জাতীয়
সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ১২ মে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১২ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ ১১-তম কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
ইসি সচিব জানান, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের লক্ষ্যে আগামী ৮ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করা হবে। ওই দিনই মনোনয়নপত্র জমা, বাছাই ও প্রত্যাহারের বিস্তারিত সময়সূচি জানানো হবে।
জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনে জয়ী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের সংখ্যানুপাতিক হারে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসন বণ্টন করা হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে দলগুলো তাদের নির্ধারিত আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। যেহেতু এই নির্বাচনে ভোটার হন সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা, তাই সাধারণত একক প্রার্থী থাকলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হন।
জাতীয়
সব জেলায় জরুরি চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ
ব্যবসায়ীদের অনুরোধে দোকানপাট খোলা রাখার সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়েছে সরকার। আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা থেকে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত শপিং মল, মার্কেট ও দোকান খোলা রাখা যাবে। এর আগে গতকাল রবিবার এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
চিঠিতে বলা হয়, গত ৪ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বিভিন্ন ব্যাবসায়িক সংগঠনের প্রতিনিধিরা সময় বাড়ানোর অনুরোধ করেন। সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে দোকানপাট সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিষয়ে সায় দিয়েছেন সরকারপ্রধান।
এ ছাড়া মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বেলায়ও একই সময়সীমা মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।
এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সন্ধ্যা ৬টা পর শপিং মল, দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
তবে রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ চেয়ে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা।
জাতীয়
ভুয়া নিয়োগপত্র নিয়ে সতর্ক করল ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ভুয়া নিয়োগপত্রের মাধ্যমে প্রতারণার ব্যাপারে সাবধান থাকার জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানান।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিকে বলা হয়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নাম ব্যবহার করে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পে শিক্ষক নিয়োগের নিয়োগপত্র প্রচার করা হচ্ছে, যা ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। প্রচারিত এ নিয়োগপত্র সম্পূর্ণ ভুয়া ও ভিত্তিহীন।
এ নিয়োগপত্রের সঙ্গে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কোনো সম্পর্ক নেই।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পে শিক্ষক নিয়োগের জন্য উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে নিয়োগ কমিটি এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে নিয়োগে কমিটি রয়েছে। এ নিয়োগ কমিটি কর্তৃক লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে গণশিক্ষা প্রকল্পের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। অন্য কোনো উপায়ে শিক্ষক নিয়োগের কোনো সুযোগ নেই।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ ভুয়া নিয়োগপত্রের মাধ্যমে এক শ্রেণির প্রতারকচক্র নিয়োগের প্রলোভন দিয়ে জনগণকে প্রতারিত করছে। এ বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং প্রতারকচক্রের সঙ্গে কোনোরূপ আর্থিক লেনদেন না করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সর্বসাধারণকে অনুরোধ জানানো হয়।
জাতীয়
এমপিদের খেলাপি ঋণ ৩ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী
বর্তমান সংসদ সদস্য (এমপি) ও তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা, যার একটি বড় অংশই খেলাপি ঋণ। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকা।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কাইসার কামাল।
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে এমপি ও তাদের মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে দেশের ব্যাংক ও ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলো থেকে নেওয়া মোট ঋণের স্থিতি ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা।
অর্থমন্ত্রী সংসদকে জানান, ঋণের একটি বড় অংশই বর্তমানে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত। এর মধ্যে ৩ হাজার ৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে বলে সংসদকে অবহিত করেন।
তবে অর্থমন্ত্রী বিশেষ দ্রষ্টব্য হিসেবে উল্লেখ করেন, আদালতের নির্দেশনা বা স্থগিতাদেশের কারণে এই খেলাপি ঋণের একটি অংশ নিয়মিত ঋণ হিসেবে দেখানো হতে পারে। যা আইনি মারপ্যাঁচে খেলাপি তালিকার বাইরে ছিল।
এমএন
জাতীয়
একনেক সভায় ৫ প্রকল্প অনুমোদন, তিনটি সংশোধিত ও দুইটির মেয়াদ বৃদ্ধি
বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রথম জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মাঝপথে মুলতবি করা হয়েছে। একনেকের কার্যতালিকায় ১৯টি প্রকল্প থাকলেও তালিকার ৮ম প্রকল্প নিয়ে আলোচনা চলাকালেই সভা মুলতবি করা হয় এবং প্রকল্প গুলো নিয়ে আগামী একনেকে আলোচনা হবে বলে জানানো হয়।
