আন্তর্জাতিক
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের বৃহত্তম দুই ইস্পাত কারখানা অচল
ইরানের বৃহত্তম দু’টি ইস্পাত কারখানায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। বৃহস্পতিবার মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় ওই দুই কারখানার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া দেশটির রাজধানী তেহরানের সঙ্গে সংযোগকারী একটি সেতুতেও হামলা হয়েছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে ইরানের সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের আহভাজ শহরের খুজেস্তান ইস্পাত কোম্পানি ও মধ্যাঞ্চলীয় ইসফাহান প্রদেশের মোবারকেহ ইস্পাত কোম্পানিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে। মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় দেশটির বৃহত্তম ওই দুই ইস্পাত কারখানার উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
এক বিবৃতিতে মোবারকেহ ইস্পাত কোম্পানি বলেছে, ব্যাপক হামলার কারণে আমাদের উৎপাদন লাইনগুলো সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিতে হয়েছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যম মিজান অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় বন্ধ হয়ে যাওয়া ইউনিটগুলো আগামী অন্তত ছয় মাসের মধ্যে পুনরায় চালু করার কোনও সম্ভাবনা নেই বলে খুজেস্তান ইস্পাত কোম্পানির অপারেশন বিভাগের উপপ্রধান মেহরান পাকবিন জানিয়েছেন।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি বলেছে, রাজধানী তেহরান থেকে কারাজ শহর পর্যন্ত বিস্তৃত এবং ‘মধ্যপ্রাচ্যের সর্বোচ্চ সেতু’ হিসেবে পরিচিত একটি মহাসড়ক সেতুতে হামলায় অনেকে আহত হয়েছেন।
এছাড়া তেহরানের পশ্চিমে অবস্থিত কারাজ শহরের অন্যান্য এলাকাতেও মার্কিন-ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা।
আন্তর্জাতিক
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হলেন সাবেক জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং
মিয়ানমারের সাবেক জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মিয়ানমারে অং সান সূচির নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের পর মিন অং লাইং প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, নির্বাচন আয়োজন করে এক বছরের মধ্যে বেসামরিক শাসনে ফিরে যাবে দেশটি। তবে নির্বাচনের সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে তার সময় লেগেছে পাঁচ বছর।
সংবিধান অনুযায়ী, মিন অং হ্লাইং সেনাপ্রধানের পদ ছাড়লেও, বিশ্লেষকদের মতে এটি নামমাত্র বেসামরিক শাসন। কারণ নতুন সংসদে তার অনুগতদের আধিপত্য রয়েছে এবং সেনাবাহিনীর জন্য নির্ধারিত আসনও বহাল রয়েছে।
তিনি নতুন একটি পরামর্শদাতা পরিষদও গঠন করেছেন। এই পরিষদের কাছে বেসামরিক ও সামরিক সব বিষয়ে সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব প্রয়োগের ক্ষমতা থাকবে। এক কথায় বলা যায়, সামরিক পোশাক খুললেও ক্ষমতা যেন না কমে সে বিষয়ে সচেষ্ট ছিলেন মিন অং হ্লাইং।
মিয়ানমারে গত নির্বাচনে অং সান সূচির দল বড় জয় পাওয়ার পরই ক্ষমতা দখল করেছিলেন মিন অং হ্লাইং। এরপর থেকেই বিক্ষোভ দমনে সহিংসতা ব্যবহার করলে দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
দেশটিদে গত পাঁচ বছরে সংঘাতে হাজারো মানুষ নিহত ও লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এছাড়াও ভেঙে পড়েছে দেশটির অর্থনীতিও। বিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর দখলে এখনো দেশের বড় অংশ রয়েছে। তাদের দমনে সেনাবাহিনী বিমান হামলা ও কঠোর অভিযান চালাচ্ছে।
কিয়াও উইনের মতো তরুণ আন্দোলনকর্মীদের জন্য পরিবর্তনের সব আশা শেষ হয়ে গেছে। ছাত্রাবস্থায় ২০২২ সালের অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে এক বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং জেলে পাঠানোর আগে এক সপ্তাহ ধরে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়। সম্প্রতি তিনি মুক্তি পেয়েছেন।
তিনি বলেন, তারা লোহার রড দিয়ে আমার পিঠে মেরেছে। সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়েছে, ছুরি দিয়ে আমার উরুতে আঘাত করেছে। তারপর তারা আমার অন্তর্বাস খুলে নিয়ে আমাকে যৌন নির্যাতন করেছে। তারা আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে, কিন্তু তারা যে আমার কাছ থেকে কী শুনতে চায় তা কখনোই স্পষ্ট ছিল না।
