কর্পোরেট সংবাদ
স্বজনের কাছে সহজে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের আস্থা বাড়ছে বিকাশে

এবছর রমজানের প্রথমার্ধে বিকাশের মাধ্যমে ৯০০ কোটি টাকারও বেশি রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। সবচেয়ে সহজে, নিরাপদে ও তাৎক্ষণিক রেমিটেন্স পাঠানোর এই সুবিধার উপর ক্রমশই আস্থা বাড়ছে প্রবাসীদের। বিশেষ করে, পবিত্র রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে এই সেবা বেশি ব্যবহার করছেন গ্রাহকরা। তারই ধারাবাহিকতায়, এবারের রমজানের প্রথম ১৫ দিনে গত বছরের তুলনায় বিকাশে রেমিটেন্স আসার হার বেড়েছে ৮৬ শতাংশ। এভাবেই ১৪০টিরও বেশি দেশ থেকে প্রবাসীরা বিকাশকে সাথে নিয়ে স্বজনদের ঈদ আনন্দে পাশে থাকছেন এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকেও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখছেন।
দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে ভূমিকা পালনকারী এই রেমিটেন্স সংগ্রহে একটি শক্তিশালী ইকোসিস্টেম তৈরি করেছে বিকাশ। বর্তমানে, শতাধিক আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) এর মাধ্যমে ১৪০টিরও বেশি দেশ থেকে আসা রেমিটেন্স বাংলাদেশের ২৫টি শীর্ষ বাণিজ্যিক ব্যাংকে নিষ্পত্তি হয়ে মুহূর্তেই পৌঁছে যাচ্ছে প্রবাসীর প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে। তাই, কোনো আনন্দের মুহূর্তে হোক কিংবা নিয়মিত সময়ে, অথবা জরুরি প্রয়োজনে সবচেয়ে সহজে, নিরাপদে প্রিয়জনের কাছে অর্থ পাঠাতে প্রবাসীরা নির্ভর করছেন বিকাশের রেমিটেন্স সেবায়।
এখন আরও কম খরচে রেমিটেন্স ক্যাশআউটের সুযোগ নিতে পারছেন প্রবাসীর স্বজনেরা। সারাদেশের ১৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রায় ২৫০০ এটিএম বুথ থেকে প্রতি হাজারে ৭ টাকা খরচে রেমিটেন্সের অর্থ ক্যাশআউট করতে পারছেন তারা। ইউএসএসডি চ্যানেল *২৪৭# এবং বিকাশ অ্যাপ উভয় পদ্ধতিতে এটিএম ক্যাশ আউটে ৭ টাকার সাশ্রয়ী খরচ উপভোগ করছেন রেমিটেন্স গ্রহীতারা।
এদিকে, প্রিয়জনের পাঠানো রেমিটেন্সের উপর প্রতি হাজারে ২৫ টাকা সরকারী প্রণোদনাসহ পুরো অর্থ মুহূর্তেই পেয়ে যাচ্ছেন দেশে থাকা স্বজনেরা। তা দিয়ে তাঁরা ঈদের কেনাকাটা করছেন অনায়াসে। পাশাপাশি, বিকাশ-এর মাধ্যমেই বিভিন্ন ইউটিলিটি সেবার বিল পরিশোধ, টাকা পাঠানো, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সেবার ফি পরিশোধ, যাকাত-ফিতরা, অনুদান প্রদান, সেভিংস খোলা, এনজিওর ঋণের কিস্তি প্রদান সহ অসংখ্য সেবা নিচ্ছেন ঘরে বসেই।
কাফি
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

কর্পোরেট সংবাদ
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ২৯২তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বোর্ড রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মান্নান।
ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান, এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুল কুদ্দুছ, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. সাইফুল আলম পিএইচডি, এফসিএমএ, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. রাগিব আহসান এফসিএ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া ও কোম্পানী সচিব (চলতি দায়িত্ব) নিজাম কাজী, এসিএস সভায় উপস্থিত ছিলেন।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কর্পোরেট সংবাদ
