ধর্ম ও জীবন
সন্তানকে হাম থেকে বাঁচাতে যে দোয়া পড়বেন
সন্তান আল্লাহর এক মহামূল্যবান আমানত। তাদের সুস্থতা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা প্রতিটি অভিভাবকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বর্তমান সময়ে হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ শিশুদের জন্য বড় একটি ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি আল্লাহর কাছে দোয়া ও আশ্রয় প্রার্থনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নবী করিম (সা.) আমাদের এমন কিছু দোয়া শিখিয়েছেন, যা পাঠ করলে আল্লাহর হেফাজত লাভ করা যায়।
দোয়াটি হলো: بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
উচ্চারণ:
বিসমিল্লাহিললাজি লা ইয়াদুররু মাআসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামা-ই ওয়া হুয়াস সামি‘উল আলিম।
অর্থ:
আল্লাহর নামে (শুরু করছি), যাঁর নামের সঙ্গে পৃথিবীতে বা আসমানে কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।”
ফজিলত:
উসমান ইবনে আফ্ফান (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যাক্তি সকাল-সন্ধায় এই দোয়া তিনবার পাঠ করবে ঐ দিন আল্লাহ তাআলা তাকে সমস্ত বিপদ-আপদ ও বিভিন্ন সংক্রমন জনিত ছোঁয়াছে রোগ থেকে হেফাজত করবেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৫০৮৮)
যেভাবে পড়বেন:
প্রতিদিন সকাল (ফজরের নামাজের পর) এবং বিকাল (আসর বা মাগরিবের নামাজের পর) প্রতিবার ৩ বার করে পড়ে দোয়াটি পড়ার পর আপনার সন্তানের মাথা, বুক বা সম্পূর্ণ শরীরে দিকে ফুঁ দিন। তবে মনে রাখতে হবে, দোয়া শুধু মুখের উচ্চারণ নয়—বরং আন্তরিক বিশ্বাস ও আল্লাহর প্রতি নির্ভরতার প্রকাশ। দোয়ার পাশাপাশি সন্তানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টিকর খাবার ও স্বাস্থ্যবিধিও মেনে চলা জরুরী।
ধর্ম ও জীবন
ক্ষমতাসীনদের প্রতি মহানবী (সা.)-এর সতর্কবার্তা
ছোট হোক কিংবা বড়, যেকোনো দায়িত্বই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষা। রাষ্ট্রের উচ্চপদ, সমাজের নেতৃত্ব থেকে শুরু করে পরিবারের কর্তা—প্রতিটি অবস্থানই একেকটি আমানত; আর আমানতের প্রকৃত স্বরূপ হলো জবাবদিহি। বাহ্যিক জৌলুস, ক্ষমতার চাকচিক্য কিংবা প্রভাবের অহংকার এই সত্যকে সাময়িক ঢেকে রাখতে পারে, কিন্তু মুছে দিতে পারে না।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা স্মরণ করিয়ে দেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের আদেশ দিচ্ছেন আমানতসমূহ তার হকদারদের কাছে পৌঁছে দিতে। আর যখন মানুষের মধ্যে ফয়সালা করবে তখন ন্যায়ভিত্তিক ফয়সালা করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের কতই না সুন্দর উপদেশ দিচ্ছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৫৮)
দায়িত্ব মানে শুধু ক্ষমতা নয়, বরং তা হলো ন্যায়বিচার, সততা এবং আত্মসংযমের কঠিন এক অঙ্গীকার।
এ ব্যাপারে সতর্ক করে মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকেই একজন দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককেই তার অধীনদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।’ (বুখারি, হাদিস : ৭১৩৮)
পবিত্র কোরআনের এই বাণী ও হাদিসগুলো প্রতিটি মুমিনকে স্মরণ করিয়ে দেয়, তোমার প্রতিটি সিদ্ধান্ত, প্রতিটি আচরণ, প্রতিটি দায়িত্বের হিসাব একদিন দিতে হবে সেই মহান রবের দরবারে, যাঁর সামনে কোনো ক্ষমতা, কোনো পরিচয়, কোনো প্রভাব কাজে আসবে না।
ইসলাম মানুষের জীবনে দায়িত্ববোধ ও জবাবদিহির শিক্ষা দেয়। এ পৃথিবীতে মানুষ ভালো বা মন্দ যা কিছু করে, সব কিছুরই হিসাব তাকে পরকালে দিতে হবে।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যে অণু পরিমাণ ভালো কাজ করবে, সে তা দেখবে; আর যে অণু পরিমাণ মন্দকাজ করবে, সে-ও তা দেখবে।’ (সুরা : যিলযাল, আয়াত : ৭-৮)
আবু বারযা আল-আসলামি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোনো বান্দার পদদ্বয় (কিয়ামত দিবসে) এতটুকুও সরবে না, তাকে এই কয়টি বিষয় সম্পর্কে যে পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ না করা হবে, কিভাবে তার জীবনকালকে অতিবাহিত করেছে; তার অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী কী আমল করেছে; কোথা থেকে তার ধন-সম্পদ উপার্জন করেছে এবং কোন কোন খাতে ব্যয় করেছে এবং কী কী কাজে তার শরীর বিনাশ করেছে। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪১৭)
