কর্পোরেট সংবাদ
বিকাশে রেমিটেন্স নিয়ে লাখ টাকার কুপন জেতার সুযোগ
মালয়েশিয়া থেকে আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার প্রতিষ্ঠান ‘টাচ এন গো’র মাধ্যমে বিকাশে পাঠানো সর্বোচ্চ রেমিটেন্স গ্রহণকারী একজন প্রবাসীর স্বজন প্রতি মাসে পেতে পারেন ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মিনিস্টার পণ্যের কুপন। পাশাপাশি, প্রতি সপ্তাহে আরও পাঁচজন করে পাচ্ছেন ২৫ থেকে ৫ হাজার টাকার কুপন।
ব্যাংকিং চ্যানেল হয়ে বৈধপথে রেমিটেন্স পাঠানোকে আরও উদ্বুদ্ধ করতেই ‘টাচ এন গো’, মিনিস্টার ও বিকাশ এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছে। এতে ব্যাংকিং পার্টনার হিসেবে যুক্ত আছে ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি। ক্যাম্পেইনটি শুরু হয়েছে ১লা অক্টোবর এবং চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মালয়েশিয়ার জনপ্রিয় ফিন্যান্সিয়াল অ্যাপ ‘টাচ এন গো ই-ওয়ালেট’ এর মাধ্যমে বাংলাদেশি প্রবাসীরা দেশে থাকা স্বজনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে রেমিটেন্স পাঠাতে পারছেন মুহূর্তেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী তাঁরা বিকাশে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাঠাতে পারছেন।
সাপ্তাহিক কুপন জিততে প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার টাকা (সরকারি ২.৫% প্রণোদনা ছাড়া) বা তার বেশি রেমিটেন্স পাঠাতে হবে মালয়েশিয়া প্রবাসীদের। আর মাসিক কুপন জিততে হলে প্রতি মাসে প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে কমপক্ষে ৪০ হাজার টাকা (সরকারি ২.৫% প্রণোদনা ছাড়া) বা তার বেশি রেমিটেন্স পাঠাতে হবে। একজন রেমিটেন্স গ্রহণকারী একবার করে সাপ্তাহিক ও মাসিক কুপন জিততে পারবেন। মিনিস্টার পণ্য কিনে বিকাশে মাধ্যমে পেমেন্ট করে কুপনগুলো ব্যবহার করা যাবে।
‘টাচ এন গো ই-ওয়ালেট’ থেকে খুব সহজে, তাৎক্ষণিক ও নিরাপদে দেশে থাকা স্বজনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে রেমিটেন্স পাঠাতে পারছেন মালয়েশিয়া প্রবাসীরা। ‘টাচ এন গো ই-ওয়ালেট’ অ্যাপের গো রেমিট অপশন থেকে বাংলাদেশ সিলেক্ট করতে হবে। এখানে ই-ওয়ালেট সিলেক্ট করে যত রেমিটেন্স পাঠাবেন তার পরিমাণ লিখে পরের ধাপে যেতে হবে। পরের ধাপে প্রাপকের বিকাশ অ্যাকাউন্টের নাম ও নম্বর বসিয়ে আনুষঙ্গিক কিছু তথ্য দিয়ে নিশ্চিত করলেই রেমিটেন্স পৌঁছে যাবে দেশে থাকা স্বজনের কাছে।
সহজ, তাৎক্ষণিক, নিরাপদ ও বৈধ লেনদেন হওয়ায় দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে বিকাশের মাধ্যমে রেমিটেন্স গ্রহণ। বর্তমানে, বিশ্বের ১৪০টিরও বেশি দেশ থেকে ১১০টি আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) এর মাধ্যমে দেশের ২৫টি শীর্ষ বাণিজ্যিক ব্যাংকে সেটেলমেন্ট হয়ে নিমেষেই রেমিটেন্স পৌঁছে যাচ্ছে দেশে থাকা প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে। রেমিটেন্সে আসা এই টাকা ব্যবহার করে প্রিয়জনরা ঘরে বসেই অসংখ্য সেবা নিতে পারছেন- যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির মতো ইউটিলিটি সেবার বিল পরিশোধ, টাকা পাঠানো, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সেবার ফি পরিশোধ এবং অনুদান প্রদান।
কাফি
কর্পোরেট সংবাদ
৩১টি স্টার্টআপ ও এসএমই কে নিয়ে ‘অন্যরকম উদ্যোক্তা’র কোহর্ট ২.০- এর যাত্রা শুরু
দেশের বিকাশমান উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করতে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এসএমই) প্রসারে যাত্রা শুরু করলো অন্যরকম উদ্যোক্তা অ্যাকসিলারেটর প্রোগ্রাম কোহর্ট ২.০।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ফার্মগেটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অন্যরকম উদ্যোক্তা আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাকসিলারেটর প্রোগ্রাম কোহর্ট ২.০ উদ্বোধন করেছে।
