সারাদেশ
মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়
হিমালয়ের কাছাকাছি অবস্থান হওয়ায় কনকনে তীব্র শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ পঞ্চগড় জেলা। এক সপ্তাহের বেশি সময় তাপমাত্রা বৃদ্ধির পর আজ হঠাৎই কমে গেছে এ জেলার তাপমাত্রা। তাপমাত্রা নেমে গেছে ৯ ডিগ্রির ঘরে। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে শীতের প্রকোপ। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে।
এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৯ শতাংশ ছিল। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ৮-১০ কিলোমিটার বয়ে যাচ্ছিল। গতকাল বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ১২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে, পঞ্চগড়ের আশপাশের জেলায় কয়েক দিন থেকে হিমালয়ের হিমেল বাতাসে ঠান্ডা অব্যাহত রয়েছে। রাতে ও সকালে ঠান্ডার কারণে গ্রাম-গঞ্জের মানুষ শীতের গরম কাপড় পরিধান করছে। তবে গত কয়েকদিন থেকেই শীতের তীব্রতা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষগুলো। এ ছাড়াও দিনের বেলা রোদের দেখা মিললেও কমেনি শীতের তীব্রতা।
অপরদিকে এ ছাড়া শীতের তীব্রতা বাড়ায় হাসপাতালগুলোর বহির্বিভাগে প্রতিদিন শীতজনিত রোগীর ভিড় থাকছেই। হাসপাতালে প্রতিদিন রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের বেশির ভাগই শিশু ও বৃদ্ধ। যারা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তারাই কেবল হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।
তেঁতুলিয়ার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ জানান, কয়েকদিন পর আজ হঠাৎই তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় তেঁতুলিয়ায় মৃদু শৈত্য বয়ে যাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৯ শতাংশ ছিল। ফলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে এ জেলায়। সামনের দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।
সারাদেশ
বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই জ্বালানির দাম বেড়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ রিংকু বলেছেন, বাংলাদেশ ছাড়া বিশ্বের প্রায় সব দেশেই জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। অনেক দেশে তা দ্বিগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রেও জ্বালানির দাম প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে বাংলাদেশে এখনো জ্বালানির দাম বাড়েনি, যা বর্তমান সরকারের একটি সাফল্য বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সরকার চেষ্টা করছে যেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ভালো থাকতে পারে এবং যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও কোনো সমস্যায় না পড়ে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে নিজ নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, জনগণকে দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করতে হবে।
ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় রেখে জ্বালানি তেলের দামে কিছু সমন্বয় (অ্যাডজাস্টমেন্ট) আসতে পারে। তবে তা অবশ্যই জনগণের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখে করা হবে।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, যার প্রভাব সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের ওপর পড়ছে। যুদ্ধের কারণে দেশের অর্থনীতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। তিনি সৌদি আরবে জনশক্তি প্রেরণের মাধ্যমে শ্রমবাজার উন্মুক্ত করেন। তার সেই ধারাবাহিকতায় বিএনপি যখনই রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে, তখনই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছে।
বিএনপির এই নেত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার কারণে যুদ্ধকালেও ইরানসহ বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশকে বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে মূল্যায়ন করছে। ফলে প্রবাসীরা সেখানে নিরাপদে আছেন এবং প্রয়োজনীয় তেল ও গ্যাস আমদানিতেও কোনো বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়নি।
নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এর আগেও তিনি এখানে এসেছিলেন এবং তখনো পরিস্থিতি সন্তোষজনক ছিল না। বর্তমান অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক বলে তিনি উল্লেখ করেন। মানদণ্ড অনুযায়ী এই হাসপাতাল কোনো পর্যায়েই পড়ে না। এখানে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও জনবল সংকট রয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা, পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন মো. মাহমুদুল হাসান, নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরীফ, যুবদল নেতা তৈয়বুর রহমান মাসুদসহ অন্যান্যরা।
রাজনীতি
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সাথে গণভোটের কোনো সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সাথে গণভোটের কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার দুপুরে ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার ধাওড়া গ্রামে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
আসাদুজ্জামান আরো বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে। তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়নি। যদি কেউ অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে তাহলে বিশেষ ক্ষমতা আইনে কালোবাজারি ও মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, দেশকে বাঁচাতে হলে খাল ও নদী খনন এবং দখল উচ্ছেদের বিকল্প নেই। যে যত বড়ই শক্তিশালী হোক না কেন খাল-জলাশয় ও নদী দখলমুক্ত করে খনন করা হবে। আগামী ১৮ থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঝিনাইদহের শৈলকূপায় খান খনন কর্মসূচীতে অংশ নিবেন বলেও তিনি জানান।
ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ প্রশাসক আব্দুল মজিদ, জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ, পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজালসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগন ও বিএনপি নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
রাজনীতি
শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়নি: মির্জা ফখরুল
