জাতীয়
ভুল স্বীকার না করলে জনগণ আ.লীগকে গ্রহণ করবে না: প্রেস সচিব
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, মানুষ ভুল করলে ক্ষমা চায় বা অনুতপ্ত হয়। আমরা সবাই ভুল করি। কিন্তু দীর্ঘ ১৭ মাস পার হয়ে গেলেও (আওয়ামী লীগ) দলটি তাদের দ্বারা সংঘটিত হত্যা ও গুমের ঘটনার জন্য কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেনি। এমনকি তারা শান্তিপূর্ণ থাকার কথাও বলেনি।
তিনি বলেন, এখন যদি তারা (আওয়ামী লীগ) এসে ভুল স্বীকার করে বা সরি বলে, তবে তার কোনো মূল্য নেই। কারণ সময় পার হয়ে গেছে এবং তাদের মনোনয়নের সুযোগও আর নেই।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকার গৌর গোপাল সেবা আশ্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ দেখছি না। মানুষের কাছে দলটির গ্রহণযোগ্যতা এখন নেই। বিদেশে বসে দলটির নেতাকর্মীরা উল্টো মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। তারা দাবি করছে ৩০০০ পুলিশকে মেরে ফেলা হয়েছে, যা বাস্তবসম্মত নয়। তারা আন্দোলনে অংশ নেওয়া লাখ লাখ ছাত্র-ছাত্রীকে জঙ্গি হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। যাতে তাদের ওপর চালানো হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়া যায়। এই ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে বাংলাদেশের মানুষ তাদের আর গ্রহণ করবে না।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ না নেওয়ায় নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নিলে নির্বাচন গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে—এমন কোনো ধারণা সাধারণ মানুষের মধ্যে নেই। বরং দেশের মানুষ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল যদি অস্ত্র হাতে তুলে নেয়, তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর তা ব্যবহার করে এবং গুম-খুন ও গণহত্যার মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, তবে পৃথিবীর কোনো সভ্য রাষ্ট্রই তাকে আর গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করে না। প্রকৃতপক্ষে, এসব কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ নিজেরাই নিজেদেরকে নির্বাচনে অযোগ্য বলে প্রমাণ করেছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব শেষে আবার সাংবাদিকতায় ফিরতে চান বলেও তিনি জানান।
এর আগে, শফিকুল আলম নিজনান্দুয়ালী গৌর গোপাল সেবা আশ্রমের সার্বিক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং আশ্রম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আশ্রমের ধর্মীয় ও মানবিক কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পরিদর্শনকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও আশ্রমের ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।
নিতাই গৌর গোপাল সেবাশ্রম পরিদর্শন শেষে শফিকুল আলম শ্রীপুরে উপজেলার দারিয়াপুর ইউনিয়নের চৌগাছি নিজ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেতন-ভাতা ও প্রাপ্য সুবিধা কী?
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস জয়ের পর আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথগ্রহণ করেছেন। এরপর বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা নির্বাচিত করেন।
বিকেলে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নিয়ে জনমনে কৌতূহল দেখা দিয়েছে।
‘দ্য প্রাইম মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬’-এর ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী মাসে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা বেতন পাবেন। পাশাপাশি তিনি মাসে ১ লাখ টাকা বাড়িভাড়া ভাতা পাবেন, যদিও সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থাকে এবং তিনি সেখানে থাকেন।
প্রধানমন্ত্রীর দৈনিক ভাতা ৩ হাজার টাকা নির্ধারিত আছে। এ ছাড়া বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে তার জন্য ২৫ লাখ টাকার বিমা কভারেজ এবং দেড় কোটি টাকার স্বেচ্ছাধীন তহবিল অর্পিত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিনোদনের জন্য যে খরচ করা হয়, তা সম্পূর্ণ ভাতা হিসেবে তাকে প্রদান করা হবে। অফিস থেকে বাসায় এবং বাসা থেকে অফিসে যাতায়াতের সমস্ত খরচই সরকার বহন করবে। প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবারের নির্দিষ্ট ব্যয়ও তিনি ভাতা হিসেবে পাবেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও অন্যান্য ইউটিলিটি খরচও সরকারই বহন করবে।
এমএন
জাতীয়
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ২৪ জন
বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ২৮ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সঞ্চালনায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা শপথ গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২৪ প্রতিমন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
শপথ নেওয়া ২৪ প্রতিমন্ত্রী হলেন— এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, রাজীব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসির খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহাম্মেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
এর আগে, একই অনুষ্ঠানে ২৫ জন মন্ত্রী হিসেবে পপথ গ্রহণ করেন। তারা হলেন— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আফরোজা খানম রিতা, মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও খলিলুর রহমান।
তাদের মধ্যে মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও খলিলুর রহমান টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
এমএন
জাতীয়
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার দল বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়।
মঙ্গলবার (ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
এর আগের সকালে জাতীয় সংসদে শপথ নেওয়ার পর সংসদীয় সভায় তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্যরা।
এমএন
জাতীয়
মন্ত্রিপরিষদে শপথ নিলেন ২৫ মন্ত্রী
বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৫ জন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার ২০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তারা শপথগ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ পাঠ করান।
শপথ পাঠ করা ২৫ জন হলেন— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আফরোজা খানম রিতা, মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও খলিলুর রহমান।
তাদের মধ্যে মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও খলিলুর রহমান টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
অন্যদিকে, মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে ডাক পেয়েছেন ২৪ জন। তারা হলেন— এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, রাজীব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসির খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহাম্মেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
এমএন
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো আজ। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পাঠ করান৷
একই অনুষ্ঠানে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ নেবেন।
এর আগে সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।
সাধারণত বঙ্গভবনের দরবার হলে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হলেও এবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনুষ্ঠানটি হচ্ছে সংসদ ভবনের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে।
জানা গেছে, আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে৷
প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি জোট ২১২টি আসনে জয় পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এটি দেশের ইতিহাসে দলটির ষষ্ঠবারের মতো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন।
অন্যদিকে ৬৮টি আসন নিয়ে সংসদের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সংসদীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান।



