতা কামনা করছি। আপনাদের সহযোগিতায় আমরা আশা করছি যে, আগামী চার মাসের মধ্যে এই পাইলটিং কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হবে। পরবর্তীতে সারা বাংলাদেশে এটি ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করা হবে এবং প্রতিটি উপজেলা এর আওতায় আসবে। শুরুতে হয়ত পুরো উপজেলা একসঙ্গে কাভার করা সম্ভব হবে না; আমরা প্রথমে একটি ওয়ার্ড, তারপর একটি ইউনিয়ন—এভাবে পর্যায়ক্রমে পুরো উপজেলা এবং সবশেষে সারা বাংলাদেশে এই সেবা পৌঁছে দেব।
তিনি আরও বলেন, সুবিধাভোগীদের সরাসরি বাছাই করা হচ্ছে না, বরং তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘরে ঘরে গিয়ে ‘ডোর টু ডোর’ পদ্ধতিতে এই তথ্য সংগ্রহ করা হবে। কোনো অবস্থাতেই ঘরে বসে তালিকা করা হবে না; সরাসরি মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে এটি সম্পন্ন করা হবে এবং এতে কারো প্রতি বৈষম্য করা হবে না। এই সরকারি কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে উপজেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে শক্তিশালী কমিটি থাকবে। একইভাবে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়েও সরকারি কর্মচারীদের সমন্বয়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হবে। প্রতিটি উপজেলার তদারকির দায়িত্বে থাকবেন একজন করে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা। তথ্যগত ভুলভ্রান্তি কমিয়ে আনতে এই প্রক্রিয়ায় দুই স্তরের ‘চেকিং ও রি-চেকিং’ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
এমএন
জাতীয়
বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে ভোট ৯ এপ্রিল
শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে স্থগিত নির্বাচন এবং বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ৯ এপ্রিল এই দুই আসনে ভোটগ্রহণের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই এই নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করা হবে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক সাক্ষাৎকারে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আব্দুর রহমান মাছুউদ নির্বাচনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের তারিখ ও সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়টি আজই আমাদের সচিব আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবেন। তিনিই কমিশনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ২৯৯টি আসনে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তবে নির্বাচনের আগমুহূর্তে শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা যাওয়ায় ওই আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, কোনো বৈধ প্রার্থীর মৃত্যুতে ভোট স্থগিত হলে সেখানে পুনরায় নতুন তফসিল ঘোষণা করতে হয়।
অন্যদিকে, সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬—এই দুটি আসন থেকেই জয়লাভ করেছিলেন। পরে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দিয়ে ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। নিয়ম অনুযায়ী, স্পিকার আসনটি শূন্য ঘোষণা করার পর ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এমএন
জাতীয়
আরও ১২০২টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ১৭ বছর ধরে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত রাজনৈতিক হয়রানিমূলক আরও ১২০২টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পরিচালক) ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক খুদে বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
খুদে বার্তায় বলা হয়, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের ১৭ বছর ধরে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত রাজনৈতিক হয়রানিমূলক আরও ১২০২টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক ১,০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের তথ্য জানায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৮ ফেব্রুয়ারি আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম, গণ অধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলোর মধ্যে ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। ফলে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ হয়রানিমূলক মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।
এমএন
জাতীয়
মেয়াদ অনুযায়ী ধাপে ধাপে হবে সিটি করপোরেশন নির্বাচন : মির্জা ফখরুল
সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে সচল করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, মেয়াদ অনুযায়ী ধাপে ধাপে সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে এবং সেই প্রস্তুতি সরকার ও নির্বাচন কমিশনের রয়েছে। দলীয় প্রতীকে ভবিষ্যতে সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে কি না, তা সংসদে নির্ধারিত হবে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ৬ সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসকদের দায়িত্বগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কি দলীয় প্রতীকে হবে, নাকি হবে না— সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এই সিদ্ধান্ত সংসদে হবে। আর সিটি করপোরেশনগুলোতে যেহেতু সরকারি কর্মকর্তারা দায়িত্বশীল ছিলেন, আমরা মনে করছি যে এখানে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা থাকলে জনগণের সেবা বেশি পাবে এবং ভালোভাবে পাবে। এটা আমাদের বিশ্বাস আর কী। সেই কারণেই আমরা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের এই প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছি। এতে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়বে বলেও মনে করেন তিনি।
দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়া দরকার কি না, এ বিষয়ে মন্ত্রীর মতামত চাওয়া হলে তিনি বলেন, না, আমার ব্যক্তিগত মতামতের কোনো সুযোগ নেই এখানে। এখানে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত আছে, সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করবো।
দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত কি আগামী ১২ মার্চ যে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে, সেখানে হবে— এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অবশ্যই।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, যেসব স্থানীয় সরকারগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেগুলো থেকেই নির্বাচন শুরু হবে। ঢাকার আগে হওয়ার সম্ভাবনা আছে দুটোতে। আর কয়েকটা আছে যে, যাদের মেয়াদ মেয়াদ শেষ হয়েছে তাদেরটা আগে হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করে কতদিনের ভেতর শেষ করার পরিকল্পনা- এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা এভাবে, এখনই বলা যাবে না। এটা আমরা যখন দেখবো একেক করে বাই ফেজ, এটা চলমান প্রক্রিয়া। লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশনও কিন্তু একটা চলমান প্রক্রিয়া। কারও মেয়াদ শেষ হয় আবার নির্বাচন হয়। ইউনিয়ন পরিষদেও তাই হয়, উপজেলাতেও তাই হয়। সুতরাং ইট ইজ অ্যা কন্টিনিউয়াস প্রসেস।
এর আগে এলজিআরডি মন্ত্রীর কাছে সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরা যোগদানপত্র জমা দেন।
মশা নিধন, যানজট, রাস্তাঘাট মেরামতসহ জনদুর্ভোগ এড়াতে কাজ করার অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন নতুন নিয়োগ পাওয়া ৬ প্রশাসক।
তারা জানান, জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই তাদের অঙ্গীকার। দ্রুত কাজ করার জন্য ৬০ দিনের কর্মসূচি নেবেন নতুন প্রশাসকরা।
এমএন