অর্থাৎ প্রতিটি মানুষকেই তার আমলের হিসাব দিতে হবে। সেখানে তার পিতা, পুত্র, আত্মীয়-স্বজন কিংবা বন্ধু-বান্ধব কোনো সহযোগিতা করবে না, করার সুযোগও থাকবে না। পবিত্র কোরআনে সেই ভয়াবহ চিত্রের কথা স্মরণ করিয়ে মহান আল্লাহ বলেন, হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবকে ভয় করো এবং সেই দিনকে ভয় করো যেদিন পিতা তার সন্তানের কোনো উপকার করতে পারবে না এবং সন্তানও তার পিতার কোনো উপকারে আসবে না।
নিশ্চয়ই আল্লাহর ওয়াদা সত্য। সুতরাং দুনিয়ার জীবন যেন কিছুতেই তোমাদের ধোঁকা দিতে না পারে এবং মহাপ্রতারক (শয়তান) যেন তোমাদের আল্লাহ সম্পর্কে ধোঁকায় ফেলতে না পারে। (সুরা : লোকমান, আয়াত : ৩৩)
অথচ মানুষ মৃত্যুকালে তার জমানো সেই সম্পদ সঙ্গে নিতে পারে না। আবার যে আপন মানুষদের একটি বিলাসী জীবন উপহার দিতে সে তার দায়িত্ব বা পদ-পদবির অসৎ ব্যবহার করে। দুর্নীতি করে, জুলুম করে, জুলুমে সহযোগিতা করে—পরকালে তারা একটি নেকি দিয়ে তাকে সহযোগিতা করবে না। বরং কঠিন কিয়ামতের দিন তারা তাকে দেখে মুখ লুকাবে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, সেদিন মানুষ পালিয়ে যাবে তার ভাই থেকে, তার মা ও তার বাবা থেকে, তার স্ত্রী ও তার সন্তান-সন্ততি থেকে। সেদিন তাদের প্রত্যেকেরই একটি গুরুতর অবস্থা থাকবে, যা তাকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখবে। (সুরা আবাসা, আয়াত : ৩৪-৩৭)
তাই ছোট ও ক্ষণস্থায়ী এই জীবনে এমন কোনো কাজ করা উচিত নয়, যা দুনিয়া-আখিরাতে লাঞ্ছনার কারণ হয়। দিন শেষে নিজের পাপের ভাগ কেউ নেবে না। বরং কবরে, হাশরে, পুলসিরাতে পদে পদে অপদস্থ করবে দুনিয়া থেকে নিয়ে যাওয়া বদআমলগুলো। তাই মানুষের উচিত, মহান আল্লাহ কোনো পদ-পদবি দিলে তার হক আদায় করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। তার অপব্যবহার না করা। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আল্লাহ তাআলা যাকে জনগণের দায়িত্ব দিয়েছেন, যদি খিয়ানাতকারীরূপে তার মৃত্যু হয়, তবে আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিবেন। (বুখারি, হাদিস : ২৫৯)
ধর্ম ও জীবন
রমজানের শেষ জুমা: বৃষ্টি উপেক্ষা করে বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের ঢল
বৃষ্টি উপেক্ষা করেই রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আজ (শুক্রবার) ঢল নেমেছে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের। পবিত্র রমজান মাসের শেষ জুমা তথা জুমাতুল বিদা উপলক্ষ্যে এই সমাগম। সিয়াম সাধনার মাস বিদায়ের পথে– তাই জুমার নামাজে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা ও রহমত কামনায় ব্যাকুল ছিলেন ইবাদতকারীরা।
শুক্রবার (২০ মার্চ) দুপুর ১২টা থেকেই বায়তুল মোকাররম মসজিদে মুসল্লিদের প্রবেশ শুরু হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে মানুষের আনাগোনা। তাদের অনেকেই দূরদূরান্ত থেকে ছুটে এসেছেন জাতীয় মসজিদে রমজানের শেষ জুমার নামাজ আদায় করতে।
দুপুর ১টার আগেই মসজিদের ভেতরের মূল অংশ মুসল্লিতে পূর্ণ হয়ে যায়। আজানের পর মসজিদের নিচতলার অংশটিও ভরে ওঠে। তবে বৃষ্টির কারণে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মুসল্লিদের উপস্থিতি কিছুটা কম লক্ষ করা গেছে। বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব আল্লামা মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতে আখিরাতের মুক্তি এবং দেশ ও মুসলিম জাতির শান্তি কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা হয়। এসময় অনেককে নিজের পরিবার ও প্রয়াত আত্মীয়স্বজনের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দান-খয়রাত করতেও দেখা গেছে।
মুসলিম উম্মাহর কাছে মাহে রমজানের প্রতিটি দিনই পবিত্র ও মহিমামণ্ডিত। জুমার দিনটি সাপ্তাহিক ইবাদতের দিন এবং ‘গরিবের ঈদ’ হিসেবে গণ্য হওয়ায় এর ফজিলত অনেক। আর সেই দিনটি যখন রমজানের শেষ দশকে তথা জুমাতুল বিদা হয়, তখন তা প্রতিটি রোজাদারের কাছে বিশেষভাবে সম্মানিত ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।
ধর্ম ও জীবন
শুক্রবার ঈদুল ফিতর উদযাপন করবে যেসব দেশ
শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে ৩০টি রোজা পালিত হবে এবং দেশগুলো শুক্রবার ঈদ উদযাপন করবে। দেশগুলো হলো, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার, কুয়েত, তুরস্ক, লেবানন, ফিলিস্তিন, ইয়েমেন এবং ইরাক।
মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশগুলো ছাড়াও আফ্রিকা অঞ্চলের সুদান, জিবুতি, সোমালিয়া, উগান্ডা, নাইজেরিয়া, চাদ, গাম্বিয়া, গিনি, বেনিন, সেনেগাল এবং ক্যামেরুনও শুক্রবার ঈদুল ফিতর উদযাপনের ঘোষণা দিয়েছে। এই দেশগুলো ছাড়াও শুক্রবার ঈদুল ফিতর উদযাপন করবে অস্ট্রেলিয়া এবং মালদ্বীপ।
তুরস্ক এবং অস্ট্রেলিয়া জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব ও পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে শুক্রবারকে ঈদের দিন হিসেবে নিশ্চিত করেছে। তবে শাওয়ালের চাঁদ দেখা যাওয়ায় বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে আফগানিস্তান, নাইজার এবং মালি।
এদিকে সিঙ্গাপুর ঘোষণা করেছে যে, বৃহস্পতিবার চাঁদ দেখা অসম্ভব হওয়ায় সেখানে শনিবার ঈদুল ফিতর পালিত হবে। তবে আজ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার চেষ্টা করবে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ বেশ কিছু দেশ।
চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে এসব দেশে শুক্রবার বা শনিবার ঈদ উদযাপিত হবে। এই তালিকায় আরও রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, ইরান, ওমান, জর্ডান, সিরিয়া, মিশর, লিবিয়া, তিউনিসিয়া, আলজেরিয়া, মরক্কো এবং মৌরিতানিয়া।
আন্তর্জাতিক
সবার আগে একটি দেশের ঈদের তারিখ ঘোষণা
অস্ট্রেলিয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির শীর্ষ ইসলামি সংগঠন অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইমামস কাউন্সিল জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ায় ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। দিনটি হবে ১৪৪৭ হিজরি সালের ১ শাওয়াল।
এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এবং চাঁদ দেখার দায়িত্বে থাকা বিশেষায়িত বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানগুলো তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।
চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে শুধু অস্ট্রেলিয়ার পর্যবেক্ষণই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের তথ্য বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর চাঁদ দেখার সম্ভাবনাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
ঘোষণা অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ায় আগামী বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) পবিত্র রমজান মাসের শেষ দিন হবে। এর পরদিনই অস্ট্রেলিয়ার মুসলিমরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।
অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইমামস কাউন্সিল আরো জানায়, রমজান মাসের শুরু ও শেষ নির্ধারণ, শাওয়াল মাসের সূচনা এবং ঈদুল ফিতরের দিন ঠিক করতে অস্ট্রেলিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি ও অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল নির্দিষ্ট কিছু বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড অনুসরণ করে।
এর মধ্যে রয়েছে সূর্যাস্তের আগে নতুন চাঁদের আবির্ভাব, সূর্যাস্তের পর আকাশে চাঁদ কতক্ষণ দৃশ্যমান থাকতে পারে এবং অস্ট্রেলিয়া ও আশপাশের অঞ্চলে চাঁদ দেখা সম্ভব কিনা এসব বিষয়।
কাউন্সিলের মতে, এই পদ্ধতি কেবল অস্ট্রেলিয়াতেই নয়, বিশ্বের অনেক স্বনামধন্য বৈজ্ঞানিক ও ইসলামি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং ফিকহভিত্তিক সংগঠনও অনুসরণ করে থাকে। এর মাধ্যমে চাঁদ দেখার বিষয়ে একটি সুসংগঠিত ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়।
সূত্র : খালিজ টাইমস
জাতীয়
আজ ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
আজ শনিবার (১৪ মার্চ) ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠাব হবে বলে জানিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসানের পাঠানো এক বার্তায় আরও জানানো হয়, একইদিন খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে।



