জাতীয়
সন্ধ্যা ৭টা থেকে মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বন্ধ
র্টি ফার্স্ট নাইটের আগে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বন্ধ থাকবে।
মেট্রোরেল পরিচালনাকারী সংস্থা ডিএমটিসিএল জানায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আজ ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টা থেকে আজকের মেট্রোরেল অপারেশনের অবশিষ্ট সময় পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ থাকবে।
এমকে
জাতীয়
নিবন্ধন আইন সংশোধন, চালু হচ্ছে ই-রেজিস্ট্রেশন
দলিল নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আধুনিক, সময়োপযোগী ও ডিজিটাল করতে নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর অধিকতর সংশোধন করে নিবন্ধন (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয়েছে।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। অধ্যাদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়, সংসদ ভেঙে যাওয়ায় এবং জরুরি পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করেন।
সময়সীমা বৃদ্ধি: অধ্যাদেশ অনুযায়ী, নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৭ক-ছ, উপধারা (২)-এ উল্লিখিত দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা ৩০ দিনের পরিবর্তে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ধারা ২৬-এর অনুচ্ছেদ (খ)-এ উল্লিখিত সময়সীমা ৪ মাসের পরিবর্তে ৬ মাস করা হয়েছে।
হেবা ও দান নিবন্ধনের আওতা: ধারা ৫২ক সংশোধনের মাধ্যমে দলিল নিবন্ধনের আওতা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বিক্রয়ের পাশাপাশি মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) অনুযায়ী হেবা ঘোষণা, হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ব্যক্তিগত আইনের অধীনে দানের ঘোষণা নিবন্ধনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ‘বিক্রেতা’ শব্দের সঙ্গে ‘অথবা দাতার’ শব্দ দুটি সংযোজন করা হয়েছে।
অনিয়মে কর্মকর্তার দায় নির্ধারণ: ধারা ৬৮ সংশোধন করে নতুন উপধারা (৩) সংযোজন করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধন কর্মকর্তা যদি যথাযথ ফি, কর, সার্ভিস চার্জ বা শুল্ক আদায় না করে দলিল নিবন্ধন করেন, তবে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে এবং অনাদায়ী অর্থ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছ থেকে আদায় করা হবে।রি
আপিল ও আবেদনের নিষ্পত্তির সময়সীমা: অধ্যাদেশে ধারা ৭২ সংশোধন করে উপধারা (১ক) সংযোজন করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আপিল দাখিলের তারিখ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রার আপিল নিষ্পত্তি করবেন।
এ ছাড়া ধারা ৭৩ সংশোধন করে নতুন উপধারা (৩) যুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে আবেদন দাখিলের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে।
ই-রেজিস্ট্রেশন চালু: অধ্যাদেশে নতুন অংশ দ্বাদশ(ক) সংযোজন করে ধারা ৭৭(ক) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকার অনুমোদিত সফটওয়্যার ব্যবহার করে দলিল উপস্থাপন, নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ, ডিজিটাল পদ্ধতিতে দলিল নিবন্ধন করা যাবে। এ সংক্রান্ত বিধি সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রণয়ন করবে।
ফি ও সার্ভিস চার্জ আদায়ের বিধান: অধ্যাদেশে ধারা ৮০ প্রতিস্থাপন করে বলা হয়েছে, দলিল উপস্থাপনের সময়ই সব ফি, কর, সার্ভিস চার্জ ও শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। এসব অর্থ আদায়ের পদ্ধতি এবং সার্ভিস চার্জ ব্যবহারের বিষয়ে সরকার গেজেটের মাধ্যমে বিধি প্রণয়ন করবে।
জাতীয়
হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আজ থেকে দেশব্যাপী ‘মার্চ ফর ইনসাফ’
শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। শনিবার (৩ জানুয়ারি) থেকে আগামী ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই কর্মসূচি। এই সময়ে হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিতে সহযোগিতা চাইতে সরকার, রাজনৈতিক দল ও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষের কাছে যাবেন সংগঠনটির সদস্যরা।
একইসঙ্গে, আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে হাদির খুনি ও খুনের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে অভিযোগপত্র দাখিল করার দাবিও জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। তা না হলে ৭ জানুয়ারির পর থেকে চূড়ান্ত আন্দোলনে নামবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি। ২২ কর্মদিবসের মধ্যে বিচার না করলে সরকার পতনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন সংগঠনটির নেতারা।
এর আগে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শাহবাগ মোড়ে গিয়ে অবস্থান নেন।
এসময় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে বলেন, আপনাদের সঙ্গে যদি কেউ বৈঠক করতে আসে, আপনারা অবশ্যই বৈঠক করবেন। কিন্তু সেই বৈঠক হতে হবে ওপেন। কোনো সিক্রেট বৈঠক নাই। দিল্লির সঙ্গে আমাদের কোনো গোপন বৈঠক চলবে না।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের তিন পাশ থেকে ভারতীয় আধিপত্যবাদ, যার কারণে আমরা ভারতীয় আধিপত্যের বিপক্ষে কথা বলি। এখন যদি আমেরিকা বাংলাদেশে আধিপত্যবাদ খাটাইতে চায়, আমরা কি আমেরিকার বিরুদ্ধে কথা বলব না? আমরা কি কারো কাছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব দিয়ে দিব? না, দেব না। আমাদের এই লড়াইটা কেবল শুরু।
ওসমান হাদির আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব বলেন, ওসমান হাদি আমাদের এই লড়াইয়ের পথটা দেখিয়ে গেছেন। এখন আমাদের সেই অনুযায়ী সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের কথা একটাই, বাংলাদেশের সব ধরনের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আমরা এই লড়াইটা করব, ইনশাআল্লা