অ্যাকসিলারেটর প্রোগ্রাম কোহর্ট ২.০-এর জন্য ৩১টি বৈচিত্র্যময় স্টার্টআপ ও এসএমই-কে নির্বাচিত করা হয়েছে। কোহর্ট ২.০ মাধ্যমে ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কৌশলগত সহায়তা, মেন্টরশিপ এবং প্রয়োজনীয় রিসোর্স প্রদান করা হবে।
অন্যরকম গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সোহাগের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে ব্যবসা,উদ্যোক্তা ও শিক্ষা খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নতুন উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন, শায়খ আহমাদুল্লাহ, আশিক চৌধুরী, আয়মান সাদিক এবং ফাহিম আবদুল্লাহ। তাঁরা বাংলাদেশের বিকাশমান উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেমের সম্ভাবনা এবং টেকসই ব্যবসা গড়ে তোলা নিয়ে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।
কোহর্ট ২.০-এর বাছাই প্রক্রিয়ায় বাজারে প্রভাব বিস্তার এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে এমন ৩১টি উদ্যোগকে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যরকম উদ্যোক্তা অ্যাকসিলারেটরের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানগুলো নিবিড় প্রশিক্ষণ এবং নেটওয়ার্কিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে, যা তাদের প্রাথমিক স্তরের উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্যিক সফলতার মাঝের ব্যবধান কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে।
প্রথম আয়োজনের সফলতার ধারাবাহিকতায়, ছয় মাসব্যাপী অ্যাকসিলারেটর প্রোগ্রামে ‘কোহর্ট ১’-এর অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ২ থেকে ১০ গুণ পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল। একটি সুনির্দিষ্ট ‘ফাউন্ডার-ফার্স্ট’ বা উদ্যোক্তা-কেন্দ্রিক দর্শনে উদ্বুদ্ধ হয়ে, অন্যরকম উদ্যোক্তা স্বল্পমেয়াদী বা ক্ষণস্থায়ী সাফল্যের পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তাদের এমনভাবে ক্ষমতায়ন করার ওপর জোর দেয়, যাতে তাঁরা একটি মজবুত ও টেকসই ব্যবসা গড়ে তুলতে পারেন।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ক্যাশলেস লেনদেনে সম্প্রসারণে চুক্তিবদ্ধ হলো ‘নগদ’ ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক
দেশব্যাপী আন্তঃপরিচালনযোগ্য লেনদেন সেবার পরিধি বৃদ্ধির লক্ষ্যে নগদ লিমিটেড এবং মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর (এমটিবি) মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সম্প্রতি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিলসি-এর প্রধান কার্যালয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এই চুক্তির আওতায় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদের মাধ্যমে সম্পাদিত এনপিএসবি এবং বাংলা কিউ আর লেনদেনের সেটেলমেন্ট ব্যাংক হিসেবে কাজ করবে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক। এই সেবাটি আন্তঃপরিচালনাযোগ্য (ইন্টারঅপারেবল) ক্যাশহীন লেনদেন সেবার পরিসর সম্প্রসারণের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ডিজিটাল অর্থনীতি ও স্মার্ট গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নগদ লিমিটেড-এর প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ এবং মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করেন। এসময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সামনের দিনে আরো বেশি সহযোগিতাপূর্ণ অংশীদারত্বের মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে আরো সমৃদ্ধ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি দেশব্যাপী ডিজিটাল পেমেন্টকে আরো ছড়িয়ে দিতে নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতামূলক প্রকল্প অব্যাহত থাকবে বলেও মন্তব্য করেন।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
৮৮ জন নারী উদ্যোক্তার তৈরি পণ্য নিয়ে শুরু হলো ‘তারা উদ্যোক্তা মেলা ২০২৬’
