জাতীয়
এনআইডি আবেদন নিয়ে ইসির জরুরি নির্দেশনা
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) মাঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের (এনআইডি) সহকারী পরিচালক মুহা. সরওয়ার হোসেনের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়ে। এসব আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে নতুন এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
আদেশে মাঠ কর্মকর্তাদের ৩টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসি জানিয়েছে, নাগরিক সেবা সচল রাখা এবং জমে থাকা আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আবেদনগুলো ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হওয়ায় সেগুলো এনআইডি মহাপরিচালকের অধীনে চলে আসবে। ফলে এসব আবেদন এখন থেকে মহাপরিচালক পর্যায়েই নিষ্পত্তি করা হবে।
নির্দেশনা
১. জন্ম তারিখ সংক্রান্ত যেসব আবেদন আগে ‘ক-১’ থেকে ‘গ’ ক্যাটাগরিতে ছিল, সেগুলোর তালিকা তৈরি করে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠাতে হবে।
২. প্রাপ্ত তালিকা অনুযায়ী, অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এসব আবেদনের ক্যাটাগরি পরিবর্তন করে ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করবেন।
৩. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে সংশোধন কার্যক্রম সীমিত থাকায় বর্তমানে জমে থাকা অনিষ্পন্ন আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।
এমএন
জাতীয়
একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে নিরাপত্তার শঙ্কা নেই : ডিএমপি কমিশনার
একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে নিরাপত্তার কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। তিনি বলেছেন, ‘নিরাপত্তার কোনো আশঙ্কা নেই। তবে সোয়াত, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, বিদেশি কূটনীতিকদের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে সর্বস্তরের মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।
১৫ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। অন্যান্য আইনশৃঙখলা বাহিনী ও গোয়েন্দা নজরদারিও থাকবে।
সাজ্জাত আলী বলেন, শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে পলাশীর মোড়, জগন্নাথ হল ক্রসিং, শহীদ মিনার রোড ব্যবহারের অনুরোধ, অন্যকোনো রোড দিয়ে আসা যাবে না। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর দোয়েল চত্বর কিংবা চাঁনখানপুল দিয়ে বের হতে হবে।
শহীদ মিনারে কোনো ধরনের ধারালো বস্তু কিংবা দাহ্য পদার্থ বহন না করারও অনুরোধ জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।
এমএন
জাতীয়
একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী
একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিএনপি মিডিয়া সেল বলছে, শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অপর্ণ করবেন প্রধানমন্ত্রী।
জাতীয়
প্রাথমিকভাবে ৮ উপজেলায় চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড
দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় প্রাথমিকভাবে চালু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। ইতিমধ্যে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। কমিটির গঠন, অর্থমন্ত্রী এই কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই কমিটি গঠন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানের জন্য নিম্নরূপে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে—
এ ছাড়াও কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সচিব, অর্থ বিভাগ সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ সচিব, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সচিব।
সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল ডাটাবেজ আন্তঃসংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল এমআইএস প্রণয়নের সুপারিশ এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরের পূর্বে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করার লক্ষ্যে ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হবে।
কমিটির সভা প্রয়োজনানুসারে অনুষ্ঠিত হবে। নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। কমিটি প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
জাতীয়
রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত মজুদ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে দেশে পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর দাম স্থিতিশীল রাখা। বিশেষ করে রমজান মাসে এ দায়িত্বের গুরুত্ব আরো বেড়ে যায়। আমরা যখন দায়িত্ব নিয়েছি, তখন রোজা সামনে রেখে বিশেষ কিছু করার সুযোগ ছিল না।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি কর্মকর্তা ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সিলেট নিয়ে পরিকল্পনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা আমি দীর্ঘ নির্বাচনী প্রচারণা ও ইশতেহারে উল্লেখ করেছি। যেসব বিষয় সিলেটবাসীর জীবনমান উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত, সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইটি সংশ্লিষ্ট পেশার প্রসার এবং একটি এআই সেন্টার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে বড় বড় ডিজিটাল স্কিম গ্রহণ করেছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এআই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আমরা যদি পিছিয়ে থাকি, তাহলে বর্তমান বিশ্বে অন্যরা আমাদের প্রতি করুণার দৃষ্টিতে তাকাবে।
আমাদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি দিন কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক অবস্থানে এগিয়ে নিতে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে।
সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, সিলেটে প্রবাসী ও দেশীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ নীতি-সহায়তা প্রয়োজন। আমরা এসব বিষয় নিয়ে কাজ করছি। খুব শিগগিরই এর বাস্তবায়ন দৃশ্যমান হবে।
এ সময় সিলেটের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, রেঞ্জ ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয়
সিলেটের ডিসিকে আদালতের শোকজ, তদন্তে অসহযোগিতা
সিলেটের গোলাপগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে তাজ উদ্দিন নিহত হওয়ার ঘটনায় তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে গুলির আদেশ প্রদানকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তথ্য সরবরাহ না করায় সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারোয়ার আলমকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি জানা যায়। সিলেটের আমলি আদালত নম্বর-২ এর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত তালুকদার গত ৮ ফেব্রুয়ারি এ আদেশ প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট দুপুরে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ধারাবহর এলাকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে তাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুলী বেগম গোলাপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর গুলিতে তার স্বামী নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়।
পরবর্তীতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)-কে মামলার তদন্তের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ গত বছরের ২২ এপ্রিল সিলেটের জেলা প্রশাসক এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) শ্রীমঙ্গলের সেক্টর সদর দপ্তরের উপমহাপরিচালকের কাছে পৃথক দুটি আবেদন প্রেরণ করেন। এতে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে নির্দিষ্ট তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হয়।
তথ্য না পেয়ে পিবিআই কর্মকর্তা আদালতে বিষয়টি জানালে গত বছরের ১৫ জুন আদালত জেলা প্রশাসক ও বিজিবির উপমহাপরিচালককে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তার চাহিত তথ্য সরবরাহের আদেশ দেন। পরে বিজিবি তথ্য সরবরাহ করে।
অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখা থেকে গোলাপগঞ্জের সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) তদন্তকারী কর্মকর্তার চাহিত তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হলেও পরে আর এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। পরে আরো কয়েক দফা আদালত তথ্য চেয়েও পাননি।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি আদালত জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। এতে উল্লেখ করার হয়, তদন্ত কর্মকর্তাকে কোনো তথ্য সরবরাহ না করায় মামলার তদন্তকাজ বিলম্বিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট মামলাটি দায়ের হলেও এখনো তদন্ত শেষ হয়নি।
ফলে বিচারকাজও শুরু করা যাচ্ছে না। আদালত থেকে আদেশ প্রদান করার দীর্ঘদিন পরও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তার চাওয়া তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ না করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এটা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল।
নোটিশে আরো উল্লেখ করা হয়, এমন কাজকে আদালতের আদেশ অমান্য ও বিচারকাজে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে গণ্য করে কেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না, অথবা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া যাবে না, তা ১৫ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর জন্য জেলা প্রশাসককে বলা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জেলা প্রশাসক কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম জানান, আদালত শোকজ দিয়েছেন বলে শুনেছি। এ বিষয়ে আদালতে জবাব দেওয়া হবে।
এমএন



