ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
অসুস্থ হয়েও থামেননি, ২৫ মিনিট পর পরীক্ষায় ফিরলেন অদম্য নুরুল্লা
২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছভুক্ত (GST) স্নাতক প্রথম বর্ষের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া নূরুল্লা নামের ভর্তিচ্ছু পরিক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্র হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এই অসুস্থতা তার স্বপ্নকে দমিয়ে দিতে পারিনি। অবশেষে ২৫ মিনিট পর পরীক্ষা দিতে সক্ষম হন অদম্য নুরুল্লা।
শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) কেন্দ্রে ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষায় অংশ নিতে কেন্দ্রে উপস্থিত হন তিনি।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন ভবনে পরীক্ষা শুরু হওয়ার পূর্বে পরীক্ষা কেন্দ্রে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন নূরুল্লা। অজ্ঞান অবস্থায় বিএনসিসি টিমের সহায়তায় মেডিকেল সেন্টারে আনা হয় নূরুল্লাকে। পরবর্তীতে, মেডিকেল টিমের চিকিৎসকরা পর্যবেক্ষণ করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।
মেডিকেল টিমের চিকিৎসকরা জানান, তাকে অসুস্থ অবস্থায় মেডিকেলে আনা হয়। অতিরিক্ত টেনশনের কারণে এমন হতে পারে। পূর্বেও তার সাথে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জেনেছি। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি সুস্থতাবোধ করলে সে পরীক্ষা দিতে পারবে।
মেডিকেল সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষার কিছু সময় অতিবাহিত হওয়ার পর সে কিছুটা সুস্থতা অনুভব করে। পরবর্তীতে পরীক্ষাকেন্দ্র পাঠানো হয়। পরীক্ষা শেষে তাকে আবার মেডিকেলে আনা হয়। সার্বিক দিক বিবেচনা করে নিউরোলজিস্টের ডাক্তারের পরামর্শ নিতে বলা হয় নুরুল্লাকে।
পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বরতরা জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে হঠাৎ ছেলেটা অজ্ঞান হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত টেনশনের ফলে এমনটা ঘটেছে বলে জানতে পারি। পরবর্তীতে কিছুটা সুস্থ হলে ২৫ মিনিট পর কেন্দ্রে উপস্থিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কতৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে তাকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ‘বি’ ইউনিট পরীক্ষায় কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহসহ পার্শ্ববর্তী চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও রাজবাড়ী জেলা থেকে ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হকসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
এমএন/এমএসএ
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ভুয়া প্রবেশপত্র নিয়ে ইবি কেন্দ্রে শিক্ষার্থী, মুচলেকা দিয়ে মুক্তি
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) কেন্দ্রে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ভর্তি পরীক্ষার ‘বি’ ইউনিটে ভুয়া প্রবেশপত্র নিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। পরে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মুচলেকা নিয়ে ক্যাম্পাস ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবনে এ ঘটনা ঘটে। ভ্রাম্যমাণ আদালত বিস্তারিত যাচাই শেষে প্রবেশপত্রটি টেম্পারিং (জাল) বলে নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, সকাল ১১টা থেকে পরীক্ষা শুরু হলেও ২ মিনিট দেরিতে ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবনে সানজানা ইসলাম নামের এক ভর্তিচ্ছু প্রবেশের চেষ্টা করেন। তার প্রবেশপত্রে উল্লিখিত কেন্দ্র, কক্ষ নম্বর ও ছবিতে অসামঞ্জস্য দেখা গেলে দায়িত্বরত শিক্ষক, বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটস সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে তাকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আটক পরীক্ষার্থী সানজানা ইসলাম জানান, “আমি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার জন্য নিজে অনলাইনে আবেদন করিনি। স্থানীয় একটি কম্পিউটার দোকানের মাধ্যমে আবেদন করেছিলাম।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, মেয়েটির এডমিট কার্ড-সহ অন্যান্য কাগজপত্র জমা নেওয়া হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রট এগুলো যাচাই-বাছাই করে ঘটনার সত্য উদঘাটন করবে তারপর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আর মেয়েটি’র মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাহিদ হাসান জানান, এসএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র যাচাই করে জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে অন্য কোনো পরীক্ষার্থীর হয়ে প্রক্সি দিতে আসার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তার ছবি ও পরিচয় মিল থাকায় এবং প্রাথমিকভাবে প্রতারণার শিকার মনে হওয়ায়, বাংলাদেশ পাবলিক পরীক্ষা আইন, ১৯৮২ অনুযায়ী তাকে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার শর্তে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এমএন/এমএসএ
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ইবি শিক্ষিকা হত্যার বিচার দাবিতে এসপির কার্যালয় ঘেরাও
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার বিচারের দাবিতে কুষ্টিয়া মহাসড়ক অবরোধ ও পুলিশ সুপার কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন বিভাগের শিক্ষার্থী ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা। এ সময় দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর গেইটে এ কর্মসূচি পালন করে তারা। পরে কুষ্টিয়া মহাসড়ক এক ঘণ্টা অবরোধ করার পর পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এ সময় নিহত রুনার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান ও তার সন্তানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বক্তরা বলেন, আসামি বিশ্বজিৎ ও শ্যাম সুন্দর হাইকোর্টে ঘোরাঘুরি করছেন কিন্তু প্রশাসন তাদের আজ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারতেছে না। একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সহকারী অধ্যাপকের যদি ন্যূনতম কোনো নিরাপত্তা না থাকে, তার চারটা অবুঝ বাচ্চা, এই বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকায়ে আপনাদের তো মোটামুটি প্রশাসনের উচিত ছিল এত দিনে তাদের গ্রেপ্তার করা। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের যদি নিরাপত্তা না থাকে সেখানে একজন সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা কোথায়?
