জাতীয়
প্রথম অধিবেশনেই উঠতে পারে রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের প্রস্তাব
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি বেশ পুরোনো। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই বিভিন্ন দল ও সংগঠন থেকে এ দাবি জানানো হয়েছে। তবে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় এ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি অন্তর্বর্তী সরকার। সম্প্রতি একটি দৈনিকে দেওয়া রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার কেন্দ্র করে আবারও এ আলোচনাটি সামনে এসেছে। তার বক্তব্যকে ‘অভ্যন্তরীণ ও গোপনীয়’ বিষয় জনসমক্ষে প্রকাশ করে শপথ ভঙ্গ বলে অবহিত করেছে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। অন্যদিকে, জামায়াতের মিত্র দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রকাশ্যেই রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে।
আগামী ১২ মার্চ শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অভিশংসন করার প্রস্তাব উঠতে পারে। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় বিরোধী জোট এই উদ্যোগ নেওয়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। জোটের নেতাদের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের নিয়োগ দেওয়া এই রাষ্ট্রপতি ‘জুলাই গণহত্যায় নীরব থেকে’ এবং সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে ‘শপথ ভঙ্গ করে’ পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন।
সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে সংবিধানের ৫২নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অভিশংসিত করা যায়। জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরযুক্ত লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিশংসনের প্রস্তাব স্পিকারের কাছে প্রদান করতে হয়। নোটিশ প্রদানের চৌদ্দ থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে সংসদে এ প্রস্তাব আলোচিত হতে হয়। তারপর সদস্য সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলে প্রমাণিত হয়েছে মর্মে সংসদ কোনো প্রস্তাব গ্রহণ করলে ওই তারিখ থেকে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হবে।
সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য চাইলে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করা সম্ভব। তবে দেশে কোনো রাষ্ট্রপতির অভিশংসিত হওয়ার নজির নেই। বাংলাদেশে এর আগে সবসময় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল থেকেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে এসেছে। ২০০১ সালের নভেম্বরে বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে ২০০২ সালে অপসারণের উদ্যোগ নেয় তখনকার সরকার। সংসদে সেই প্রস্তুতির মধ্যে ২০০২ সালের ২১ জুন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি।
জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগের নিয়োগ দেওয়া রাষ্ট্রপতি কোনোভাবেই আর থাকতে পারেন না। তার অধীনে থাকাও এই মুহূর্তে দেশের জন্য নিরাপদ নয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে দাবি জানালেও সাংবিধানিক দোহায় দিয়ে অভিশংসিত করা হয়নি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সেই বাধা আর থাকল না। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রথম অধিবেশনেই এ প্রস্তাব জানানো হবে। তবে যেহেতু সরকারি দল বিএনপি, এ প্রস্তাবে তারা সম্মতি না দিলে এটি কার্যকর হবে না। বিএনপি জনগণের বৃহত্তর স্বার্থকেই প্রাধান্য দেবে বলে প্রত্যাশা তাদের।
সংসদের প্রথম অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অভিশংসন করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন এনসিপি আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। গত বুধবার শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহতদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করে তাকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করা—এটা আমরা মনে করি এই নতুন সরকারের দায়িত্ব। এই রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন, নেতিবাচক কথাবার্তা বলেছেন। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধেও বক্তব্য দিয়েছেন। কাজেই আমরা মনে করি ফ্যাসিস্ট সময়ের চিহ্ন যে রাষ্ট্রপতি, তাকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন এবং তিনি যে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, সেটাতেও আসলে শপথ লঙ্ঘন হয়েছে। ফলে কোনোভাবেই এ রাষ্ট্রপতি আর এ দায়িত্বে এই পদে থাকার যোগ্য নন।’
এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, ‘সংসদের যে প্রথম অধিবেশন হবে, তার প্রথম কাজটি হবে এ ফ্যাসিস্ট সময়ের রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া। নতুন সংসদের সরকারি দল, বিরোধী দল মিলে কাজটি করবে বলে আমরা মনে করি। কারণ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমাদের জাতীয় ঐক্য রয়েছে।’
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের অক্টোবরে বঙ্গভবনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ আরও কয়েকটি সংগঠন রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগের জন্য সময় বেঁধে দেয়। বঙ্গভবনের সামনে গভীর রাত পর্যন্ত চলে বিক্ষোভ, নাটকীয়তা। পরে বিষয়টি নানা কারণে আর এগোয়নি। আওয়ামী লীগের পতন-পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের দাবি উঠলেও তা বাস্তবায়িত না হওয়ার প্রেক্ষাপট নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সেই সময়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যে আসতে পারেনি বলে কিন্তু এই রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন হননি; কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ই রাষ্ট্রপতি পরিবর্তনের দাবি জনগণের পক্ষ থেকে ছিল। সে সময় রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, সাংবিধানিক শূন্যতা ইত্যাদি অনেক কথা বলে রাষ্ট্রপতিকে রেখে দেওয়া হয়েছে। এখন নতুন সরকার এসেছে, নতুন সংসদ হয়েছে। তাই আমরা মনে করি, এখন এই রাষ্ট্রপতির চলে যাওয়াটা কেবলই সময়ের বিষয়।’
এই দাবির পেছনে যুক্তি দিয়ে নাহিদ বলেন, ‘জুলাই গণহত্যা যখন হয়েছিল, সেই সময় রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেননি। সেই সময় তিনি নীরব ও নিশ্চুপ ছিলেন। তার নীরব ভূমিকার কারণে এই গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে। কাজেই এ গণহত্যার দায়ে তিনিও অভিযুক্ত। এবং তার বিরুদ্ধে কিন্তু অনেক আগে থেকেই আর্থিক অনৈতিকতারও অভিযোগ রয়েছে। ফলে রাষ্ট্রপতি বলতে আমরা সম্মান, শ্রদ্ধা, ভাবগাম্ভীর্যের যে ব্যক্তিত্ব বুঝি, তার কোনোটাই আসলে তার নেই। নানা অপরাধে তিনি অভিযুক্ত। এখন সময় এসেছে অভিশংসন করে তাকে সরানোর। তার বিরুদ্ধে মামলা করে তাকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করা—আমরা মনে করি নতুন সরকারের এটা অন্যতম দায়িত্ব।’
একই দাবি জানিয়েছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। জাতীয় যুবশক্তির ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই সংসদকে যদি আপনারা অপবিত্র হতে না দিতে চান, আপনারা যদি এই সংসদ অধিবেশন শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের এক্সটেনশন হিসেবে শুরু না করতে চান, তাহলে অবশ্যই প্রথম অধিবেশনেই সেই রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে হবে, যিনি গণহত্যার সময় নিশ্চুপ ছিলেন এবং গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়েও নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন।’
জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতা বলেন, ‘এ নিয়ে আলাপ আলোচনা হচ্ছে। ১১ দলীয় জোটের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। প্রাথমিকভাবে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের প্রস্তাব দেওয়ার পক্ষেই আছি আমরা। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি।’
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন ইস্যুতে দেশের স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণকে প্রাধান্য দিয়েই সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গত শুক্রবার সিলেটে জুমার নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বিষয়ে হঠাৎ করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। আমাদের দলীয় ফোরামে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। দেশের জন্য যা কল্যাণকর এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, আমরা সে সিদ্ধান্তই নেব।’
এদিকে সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতিকে ভাষণ থেকে বিরত রাখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। গতকাল সোমবার এ চিঠি পাঠান তিনি। জুলাই বিপ্লবের চেতনা সমুন্নত রাখতে এবং রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে সংসদের অধিবেশন আহ্বান বা সংসদে ভাষণ প্রদানের অনুমতি না দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে অথবা প্রধানমন্ত্রী যেন তার সুবিধামতো ব্যবস্থা নেন—এই মর্মে চিঠিতে অনুরোধ করা হয়েছে।
তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ দেবেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতিই ভাষণ দেবেন।’
জাতীয়
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন শনিবার, কে পাবেন কত?
ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মাসিক সম্মানী প্রদান শুরু করতে যাচ্ছে নতুন সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসানের পাঠানো বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের বার্তায় আরও জানানো হয়, একই সঙ্গে ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকসহ উপাসনালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদেরও সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন হবে।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাবিউল্লাহ জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে ইমাম ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার করে টাকা পাবেন। আর প্রতিটি মন্দিরের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।
প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, এ থেকে বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। এ ছাড়া প্রতি খ্রিস্টান চার্চের জন্য থাকছে ৮ হাজার টাকা, যা থেকে পালক বা যাজক ৫ হাজার টাকা, সহকারী পালক বা যাজক ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।
প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসবে মসজিদে কর্মরতদেরকে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকা করে বছরে ২ বার এবং দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিনের ক্ষেত্রে ২ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ইসমাইল জাবিউল্লাহ। তবে যেসব মসজিদ সরকারি ও দেশি বা বিদেশি সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত, সেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার বাইরে থাকবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এবার পরীক্ষামূলকভাবে কার্যক্রম শুরু হলেও আগামী চার অর্থবছরে ধাপে ধাপে সারা দেশের সব মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের এই সম্মানীর আওতায় আনা হবে।
ইসমাইল জবিউল্লাহ আরও বলেন, চলতি অর্থবছরে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রায় ২৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। আর দেশের সব মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধবিহার বা প্যাগোডা এবং গির্জাকে অন্তর্ভুক্ত করে পুরো কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হলে বার্ষিক ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।
সরকার চার ধাপে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে। প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বরাদ্দ লাগবে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা। পরের বছর ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ২০২৮-২৯ অর্থবছরে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে প্রয়োজন হবে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।
এমএন
জাতীয়
দ্রুতই চালু হবে শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল: বিমানমন্ত্রী
যাত্রীসাধারণের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করে স্বল্প সময়ের মধ্যেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে জাপানের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
বৈঠকে জাপানের পক্ষ থেকে তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে উপস্থাপিত প্রস্তাব এবং বিমানবন্দরের এমবারকেশন ফি, রেভিনিউ শেয়ার এবং আপফ্রন্ট ফির বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
এসময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত জাপানের পক্ষ থেকে দ্রুত একটি রিভাইজড বা সংশোধিত প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানান।
সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্যামা ওবায়েদ ইসলাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।
অপরদিকে জাপানের প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে জাপানের দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স তাকাহাশি নাওকি এবং জাপানের মিনিস্ট্রি অব ল্যান্ড, ইনফ্রা স্ট্রাকচার, ট্রান্সপোর্ট এন্ড ট্যুরিজমের সহকারী ভাইস মিনিস্টার রিয়েকো নাকায়ামাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
এমএন
জাতীয়
ঈদ উপলক্ষে ৬ দিন যেসব যানবাহন চলাচল বন্ধের নির্দেশ ডিএমপির
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন ও যানজটমুক্ত রাখতে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ডিএমপি এক গণবিজ্ঞপ্তির এ তথ্য জানিয়েছে ডিএমপি।
আগামী ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, পচনশীল পণ্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ওষুধ, সার ও জ্বালানি বহনকারী যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
ডিএমপি জানিয়েছে, আগামী ১৬ মার্চ থেকে ঈদযাত্রা সংশ্লিষ্ট যানবাহনের চলাচল সুগম করতে মহানগরের অন্যান্য যানবাহনকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিহার করে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে হবে।
এসব সড়কের মধ্যে রয়েছে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কুড়িল থেকে আব্দুল্লাহপুর অংশ, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুলিস্তান থেকে সাইনবোর্ড, এবং ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক।
গণপরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের উদ্দেশে ডিএমপি জানিয়েছে, আন্তঃজেলা বাসগুলোকে টার্মিনালের ভেতরে যাত্রী তুলে সরাসরি গন্তব্যে যেতে হবে। অনুমোদিত বাস কাউন্টার বা স্টপেজ ছাড়া রাস্তায় যাত্রী ওঠানো-নামানো যাবে না।
ডিএমপি আরও জানিয়েছে, বাসগুলোকে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী টার্মিনাল থেকে ছাড়তে হবে এবং যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করা যাবে না।
যাত্রী ও পথচারীদের জন্যও কিছু নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। তারা নির্দিষ্ট টার্মিনাল বা কাউন্টার থেকে বাসে উঠতে এবং অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া কোনো খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করতে বলা হয়েছে।
জরুরি প্রয়োজনে টার্মিনালের পুলিশ কন্ট্রোলরুম বা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার জন্য বলা হয়েছে।
এমএন
জাতীয়
গণপরিবহনে ১৫ মার্চ থেকে পর্যাপ্ত জ্বালানি পাবে, বাড়বে না তেলের দাম: সড়কমন্ত্রী
আগামী ১৫ মার্চ থেকে দেশের গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে এবং তেলের দাম বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি মন্ত্রী তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে জ্বালানির কারণে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই এবং জ্বালানি সংকটে পরিবহন সংকটও হওয়ারও কোনো সুযোগ নেই।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) ঈদ উপলক্ষে ট্রেনযাত্রা শুরুর প্রথম দিনে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা জানান।
শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রী রেল যোগাযোগকে যুগোপযোগী ও জনবান্ধব করতে নির্দেশনা দিয়েছেন, যাতে মানুষ স্বল্প সময়ে স্বাচ্ছন্দ্যে দীর্ঘ দূরত্বে যাতায়াত করতে পারে। সেই লক্ষ্যেই সরকার রেল যোগাযোগব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের জন্য কাজ করছে।
ঈদযাত্রার চ্যালেঞ্জের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, মাত্র দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ থেকে দেড় কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়েন, যা বিশ্বের খুব কম শহরেই দেখা যায়। এত স্বল্প সময়ে এত মানুষের যাতায়াত বড় একটি চ্যালেঞ্জ হলেও সরকার তা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
মন্ত্রী বলেন, দেশে পরিবহনব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে নতুন কোচ, বাস ও নৌযান যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে বাস ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনার দিকেও সরকার নজর দিচ্ছে।
ট্রেনের শিডিউল নিয়ে রেলপথমন্ত্রী বলেন, বড় কোনো শিডিউল বিপর্যয় এড়াতে অন্তত ৮৫ থেকে ৮৭টি লোকোমোটিভ প্রয়োজন। বর্তমানে ৭৮টি লোকোমোটিভ যুক্ত করা গেছে এবং আগামী দুই দিনের মধ্যে আরও কয়েকটি যুক্ত হলে পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হবে।
নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে রেলওয়ে পুলিশ ছাড়াও নিয়মিত পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, নৌপুলিশ ও বিভিন্ন জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একযোগে কাজ করছে। পাশাপাশি আনসার সদস্যদেরও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ জ্যাকেট পরিহিত স্বেচ্ছাসেবকও নিয়োগ করা হয়েছে এবং প্রায় প্রতি ৪০০ মিটার পরপর তাদের অবস্থান থাকবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন– রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ রেলওয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
এমএন
জাতীয়
সংসদে উত্থাপন ১৩৩ অধ্যাদেশ, প্রকাশ হলো পূর্ণ তালিকা
বিগত ১৮ মাসের শাসনামলে অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ অনুমোদনের জন্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। সংসদ কার্যকর না থাকায় সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদের অধীনে এই অধ্যাদেশগুলো জারি করা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনের প্রথম দিনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান অধ্যাদেশগুলো সংসদে উপস্থাপন করেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনের প্রথম দিনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান অধ্যাদেশগুলো সংসদে উপস্থাপন করেন। সংসদ কার্যকর না থাকায় সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদের অধীনে এই অধ্যাদেশগুলো জারি করা হয়েছিল।
সংবিধান অনুযায়ী, যেকোনো অধ্যাদেশ নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে উত্থাপন করতে হয় এবং অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে সেগুলো পাস হতে হয়। আর তা না হলে সেগুলোর আইনি বৈধতা থাকে না।
সংসদে অধ্যাদেশগুলো বিল আকারে উত্থাপনের পর চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বরিশাল-৩ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদিনের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন। কমিটি এই বিলগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করবে।
জাতীয় সংসদ সচিবালয় এই ১৩৩টি অধ্যাদেশের তালিকা প্রকাশ করেছে। এগুলো হলো-
১. বাংলাদেশ ব্যাংক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪
২. জেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪
৩. উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪
8. স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ ৫. স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪
৬. শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪
৭. বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪
৮. বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪
৯. জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৪
১০. পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪
১১. সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যানসিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ অধ্যাদেশ, ২০২৪
১২. জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ, ২০২৪
১৩. বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ ১৪. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪
১৫. বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৪
১৬. জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪
১৭. বাংলাদেশ ল অফিসারস (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪
১৮. মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
১৯. The Excises and Salt (Amendment) Ordinance, 2025
২০. সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫
২১. International Crimes (Tribunals) (Amendment) Ordinance, 2025
২২. বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত কতিপয় আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
২৩. শেখ রাসেল পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, রংপুর (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
২৪. শেখ হাসিনা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, জামালপুর (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
২৫. বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
২৬. বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
২৭. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
২৮. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
২৯. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৩০. শেখ হাসিনা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা, (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৩১. বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৩২. পরিত্যক্ত বাড়ি (সম্পূরক বিধানাবলি) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৩৩. পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৩৪. সরকারি হিসাব নিরীক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫
৩৫. Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 ৩৬. ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫
৩৭. International Crimes (Tribunals) (Second Amendment) Ordinance, 2025