একনেক সভা সূত্রে জানা গেছে, তালিকার প্রথম ৭টি প্রকল্পের মধ্যে তিনটি সংশোধিত প্রকল্প ও দুটি মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তালিকার এক নম্বর ও ৪ নম্বরে থাকা করতোয়া নদীর সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প ও অংশীদারিমূলক পল্লী উন্নয়ন ৪র্থ পর্যায় (পিআরডিবি-৪) প্রকল্প দুটি অনুমোদন না দিয়ে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রথমে পরিকল্পনা কমিশনে একনেক সভা হওয়ার কথা থাকলেও পরে একনেক সভা সচিবালয়ে মন্ত্রীপরিষদ সম্মেলন কক্ষে করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভায় ৫টি অনুমোদিত প্রকল্পের মোট ব্যয় প্রায় ৪৮৩ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে সরকারের অর্থায়ন ৩৯০ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৯২ কোটি ০৬ টাকা।
একনেক মাঝপথে মুলতবি হওয়ার বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, এটা প্রথম একনেক হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী অনেককিছু জানার ও বোঝার চেষ্টা করেন। এছাড়া শুধু করতোয়া নদী উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা আলোচনা হয়। তিনি প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা ও না জেনে কোন প্রকল্প অনুমোদন করেননি। পরে আরেকটি জরুরি মিটিং থাকায় আজকের মতো সভা মুলতবি করা হয়।
একনেকে অনুমোদন পাওয়া পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে, ৩৬৮ কোটি টাকা ব্যয় ও মেয়াদ বৃদ্ধির সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-২, চর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট প্রজেক্ট-৪, প্রকল্পটিতে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয় কমিয়ে সংশোধন করা হয়েছে। ১১৮ কোটি টাকা ব্যায় বাড়িয়ে শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন (কম্পোনেন্ট-২) দেশের ৮টি বিভাগীয় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ডায়াগনস্টিক ইমেজিং ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প সংশোধন করা হয়েছে।
চতুর্থবারের মতো মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে ৫৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ের আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন (তৃতীয় সংশোধিত) প্রকল্প ও ১৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ের গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন (২য় সংশোধিত) প্রকল্প।
একনেকে তালিকায় ছিল কিন্তু আলোচনা হয়নি এমন প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ সচিবালয়ে ২১ তলাবিশিষ্ট নতুন অফিস ভবন নির্মাণ; স্থানীয় সরকার বিভাগের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন; চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসিক নিবাস নির্মাণ; ঢাকা শহরের জরুরি পানি সরবরাহ; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাভার সোনানিবাসে সৈনিকদের আবাসন সংকট নিরসনে ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ; সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বৈরাগীপুর (বরিশাল)-টুমচর-বাউফল (পটুয়াখালী) জেলা মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প; বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর জাতীয় মহাসড়কের বরিশাল (চরকাউয়া) হতে ভোলা (ইলিশা ফেরীঘাট) হয়ে লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত সড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প; বরিশাল (দিনারেরপুল)-লক্ষ্মীপাশা-দুমকী জেলা মহাসড়কের ১৪তম কিলোমিটারে রাঙ্গামাটি নদীর ওপর গোমা সেতু নির্মাণ প্রকল্প; সীমান্ত সড়ক (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) নির্মাণ প্রকল্প-২য় পর্যায়; এবং ‘ময়মনসিংহ বিভাগে পাঁচটি জলবায়ু সহনশীল সেতু নির্মাণ প্রকল্প’।
এদিকে, একনেক তালিকার বাইরে যে দুটি প্রকল্প উপস্থাপন করা হবে সেগুলো হলো- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নেওয়া ‘ নগরবাসীর জন্য সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্প, ১ হাজার ১৫৭ কোটি ৬ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রকল্পের আওতায় ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ এবং চট্রোগ্রাম সিটি করপোরেশনে ১৭০টি নগর স্বাস্থ্য নীড় স্থাপন করা হবে। আর এনবিআরের ‘কাস্টমস আধুনিকায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়ন (প্রস্তাবতি ১ম সংশোধন)” শীর্ষক একটি প্রকল্পের সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।
এ ছাড়া একনেক সভাকে অবহিতের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রী অনুমোদিত ৩৩টি প্রকল্প উপস্থাপন করার কথা ছিল।
জাতীয়
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা, শুরু ১৫ এপ্রিল
দেশের সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত টানা ৫৮ দিন সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
তিনি বলেন, ‘জাটকা ধরা থামাই যদি, ইলিশে ভরবে সাগর-নদী’ প্রতিপাদ্যে আগামী ৭ থেকে ১৩ এপ্রিল ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৬’ পালন করা হবে। দেশের ইলিশ সমৃদ্ধ ২০টি জেলায় জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ পালন করা হবে।
জাটকা আহরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও মজুত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সবাইকে সচেতন হতে হবে। জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ চলাকালে সাগর থেকে বাজার পর্যন্ত নজরদারি চলবে। প্রজনন মৌসুমে ৩০ জুন পর্যন্ত ২২ দিন জাটকা ধরা, পরিবহন ও বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন, বৈশাখে ভারতে ইলিশ রপ্তানির বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী দপ্তর থেকে সিদ্ধান্ত হবে।