নিহতের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান বলেন, ‘আমার স্ত্রী মৃত্যুর পূর্বে যে ষড়যন্ত্রের শিকার ছিলেন, আর মৃত্যুর পরে সেই ষড়যন্ত্রটা এখনো বাস্তবায়ন চলছে। প্রশাসন দেখবে যে এই ফজলুকে দিয়ে একক সিদ্ধান্তের একটা নীলনকশা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করবে। তারা বিশ্বজিৎ, শ্যাম সরকারসহ যাদের বিরুদ্ধে আমার লিখিত অভিযোগ আছে যে, তারা বিভাগের অর্থ তছরুপ করেছে। সে ব্যাপারে এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।’
পরে পরিবার ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নিয়ে প্রশাসন ও অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শওকত মো. হাসান ইমামের সঙ্গে বৈঠক করেন তারা।
বৈঠক শেষে শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হিসেবে সোহান জানান, রুনা হত্যার এক মাস পেরোলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সঙ্গে আমরা কথা বলি। তিনি আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন, মূল আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে বাকি আসামিদের সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে রিমান্ডে নিয়ে মূল ঘটনার উন্মোচন করবেন।
তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে এখন পর্যন্ত দৃশ্যত কোনো সহযোগিতা আমরা পাইনি। প্রশাসন যদি আগামীতেও এমন করে আমরা ভিসি কার্যালয় ঘেরাও করব।’
উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা। এ ঘটনায় পরদিন ইবি থানায় অভিযুক্ত কর্মচারী ফজলুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে নিহতের পরিবার। পরদিন আসামি ফজলুর রহমানকে গ্রেফতার করে ইবি থানা পুলিশ। বর্তমানে ফজলু কারাগারে আছে।
অন্য আসামিরা হলেন, সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক কর্মচারী ও উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টে রিট
দেশে হামের কারণে ৪৭ শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। সেইসঙ্গে হামের প্রকোপ না কমা পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করা হয়েছে।
বিবাদীদের ব্যর্থতার নিয়ে রুলও চাওয়া হয়েছে রিটে। হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে এর শুনানি হতে পারে আজ।
রিটে বিবাদীদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর জন্য রুল জারিরও আবেদন করা হয়েছে, যাতে জানতে চাওয়া হয়—হাম প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে তাদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন অবৈধ, স্বেচ্ছাচারী এবং আইনগত কর্তৃত্ববিহীন ঘোষণা করা হবে না।
রিটে আরও বলা হয়, সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা, টিকার প্রাপ্যতা বজায় রাখতে না পারা, স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা ও জরুরি সাড়া প্রদানে ঘাটতি—এসবই সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এছাড়া বিবাদীদের অবিলম্বে দেশব্যাপী জরুরি হাম টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ, টিকা, সিরিঞ্জ ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সারা দেশে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা, বিশেষায়িত ইউনিট ও আইসিইউসহ কার্যকর জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
চলতি এপ্রিলের ২১ তারিখ থেকে শুরু হওয়া মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য কেন্দ্রসচিবদের প্রতি জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এ নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা।
এতে বলা হয়, অনিয়মিত মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীরা ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। নিয়মিত পরীক্ষার্থীরা ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।