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, তেলিয়াপাড়ার বৈঠক থেকেই মূলত মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল নির্ধারণ এবং যুদ্ধের সূচনা হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর পরিকল্পনা এবং সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী-এর নেতৃত্বে দেশব্যাপী যুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং সেক্টরভিত্তিক সংগঠনের সিদ্ধান্তও এখান থেকেই আসে।
তিনি আরও দাবি করেন, শেখ মুজিবুর রহমান-এর নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়নি, সে সময় তিনি পাকিস্তানে বন্দি ছিলেন ।একইসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি এবং তা বিকৃত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আইনজীবীরা। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা রফিক।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার কৌশল নির্ধারণ এবং দেশকে বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, তেলিয়াপাড়ার বৈঠক থেকেই মূলত মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল নির্ধারণ এবং যুদ্ধের সূচনা হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর পরিকল্পনা এবং সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী-এর নেতৃত্বে দেশব্যাপী যুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং সেক্টরভিত্তিক সংগঠনের সিদ্ধান্তও এখান থেকেই আসে।
তিনি আরও দাবি করেন, শেখ মুজিবুর রহমান-এর নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়নি, সে সময় তিনি পাকিস্তানে বন্দি ছিলেন ।একইসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি এবং তা বিকৃত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আইনজীবীরা। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা রফিক।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার কৌশল নির্ধারণ এবং দেশকে বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।
সারাদেশ
খাল খনন বিপ্লব সমাপ্ত হলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ অব্যাহত থাকত : পানিসম্পদমন্ত্রী
পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি একটি বিপ্লব ছিল। এই বিপ্লবটা সমাপ্ত হয়নি। বিপ্লবটি যদি প্রেসিডেন্ট জিয়ার চিন্তা-ধারণা দূরদর্শিতার আলোকে সমাপ্ত হতো তাহলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ অব্যাহত থাকত।’
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হামছাদী ইউনিয়নের কাফিলাতলি বাজার এলাকায় খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে মন্ত্রী কোদাল দিয়ে মাটি কেটে কাফিলাতলি বাজার থেকে হামছাদী এলাকার ১২.৬ কিলোমিটার সি-খাল পুনঃখনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের খাল খনন বিপ্লবটি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। চর্চা নেই, এখন চর্চা শুরু হয়েছে। তার মানে অসমাপ্ত কাজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে এদেশে সমাপ্ত হবে।
যত বাধা-বিপত্তি বিপত্তিই থাকুক, কোনো কিছুই থাকবে না। খাল খালের গতিতে চলবে, প্রবাহ প্রবাহের গতিতে থাকবে। এটি হলো জনগণের চাওয়া, জনগণের পাওয়া।’
তিনি আরো বলেন, ‘খাল খনন করতে গিয়ে দেখি খালের মাঝখানে দোকান-বাড়িঘর গড়ে উঠেছে। যদি স্বনির্ভর বাংলাদেশের কাজ অব্যাহত থাকত তাহলে খালের মধ্যে দোকান-বাড়িঘর হতো না। কলকারখানার বর্জ্য বা মানুষের বাসাবাড়ির ড্রেন খালে পড়ত না।’
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক ও লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ জামান খান প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৮ সালে সবশেষ খনন হওয়া সি-খালটি খননে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। খালটি খনন হলে সদরের হামছাদী ও রায়পুরের বামনী ইউনিয়নসহ ৪টি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ জলাবদ্ধতা ও কৃষি কাজে সুফলভোগী হবেন।
সারাদেশ
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য : অর্থমন্ত্রী
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য এবং এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব সারা বিশ্বকে আক্রান্ত করেছে। বাংলাদেশেও এর প্রভাব আছে, তবে এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। উচ্চমূল্যে জ্বালানি কিনে কতদিন এভাবে চলবে তা ভাবনার বিষয়, তাই শীঘ্রই তেলের দামের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে চট্টগ্রামের কেইপিজেড ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন মিলনায়তনে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউ) শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের অধিকাংশ তেল আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। তেলের সংকট মোকাবিলায় সারা বিশ্বের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তবে জ্বালানি তেল ব্যবহারে আমাদের সাশ্রয়ী হতে হবে। ইতিমধ্যে সাশ্রয় প্রোগ্রাম হাতে নেওয়া হয়েছে, যেখানে মন্ত্রী থেকে সাধারণ মানুষ সবাইকে অংশ নিতে হবে।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, আমেরিকাসহ সব দেশে তেলের দাম বেড়েছে। সেই তুলনায় বাংলাদেশ অনেক ভালো আছে। ঈদের সময় সবাই নির্বিঘ্নে বাড়ি গেছে এবং কাজে ফিরেছে। কলকারখানা ও যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। অর্থাৎ দেশে কোনো সংকট তৈরি হয়নি।
পুঁজিবাজারের অস্থিরতা কাটিয়ে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে। আমরা এমন পরিবেশ তৈরি করব যাতে বিনিয়োগকারীরা স্বস্তি পায়। পুঁজিবাজারকে সঠিক জায়গায় নিয়ে যেতে আমরা কাজ করছি। এ সময় তিনি ব্যাংক ঋণের পরিবর্তে পুঁজিনির্ভর বিনিয়োগের ওপর জোর দিতে বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানান।
বর্তমান সরকারের কার্যক্রম প্রসঙ্গে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নতুন সরকার এখন পর্যন্ত খুবই ভালো করছে। সবকিছুর সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ ব্যবস্থা অব্যাহত রাখাই এখন আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমি দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।
সিআইইউ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম নুরুল আবসারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কোরিয়ান ইপিজেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ শাহজাহান। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন ইয়ংওয়ান কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কিহাক সাং, সিআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান লুৎফি এম আইয়ুব এবং সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার এবং ইয়ংওয়ান কর্পোরেশনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন ।



