জাতীয়
আজ থেকে অফিস-ব্যাংক ও মার্কেটের নতুন সময়সূচি শুরু
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশের সরকারি ও বেসরকারি অফিসের সময়সূচিতে বড় পরিবর্তন এনেছে সরকার। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আজ রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে।
স্বাভাবিক সময়ে অফিস কার্যক্রম বিকেল ৫টা পর্যন্ত চললেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে এই কর্মঘণ্টা এক ঘণ্টা কমিয়ে আনা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শনিবার (৪ এপ্রিল) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। শুক্র ও শনিবার যথারীতি সাপ্তাহিক ছুটি হিসেবে বহাল থাকবে।
জরুরি পরিষেবাগুলো এই পরিবর্তিত সময়সূচির আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা সেবা, ডাক ও টেলিযোগাযোগ, হাসপাতাল এবং গণমাধ্যমের মতো জরুরি সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা আগের মতোই স্বাভাবিক নিয়মে দায়িত্ব পালন করবেন।
আদালতের সময়সূচি নির্ধারণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবেন এবং বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা কলকারখানার কর্মঘণ্টা শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় নির্ধারণ করবে। এর আগে ২০২২ সালেও জ্বালানি সাশ্রয়ে একইভাবে অফিস সময় কমানো হয়েছিল, যা ২০২৪ সালের জুনে আবার স্বাভাবিক করা হয়। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার পুনরায় আগের সেই সাশ্রয়ী নীতিতে ফিরে গেল।
ব্যাংকিং খাতের সময়সূচিতেও বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, রোববার থেকে ব্যাংকগুলোতে লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত। তবে দাপ্তরিক কাজ সম্পন্নের জন্য ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিকেল ৫টা পর্যন্ত অফিসে অবস্থান করতে হবে। সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংকের শাখা, উপশাখা এবং বুথগুলোর কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখার স্বার্থে সেগুলো আগের মতোই ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে।
এছাড়া দেশের সব বিপণিবিতান, মার্কেট, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও অফিস ভবন সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ী নেতারা রাত ৮টা পর্যন্ত সময় বাড়ানোর দাবি জানালেও মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আপাতত সন্ধ্যা ৬টার সময়সীমা বজায় রাখা হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয়, সেজন্য সপ্তাহে তিন দিন অনলাইনে এবং তিন দিন সশরীর ক্লাসের একটি প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে। তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অনলাইন ক্লাস পরিচালনা করা কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বিশেষ করে শ্রমজীবী ও দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের অনলাইন ক্লাসে যুক্ত করার সীমাবদ্ধতার বিষয়টি মাথায় রেখে বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুতই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করবে বলে জানানো হয়েছে।
মূলত রমজান ও ঈদের লম্বা ছুটির পর জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এই নতুন ব্যবস্থাগুলো দেশের অর্থনীতি ও সেবার ওপর চাপ কমাতে সহায়ক হবে বলে আশা করছে সরকার।
জাতীয়
র্যাব বিলুপ্তি নিয়ে যা বললেন মহাপরিচালক
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) নতুন মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, দেশে র্যাবের মতো একটি বিশেষায়িত বাহিনীর প্রয়োজন রয়েছে। তবে এটি রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে পরিচালিত হবে এবং সঠিকভাবে পরিচালিত হলে বাহিনীর ভাবমূর্তি আরও উন্নত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
র্যাব বিলুপ্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্ত সরকারের এখতিয়ারাধীন বিষয়। বাহিনীর দায়িত্ব হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা, যা তারা অব্যাহত রাখবে।
তিনি আরও দাবি করেন, গত দেড় বছরে র্যাবের বিরুদ্ধে কোনো বড় ধরনের অপকর্মের ঘটনা ঘটেনি। ভবিষ্যতেও বাহিনীকে আরও সুশৃঙ্খল ও জবাবদিহিতার মধ্যে পরিচালিত করার বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে।
আহসান হাবীব পলাশ জানান, বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো তদন্ত ও কার্যক্রমে র্যাব সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।
দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, জলদস্যুতা বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে এবং এসব নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে। একই সঙ্গে দেশে জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদের উপস্থিতি আছে কি না—এ বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করে তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে র্যাব সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাবে।
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের অফিসে উভয়ের এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। সাক্ষাৎকালে তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
