জাতীয়
পে স্কেল ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর বৈঠক আজ
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন পে স্কেল বা বেতন কাঠামো ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
রবিবার (৫ এপ্রিল) এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সরকারের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
অন্তর্বর্তী সরকার নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের একটি বেতন কমিশন গঠন করে।
গত ২২ জানুয়ারি জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করে। এতে সর্বনিম্ন ধাপে বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ধাপে ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়।
কমিশনপ্রধান জাকির আহমেদ খান প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় জানান, সুপারিশ বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। বর্তমানে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।
জাতীয়
নতুন পে-স্কেল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর বৈঠক
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেল বা বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকটি দুপুর দেড়টার কিছু পর শুরু হয়ে বিকেল ৩টার আগেই শেষ হয়। তবে বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে বা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কোনো নির্দেশনা ছিল কিনা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকরা অর্থমন্ত্রীর মন্তব্য জানার জন্য অপেক্ষা করলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি।
এদিকে নতুন পে-স্কেলের দাবিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি ছয় দিনের কর্মসূচি পালন করছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণে অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের একটি জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করেছিল। ওই কমিশনের প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরে গড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সম্ভাবনা বেশি প্রথমে মূল বেতন কার্যকর করা এবং পরবর্তীতে অন্যান্য ভাতা ও সুবিধা যুক্ত করা হতে পারে।
জাতীয়
র্যাব বিলুপ্তি নিয়ে যা বললেন মহাপরিচালক
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) নতুন মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, দেশে র্যাবের মতো একটি বিশেষায়িত বাহিনীর প্রয়োজন রয়েছে। তবে এটি রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে পরিচালিত হবে এবং সঠিকভাবে পরিচালিত হলে বাহিনীর ভাবমূর্তি আরও উন্নত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
র্যাব বিলুপ্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্ত সরকারের এখতিয়ারাধীন বিষয়। বাহিনীর দায়িত্ব হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা, যা তারা অব্যাহত রাখবে।
তিনি আরও দাবি করেন, গত দেড় বছরে র্যাবের বিরুদ্ধে কোনো বড় ধরনের অপকর্মের ঘটনা ঘটেনি। ভবিষ্যতেও বাহিনীকে আরও সুশৃঙ্খল ও জবাবদিহিতার মধ্যে পরিচালিত করার বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে।
আহসান হাবীব পলাশ জানান, বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো তদন্ত ও কার্যক্রমে র্যাব সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।
দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, জলদস্যুতা বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে এবং এসব নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে। একই সঙ্গে দেশে জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদের উপস্থিতি আছে কি না—এ বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করে তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে র্যাব সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাবে।
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের অফিসে উভয়ের এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। সাক্ষাৎকালে তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
রাষ্ট্রদূত এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে দুটি ছবি এবং হোয়াইট হাউসের একটি রেপ্লিকা তুলে দেন। একটি ছবিতে রয়েছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার এবং অপর ছবিতে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ সিনিয়র।
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
জাতীয়
ঋণ ব্যবস্থাপনা ও করের আওতা বাড়ানোর ওপর জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ঋণ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী এবং করের আওতা বৃদ্ধি করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং চলমান সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) পরিকল্পনা কমিশনে এনইসি সম্মেলন কক্ষে ন্যাশনাল মাল্টি স্টকহোল্ডার কন্সাল্টেশন অন বাংলাদেশ গ্রেডিশন রেটিনেস এসেসমেন্ট শীর্ষক সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি চ্যালেঞ্জপূর্ণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এ অবস্থায় দেশের অর্থনীতিকে সুশৃঙ্খল ও স্থিতিশীল করতে সুপরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে কিছু বড় প্রকল্প যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি ছাড়া গ্রহণ করায় দেশের ওপর ঋণের চাপ বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রকল্পের ব্যয় ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন থেকে গেছে, যা অর্থনীতিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, ‘ইতোমধ্যে যে ঋণ নেওয়া হয়েছে, তা যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করা এবং ভবিষ্যতে নতুন প্রকল্প গ্রহণে আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে বাস্তবসম্মত ও ফলপ্রসূ প্রকল্প নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
কর ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের কর-জিডিপি অনুপাত সন্তোষজনক নয় এবং তা বাড়ানো প্রয়োজন। তবে হার বাড়ানোর পরিবর্তে করের আওতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি বলেন, আমাদের অর্থনীতির একটি বড় অংশ এখনও করের আওতার বাইরে রয়েছে। তাই করের হার বাড়ানো নয়, বরং করের আওতা বিস্তৃত করে রাজস্ব আদায় বাড়াতে হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোর মাধ্যমে বিদ্যমান ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং একই সঙ্গে উন্নয়ন কার্যক্রমকে টেকসই ধারায় এগিয়ে নিতে হবে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি; জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং জাতিসংঘের ইউএন-ওএইচআরএলএলএসের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয়
দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, মালিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
এর আগে, বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রিসভা। তবে, রাত আটটা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ চেয়ে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা।
তারা বলছেন, প্রয়োজনে সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টায় দোকানপাট খুলতে চান। তবে সন্ধ্যা ৬টার পরিবর্তে রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ চান তারা।
ব্রিফিংয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দোকান মালিক সমিতি আমাদের কাছে একটি আবেদন করেছিল, যাতে তাদের কমপক্ষে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সুযোগ দেই। যদিও মন্ত্রিসভা বৈঠকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী দোকান মালিক সমিতির আবেদন এবং অনুরোধ বিবেচনা করে পুনর্মূল্যায়ন করে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। অবশ্যই জরুরি সেবা যারা দেয়, তারা এর আওতার বাইরে থাকবে।
তিনি বলেন, একইসঙ্গে সবাইকে বলব, আমরা নিজ বাসাবাড়িতে, আমরা নিজ কর্মস্থলের জন্য বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হই। আমরা যদি জ্বালানি সাশ্রয়ী করি, তাহলে ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হবে।



