প্রবাস
চীনে বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা
চীনের শেনজেন শহরের কেন্দ্রীয় মসজিদে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি চেয়ার্পারসন বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহত্তর চায়না বিএনপির আয়োজনে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী সহ দলমত নির্বিশেষে চীন প্রবাসী বাংলাদেশিরা এতে অংশগ্রহণ করে।
গায়েবানা জানাজার ইমামতি করেন হারবিন ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি (শেনজেন)’র প্রফেসর প্রবাসী বাংলাদেশি ড. মাহবুব আলম।
জানাযা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন, বৃহত্তর চায়না বিএনপি নেতা শেখ মাহবুবুর রশীদ, সাবেক ছাত্রনেতা ও চায়না বিএনপি নেতা ওয়ালী উল্লাহ, বিএনপি নেতা হাসমত আলী মৃধা, সাবেক ছাত্রনেতা ও চায়না বিএনপি নেতা এসএম আল-আমিন, চায়না বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন রিক্তা, মনিরুল ইসলাম কবির প্রমূখ।
আলোচনা সভা শেষে মরহুমা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা ও জিয়া পরিবারের জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
এমকে
আন্তর্জাতিক
মার্কিন ভিসা নিয়ে দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা থাকলেই দেশটিতে প্রবেশের নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না বলে সতর্ক করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।
শনিবার (২৮ মার্চ) দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং অবস্থানের মেয়াদ নির্ধারণের পূর্ণ ক্ষমতা থাকে প্রবেশস্থলের (পোর্ট অব এন্ট্রি) ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার হাতে।
দূতাবাস জানায়, একটি ইউএস ভিসা থাকা মানেই যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের শতভাগ নিশ্চয়তা নয়। একজন ভ্রমণকারী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন কিনা এবং কতদিন সেখানে অবস্থান করতে পারবেন, তার শর্তাবলি নির্ধারণ করেন সংশ্লিষ্ট প্রবেশস্থলের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা। অর্থাৎ, ভিসা থাকা সত্ত্বেও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা চাইলে যে কাউকে প্রবেশে বাধা দিতে পারেন।
ভিসাধারীদের সতর্ক করে পোস্টে আরও বলা হয়, পারমিটের মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা বা ভিসার ধরন অনুযায়ী অনুমোদিত নয় এমন কোনো কাজে (যেমন: টুরিস্ট ভিসায় গিয়ে চাকরি করা) জড়িত হওয়া গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের নিয়ম লঙ্ঘনের ফলে ভবিষ্যতে ওই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে।
মার্কিন দূতাবাস স্পষ্ট জানিয়েছে, সঠিকভাবে ভিসা ব্যবহার করা সম্পূর্ণভাবে ভ্রমণকারীর নিজস্ব দায়িত্ব। নিয়ম মেনে দেশটিতে অবস্থান এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফিরে আসার ওপরই পরবর্তী ভিসা প্রাপ্তি বা ভ্রমণের সুযোগ নির্ভর করে।
সম্প্রতি ভিসা জালিয়াতি এবং অতিরিক্ত সময় অবস্থানের বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপের অংশ হিসেবেই দূতাবাস থেকে নিয়মিত বিরতিতে এমন সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক
ইইউর বাইরে অভিবাসী আটক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব পাস
ইউরোপীয় পার্লামেন্টে অভিবাসননীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ বা অভিবাসী আটক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ভোটে প্রস্তাবটির পক্ষে ৩৮৯ জন আইনপ্রণেতা সমর্থন দেন, বিপক্ষে ভোট পড়ে ২০৬টি এবং ৩২ জন ভোটদানে বিরত থাকেন। এই সিদ্ধান্তকে ইউরোপের অভিবাসনব্যবস্থায় একটি কঠোর ও বিতর্কিত মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রস্তাবটি পাসের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সমীকরণেও বড় পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।
ডানপন্থী দলগুলো এবার চরম ডানপন্থীদের সঙ্গে সমন্বয় করে অবস্থান নেয়, যা অতীতে খুব একটা দেখা যায়নি। অন্যদিকে বামপন্থী ও কেন্দ্রপন্থী শক্তিগুলো এর বিরোধিতা করে। নতুন ব্যবস্থায় ইইউ সদস্য রাষ্ট্রগুলো এখন এককভাবে কিংবা ছোট জোট গঠন করে তৃতীয় দেশের সঙ্গে চুক্তি করতে পারবে, যার মাধ্যমে অনিয়মিত অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত না পাঠিয়ে ইইউর বাইরের নির্ধারিত কেন্দ্রে পাঠানো হবে। ইতিমধ্যে জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক ও গ্রিস আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এ ধরনের কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে।