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের এমডি হিসেবে শাফিউজ্জামানের যোগদান

বিশিষ্ট ব্যাংকার শাফিউজ্জামান দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির (এসআইবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) যোগদান করেছেন।
এর আগে তিনি ব্যাংক এশিয়া পিএলসিতে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ ক্রেডিট অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে তিনি ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং, কর্পোরেট ব্যাংকিং, ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ও স্পেশাল এ্যাসেট ম্যানেজমেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
শাফিউজ্জামানের রয়েছে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে ৩১ বছরের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা। ১৪ বছর তিনি ঢাকার বিভিন্ন শাখার প্রধান এবং ১০ বছর প্রধান কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনে তিনি ব্যাংকিং খাতের আধুনিকীকরণ ও সৃজনশীল সেবাপণ্য উদ্ভাবনে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন এবং তাঁর গতিশীল নেতৃত্ব ব্যাংকিং খাতে প্রশংসিত হয়েছে।
শাফিউজ্জামান ১৯৯৪ সালে তার পেশাগত জীবন শুরু করেন ইউনাইটেড লিজিং কোম্পানি লিমিটেডে (বর্তমানে ইউনাইটেড ফাইন্যান্স লিমিটেড) এক্সিকিউটিভ হিসেবে। এরপর তিনি ওয়ান ব্যাংক পিএলসি-তে ১৪ বছর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ)থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন এবং গতিশীল নেতৃত্ব, মার্কেটিং, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট, স্ট্র্যাটেজিক অপারেশনে বিশেষজ্ঞ হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক বিশ্বাস করে যে, জনাব শাফিউজ্জামানের দক্ষ নেতৃত্ব ব্যাংকের প্রবৃদ্ধি ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং ইসলামী ব্যাংকিং খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কর্পোরেট সংবাদ
‘ঈদের চাঁদ আকাশে, সালামি দিন বিকাশ-এ’ স্লোগানে বাড়ছে উৎসবের আনন্দ

নতুন জামা-জুতা, ঈদের নামাজ, মজাদার খাওয়া-দাওয়া, প্রিয়জনের সান্নিধ্যসহ আরো নানান অনুষঙ্গের সাথে ঈদের আনন্দ পরিপূর্ণ হয়ে উঠে সালামি বিনিময়ের মধ্য দিয়ে। সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির কল্যাণে সালামিও এখন ডিজিটাল। ঈদ সালামি নিতে, দিতে এবং চাইতে গত কয়েক বছর ধরেই অন্যতম মূল মাধ্যম হয়ে উঠেছে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশ। ‘ঈদের চাঁদ আকাশে, সালামি দিন বিকাশ-এ’ স্লোগানে মুখরিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ডিজিটাল সালামির জনপ্রিয়তা জানান দিচ্ছে।
এছাড়া, প্রিয়জনের কাছে না থেকেও কিংবা দীর্ঘদিন যোগাযোগ না থাকা কারণে তৈরি দূরত্ব ঘোচাতে বিকাশ অ্যাপের কয়েকটি ক্লিকে পাঠানো ঈদ সালামি এবং সাথে লেখা অনুভূতির বার্তা সম্পর্কগুলোকে আবার জোড়া দিয়ে দিচ্ছে।