কিয়াও উইন বলেন, বিপ্লবের প্রতি তার অঙ্গীকার অপরিবর্তিত রয়েছে, কিন্তু মিয়ানমারের ভেতর থেকে এখন তিনি খুব বেশি কিছু করতে পারছেন না। তিনি দেশের বাইরে কাজ খোঁজার কথা ভাবছেন।
মিন অং হ্লাইং নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন তারই ঘনিষ্ঠ সহযোগী জেনারেল ইয়ে উইন ও-কে, যা তার সামরিক প্রভাব বজায় রাখার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
জাতিসংঘের হিসেবে, বর্তমানে দেশটিতে ১ কোটি ৬০ লাখের বেশি মানুষ মানবিক সহায়তার প্রয়োজনে রয়েছে এবং প্রায় ৪০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জ্বালানি সংকট ও মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
আন্তর্জাতিক
মার্কিন সেনাপ্রধানের পর অ্যার্টনি জেনারেল বরখাস্ত
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের মাঝেই পেন্টাগনে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। একের পর এক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের বরখাস্তের খবর আসছে। এরই মাঝে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে তার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
বার্তা সংস্থা রয়র্টাসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যার্টনি জেনারেল পাম বন্ডির কাজ নিয়ে তিনি হতাশ ছিলেন। সেই সঙ্গে প্রয়াত কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত তদন্তের ধীর গতি এবং প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ায় অ্যার্টনি জেনারেলের প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন ট্রাম্প।
মার্কিন প্রধান আইন কর্মকর্তার অপসারণের খবর চাউর হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প জানান, বন্ডিকে এখন বেসরকারি খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন চাকরি দেওয়া হবে।
প্রেসিডেন্ট লেখেন, ‘পাম বন্ডি একজন মহান মার্কিন দেশপ্রেমিক এবং একজন বিশ্বস্ত বন্ধু, যিনি গত এক বছর ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে আমার অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।’
পদ হারানোর পর পাম বন্ডি এক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে আরো নিরাপদ করার লক্ষ্যে কাজ করতে পারা তার জন্য জীবনের বড় সম্মানের বিষয় ছিল। দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া আগামী এক মাসের মধ্যে শেষ করবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন। তবে তার মেয়াদে মার্কিন বিচার বিভাগের প্রথাগত স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
বন্ডির জায়গায় ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে কাজ করবেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ। তিনি এর আগে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী ছিলেন।
আন্তর্জাতিক
অ্যামাজনের ডেটা সেন্টারে ইরানের ড্রোন হামলা
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যেই ইরানের ড্রোন হামলায় বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের ক্লাউড কম্পিউটিং কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসের (এডব্লিউএস) ডেটা সেন্টারে ড্রোন হামলার এই তথ্য জানানো হয়েছে।
একই দিন বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, একটি কোম্পানির স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দমকল বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। কর্তৃপক্ষ এটিকে ইরানি হামলা বলে উল্লেখ করেছে। তবে কোন কোম্পানির স্থাপনায় এই ঘটনা ঘটেছে, এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত, এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানায়নি মন্ত্রণালয়।
এই হামলার খবর প্রকাশের একদিন আগেই ইরানের বিপ্লবী গার্ড মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিভিন্ন কোম্পানিকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দেয়। এর মধ্যে মাইক্রোসফট, গুগল ও অ্যাপেলের নামও উল্লেখ করা হয়। ইরানের ওপর হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এই হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
হামলার বিষয়ে জানতে বার্তাসংস্থা রয়টার্স যোগাযোগ করলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি অ্যামাজন কর্তৃপক্ষ।
গত সপ্তাহে অ্যামাজন জানিয়েছিল, চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে বাহরাইনে তাদের ক্লাউড সেবা অঞ্চলে বিঘ্ন ঘটেছে। এক মাসের মধ্যে এটি দ্বিতীয়বার ঘটল যে, যুদ্ধের প্রভাবে তাদের কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হলো।
