পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে ফারইস্ট ফাইন্যান্স
বিদায়ী সপ্তাহে (২৯ মার্চ–০২ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দরপতনের শীর্ষে উঠে এসেছে ফারইস্ট ফাইন্যান্স। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ৩০.৫৬ শতাংশ। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এর দর ছিল ৩ টাকা ৬০ পয়সা, যা কমে বিদায়ী সপ্তাহের শেষে দাঁড়ায় ২ টাকা ৫০ পয়সায়। ফলে এক সপ্তাহে দর কমেছে ১ টাকা ১০ পয়সা।
দরপতনের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফাস ফাইন্যান্স। কোম্পানিটির শেয়ারদরও একই হারে, অর্থাৎ ৩০.৫৬ শতাংশ কমেছে। আগের সপ্তাহ শেষে ৩ টাকা ৬০ পয়সা থাকলেও, সপ্তাহ শেষে তা নেমে আসে ২ টাকা ৫০ পয়সায়।
একই হারে দর কমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পিপলস লিজিং। সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৩ টাকা ৬০ পয়সা থেকে কমে ২ টাকা ৫০ পয়সায় নেমে এসেছে, যা ৩০.৫৬ শতাংশ পতন নির্দেশ করে।
এছাড়া সাপ্তাহিক দরপতনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে এপিএসসিএল বন্ডের দর কমেছে ২৭.২৫ শতাংশ (১,৮১৫ টাকা থেকে ১,৩২০ টাকা ৫০ পয়সা), প্রিমিয়ার লিজিংয়ের ২৭.০৩ শতাংশ (৩ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ২ টাকা ৭০ পয়সা), আইএলএফএসএল-এর ১৮.১৮ শতাংশ (৩ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ২ টাকা ৭০ পয়সা), ফিনিক্স ফাইন্যান্সের ১৮.০০ শতাংশ (৫ টাকা থেকে ৪ টাকা ১০ পয়সা), ফ্যামিলি টেক্সের ১৬.২২ শতাংশ (৩ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৩ টাকা ১০ পয়সা), ফার্স্ট ফাইন্যান্সের ১৫.৫২ শতাংশ (৫ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৪ টাকা ৯০ পয়সা) এবং রিজেন্ট টেক্সটাইলের ১৫.২২ শতাংশ (৪ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৩ টাকা ৯০ পয়সা)।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে একমি পেস্টিসাইডস
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেড।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ২০ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার টাকার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩.১১ শতাংশ।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা ওরিয়ন ইনফিউশনের ২০ কোটি ৭৪ লাখ ৯০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৩.১০ শতাংশ।
তৃতীয় স্থানে থাকা সী পোর্টের ১৬ কোটি ৪২ লাখ ৮০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ২.৪৬ শতাংশ।
লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে-অগ্নি সিস্টেমসের ১৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা, মিডল্যান্ড ব্যাংকের ১৩ কোটি ১২ লাখ টাকা, স্কয়ার ফার্মার ১২ কোটি ৯২ লাখ টাকা, সী পার্ল রিসোর্টের ১০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, ফাইন ফুডের ৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা এবং আলিফ ইন্ডাষ্ট্রিজের ৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকার।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ার দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, গত সপ্তাহে ফান্ডটির দর বেড়েছে ৫১ দশমিক ৭২ শতাংশ। ইউনিটটির সমাপনী মূল্য ছিল ৪.৪০ টাকা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা হামিদ ফেব্রিক্সের শেয়ার দর বেড়েছে ৪০ দশমিক ৭০ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ১২.১০ টাকা।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে বিডি অটোকারসের শেয়ার দর বেড়েছে ২৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ১৮১.১০ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে– হামিদ ফেব্রিক্সের ৪০.৭০ শতাংশ, বিডি অটোকারের ২৯.৪৫ শতাংশ, ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের ২৭.০১ শতাংশ, পিএইচপি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ২৫.০০ শতাংশ, এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ২৪.১৪ শতাংশ, রানার অটোর ২১.৫২ শতাংশ, একমি পেস্টিসাইডের ২১.৩৯শতাংশ, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ২০.৬৯ শতাংশ ও সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালসের ২০.৪১ শতাংশ শেয়ার দর বেড়েছে।
পুঁজিবাজার
ডিএসইর বাজার মূলধন কমলো ১৭ হাজার ৫১৩ কোটি টাকা
বিদায়ী সপ্তাহে (২৯ মার্চ থেকে ০২ এপ্রিল) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন হয়েছে। এতে সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ১৭ হাজার ৫১৩ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)
সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ বা ১৭ হাজার ৫১৩ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৯ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধন ছিল ৭ লাখ ৬ হাজার ৯১২ কোটি টাকা।
চলতি সপ্তাহে ডিএসইতে কমেছে সব কয়টি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৪৮.৬৬ পয়েন্ট বা ২.৭৭ শতাংশ। ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ৮৫.৮৯ পয়েন্ট বা ৪.১৬ শতাংশ। আর ডিএসইএস সূচক কমেছে ১৯.৮৪ পয়েন্ট বা ১.৮৪ শতাংশ।
তবে ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৩৪১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৬৫৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ৬৮৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা।
আর প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ১৩৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা বা ২৫.৭৮ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৬৬৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৫৩১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৯০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭২টি কোম্পানির, কমেছে ২০৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)
এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ১.৪৩ শতাংশ ও ১.৩০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৪৭০১.৪৯ পয়েন্টে ও ৮৯৮২.৬৭ পয়েন্টে।
এছাড়া সিএসই-৫০ সূচক কমেছে ১.৭৯ শতাংশ। সূচকটি অবস্থান করছে ১১১৩.০৭ পয়েন্টে। আর সিএসই-৩০ সূচক ১.৭৬ শতাংশ ও সিএসআই সূচক ০.৮৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১২৮৫৬.৬৬ পয়েন্টে ও ৮৯৫.১১ পয়েন্টে।
চলতি সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৮৮ কোটি ১২ লাখ টাকা, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ৩৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। সপ্তাহ ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ১৪৯ কোটি ২৭ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩০৭টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৭টির, কমেছে ১৫২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টির কোম্পানির শেয়ার দর।
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী হলেন তানভীর গনি
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তানভীর গনি। তিনি বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিশেষ সহকারী পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালীন তানভীর গনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতাদি ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
পুঁজিবাজার
নীতিগত সংস্কার ও কর প্রণোদনায় পুঁজিবাজার শক্তিশালী করতে বিএমবিএর বাজেট প্রস্তাব
বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে কর–প্রণোদনা ও নীতিগত সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে জাতীয় বাজেটের জন্য প্রস্তাবনা দিয়েছে। সংগঠনটির মতে, সঠিক কর সুবিধা ও নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করা হলে বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ারবাজারে আসবে, বিনিয়োগ বাড়বে এবং অর্থনীতিতে পুঁজিবাজারের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় বাজেটের জন্য দেওয়া নীতিপ্রস্তাবে পুঁজিবাজার উন্নয়নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছে বিএমবিএ।
বিএমবিএ বলছে, কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে আনতে তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর ব্যবধান আরও বাড়ানো জরুরি। প্রস্তাব অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার ১৮ শতাংশ নির্ধারণ করার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য প্রথম পাঁচ বছর করহার ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া আইপিও উৎসাহিত করতে নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে বিশেষ কর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী তালিকাভুক্তির পর প্রথম তিন বছর ৫০ শতাংশ কর ছাড় এবং পরবর্তী দুই বছর ২৫ শতাংশ কর ছাড় দেওয়া যেতে পারে। তবে এ সুবিধা পেতে কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ শেয়ার সাধারণ মানুষের হাতে থাকার কথা উল্লেখ করা হয়।
দেশের বড় কর্পোরেট ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে আনতে “ডিমড টু বি লিস্টেড” নামে নতুন কাঠামোর প্রস্তাব দিয়েছে বিএমবিএ। প্রস্তাব অনুযায়ী যেসব কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকার বেশি, অথবা বার্ষিক টার্নওভার ১ হাজার কোটি টাকার বেশি, অথবা ব্যাংক ঋণ ৫০০ কোটি টাকার বেশি তাদেরকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য উৎসাহ দেওয়া হবে। তালিকাভুক্ত হলে কর সুবিধা দেওয়া হবে, আর তালিকাভুক্ত না হলে অতিরিক্ত ৩ থেকে ৫ শতাংশ সারচার্জ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রস্তাবনায় বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনা করা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকেও তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয় এক হাজার কোটি টাকার বেশি, তাদের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানের কমপক্ষে ২০ শতাংশ শেয়ার বাজারে ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। এই ক্ষেত্রে লভ্যাংশে উৎসে কর কমানো ও কর্পোরেট কর সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের জন্য ক্যাপিটাল গেইন কর সম্পূর্ণ অব্যাহতির প্রস্তাব দিয়েছে বিএমবিএ। বর্তমানে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত থাকলেও তা পুরোপুরি করমুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে কর্পোরেট বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে ক্যাপিটাল গেইন কর ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে।
বিএমবিএর প্রস্তাব অনুযায়ী, ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত লভ্যাংশ আয় সম্পূর্ণ করমুক্ত করা এবং এর বেশি হলে উৎসে করকে চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য করার কথা বলা হয়েছে। এতে একই আয়ের ওপর দ্বৈত কর আরোপ কমবে বলে মনে করছে সংগঠনটি।
বর্তমানে কোম্পানি লাভের ৭০ শতাংশ ধরে রাখলে ১০ শতাংশ কর দিতে হয়। এই নিয়ম বাতিলের প্রস্তাব করেছে বিএমবিএ। তাদের মতে, এতে কোম্পানির সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হয়। এছাড়া স্টক ডিভিডেন্ড ক্যাশ ডিভিডেন্ডের বেশি হলে ১০ শতাংশ কর আরোপের নিয়ম বাতিলেরও দাবি জানানো হয়েছে।
বাজার মধ্যস্থতাকারী অর্থাৎ স্টক ব্রোকার, ডিলার ও মার্চেন্ট ব্যাংকারদের মার্জিন ঋণের মন্দ ঋণকে করযোগ্য ব্যয় হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে বাজার মধ্যস্থতাকারীদের আর্থিক চাপ কমবে বলে মনে করছে সংগঠনটি।
নিষ্ক্রিয় তালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে যেসব তালিকাভুক্ত কোম্পানি টানা তিন বছর বার্ষিক সাধারণ সভা করেনি ও লভ্যাংশ দেয়নি তাদের করহার অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির সমান করার প্রস্তাব দিয়েছে বিএমবিএ।
বিএমবিএ’র মতে, এসব প্রণোদনা বাস্তবায়ন করা হলে বড় কোম্পানির তালিকাভুক্তি বাড়বে ও বাজারে তারল্য বৃদ্ধি পাবে। এর পাশাপাশি পুঁজিবাজার অর্থনীতির বড় অর্থায়ন উৎসে পরিণত হবে বলে মনে করে মার্চেন্ট ব্যাংকারদের এই সংগঠনটি।



