অর্থনীতি
বিদেশি বিনিয়োগ হিসাব খোলার তথ্য জানানোর শর্ত শিথিল
বিদেশি বিনিয়োগ হিসাব খোলার তথ্য জানানোর শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে এখন থেকে বিনিয়োগকারীদের হিসাব খোলার সঙ্গে সঙ্গে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জানাতে হবে না। কর্মকর্তাদের আশা, এতে ব্যাংকগুলো বিদেশি বিনিয়োগের হিসাব খোলায় আরও আগ্রহ দেখাবে।
বুধবার (১ অক্টোবর) এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এক প্রজ্ঞাপনে।
বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে শুরু থেকেই বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অনাবাসী টাকা হিসাব (এনআরটিএ) ও বিদেশি বিনিয়োগের জন্য ব্যবহৃত অস্থায়ী বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবের (এফসি) রিপোর্টিংয়ের প্রয়োজনীয়তা শিথিল করা হয়েছে। এখন থেকে ব্যাংকগুলো এসব হিসাব খোলার সঙ্গে সঙ্গে তথ্য না জানিয়ে ১৪ দিনের মধ্যে নগদায়ন সার্টিফিকেট, অনলাইন ট্রানজেকশন আইডি, হিসাবের বিবরণী ও সংশ্লিষ্ট স্থায়ী হিসাবের বিবরণী পাঠাতে পারবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশি তহবিল স্থানীয় মুদ্রায় রূপান্তর অথবা এক বছরের জন্য বৈদেশিক মুদ্রায় রাখা যাবে। দেশীয় মুদ্রায় রূপান্তর হলে অনলাইনে ‘ফরম–সি’ জমা দেওয়া যাবে এবং কোম্পানি গঠনের ১৪ দিনের মধ্যে নির্দিষ্ট নথিতে স্বাক্ষর করতে হবে।
এছাড়া, প্রস্তাবিত বিনিয়োগ নিবন্ধিত না হলে প্রয়োজনীয় খরচ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ বিদেশে নিয়ে যাওয়া যাবে। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন প্রয়োজন হবে না।
অর্থনীতি
বাড়লো সোনার দাম, ভরি ২ লাখ ২৫ হাজার
দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সোনার দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ফলে ভালো মানের সোনার দাম বেড়ে বেড়ে প্রায় দুই লাখ ২৫ হাজার ৭০০ টাকায় উঠেছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি জানিয়েছে, বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম বেড়েছে।
বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৩২ ডলার উঠেছে।
নতুন দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ১৪ হাজার ৭৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৮৪ হাজার ৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা দাম এক লাখ ৫৩ হাজার ৩২৩ টাকা।
স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৫৪০ টাকা। এ ছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।
এর আগে গত ১ জানুয়ারি সোনার দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ এক হাজার ৪৫৮ টাকা পর্যন্ত কমিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল বাজুস। এতে ফলে ভালো মানের সোনার দাম কমে দুই লাখ ২২ হাজার ৭০০ টাকায় নেমেছিল।
এমকে
অর্থনীতি
সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত পাঁচটি সঞ্চয় কর্মসূচির মুনাফার হার কমানোর যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা বাতিল করা হয়েছে। ফলে সঞ্চয়পত্রের আগের মুনাফার হার কার্যকর হবে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এর আগে ৩১ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে ১ জানুয়ারি থেকে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার নতুন হার নির্ধারণ করা হয়। চার দিনের মাথায় সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হলো।
এর ফলে স্কিমের ধরন অনুযায়ী মুনাফার হার সর্বোচ্চ হার হবে ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ থেকে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত।
পাঁচ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র
নতুন হার অনুযায়ী, প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা পাঁচ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১০ দশমিক ২১ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ১০ দশমিক ৭২ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ১১ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
অন্যদিকে দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা ৫ বছর বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র
প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা ৩ মাস অন্তর মুনাফা সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ১০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১১ দশমিক ২২ শতাংশ এবং তৃতীয় বছরে ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
অন্যদিকে দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা ৩ মাস অন্তর মুনাফা সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ১০ দশমিক ৬০ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১১ দশমিক ১৬ শতাংশ এবং তৃতীয় বছরে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