প্রতিষ্ঠানটির ক্লাউড কম্পিউটিং ইউনিটটি বহু পরিচিত ওয়েবসাইট ও বিভিন্ন সরকারি কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে এটি কোম্পানিটির প্রধান মুনাফার উৎস হিসেবেও বিবেচিত।
আন্তর্জাতিক
ট্রাম্পের ভাষণের পর ইসরাইলে আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ওয়াশিংটন ইরানের সামরিক বাহিনীকে ধ্বংস করে দিয়েছে এবং তাদের যুদ্ধাভিযানের লক্ষ্য অর্জনের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এর পরই ইসরাইলের দিকে আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। আল জাজিরা।
স্থানীয় সময় বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে হোয়াইট হাউস থেকে ইরান যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন ট্রাম্প। যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ‘মূল কৌশলগত লক্ষ্যগুলো’ প্রায় সবগুলো অর্জিত হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, গত চার সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধে ইরানের ওপর ‘দ্রুত, নির্ণায়ক ও ব্যাপক’ আঘাত হানা হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, ‘এই অভিযানে এমন ধরনের বিজয় অর্জিত হয়েছে, যা খুব কম মানুষ আগে কখনও দেখেছে।’ যুদ্ধ আর দুই তিন সপ্তাহ চলবে জানিয়ে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন যে, এই সময়টাতে যুক্তরাষ্ট্র হামলা আরও জোরদার করবে এবং তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, ইরানকে ‘প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেয়া’ হতে পারে।
এদিকে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনী ইরানে হামলা অব্যাহত রাখে। এতে দেশটির লরেস্তান ও মিয়ানেহতে নয়জন নিহত হন এবং বিমানবন্দর ও জেটির ক্ষতি হয়। পাল্টা হামলা চালায় ইরানের সামরিক বাহিনীও।
ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ডস কোর (আইআরজিসি) জানায়, তারা বুধবার ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ও জায়নবাদী অবস্থানগুলোকে লক্ষ্য করে ১০০টিরও বেশি ভারি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের পাশাপাশি ২০০টি রকেট নিক্ষেপ করেছে।
এই সমন্বিত অভিযানগুলো ইরানের অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনী এবং প্রতিরোধ ফ্রন্টগুলোর সাথে যৌথভাবে চালানো হয়। আইআরজিসি-র জনসংযোগ বিভাগের তথ্য অনুসারে, এই হামলাগুলো ইসরাইলের এইলাত, তেল আবিব ও বেনি ব্রাকে জায়নবাদী সরকারের সামরিক লক্ষ্যবস্তু ও সন্ত্রাসী বাহিনীকে নিশানা করে চালানো হয় এবং এতে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
এমএন
আন্তর্জাতিক
শত্রু আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে: ইরানের সেনাবাহিনীর হুঁশিয়ারি
ইরানের সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারণা অসম্পূর্ণ বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনীর খতম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল কমান্ড সদরদপ্তর। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, শত্রুরা আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে বলেছেন, ইরানকে প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। এরপরই কঠোর ভাষায় বার্তা দিলো দেশটির সেনাবাহিনী।
সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, “আমাদের সামরিক শক্তি ও সরঞ্জাম সম্পর্কে আপনাদের ধারণা একেবারেই অপূর্ণ। আমাদের বিশাল এবং কৌশলগত সক্ষমতা সম্পর্কে আপনাদের বিন্দুমাত্র জ্ঞান নেই।”
“এমনটি ভাবার কোনো সুযোগ নেই যে, আপনারা আমাদের মিসাইল উৎপাদন কেন্দ্র, দূরপাল্লার আক্রমণাত্মক ও নিখুঁত লক্ষ্যভেদী ড্রোন, আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম কিংবা বিশেষ সরঞ্জামগুলো ধ্বংস করে দিয়েছেন।”
সেন্ট্রাল কমান্ড আরও বলেছে, “আমাদের কৌশলগত সামরিক উৎপাদন এমন সব জায়গায় সচল রয়েছে, যা সম্পর্কে আপনাদের কোনো ধারণাই নেই এবং যেখানে পৌঁছানো আপনাদের পক্ষে কখনোই সম্ভব হবে না।”
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত হামলা চলবে উল্লেখ করে ইরানি সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড আরও বলেছে, “আরও বিচূর্ণকারী, বিস্তৃত এবং ধ্বংসাত্মক হামলা হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনারা স্থায়ী, চূড়ান্ত আত্মসমর্পণ না করবেন।”
সূত্র: আলজাজিরা