নারী উদ্যোক্তাদের তৈরি দেশীয় পণ্যের প্রসার ও এসব পণ্যের বাজারসৃষ্টি করতে ব্র্যাক ব্যাংকের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী ‘তারা উদ্যোক্তা মেলা ২০২৬’শুরু হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৮৮ জন নারী উদ্যোক্তা তাঁদের তৈরি দেশীয় পণ্য নিয়ে তারা উদ্যোক্তা মেলায় অংশ নিয়েছেন। এই মেলা চলবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এবং মেলার পর্দা নামবে ১ মার্চ।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশানের আলোকি কনভেনশন সেন্টারে ব্র্যাক ব্যাংকের আয়োজনে এই মেলার উদ্বোধন করা হয়।
মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ইনডিপেন্ডেন্ট ডিরেক্টর লীলা রশিদ ও আনিতা গাজী রহমান, ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান এবং অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর হেড অব এসএমই ব্যাংকিং-এর সৈয়দ আব্দুল মোমেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মেলার বিশেষত্ব, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৮৮ জন নারী উদ্যোক্তা তাঁদের তৈরি দেশীয় পণ্য নিয়ে তারা উদ্যোক্তা মেলায় অংশ নিয়েছেন। মেলায় অংশগ্রহণকারী বেশিরভাগ নারী উদ্যোক্তা উৎপাদন খাতে জড়িত, যারা দেশের ঐতিহ্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও মেলায় নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে ব্র্যাক ব্যাংক বিনা খরচে স্টল বরাদ্দ দিয়েছে এবং মেলার সম্পূর্ণ খরচ বহন করছে। এতে নারী উদ্যোক্তারা এই মেলায় অংশ নিতে নিজেদের কোনো খরচ বহন করতে হচ্ছে না।
মেলায় বিভিন্ন ধরনের পণ্যের সমাহার নিয়ে হাজির হয়েছেন নারী উদ্যোক্তারা। তাঁদের তৈরি পণ্যের মধ্যে বুটিক, হাতে সেলাই করা পোশাক, মৃৎশিল্প, পাটজাত পণ্য, জামদানি, মসলিন, অর্গানিক স্কিনকেয়ার এবং বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন দেশীয় পণ্যের প্রদর্শনী ও বিক্রি চলছে। এছাড়াও মেলায় আগতদের জন্য রাখা হয়েছে ইফতার ও ডিনার ফুড কোর্টসহ অন্যান্য স্টল।
নারী উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করতে মেলায় ব্র্যাক ব্যাংক কিউআর এবং কার্ড পেমেন্ট সুবিধা দিচ্ছে। মেলায় কিউআর পেমেন্টের মাধ্যমে কেনাকাটা করলে ক্রেতারা ২০% পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া মেলায় আগতদের জন্য ইফতার ও ডিনারের জন্য ফুড কোর্টের ব্যবস্থা রয়েছে।
এই তারা উদ্যোক্তা মেলায় দেশীয় পণ্যের প্রচার এবং দেশের ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ন রেখে পণ্য উদ্ভাবনের মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তাদের সৃজনশীলতা প্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। বিশেষ করে মেলাটি ঈদের আগে হওয়ায় নারী উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্য বিক্রি বাড়ানোর পাশাপাশি অনেক নতুন গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে সহায়তা করছে এবং তাদের মেলায় অংশগ্রহণে আকৃষ্ট করছে।
তারা উদ্যোক্তা মেলা প্রদর্শনী সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, উন্নয়নের সম-অংশীদার হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক নারী উদ্যোক্তাদের পূর্ণ সম্ভাবনার বিকাশে সহায়তা করে। সে মূল্যবোধ থেকেই আমরা প্রতিবছর এই তারা উদ্যোক্তা মেলার আয়োজন করেছি।
তিনি আরো বলেন, এই মেলার মাধ্যমে উদ্যোক্তারা যেমন দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে মিশে থাকা দেশীয় পণ্যের প্রচার ও প্রসারের সুযোগ পাচ্ছেন, অন্যদিকে নিজেরাও আর্থিকভাবে উপকৃত হচ্ছেন। তিনি আরও জানান,নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এমন আরও মেলার আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
পবিত্র রমজানে ‘রেমিটেন্স সেবা মাস’ পালন করছে এনআরবিসি
