পুঁজিবাজার
লোকসান থেকে মুনাফায় অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই,২৫-সেপ্টেম্বর,২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত বছরের একই সময়ে কোম্পানিটি লোকসান করলেও আলোচ্য প্রান্তিকে মুনাফা করেছে।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-সেপ্টেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০১ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ০১ পয়সা।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৪ টাকা ৭৮ পয়সা।
এমকে
পুঁজিবাজার
রোববার থেকে নতুন সূচিতে চলবে পুঁজিবাজার
সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ নতুন অফিস ও লেনদেনের সময়সূচি নির্ধারণ করেছে। আগামী ৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ সময়সূচি কার্যকর থাকবে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্প্তিতে লেনদেনের নতুন সময়সূচি জানানো হয়েছে।
নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, ডিএসইর অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
এছাড়া শেয়ার লেনদেন শুরু হবে সকাল ১০টায়। টানা লেনদেন চলবে দুপুর ১টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত। এরপর পোস্ট-ক্লোজিং সেশন অনুষ্ঠিত হবে দুপুর ১টা ৫৫ মিনিট থেকে ২টা পর্যন্ত। দিনের লেনদেন আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে দুপুর ২টায়।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে ফারইস্ট ফাইন্যান্স
বিদায়ী সপ্তাহে (২৯ মার্চ–০২ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দরপতনের শীর্ষে উঠে এসেছে ফারইস্ট ফাইন্যান্স। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ৩০.৫৬ শতাংশ। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এর দর ছিল ৩ টাকা ৬০ পয়সা, যা কমে বিদায়ী সপ্তাহের শেষে দাঁড়ায় ২ টাকা ৫০ পয়সায়। ফলে এক সপ্তাহে দর কমেছে ১ টাকা ১০ পয়সা।
দরপতনের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফাস ফাইন্যান্স। কোম্পানিটির শেয়ারদরও একই হারে, অর্থাৎ ৩০.৫৬ শতাংশ কমেছে। আগের সপ্তাহ শেষে ৩ টাকা ৬০ পয়সা থাকলেও, সপ্তাহ শেষে তা নেমে আসে ২ টাকা ৫০ পয়সায়।
একই হারে দর কমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পিপলস লিজিং। সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৩ টাকা ৬০ পয়সা থেকে কমে ২ টাকা ৫০ পয়সায় নেমে এসেছে, যা ৩০.৫৬ শতাংশ পতন নির্দেশ করে।
এছাড়া সাপ্তাহিক দরপতনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে এপিএসসিএল বন্ডের দর কমেছে ২৭.২৫ শতাংশ (১,৮১৫ টাকা থেকে ১,৩২০ টাকা ৫০ পয়সা), প্রিমিয়ার লিজিংয়ের ২৭.০৩ শতাংশ (৩ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ২ টাকা ৭০ পয়সা), আইএলএফএসএল-এর ১৮.১৮ শতাংশ (৩ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ২ টাকা ৭০ পয়সা), ফিনিক্স ফাইন্যান্সের ১৮.০০ শতাংশ (৫ টাকা থেকে ৪ টাকা ১০ পয়সা), ফ্যামিলি টেক্সের ১৬.২২ শতাংশ (৩ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৩ টাকা ১০ পয়সা), ফার্স্ট ফাইন্যান্সের ১৫.৫২ শতাংশ (৫ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৪ টাকা ৯০ পয়সা) এবং রিজেন্ট টেক্সটাইলের ১৫.২২ শতাংশ (৪ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৩ টাকা ৯০ পয়সা)।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে একমি পেস্টিসাইডস
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেড।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ২০ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার টাকার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩.১১ শতাংশ।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা ওরিয়ন ইনফিউশনের ২০ কোটি ৭৪ লাখ ৯০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৩.১০ শতাংশ।
তৃতীয় স্থানে থাকা সী পোর্টের ১৬ কোটি ৪২ লাখ ৮০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ২.৪৬ শতাংশ।
লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে-অগ্নি সিস্টেমসের ১৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা, মিডল্যান্ড ব্যাংকের ১৩ কোটি ১২ লাখ টাকা, স্কয়ার ফার্মার ১২ কোটি ৯২ লাখ টাকা, সী পার্ল রিসোর্টের ১০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, ফাইন ফুডের ৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা এবং আলিফ ইন্ডাষ্ট্রিজের ৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকার।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ার দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, গত সপ্তাহে ফান্ডটির দর বেড়েছে ৫১ দশমিক ৭২ শতাংশ। ইউনিটটির সমাপনী মূল্য ছিল ৪.৪০ টাকা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা হামিদ ফেব্রিক্সের শেয়ার দর বেড়েছে ৪০ দশমিক ৭০ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ১২.১০ টাকা।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে বিডি অটোকারসের শেয়ার দর বেড়েছে ২৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ১৮১.১০ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে– হামিদ ফেব্রিক্সের ৪০.৭০ শতাংশ, বিডি অটোকারের ২৯.৪৫ শতাংশ, ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের ২৭.০১ শতাংশ, পিএইচপি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ২৫.০০ শতাংশ, এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ২৪.১৪ শতাংশ, রানার অটোর ২১.৫২ শতাংশ, একমি পেস্টিসাইডের ২১.৩৯শতাংশ, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ২০.৬৯ শতাংশ ও সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালসের ২০.৪১ শতাংশ শেয়ার দর বেড়েছে।
পুঁজিবাজার
ডিএসইর বাজার মূলধন কমলো ১৭ হাজার ৫১৩ কোটি টাকা
বিদায়ী সপ্তাহে (২৯ মার্চ থেকে ০২ এপ্রিল) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন হয়েছে। এতে সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ১৭ হাজার ৫১৩ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)
সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ বা ১৭ হাজার ৫১৩ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৯ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধন ছিল ৭ লাখ ৬ হাজার ৯১২ কোটি টাকা।
চলতি সপ্তাহে ডিএসইতে কমেছে সব কয়টি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৪৮.৬৬ পয়েন্ট বা ২.৭৭ শতাংশ। ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ৮৫.৮৯ পয়েন্ট বা ৪.১৬ শতাংশ। আর ডিএসইএস সূচক কমেছে ১৯.৮৪ পয়েন্ট বা ১.৮৪ শতাংশ।
তবে ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৩৪১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৬৫৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ৬৮৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা।
আর প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ১৩৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা বা ২৫.৭৮ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৬৬৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৫৩১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৯০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭২টি কোম্পানির, কমেছে ২০৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)
এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ১.৪৩ শতাংশ ও ১.৩০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৪৭০১.৪৯ পয়েন্টে ও ৮৯৮২.৬৭ পয়েন্টে।
এছাড়া সিএসই-৫০ সূচক কমেছে ১.৭৯ শতাংশ। সূচকটি অবস্থান করছে ১১১৩.০৭ পয়েন্টে। আর সিএসই-৩০ সূচক ১.৭৬ শতাংশ ও সিএসআই সূচক ০.৮৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১২৮৫৬.৬৬ পয়েন্টে ও ৮৯৫.১১ পয়েন্টে।
চলতি সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৮৮ কোটি ১২ লাখ টাকা, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ৩৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। সপ্তাহ ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ১৪৯ কোটি ২৭ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩০৭টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৭টির, কমেছে ১৫২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টির কোম্পানির শেয়ার দর।