জাতীয়
৭ জানুয়ারির পর সরকার পতনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ইনকিলাব মঞ্চের
শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। একই সঙ্গে আগামী ৭ জানুয়ারির পর সরকার পতনের আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনটির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।
শুক্রবার (০২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি শাহবাগ মোড়ে গিয়ে অবস্থান নেয় এবং সড়ক অবরোধ করে।
অবরোধ কর্মসূচিতে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরকারের বক্তব্য বিভ্রান্তিকর এবং তা তারা বিশ্বাস করেন না। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভারতীয় সাংস্কৃতিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণেই হাদিকে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার ২১ দিন পার হলেও সরকার এখনো প্রকৃত হত্যাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে পারেনি, যা সরকারের সদিচ্ছার অভাবের প্রমাণ। সরকারের পক্ষ থেকে ৭ জানুয়ারি চার্জশিট দেওয়ার কথা বলা হলেও শুধু ফয়সল করিম মাসুদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানান তিনি।
আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে চার্জশিট দিতে হবে। তা না হলে ৭ জানুয়ারির পর সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করা হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
জাতীয়
ভুল স্বীকার না করলে জনগণ আ.লীগকে গ্রহণ করবে না: প্রেস সচিব
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, মানুষ ভুল করলে ক্ষমা চায় বা অনুতপ্ত হয়। আমরা সবাই ভুল করি। কিন্তু দীর্ঘ ১৭ মাস পার হয়ে গেলেও (আওয়ামী লীগ) দলটি তাদের দ্বারা সংঘটিত হত্যা ও গুমের ঘটনার জন্য কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেনি। এমনকি তারা শান্তিপূর্ণ থাকার কথাও বলেনি।
তিনি বলেন, এখন যদি তারা (আওয়ামী লীগ) এসে ভুল স্বীকার করে বা সরি বলে, তবে তার কোনো মূল্য নেই। কারণ সময় পার হয়ে গেছে এবং তাদের মনোনয়নের সুযোগও আর নেই।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকার গৌর গোপাল সেবা আশ্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ দেখছি না। মানুষের কাছে দলটির গ্রহণযোগ্যতা এখন নেই। বিদেশে বসে দলটির নেতাকর্মীরা উল্টো মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। তারা দাবি করছে ৩০০০ পুলিশকে মেরে ফেলা হয়েছে, যা বাস্তবসম্মত নয়। তারা আন্দোলনে অংশ নেওয়া লাখ লাখ ছাত্র-ছাত্রীকে জঙ্গি হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। যাতে তাদের ওপর চালানো হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়া যায়। এই ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে বাংলাদেশের মানুষ তাদের আর গ্রহণ করবে না।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ না নেওয়ায় নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নিলে নির্বাচন গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে—এমন কোনো ধারণা সাধারণ মানুষের মধ্যে নেই। বরং দেশের মানুষ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল যদি অস্ত্র হাতে তুলে নেয়, তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর তা ব্যবহার করে এবং গুম-খুন ও গণহত্যার মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, তবে পৃথিবীর কোনো সভ্য রাষ্ট্রই তাকে আর গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করে না। প্রকৃতপক্ষে, এসব কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ নিজেরাই নিজেদেরকে নির্বাচনে অযোগ্য বলে প্রমাণ করেছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব শেষে আবার সাংবাদিকতায় ফিরতে চান বলেও তিনি জানান।
এর আগে, শফিকুল আলম নিজনান্দুয়ালী গৌর গোপাল সেবা আশ্রমের সার্বিক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং আশ্রম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আশ্রমের ধর্মীয় ও মানবিক কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পরিদর্শনকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও আশ্রমের ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।
নিতাই গৌর গোপাল সেবাশ্রম পরিদর্শন শেষে শফিকুল আলম শ্রীপুরে উপজেলার দারিয়াপুর ইউনিয়নের চৌগাছি নিজ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।
জাতীয়
ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকার ৯ ফ্লাইট নামলো চট্টগ্রাম-কলকাতা-ব্যাংকক
ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে পারেনি ৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। এসব ফ্লাইট চলে গেছে চট্টগ্রাম, কলকাতা ও ব্যাংকক।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাত থেকে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ভোর পর্যন্ত কুয়াশায় রানওয়ে দৃশ্যমান না থাকায় নিরাপত্তাজনিত কারণে ফ্লাইটগুলোকে বিকল্প তিন বিমানবন্দরে পাঠানো হয়।
শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম রাগীব সামাদ।
তিনি জানান, কুয়াশার কারণে চারটি ফ্লাইট চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে, চারটি কলকাতা বিমানবন্দরে ও একটি ফ্লাইট ব্যাংকক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে সকাল ৯টার পর থেকে সব ফ্লাইট অপারেশন পুনরায় স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়। ডাইভারশন হওয়া ফ্লাইটগুলোকে ফিরিয়ে আনা শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।




