পুঁজিবাজার
দরপতনের শীর্ষে প্রিমিয়ার লিজিং
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ডিএসইতে সর্বোচ্চ প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেডের শেয়ার দর ৩ পয়সা বা ১০ শতাংশ কমেছে। এর ফলে কোম্পানিটি দরপতনের শীর্ষে অবস্থান করেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেডের শেয়ার দর ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- ফ্যামিলিটেক্সের ৮.৮২ শতাংশ, জেনারেশন নেক্সটের ৮.১১ শতাংশ, নূরানী ডাইংয়ের ৮.১১ শতাংশ, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ৭.৮৯ শতাংশ, অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্সের ৭.৬৯ শতাংশ, সিঅ্যান্ডএ টেক্সটাইলের ৭.৫০ শতাংশ এবং ফারইস্ট ফাইন্যান্সের ৭.৪১ শতাংশ কমেছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
নীতিগত সংস্কার ও কর প্রণোদনায় পুঁজিবাজার শক্তিশালী করতে বিএমবিএর বাজেট প্রস্তাব
বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে কর–প্রণোদনা ও নীতিগত সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে জাতীয় বাজেটের জন্য প্রস্তাবনা দিয়েছে। সংগঠনটির মতে, সঠিক কর সুবিধা ও নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করা হলে বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ারবাজারে আসবে, বিনিয়োগ বাড়বে এবং অর্থনীতিতে পুঁজিবাজারের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় বাজেটের জন্য দেওয়া নীতিপ্রস্তাবে পুঁজিবাজার উন্নয়নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছে বিএমবিএ।
বিএমবিএ বলছে, কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে আনতে তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর ব্যবধান আরও বাড়ানো জরুরি। প্রস্তাব অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার ১৮ শতাংশ নির্ধারণ করার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য প্রথম পাঁচ বছর করহার ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া আইপিও উৎসাহিত করতে নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে বিশেষ কর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী তালিকাভুক্তির পর প্রথম তিন বছর ৫০ শতাংশ কর ছাড় এবং পরবর্তী দুই বছর ২৫ শতাংশ কর ছাড় দেওয়া যেতে পারে। তবে এ সুবিধা পেতে কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ শেয়ার সাধারণ মানুষের হাতে থাকার কথা উল্লেখ করা হয়।
দেশের বড় কর্পোরেট ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে আনতে “ডিমড টু বি লিস্টেড” নামে নতুন কাঠামোর প্রস্তাব দিয়েছে বিএমবিএ। প্রস্তাব অনুযায়ী যেসব কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকার বেশি, অথবা বার্ষিক টার্নওভার ১ হাজার কোটি টাকার বেশি, অথবা ব্যাংক ঋণ ৫০০ কোটি টাকার বেশি তাদেরকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য উৎসাহ দেওয়া হবে। তালিকাভুক্ত হলে কর সুবিধা দেওয়া হবে, আর তালিকাভুক্ত না হলে অতিরিক্ত ৩ থেকে ৫ শতাংশ সারচার্জ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রস্তাবনায় বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনা করা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকেও তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয় এক হাজার কোটি টাকার বেশি, তাদের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানের কমপক্ষে ২০ শতাংশ শেয়ার বাজারে ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। এই ক্ষেত্রে লভ্যাংশে উৎসে কর কমানো ও কর্পোরেট কর সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের জন্য ক্যাপিটাল গেইন কর সম্পূর্ণ অব্যাহতির প্রস্তাব দিয়েছে বিএমবিএ। বর্তমানে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত থাকলেও তা পুরোপুরি করমুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে কর্পোরেট বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে ক্যাপিটাল গেইন কর ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে।
বিএমবিএর প্রস্তাব অনুযায়ী, ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত লভ্যাংশ আয় সম্পূর্ণ করমুক্ত করা এবং এর বেশি হলে উৎসে করকে চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য করার কথা বলা হয়েছে। এতে একই আয়ের ওপর দ্বৈত কর আরোপ কমবে বলে মনে করছে সংগঠনটি।
বর্তমানে কোম্পানি লাভের ৭০ শতাংশ ধরে রাখলে ১০ শতাংশ কর দিতে হয়। এই নিয়ম বাতিলের প্রস্তাব করেছে বিএমবিএ। তাদের মতে, এতে কোম্পানির সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হয়। এছাড়া স্টক ডিভিডেন্ড ক্যাশ ডিভিডেন্ডের বেশি হলে ১০ শতাংশ কর আরোপের নিয়ম বাতিলেরও দাবি জানানো হয়েছে।
