পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধি শীর্ষে বাংলাদেশ অটোকারস
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৯টি কোম্পানির মধ্যে ১৪৯টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে বাংলাদেশ অটোকারস লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (৬ এপ্রিল) ডিএসইতে সর্বোচ্চ বাংলাদেশ অটোকারস লিমিটেডের শেয়ার দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৫ টাকা বা ৮ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের দর বেড়েছে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- এপেক্স স্পিনিং ও নিটিংয়ের ৬.০১ শতাংশ, তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো ৫.২৬ শতাংশ, একমি পেস্টিসাইড ৪.৯৫ শতাংশ, জি কিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ ৪.৮২ শতাংশ, প্রাইম ব্যাংক ৪.৪২ শতাংশ, টেকনো ড্রাগ লিমিটেড ৪.১৫ শতাংশ ও এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড ৩.৯৬ শতাংশ দর বেড়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৩৮ কোটি টাকার
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩২টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৩৮ কোটি ৪৬ লাখ ১৮ হাজার টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (৬ এপ্রিল) কোম্পানিগুলোর মোট ১ কোটি ৫৫ লাখ ৬৬ হাজার ৬৩৯ টি শেয়ার ১০০ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৩৮ কোটি ৪৬ লাখ ১৮ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে জিকিউ বলপেনের ৭ কোটি ৩৬ লাখ ৪৬ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে ডমিনেজ স্টিলের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৬ কোটি ৮১ লাখ ৯৬ হাজার টাকার ও তৃতীয় স্থানে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ৩ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দরপতনের শীর্ষে প্রাইম ফাইন্যান্স
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (৬ এপ্রিল) ডিএসইতে সর্বোচ্চ প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের শেয়ার দর ৪ পয়সা বা ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ কমেছে। এর ফলে কোম্পানিটি দরপতনের শীর্ষে অবস্থান করেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল ফারইস্ট ফাইনান্স ও ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৮ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা এফএএস ফাইন্যান্স ও ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের শেয়ার দর ৮ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- পিপলস লিজিংয়ের ৮.৭০ শতাংশ, জিএসপি ফাইন্যান্সের ৮.৩৩ শতাংশ, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের ৮.০০ শতাংশ, প্রিমিয়ার লিজিংয়ের ৮.০০ শতাংশ, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের ৪.৫১ শতাংশ এবং জহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের ৪.৩৫ শতাংশ কমেছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
লেনদেনের শীর্ষে ডমিনেজ স্টিল
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (৬ এপ্রিল) ডিএসইতে সবোর্চ্চ ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেডের ১৫ কোটি ৮১ লাখ ১১ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি লেনদেনের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে।
এদিন লেনদেনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল একমি পেস্টিসাইড লিমিটেড। কোম্পানিটির ১৫ কোটি ৬১ লাখ ৪২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ১৫ কোটি ০১ লাখ ২৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে সামিট এলায়েন্স পোর্ট লিমিটেড।
এছাড়াও, ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- খান ব্রাদাস্ পি.পি. ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, টেকনো ড্রাগ লিমিটেড, জি কিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ, তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইস-ক্রিম পিএলসি, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি, জনতা ইন্স্যুরেন্স পিএলসি এবং রানার অটোমোবাইলস পিএলসি।
এমএন
পুঁজিবাজার
সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন ৪৭০ কোটি টাকা
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুজিঁবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৪৯টির শেয়ারের দর বেড়েছে। এছাড়া টাকার অংকে লেনদেন গত কার্যদিবসের তুলনায় সামান্য কমেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (৬ এপ্রিল) ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ১০ দশমিক ২৬ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ১২২ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ০ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট কমে ১০৪০ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৯ দশমিক ১০ পয়েন্ট কমে ১৯৫৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ ডিএসইতে ৪৭০ কোটি ৭৯ লাখ ২৫ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৫১১ কোটি ৯৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৪৯টি কোম্পানির, বিপরীতে ১৭২ কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৬৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
৩ বছরেও ডিভিডেন্ড দেয়নি আমরা নেটওয়ার্ক, ক্ষোভে ফুঁসছে বিনিয়োগকারীরা
পুজিঁবাজারে তালিকাভুক্ত তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানি আমরা নেটওয়ার্ক লিমিটেডের বিনিয়োগকারীরা ডিভিডেন্ড না পাওয়ায় হতাশায় ভুগছেন। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ৬৯ টাকা বিনিয়োগ করেও টানা তিন অর্থবছর ধরে ডিভিডেন্ড পাচ্ছেন না বিনিয়োগকারীরা। এতে কোম্পানিটির আর্থিক স্বচ্ছতা ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়ে এখন বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।
সূত্র মতে, ২০১৭ সালে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ার ৩৯ টাকা কাট-অফ মূল্যে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে কোম্পানিটি। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে ব্যবসা সম্প্রসারণের কথা বলে আবারও শেয়ার প্রতি ৩০ টাকা দরে রাইট শেয়ার ইস্যু করা হয়। কিন্তু বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, এই অর্থ সংগ্রহের পরও কোম্পানি তাদের প্রতিশ্রুত ডিভিডেন্ড ও নিয়মিত আর্থিক প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
এদিকে ২০২৪ সালের জন্য ঘোষিত শেয়ারপ্রতি ১ টাকা ডিভিডেন্ড এখনও পুরোপুরি বিতরণ করা হয়নি। সময়মতো ডিভিডেন্ড প্রদান না করায় কোম্পানিটি ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নেমে গেছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই বলছেন, বিনিয়োগ করে এখন তারা প্রায় সর্বস্বান্ত হওয়ার অবস্থায় পৌঁছেছেন।
এদিকে, চট্টগ্রামে কোম্পানির প্রায় ২২ কোটি টাকার সম্পত্তি বিক্রির ঘোষণা এলেও সেই অর্থের ব্যবহার বা অগ্রগতি নিয়ে বিনিয়োগকারীরা স্পষ্ট কোনো তথ্য পাননি। ফলে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
তবে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাইট শেয়ারের অর্থ দিয়ে নেটওয়ার্ক সিস্টেম উন্নয়ন ও কাভারেজ সম্প্রসারণে বিনিয়োগ করা হয়েছে। কোম্পানি সচিব মুনিরুজ্জামান জানান, ব্যবসা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ বিনিয়োগকারীর অ্যাকাউন্টে ডিভিডেন্ডের অর্থ পাঠানো হয়েছে। অবশিষ্ট অর্থ দ্রুত পরিশোধের চেষ্টা চলছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, আর্থিক সংকটের কারণেই পুরো ডিভিডেন্ড একসঙ্গে বিতরণ সম্ভব হয়নি। তবে পরিস্থিতি উন্নত হলে বিনিয়োগকারীরা এর সুফল পাবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি।
অন্যদিকে, এখনো ডিভিডেন্ড না পাওয়া বহু বিনিয়োগকারী ক্ষোভ প্রকাশ করে নিয়ন্ত্রক সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে পুজিঁবাজারে আস্থা আরও কমে যাবে।
এমএন