বড় শহর থেকে শুরু করে গ্রাম-গঞ্জে সব শ্রেণির মানুষের মধ্যেই সাড়া ফেলেছে বিকাশ অ্যাপের সেন্ড মানি থেকে সালামি পাঠানোর এই উদ্ভাবনী ফিচার। টাকা পাঠানোর সাথে সাথে মজার ম্যাসেজসহ ডিজিটাল ঈদ সালামি হয়ে উঠেছে ঈদের অন্যতম অনুষঙ্গ। ‘গ্রুপ সেন্ড মানি’ ফিচারের কল্যাণে একসঙ্গে অনেককে সালামি দেওয়ার সুযোগও যোগ করেছে বাড়তি আনন্দ। পাশাপাশি, সালামি শিকারিরা প্রিয়জনদের সালামি চেয়ে রিকোয়েস্টও পাঠাতে পারছেন বিকাশ অ্যাপ থেকে।
দেখে নেয়া যাক বিকাশ-এ সালামি আদান-প্রদানের খুঁটিনাটি- সালামি পাঠাতে গ্রুপ সেন্ড মানি: যারা একসঙ্গে অনেককে সালামি পাঠাবেন, তারা খুব সহজে বিকাশ- এর গ্রুপ সেন্ড মানি ফিচার ব্যবহার করতে পারছেন। এজন্য শুরুতেই বিকাশ অ্যাপের সেন্ড মানি আইকনে ক্লিক করে গ্রুপ সেন্ড মানি অপশন ট্যাপ করে সর্বোচ্চ ৭টি নাম্বার অ্যাড করে সালামি পাঠানোর গ্রুপ তৈরি করে নিতে পারেন। তারপর মোট সেন্ড মানির পরিমাণ দিয়ে চাইলে প্রতি নাম্বারে সমানভাগে অথবা একেক নাম্বারে একেক পরিমাণ সালামি পাঠাতে পারবেন। একজন গ্রাহক একাধিক গ্রুপ তৈরি করে সালামি পাঠাতে পারবেন।
সালামির সাথে বর্ণিল ঈদ কার্ড যোগ করা: সালামি পাঠানোর সময় বিকাশ অ্যাপে থাকা বর্ণিল ঈদ কার্ড সিলেক্ট করে তার উপর নিজের আবেগ-অনুভূতি, স্নেহ-ভালোবাসা জানিয়ে ম্যাসেজ যুক্ত করতে পারবেন যেকোনো গ্রাহক। বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষাতেই মেসেজ লেখার সুযোগ রয়েছে।
সালামি চেয়ে রিকোয়েস্ট মানি: সালামি শিকারিদের জন্য এক মোক্ষম অস্ত্র বিকাশ অ্যাপের রিকোয়েস্ট মানি ফিচার। অ্যাপ থেকে ‘রিকোয়েস্ট মানি’ আইকনে ট্যাপ করে সর্বোচ্চ ১০টি বিকাশ অ্যাকাউন্ট নাম্বারে পৃথকভাবে বা গ্রুপ তৈরি করে প্রিয়জনের কাছে সালামির রিকোয়েস্ট পৌঁছে দেয়া যাবে। রিকোয়েস্ট গ্রহণকারী রিকোয়েস্ট মানি’র নোটিফিকেশন অথবা বিকাশ অ্যাপের রিকোয়েস্ট মানি’র ড্যাশবোর্ড থেকে আপনার রিকোয়েস্টটিতে সম্মতি দিয়ে সালামি পাঠিয়ে দিতে পারবেন।
এদিকে, সেন্ড মানির মাধ্যমে অনেককে সালামি পাঠানোর খরচ কমাতে গ্রাহকরা বিকাশ অ্যাপের ‘আমার বিকাশ’ সেকশন থেকে পছন্দের সেন্ড মানি বান্ডেল কিনে নিতে পারেন। বর্তমানে গ্রাহকরা ৫, ১০, ২৫, ৫০, ও ১০০টি সেন্ড মানি বান্ডেল কিনতে পারবেন। প্রতিটি বান্ডেলের মেয়াদ থাকছে ৩০ দিন।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকিং ইসলামের মৌলিক আকিদার সাথে সম্পর্কিত: ঢাবি ভাইস চ্যান্সেলর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেছেন, ইসলামী ব্যাংকিং ইসলামের মৌলিক আকিদার সাথে সম্পর্কিত। ইসলামী ব্যাংকব্যবস্থাকে সমাজে ছড়িয়ে দিতে হলে মানবসেবার ব্রত নিয়ে কাজ করতে হবে।