পেনশনার সঞ্চয়পত্র
প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা পেনশনার সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১০ দশমিক ৩২ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ১০ দশমিক ৮৪ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ১১ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
অন্যদিকে দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা পেনশনার সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ১০ দশমিক ৮৪ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ১১ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
পরিবার সঞ্চয়পত্র
প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা পরিবার সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১০ দশমিক ২৯ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ১০ দশমিক ৮০ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ১১ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
অন্যদিকে দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা পেনশনার সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
পোস্ট অফিস ফিক্সড ডিপোজিট
প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা পোস্ট অফিস ফিক্সড ডিপোজিটে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ১০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১১ দশমিক ২২ শতাংশ এবং তৃতীয় বছরে ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
অন্যদিকে দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা এই সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে বছরে ১০ দশমিক ৬০ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১১ দশমিক ১৬ শতাংশ এবং তৃতীয় বছরে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন।
অর্থনীতি
ডিসেম্বরে পণ্য রপ্তানি কমেছে ১৪ শতাংশ
গত বছরের ডিসেম্বর মাসে দেশের রপ্তানি আয় ১৪ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যা ২০২৪ সালের একই সময়ে ছিল ৪ দশমিক ৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
রোববার (৪ জানুয়ারি) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪ দশমিক ২৫ শতাংশ কমেছে।
তবে সামগ্রিক চিত্রে দেখা যায়, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই–ডিসেম্বর) দেশের মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৯৯৮ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের ২৪ হাজার ৫৩৩ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২ দশমিক ১৯ শতাংশ কম।
এমকে
অর্থনীতি
এলপি গ্যাসের দাম বাড়লো
জানুয়ারি মাসের জন্য ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ২৫৩ টাকা থেকে ৫৩ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন, যা আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।
এছাড়া অটোগ্যাসের দাম ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা থেকে দুই টাকা ৪৮ পয়সা বাড়িয়ে ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে ডিসেম্বর মাসে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি অটোগ্যাসের দাম এক টাকা ৭৪ পয়সা বাড়িয়ে ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
তবে সরকার নির্ধারিত দামে বাজারে মিলছে না এলপিজি। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বাড়িয়ে দুই হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। অনেক এলাকায় এর চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে আভিযোগ পাওয়া গেছে। আবার এই বাড়তি দামেও অনেক এলাকায় সিলিন্ডার মিলছে না বলে জানা গেছে।
অর্থনীতি
চালের দাম বাড়বে না: খাদ্য উপদেষ্টা
দেশে এখন সরকারি খাদ্যশস্যর সর্বোচ্চ মজুদ রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এখন আর চালের দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার দেশের খাদ্য মজুদ পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান। এ সময় খাদ্য সচিব ফিরোজ সরকার ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, গত বছর সরকার গঠন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চালের দাম বেড়েছিল, এ বছর খাদ্যের মজুদ সবচেয়ে বেশি, আশা করছি চালের দাম বাড়বে না।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের সরকারি গুদামে ২০ লাখ ২৭ হাজার টন খাদ্যশস্য মজুদ আছে। এছাড়া সরকারের ২৪ লাখ টন পর্যন্ত খাদ্যশস্য মজুদ বাড়ানোর সক্ষমতা রয়েছে।
আগামী বোরো মৌসুমেও প্রচুর ধান চাল সংগ্রহ করা হবে। চলতি আমন মৌসুমের সংগ্রহের হার ভালো।
খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, গত পাঁচ বছরে তুলনায় এ বছর খাদ্যশস্য মজুত সবচেয়ে বেশি।
ভারত থেকে চাল আমদানি প্রসঙ্গে বলেন, ভারত থেকে চাল আমদানি স্বাভাবিক। এতে কোনো রাজনৈতিক ইস্যু নেই। আমরা আমদানিতে কোনো রাজনৈতিক ইস্যু দেখছি না।