৩৮. সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৩৯. গ্রামীন ব্যাংক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৪০. জাতীয় সংসদের নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৪১. রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫
৪২. সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫
৪৩. সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
88. বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৪৫. অর্থ অধ্যাদেশ, ২০২৫
৪৬. জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৪৭. জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫
৪৮. নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৪৯. নির্দিষ্টকরণ অধ্যাদেশ, ২০২৫
৫০. অর্থ সংক্রান্ত কতিপয় আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৫১. Protection and Conservation of Fish (Amendment) Ordinance, 2025
৫২. আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৫৩. Code of Criminal Procedure (Amendment) Ordinance, 2025
৫৪. সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৫৫. মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৫
৫৬. ভোটার তালিকা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০১৫
৫৭. জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৫৮. Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025
৫৯. বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৬০. স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ ৬১. স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৬২. স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৬৩. রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ ৬৪. স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ ৬৫. গাজীপুর ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ ৬৬. উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৬৭. নির্বাচন কমিশন সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৬৮. নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ ৬৯. অর্থ সংক্রান্ত কতিপয় আইন (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ ৭०. International Crimes (Tribunals) (Third Amendment) Ordinance, 2025
৭১. সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৭২. Civil Courts (Amendment) Ordinance, 2025
৭৩. Representation of the People (Amendment) Ordinance, 2025
৭৪. মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৭৫. কাস্টমস (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৭৬. আয়কর (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৭৭. জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫
৭৮. ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০১৫
৭৯. জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫
৮০. জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ, ২০২৫
৮১. আমানত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫
৮২. বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৮৩. মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন অধ্যাদেশ, ২০২৫
৮৪. গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫
৮৫. বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৫
৮৬. ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৫
৮৭. রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৫
৮৮. স্থানিক পরিকল্পনা অধ্যাদেশ, ২০২৫
৮৯. সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫
৯০. গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫
৯১. জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৯২. Representation of the People Order (Second Amendment) Ordinance, 2025
৯৩. পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫
৯৪. বৈদেশিক অনুদান (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৯৫. সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যানসিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৯৬. দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৯৭. ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
৯৮. বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬
৯৯. বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১০০. বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১০১. Registration (Amendment) Ordinance, 2026
১০২. মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬
১০৩. গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১০৪. আইনগত সহায়তা প্রদান (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১০৫. বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬
১০৬. বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১০৭. বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৬
১০৮. বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬
১০৯. ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬
১১০. রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৬
১১১. বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১১২. ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১১৩. রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১১৪. সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১১৫. জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১১৬. মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ, ২০২৬
১১৭. বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১১৮. Protection and Conservation of Fish (Amendment) Ordinance, 2026
১১৯. বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১২০. ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১২১. Registration (Second Amendment) Ordinance, 2026
১২২. বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১২৩. ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬
১২৪. বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১২৫. বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১২৬. জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১২৭. তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১২৮. বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
১২৯. কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৬
১৩০. নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৬
১৩১. Negotiable Instruments (Amendment) Ordinance, 2026
১৩২. Bangladesh House Building Finance Corporation (Amendment) Ordinance, 2026
১৩৩. বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন অধ্যাদেশ, ২০২৬