রাষ্ট্রদূত এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে দুটি ছবি এবং হোয়াইট হাউসের একটি রেপ্লিকা তুলে দেন। একটি ছবিতে রয়েছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার এবং অপর ছবিতে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ সিনিয়র।
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
জাতীয়
ঋণ ব্যবস্থাপনা ও করের আওতা বাড়ানোর ওপর জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ঋণ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী এবং করের আওতা বৃদ্ধি করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং চলমান সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) পরিকল্পনা কমিশনে এনইসি সম্মেলন কক্ষে ন্যাশনাল মাল্টি স্টকহোল্ডার কন্সাল্টেশন অন বাংলাদেশ গ্রেডিশন রেটিনেস এসেসমেন্ট শীর্ষক সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি চ্যালেঞ্জপূর্ণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এ অবস্থায় দেশের অর্থনীতিকে সুশৃঙ্খল ও স্থিতিশীল করতে সুপরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে কিছু বড় প্রকল্প যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি ছাড়া গ্রহণ করায় দেশের ওপর ঋণের চাপ বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রকল্পের ব্যয় ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন থেকে গেছে, যা অর্থনীতিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, ‘ইতোমধ্যে যে ঋণ নেওয়া হয়েছে, তা যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করা এবং ভবিষ্যতে নতুন প্রকল্প গ্রহণে আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে বাস্তবসম্মত ও ফলপ্রসূ প্রকল্প নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
কর ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের কর-জিডিপি অনুপাত সন্তোষজনক নয় এবং তা বাড়ানো প্রয়োজন। তবে হার বাড়ানোর পরিবর্তে করের আওতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি বলেন, আমাদের অর্থনীতির একটি বড় অংশ এখনও করের আওতার বাইরে রয়েছে। তাই করের হার বাড়ানো নয়, বরং করের আওতা বিস্তৃত করে রাজস্ব আদায় বাড়াতে হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোর মাধ্যমে বিদ্যমান ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং একই সঙ্গে উন্নয়ন কার্যক্রমকে টেকসই ধারায় এগিয়ে নিতে হবে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি; জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং জাতিসংঘের ইউএন-ওএইচআরএলএলএসের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয়
দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, মালিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
এর আগে, বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রিসভা। তবে, রাত আটটা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ চেয়ে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা।
তারা বলছেন, প্রয়োজনে সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টায় দোকানপাট খুলতে চান। তবে সন্ধ্যা ৬টার পরিবর্তে রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ চান তারা।
ব্রিফিংয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দোকান মালিক সমিতি আমাদের কাছে একটি আবেদন করেছিল, যাতে তাদের কমপক্ষে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সুযোগ দেই। যদিও মন্ত্রিসভা বৈঠকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী দোকান মালিক সমিতির আবেদন এবং অনুরোধ বিবেচনা করে পুনর্মূল্যায়ন করে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। অবশ্যই জরুরি সেবা যারা দেয়, তারা এর আওতার বাইরে থাকবে।
তিনি বলেন, একইসঙ্গে সবাইকে বলব, আমরা নিজ বাসাবাড়িতে, আমরা নিজ কর্মস্থলের জন্য বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হই। আমরা যদি জ্বালানি সাশ্রয়ী করি, তাহলে ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হবে।
জাতীয়
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার আশ্বাস : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন,বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সব ধরনের সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আলোচনার কিছু বিষয় গোপনীয়তার কারণে এই মুহূর্তে প্রকাশ করা না গেলেও, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।’
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো গোপন চুক্তি নেই। আমেরিকার সঙ্গে যা কিছু আছে, তা প্রকাশ করা হয়েছে।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানান, জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে সরকারের ওপর কোনো ধরনের বাধ্যবাধকতা নেই। সাম্প্রতিক বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, বিশেষ করে জ্বালানি, বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়ে সাধারণ আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সহায়তা অব্যাহত রাখার বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র এখনো বিশ্বের সবচেয়ে বড় দাতা দেশ এবং তাদের এই সহায়তা অব্যাহত রাখার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।’