রবিবার (২৩ মার্চ) ইসলামিক ব্যাংকস কনসালটেটিভ ফোরামের (আইবিসিএফ) উদ্যোগে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিং-এ শরীয়াহ গভর্নেন্স: প্রয়োগ ও বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাবি ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, ইসলামী ব্যাংকিং নিয়ে গবেষণার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এই খাতের উন্নয়নে তাত্তি¡ক ও বাস্তবিক জ্ঞানের সম্মিলন প্রয়োজন। ইসলামী ব্যাংকিং বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাক্ষরতার জন্য জ্ঞানভিত্তিক বড় প্রচারণা দরকার। এই প্রচারণায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী ব্যাংকিং প্রফেশনালদের সাথে থাকতে চায়। আইবিসিএফ এর উদ্যোগে জাতীয় পর্যায়ে ইসলমী ব্যাংকখাতের অংশীজনদের যে সমাবেশ ঘটেছে তা জাতির বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে অব্যাহত রাখতে হবে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন আইবিসিএফ ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মান্নান। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স-এর সভাপতি মাহবুবুর রহমান, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভাইস চ্যান্সেলর ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. হাসিনা শেখ। সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইবিসিএফর টাস্ক কমিটির চেয়ারম্যান ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা।
সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও আইবিসিএফর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আমিন, আল-আরাফাহ
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও আইবিসিএফ-এর ভাইস চেয়ারম্যান খাজা শাহরিয়ার, ইউনিয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও আইবিসিএফ-এর অ্যাডভাইজার মু. ফরীদ উদ্দিন আহমদ এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান ও আইবিসিএফ এর মেম্বার ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ।
মোহাম্মদ আবদুল মান্নান সভাপতির ভাষণে বলেন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, আমানত সংগ্রহ, বিনিয়োগ বিকেন্দ্রীকরণ, কল্যাণধর্মী প্রোডাক্ট উদ্ভাবন, বৈদেশিক বাণিজ্য ও
রেমিট্যান্স সেবার মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকিং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি জনকল্যাণ ও জীবনমানের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তিনি বলেন, বর্তমানে ১০টি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ৭০০টি শাখা, প্রচলিত ১৬টি ব্যাংকের ৩৪টি শাখা এবং ১৯টি ব্যাংকের ৮২৫টি উইন্ডোর মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে যা দেশের সার্বিক ব্যাংকিং খাতের প্রায় এক তৃতীয়াংশ।
মোহাম্মদ আবদুল মান্নান বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকে ইসলামী ব্যাংকিং বিষয়ে স্বতন্ত্র একটি বিভাগ প্রতিষ্ঠার ফলে দীর্ঘদিনের অভাব পূরণ হয়েছে। দেশের ইসলামী ব্যাংকগুলোর জন্য স্বতন্ত্র ব্যাংকিং আইন দীর্ঘদিনের দাবী, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতোমধ্যে খসড়া আইন হিসেবে প্রণয়ন করে স্টেকহোল্ডারদের মতামতের জন্য প্রকাশ করেছে। তিনি বলেন, আইবিসিএফ-এর পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এই আইন দেশে ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকখাতে সরাসরি ৫৩ হাজার ব্যাংকার ইসলামী অর্থায়ন সেবা দিয়ে যাচ্ছে। ইসলামী ব্যাংকিং পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল যোগান দিতে তিনি শিক্ষা কারিকুলামে ইসলামী ব্যাংকিং বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার তাগিদ দেন। এছাড়া শরীয়াহ বিষয়ে সচেতনতা তৈরির জন্য ব্যাংকার, গ্রাহক, শিক্ষাবিদদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
