জাতীয়
গাড়ি কিনতে সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত ঋণ আপাতত বন্ধ
সরকারের পরিচালন ব্যয় কমাতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয়ের জন্য সুদমুক্ত ঋণ এবং সরকারি অর্থায়নে সকল বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ থাকবে।
মন্ত্রিসভা বৈঠক নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারের পরিচালন ব্যয় কমাতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয়ের জন্য সুদমুক্ত ঋণ প্রদান এবং সরকারি অর্থায়নে সকল বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ থাকবে। প্রশিক্ষণ ব্যয় ছাড়া অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয় ৫০ শতাংশ কমাতে হবে। সভা/সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয় ৫০ শতাংশ, সেমিনার/কনফারেন্স ব্যয় ২০ শতাংশ এবং ভ্রমণ ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাতে হবে।
উল্লেখ্য, প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তারা (উপসচিব ও এর ওপরের কর্মকর্তা) সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ নিয়ে গাড়ি ক্রয় করতে পারেন। ‘প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত ঋণ এবং গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালা, ২০২০’ অনুযায়ী এ সুবিধা দেওয়া হয়।
নীতিমালা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা শুধু ঋণ সুবিধাই নয়, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ও চালকের বেতনের জন্য প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা করে ভাতা পান। এ ছাড়া, গাড়ির জন্য প্রতি বছর ১০ শতাংশ হারে অবচয় সুবিধাও প্রযোজ্য রয়েছে।
জাতীয়
জুলাই সনদ নিয়ে অপরাজনীতি বরদাশত করা হবে না: চিফ হুইপ
জুলাই সনদ নিয়ে কোনো ধরনের অপরাজনীতি সহ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, বিএনপি এই সনদের পক্ষে রয়েছে এবং এর প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে দলটি অঙ্গীকারবদ্ধ।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবে তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ হুইপ মনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং এ লক্ষ্যেই দল কাজ করছে।
তিনি দাবি করেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকারে এসে বিএনপি এই সনদ বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিয়েছে।
বিরোধী দলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা একের পর এক অবস্থান বদলাচ্ছে, কখনো স্থানীয় সরকার নির্বাচন, কখনো সংস্কার, আবার কখনো সংবিধান পরিবর্তনের দাবি তুলছে। এসব দাবি পরাজয়ের প্রতিক্রিয়া বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে তারা পিআর (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচন) ব্যবস্থা চেয়েছিল। আমেরিকা, ইংল্যান্ড বা আমাদের পাশের দেশ ভারতের মতো বড় গণতান্ত্রিক দেশগুলোতেও এই ব্যবস্থা নেই। তারা বলছিল পিআর না দিলে নাকি নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। কিন্তু আমরা তখন স্পষ্ট বলেছি, কোনো বিশেষ অযৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের অজুহাতে নির্বাচন আটকে রাখা যাবে না।
জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি এর বিরোধিতা করেনি; বরং কিছু ভিন্নমত দিয়েছে, যা সনদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এটি বাস্তবায়ন করা হবে এবং এ বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
দলের নেতৃত্বের প্রশংসা করে মনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সুশাসনের একটি উদাহরণ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
জাতীয়
চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাল ২ জ্বালানি জাহাজ, বাড়বে দেশের সরবরাহ
চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও একটি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বহনকারী জাহাজ পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এ তথ্য জানায়।
জানা গেছে, প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে দ্রুত তেল খালাসের কার্যক্রম শুরু হবে। এ জন্য আগে থেকেই সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি কারিগরি প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছে কর্তৃপক্ষ।
জ্বালানি তেল খালাস কার্যক্রম তদারকিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বন্দরে উপস্থিত থাকবেন। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, এই চালান দেশের ডিজেলের মজুদ বাড়াতে সহায়তা করবে এবং বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখবে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, জাহাজ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব পরীক্ষার পরপরই খালাস কার্যক্রম শুরু করা হবে। দ্রুত খালাস নিশ্চিত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বিপিসি সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
বিপিসি সূত্রে আরও জানা গেছে, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা সামাল দিতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের আমদানি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হচ্ছে।
জাতীয়
হজ ফ্লাইট শুরু কবে, জানালেন ধর্মমন্ত্রী
আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশিদের জন্য হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হজ সংক্রান্ত জাতীয় সর্বোচ্চ হজ কমিটির প্রধান ও ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ।
সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনা সফল করতে মদিনায় হজ কনফারেন্স ও সৌদি হজ ও ওমরা মন্ত্রী তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণ শেষে তিনি এ কথা বলেন।
মক্কা-মদিনায় হজযাত্রীদের সেবায় হজকর্মী নিয়োগ, হজযাত্রীদের হোটেলে অবস্থানকালে সার্বক্ষণিক এসি ও লিফট সার্ভিস, মক্কা-মদিনায় নির্বিঘ্ন ট্রান্সপোর্ট, সার্ভিস কম্পানি কর্তৃক হজ মৌসুমে মিনায় বাংলাদেশি হজযাত্রীদের খাবার বিতরণের সময় হাইজেনিক ব্যবস্থাপনা তদারকি, সময়মতো খাবার প্রদানসহ বিভিন্ন বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে ধর্মসচিব আলাউদ্দিন আল আজাদ, রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, জেদ্দা বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন, মক্কায় বাংলাদেশ হজ মিশনের কাউন্সিলর হজ্জ, হজ অনু বিভাগের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জাতীয়
জ্বালানি সাশ্রয়ে অফিস সময়সূচিতে বড় পরিবর্তন
সরকারি-বেসরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনসহ একগুচ্ছ কৃচ্ছ্রসাধন ও ব্যয় সংকোচনমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জ্বালানি সাশ্রয় এবং মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সব অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এবং সন্ধ্যা ৬টার পর সব বিপণিবিতান ও মার্কেট বন্ধ রাখতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, বৈঠকটি বিশেষ পরিস্থিতিতে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টা কাজ করছেন এবং যাতায়াতের সময় বাঁচাতে ও যানজট এড়াতে এখানেই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।
অফিস ও ব্যাংকের নতুন সময়সূচি
আগামী কার্যদিবস থেকে সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। অর্থাৎ অফিসের সময় ১ ঘণ্টা কমিয়ে আনা হয়েছে।
এছাড়া ব্যাংকগুলো চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত, তবে আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করতে বিকেল ৪টায় ব্যাংক বন্ধ হবে।
জাতীয়
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিল সরকার
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে উদ্ভূত সংকট মোকাবিলা ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ব্যয় সংকোচনমূলক কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে বেশ কিছু কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
অফিস ও ব্যাংকের সময়সূচি
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অফিসের সময় ১ ঘণ্টা কমিয়ে আনা হয়েছে। আগামী কার্যদিবস থেকে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। এ ছাড়া ব্যাংকগুলোর লেনদেন চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত; তবে আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করতে বিকেল ৪টায় ব্যাংক বন্ধ করতে হবে।
বাজার ও বিপণিবিতান
দেশের সব মার্কেট, দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টার পর বন্ধ রাখতে হবে। তবে জনদুর্ভোগ এড়াতে কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান এবং খাবারের দোকানের মতো জরুরি সেবাগুলো এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পরিবহন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক নির্দেশনা দেওয়া হবে, যা আগামী রোববার থেকে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে যানজট নিরসন ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমাতে শুল্কমুক্ত সুবিধায় ‘ইলেকট্রিক বাস’ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যেসব স্কুল এই উদ্যোগে অংশ নেবে, তারা বিশেষ সুবিধা পাবে। বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও নতুন ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। তবে কোনো পুরোনো বাস আমদানি করা যাবে না।
আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা
জ্বালানি সংকটের এই সময়ে কোনো ধরনের বিয়ে বা সামাজিক উৎসব-অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
ব্যয় সংকোচন
সরকারের জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতের বাজেট থেকে ৩০ শতাংশ ব্যয় কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন মাস পর্যন্ত সরকারি কোনো নতুন গাড়ি (সড়ক, নৌ বা আকাশযান) এবং কম্পিউটার সামগ্রী কেনা যাবে না। এ ছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের সব বিদেশ ভ্রমণ এবং অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের ৫০ শতাংশ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সভা-সেমিনারের আপ্যায়ন খরচও ৫০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জ্বালানি সরবরাহ ও বিকল্প উৎস
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে তেলের সরবরাহ লাইন কিছুটা অনিরাপদ (ইনসিকিউর) হয়ে পড়ায় সরকার বিকল্প উৎসের সন্ধান করছে। ইতোমধ্যে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং কাজাখস্তান থেকে তেল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে সচিব জানান। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকার সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখছে এবং বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।