ইউরোপের চরম ডানপন্থী দলগুলো এ সিদ্ধান্তকে তাদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতিফলন হিসেবে দেখছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসননীতির প্রশংসা করে একই ধরনের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আসছে। বেলজিয়ামের ভ্লামস বেলাং এবং জার্মানির এএফডি দল ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আদলে অভিবাসী শনাক্ত ও বহিষ্কারের জন্য বিশেষ বাহিনী গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে।
তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই উদ্যোগকে গভীর উদ্বেগের চোখে দেখছে।
ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটির ইইউ অ্যাডভোকেসি পরিচালক মার্টা ওয়েলান্ডার বলেন, এই ভোট ‘শরণার্থী অধিকারের জন্য ঐতিহাসিক পশ্চাদপসরণ’। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এটি একটি নতুন শাস্তিমূলক ইইউ আশ্রয় ও অভিবাসনব্যবস্থার পথ প্রশস্ত করবে, যা নিরাপত্তা খোঁজা মানুষদের নিরুৎসাহিত, আটক এবং বহিষ্কার করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ইইউর এমন একটি ব্যবস্থা থাকা উচিত, যা জীবন রক্ষা করে, যা বেঁচে থাকাকে অপরাধী করে না।’
এ ছাড়া উদ্বেগ জানিয়েছে প্ল্যাটফরম ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন অন আনডকুমেন্টেড মাইগ্র্যান্টস (পিকাম)। সংস্থাটির অ্যাডভোকেসি কর্মকর্তা সিলভিয়া কার্তা বলেন, ‘এই ভোট একটি বিপজ্জনক মোড় নেওয়ার ইঙ্গিত দেয়, কারণ কেন্দ্র ডানপন্থী শক্তিগুলো চরম ডানপন্থীদের সঙ্গে জোট বেঁধে একটি দমনমূলক এজেন্ডা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছ।
এই বিষাক্ত জোট গণ-আটক, পরিবারের থেকে বিচ্ছেদ এবং বহিষ্কারের পথ প্রশস্ত করছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের আইসিইকে করতে দেখেছি এবং অসংখ্য জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।’
অন্যদিকে সমর্থকরা বলছেন, ‘এই নীতি অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। ফরাসি কেন্দ্র-ডানপন্থী এমইপি ফ্রাঁসোয়া-জাভিয়ের বেলামি বলেন, ‘এই সংস্কারের মাধ্যমে যে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে, তা সরলভাবে এই নীতিকে নিশ্চিত করবে, যদি আপনি অনিয়মিতভাবে ইউরোপে আসেন, তবে নিশ্চিত যে আপনি এখানে থাকতে পারবেন না।’
কেন্দ্র-বামপন্থী এসঅ্যান্ডডি গ্রুপের ইতালীয় এমইপি সেসিলিয়া স্ত্রাদা এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বলেন, ‘এই ভয়াবহ আইনগুলো আমাদের সমাজকে দুর্বল করবে, ভয় বাড়িয়ে তুলবে এবং নিরপরাধ মানুষদের কারাগার ও বহিষ্কারের ভয়ে লুকিয়ে থাকতে বাধ্য করবে।’
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জা মেলোনি এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘এটি ইউরোপকে একটি ‘বিশ্বাসযোগ্য অভিবাসন নীতি’র দিকে এগিয়ে নেবে। রিটার্ন হাবগুলো অনিয়মিত অভিবাসীদের জন্য প্রত্যাবাসনের দেশ শনাক্ত করার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে, যার মধ্যে শুধু তাদের নিজ দেশ নয়, তৃতীয় দেশও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এটি প্রত্যাবাসনকে আরো কার্যকর করা, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা এবং ইউরোপকে একটি বেশি বিশ্বাসযোগ্য অভিবাসননীতি প্রদানের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’
সমালোচকদের মতে, ইইউর বাইরে এসব কেন্দ্র স্থাপন করলে মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে। ফ্রান্স, স্পেনসহ কয়েকটি দেশও এই মডেলের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অনেকের মতে, এসব কেন্দ্র বাস্তবে ‘আইনি কৃষ্ণগহ্বর’-এ পরিণত হতে পারে।
উল্লেখ্য, নতুন আইনের আওতায় যারা দেশ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানাবে, তাদের জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর মধ্যে আটক এবং ভবিষ্যতে ইইউতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রবাস
রফিকুল ইসলাম মাদানীর ছেলে মারা গেছেন
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও মদিনা মুনাওয়ারা শাখার সভাপতি মাওলানা সাইয়েদ রফিকুল ইসলাম মাদানীর বড় ছেলে হাফেজ নাঈম বিন রফিক ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শনিবার (২১ মার্চ) দুপুর ২টায় মদিনা মুনাওয়ারার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ২৪ বছর।
পারিবারিক সূত্রে জানায়, সম্প্রতি তার শরীরে দুরারোগ্য ক্যানসার ধরা পড়ে, যা ইতোমধ্যে চতুর্থ স্তরে পৌঁছায়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে মদিনার হায়াত আল-ওতানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।