আইবিসিএফ-এর অ্যাডভাইজার একেএম নূরুল ফজল বুলবুলের সঞ্চালনায় সেমিনারে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আইবিসিএফর সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু নাসের মোহাম্মদ আব্দুজ জাহের। এ সময় বিভিন্ন ব্যাংকের পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উদ্যোক্তা, সিনিয়র ব্যাংকার, শিক্ষাবিদ, শরীয়াহ বিশেষজ্ঞসহ এই খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কর্পোরেট সংবাদ
ঈদ এ কোথাও যেতে চাও, পাঠাও রেন্টালস বুক নাও

ঈদের ছুটিকে আরও স্পেশাল করতে পাঠাও লঞ্চ করেছে আকর্ষণীয় ক্যাম্পেইন ‘ঈদে কোথাও যেতে চাও, পাঠাও রেন্টালস বুক নাও!’ আপনি যেখানেই যান না কেন, পাঠাও রেন্টালস আপনাকে নিয়ে যাবে নিরাপদে এবং আরামে।
আপনি যদি গ্রামের বাড়ি, পরিবার নিয়ে ঘুরতে কিংবা ঈদের ভিড়ে গাড়ি খুঁজে থাকেন, পাঠাও রেন্টালস আছে আপনার পাশে। পাঠাও রেন্টালস-এ আছে বিভিন্ন ধরনের গাড়ি, প্রশিক্ষিত ড্রাইভার এবং সহজ অ্যাপ ও কল ভিত্তিক বুকিং সিস্টেম। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে বাড়তি কোনো খরচ ছাড়াই নিশ্চিন্তে ও আরামে চলে যেতে পারবেন পাঠাও রেন্টালস-এ।
পাঠাও রেন্টালস-এর মাধ্যমে ইউজাররা পাবেন সেডান, এসইউভি, মাইক্রোবাস সহ বিভিন্ন ধরনের গাড়ি বেছে নেওয়ার সুযোগ। দক্ষ চালক, রাউন্ড ট্রিপ এবং বাড়তি খরচ ছাড়া অ্যাপ ও কলের মাধ্যমে সহজে বুকিং-এর সুবিধা। ইতিমধ্যে গত বছর থেকে প্রায় ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি বুকিং পেয়েছে পাঠাও রেন্টালস।
এছাড়াও পাঠাও রেন্টালস বিভিন্ন বিজনেসের সঙ্গে কাজ করছেন, যারা তাদের ক্লায়েন্টদের জন্য সহজ ও নিরাপদ ট্রান্সপোর্টেশন চান। অপসোনিন ফার্মা পাঠাও-এর সঙ্গে পার্টনারশিপে তাদের বিভিন্ন কাজে নিরাপদে ও আরামে যাতায়াত করছে পাঠাও রেন্টালস-এর মাধ্যমে। পাঠাও রেন্টালস তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সহজে ও নিশ্চিন্তে।
পাঠাও রেন্টালসে গাড়ি বুক করার সহজ উপায়-
১. প্রথমে পাঠাও অ্যাপ খুলুন।
২. ‘রেন্টালস’ অপশনে ক্লিক করুন।
৩. আপনার পছন্দের গাড়ি বেছে নিন – অনেক রকম গাড়ি আছে।
৪. সময় ঠিক করুন – ঘণ্টা, দিন বা যতদিন দরকার।
৫. বুকিং কনফার্ম করুন এবং অনলাইনে পেমেন্ট করুন।
৬. এবার নিশ্চিন্তে থাকুন এবং পাঠাও রেন্টালস-এর সাথে ঈদের যাত্রা উপভোগ করুন।
পাঠাও রেন্টালস, পাঠাও অ্যাপের মাধ্যমে অথবা ০৯৬৭৭৭০০০০০ নম্বরে কল দিলেই খুব সহজে গাড়ি ভাড়া দেয়। বিশেষ করে ঈদের মতো ব্যস্ত সময়ে বিভিন্ন ধরনের গাড়ি, ট্রান্সপারেন্ট ভাড়া এবং দক্ষ চালকদের মাধ্যমে পাঠাও রেন্টালস বাংলাদেশের ভ্রমণকে আরও সহজ করে দিচ্ছে । বুকিং এখনও চলছে, তাই বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে আরামে যেতে কল করুন এখনই!