নির্দেশনায় বলা হয়, পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী, সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩ দিন পূর্বে ট্রেজারিতে/খানা লকারের ট্রাংকে রক্ষিত প্রশ্নপত্রের প্যাকেটের সাথে প্রশ্নপত্রের বিবরণী তালিকা ঠিকভাবে যাচাই করতে হবে। প্রশ্নপত্রের প্যাকেট যাচাইকালে সংশ্লিষ্ট ট্রেজারি অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কেন্দ্রসচিব এবং পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সদস্যরা অবশ্যই উপস্থিত থাকবেন।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড জানায়, প্রশ্নপত্রের ২ সেট করে সৃজনশীল (CQ) এবং বহুনির্বাচনি (MCQ) সেট, পরীক্ষার তারিখ অনুসারে সেটভিত্তিক আলাদা করে সিকিউরিটি খামে প্যাকেট করতে হবে। প্রশ্নপত্রের প্যাকেট যাচাইয়ের দিনে সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে তারিখভিত্তিক প্রশ্নপত্রের প্যাকেট সাজিয়ে সিকিউরিটি খামের গাম লাগিয়ে এবং কার্টুন টেপে যথাযথভাবে মুড়িয়ে নিতে হবে এবং সিকিউরিটি খামের ওপর পরীক্ষার তারিখ, বিষয় কোড ও সেট কোড অবশ্যই লিখতে হবে। এ বিষয়ে কোনো ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা কেন্দ্রসচিবের দায়িত্বে অবহেলা বলে গণ্য হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ট্রেজারি হতে পরীক্ষার দিনগুলোতে ট্রেজারি অফিসারের নিকট হতে ওই দিনের প্রশ্নপত্রের সিকিউরিটি খাম (সৃজনশীল (CQ) ২ সেট এবং বহুনির্বাচনি (MCQ) ১ সেট) গ্রহণ করতে হবে। অত্যন্ত সতর্কতার সাথে থানা/ট্রেজারি হতে ট্যাগ অফিসার এবং পুলিশ প্রহরাসহ প্রশ্নপত্রের প্যাকেট (সিকিউরিটি খাম) কেন্দ্রে আনতে হবে। মোবাইল ফোনে সেট কোডের এসএমএস পাওয়ার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার, পুলিশ অফিসারকে প্রদর্শনের পর সেট কোড নিশ্চিত হয়ে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলতে হবে এবং অন্য সেটের প্রশ্নপত্রের প্যাকেট টেবিল থেকে সরিয়ে ট্রংকজাত করতে হবে। অব্যবহৃত সেটের প্রশ্নপত্রের খাম অক্ষত অবস্থায় বোর্ডে জমা দিতে হবে।
নির্ধারিত সেট কোডের পরিবর্তে অন্য কোনো সেট কোডের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিলে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
অনলাইন ক্লাসের বিকল্প ৪ প্রস্তাব অভিভাবকদের
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন ক্লাসের সম্ভাব্য সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল পেরেন্টস ফোরাম। সংগঠনের সভাপতি এ কে এম আশরাফুল হক এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে।
এর পরিবর্তে পড়াশোনার ক্ষতি না করে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ৪টি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছেন অভিভাবকরা। বিবৃতিতে অনলাইন ক্লাসের বিপক্ষে তিনটি যুক্তি তুলে ধরা হয়।
সামনেই ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর ‘ও’ লেভেল ও ‘এ’ লেভেল পরীক্ষা এবং মে মাসে সাধারণ স্কুলগুলোর সেশন ফাইনাল। এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সশরীরে ক্লাস বন্ধ করলে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে বড় ধরনের ধস নামবে।
করোনাকালীন অনলাইন ক্লাসের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে বলা হয়, স্কুলপর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি ফলপ্রসূ নয়। ক্লাসরুমের পরিবেশ ও শিক্ষকদের সরাসরি তত্ত্বাবধান ছাড়া পড়াশোনার মান বজায় রাখা সম্ভব নয়।
আশরাফুল হক বলেন, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের বাজারে উচ্চগতির ইন্টারনেট ও ডিভাইসের খরচ অভিভাবকদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করবে। এছাড়া কর্মজীবী অভিভাবকদের জন্য সন্তানদের অনলাইন ক্লাস তদারকি করা প্রায় অসম্ভব।
অভিভাবক সংগঠনটি ৪টি বিকল্প প্রস্তাব তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা সচল রাখা সম্ভব বলে মনে করেন পেরেন্টস ফোরাম।
তাদের প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে ৩+৩ মডেল বাতিল। ৩ দিন অনলাইন ও ৩ দিন অফলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বাতিল করা। সপ্তাহে ৪ দিন সশরীরে (অফলাইন) ক্লাস চালু রেখে বাকি ৩ দিন স্কুল সম্পূর্ণ ছুটি রাখা। এতে যাতায়াত ও প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ—উভয়ই সাশ্রয় হবে।
এছাড়া প্রয়োজনে স্কুলের প্রতিদিনের কার্যঘণ্টা বা ক্লাসের সময় কিছুটা কমিয়ে আনা। শ্রেণিকক্ষে এসির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের ব্যবহার নিশ্চিত করার মতো অভ্যন্তরীণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে গিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন যেন খাদের কিনারে ঠেলে দেওয়া না হয়।
দ্রুত একটি যৌক্তিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্তেরও দাবি জানান তারা।