বাজার মধ্যস্থতাকারী অর্থাৎ স্টক ব্রোকার, ডিলার ও মার্চেন্ট ব্যাংকারদের মার্জিন ঋণের মন্দ ঋণকে করযোগ্য ব্যয় হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে বাজার মধ্যস্থতাকারীদের আর্থিক চাপ কমবে বলে মনে করছে সংগঠনটি।
নিষ্ক্রিয় তালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে যেসব তালিকাভুক্ত কোম্পানি টানা তিন বছর বার্ষিক সাধারণ সভা করেনি ও লভ্যাংশ দেয়নি তাদের করহার অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির সমান করার প্রস্তাব দিয়েছে বিএমবিএ।
বিএমবিএ’র মতে, এসব প্রণোদনা বাস্তবায়ন করা হলে বড় কোম্পানির তালিকাভুক্তি বাড়বে ও বাজারে তারল্য বৃদ্ধি পাবে। এর পাশাপাশি পুঁজিবাজার অর্থনীতির বড় অর্থায়ন উৎসে পরিণত হবে বলে মনে করে মার্চেন্ট ব্যাংকারদের এই সংগঠনটি।
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে লেনদেন ১৪ কোটি টাকার
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩১ টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে১৪ কোটি ৭৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) কোম্পানিগুলোর মোট ৪২ লাখ ৩৭ হাজার ৫৩০ টি শেয়ার ৫৭ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ১৪ কোটি ৭৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি ফাইন ফুডসের ৩ কোটি ৭২ লাখ ০৬ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৫২ হাজার টাকার ও তৃতীয় স্থানে জি কিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজের ১ কোটি ০১ লাখ ৮২ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধি শীর্ষে জনতা ইন্স্যুরেন্স
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৪টি কোম্পানির মধ্যে ৬৫টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে জনতা ইন্স্যুরেন্স পিএলসি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ডিএসইতে সর্বোচ্চ জনতা ইন্স্যুরেন্স পিএলসির শেয়ার দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২ টাকা ১০ পয়সা বা ১০ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ড্যাফোডিল কম্পিউটারস পিএলসি। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা সোনারগাঁও টেক্সটাইল লিমিটেডের দর বেড়েছে ৫ দশমিক ২৬ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ফার কেমিক্যালের ৪.২৯ শতাংশ, কেডিএস এক্সেসরিজের ৪.০২ শতাংশ, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৩.৬১ শতাংশ, ওরিয়ন ইনফিউশনের ৩.৪৫ শতাংশ, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের ৩.১৯ শতাংশ, এডিএন টেলিকমের ২.৫৮ শতাংশ ও বিডি কমের ২.৫৫ শতাংশ শেয়ার দর বেড়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদাস পি.পি. ওভেন
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে খান ব্রাদাস পি.পি. ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ডিএসইতে সবোর্চ্চ খান ব্রাদাস পি.পি. ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ২৩ কোটি ৭৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি লেনদেনের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে।
এদিন লেনদেনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল সামিট এলায়েন্স পোর্ট লিমিটেড। কোম্পানিটির ১৯ কোটি ৫৫ লাখ ৪২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ১৭ কোটি ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে একমি পেস্টিসাইড লিমিটেড।
এছাড়াও, ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- সিটি ব্যাংক পিএলসি, ওরিয়ন ইনফিউশন, টেকনো ড্রাগ, বিডিকম অনলাইন, ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি, ইনটেক লিমিটেড এবং এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড।
এমএন
পুঁজিবাজার
সূচকের পতনে সপ্তাহ শেষ, কমেছে লেনদেন
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের নেতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষে হয়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩০৬ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। এসময় টাকার অংকে লেনদেনের পরিমান সামান্য কমেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ৫৩ দশমিক ০৫ পয়েন্ট কমেছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ২১৯ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ৫ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট কমে ১০৫৯ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ২১ দশমিক ২৮ পয়েন্ট কমে ১৯৮০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
আজ ডিএসইতে ৬২৫ কোটি ৯৯ লাখ ৫২ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৭১৯ কোটি ৮৩ লাখ ৩ হাজার টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৪টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৬৫টি কোম্পানির, বিপরীতে ৩০৬ কোম্পানির দর কমেছে। আর ২৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এমএন