এনআরবিসি ব্যাংক প্রবাসীদের ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিটেন্স পাঠাতে উৎসাহিত করণ এবং এ সংক্রান্ত সেবার প্রসারে পবিত্র রমজান মাসকে ‘বিশেষ রেমিটেন্স সেবা মাস’ হিসেবে পালন করছে। এ উপলক্ষ্যে ঈদের আগ পর্যন্ত রেমিটেন্স গ্রহণকারীদের বিশেষ উপহার প্রদান করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ড. মো: তৌহিদুল আলম খান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম খান, প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা (সিএইচআরও) ফয়সাল আহমেদ, প্রধান ঝুঁকি কর্মকর্তা (সিআরও) সিরাজুল আমিন আহমেদ, আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রধান হাসনাত রেজা মহিবুল আলম, প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) রাসেদুল ইসলাম এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. তৌহিদুল আলম খান বলেন, রেমিট্যান্স-কেন্দ্রিক ব্যাংক হিসেবে এনআরবিসি ব্যাংক প্রবাসী আয় পরিষেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে। পরিচালক পর্ষদ এবং ব্যবস্থাপনা রেমিট্যান্স খাতকে ব্যাংকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সেবাক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করে। প্রবাসীদের পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে এই বিশেষ উপহার দেওয়া হচ্ছে।
ব্যাংক তার দেশব্যাপী শাখা এবং উপ-শাখা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দ্রুত, নিরাপদে এবং সুবিধাজনকভাবে গ্রাহকদের কাছে রেমিট্যান্স পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রেমিট্যান্স গ্রাহকদের জন্য পরিষেবার মান বৃদ্ধির জন্য, ইতিমধ্যেই সকল আউটলেটে পৃথক ‘রেমিট্যান্স সার্ভিস ডেস্ক’ চালু করা হয়েছে। এই চলমান উদ্যোগের অংশ হিসেবে, রমজান মাস জুড়ে বিশেষ উপহার বিতরণ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
মিতসুই – এসিআই কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষর
জাপানের শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান মিতসুই অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ খুচরা বিপণন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এসিআই লজিস্টিকস লিমিটেড-এর সঙ্গে একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রয়োজনীয় আইনগত অনুমোদন সাপেক্ষে মিতসুই-এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান মিতসুই অ্যান্ড কোম্পানি (এশিয়া প্যাসিফিক) প্রাইভেট লিমিটেড বৈদেশিক মুদ্রায় নির্ধারিত একটি কাঠামোবদ্ধ রূপান্তরযোগ্য ঋণ সুবিধা এসিআই লজিস্টিকসকে প্রদান করবে। এই অংশীদারত্ব একটি বিশেষ ঋণ ব্যবস্থার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে।
এসিআই লজিস্টিকস লিমিটেড হলো এসিআই লিমিটেড-এর একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। এর অধীনে পরিচালিত দেশের সর্ববৃহৎ খুচরা বিপণন প্রতিষ্ঠান ‘স্বপ্ন’-এর বর্তমানে সারাদেশে ৮৩৫টিরও বেশি বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে।
রাজধানীর এসিআই সেন্টারে মঙ্গলবার বিকেলে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে উভয় প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, মিতসুই বিশ্বব্যাপী ৬০টিরও বেশি দেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বৈশ্বিক পণ্য সংগ্রহ সক্ষমতা, কারিগরি দক্ষতা ও বহুমুখী শিল্পখাতে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুপরিচিত।
এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে এসিআই লজিস্টিকসের কৌশলগত সম্প্রসারণ, সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নয়ন, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং টেকসই কার্যক্রম জোরদারে একসঙ্গে কাজ করবে দুই প্রতিষ্ঠান। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, এই সহযোগিতার ফলে দেশের আধুনিক খুচরা বিপণন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।