তিনি স্ত্রী, পিতা-মাতা, দুই ভাই ও এক বোন রেখে গেছেন। রোববার বাদ জোহর মসজিদে নববীতে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে জান্নাতুল বাকিতে তাকে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।
এদিকে মরহুমের মাগফিরাত কামনা করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান এবং আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
তাছাড়া মরহুমের পিতা মাওলানা সাইয়েদ রফিকুল ইসলাম মাদানী তার সন্তানের রূহের মাগফিরাতের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন।
প্রবাস
প্রবাসীদের সুখবর দিল আরব আমিরাত সরকার
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে পড়া প্রবাসী ও পর্যটকদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তির খবর দিয়েছে দেশটির সরকার। ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে যারা নির্দিষ্ট সময়ে আরব আমিরাত ছাড়তে পারেননি অথবা যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাদের জন্য ৩০ দিনের বিশেষ বর্ধিত সময় ও জরিমানা মওকুফের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্টস সিকিউরিটি’ (আইসিপি) নিশ্চিত করেছে যে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ওভারস্টে বা অতিরিক্ত সময় অবস্থান করা পর্যটক ও প্রবাসীদের কোনো প্রকার জরিমানা দিতে হবে না।
জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার ফলে ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হওয়ায় অনেক প্রবাসী বড় ধরনের সংকটে পড়েছিলেন। বিশেষ করে যাদের রেসিডেন্সি ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল, তাদের পুনরায় প্রবেশের বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যারা ভিজিট ভিসায় আমিরাতে এসে আটকা পড়েছেন এবং যাদের ভিসার মেয়াদ এই সংকটের সময় শেষ হয়েছে, তাদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বা বিশেষ সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। আমিরাত প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে একটি বিশেষ মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা কয়েক হাজার আটকা পড়া বিদেশি নাগরিকের দুশ্চিন্তা লাঘব করবে।
আটকে পড়া বিদেশি নাগরিকদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসন বিনামূল্যে এক্সিট পারমিট বা দেশত্যাগের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে রুট পুনরায় চালু হওয়া মাত্রই তারা কোনো জটিলতা ছাড়াই নিজ দেশে ফিরতে পারবেন। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ বিঘ্নিত হওয়ার কারণে কোনো বিদেশি নাগরিকের ফ্লাইট যদি জরুরি ভিত্তিতে আমিরাতে অবতরণ করতে বাধ্য হয়, তবে তাদেরও বিনামূল্যে টেম্পোরারি ল্যান্ডিং পারমিট বা সাময়িক অবতরণ অনুমতি প্রদান করা হবে।
কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এই বিশেষ পরিস্থিতিতে ভিসার মেয়াদ বাড়ানো বা এক্সিট পারমিটের জন্য সময়মতো আবেদন করতে না পারাকে অভিবাসন আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে না।
এই সুবিধা মূলত সেই সব ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য হবে যারা পরিস্থিতির শিকার হয়ে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি দিন অবস্থান করছেন। এর মধ্যে রয়েছেন ডিপারচার পারমিটধারী, ভিজিট ও ট্যুরিস্ট ভিসা ধারী এবং যাদের রেসিডেন্সি পারমিট সম্প্রতি বাতিল হয়েছে।
আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য যাত্রীদের বৈধ পাসপোর্ট, বর্তমান ভিসার কপি এবং পরবর্তী যাত্রার প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। দুবাইসহ আমিরাতের বিভিন্ন শহরে অবস্থানরত প্রবাসীরা এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন সাপেক্ষে ভ্রমণকারীদের নিজ নিজ এয়ারলাইন্সের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে বর্তমান নির্দেশিকা পুনরায় নিশ্চিত করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পর্যটন
ভিজিটর ভিসা নিয়ে যে বার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস
ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে কাজ করার অনুমোদন নেই বলে এক বার্তায় এ কথা জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দূতাবাস এ কথা জানিয়েছে।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়, বি১/বি২ ভিসা, মনে রাখুন ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে কিছু ব্যবসায়িক কার্যক্রম করা যায়, যেমন চুক্তি নিয়ে আলোচনা/দরকষাকষি করা এবং সম্মেলনে অংশগ্রহণ করা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে থেকে পারিশ্রমিক গ্রহণ করা বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নিয়োগকর্তার জন্য কাজ করা অনুমোদিত নয়।



