অর্থনীতি
রোজার বাজারে চেনা সিন্ডিকেট সক্রিয়, সব পণ্যই চড়া
সেই চেনা বাজার। চেনা সব দোকানদার। কিন্তু রোজা আসায় সব যেন অচেনা! ইফতার ও সাহরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জিনিসপত্রের দামে রীতিমতো আগুন! এই বাড়তি দাম ‘জায়েজ’ করতে অন্তহীন অজুহাত। খুচরা বিক্রেতা পাইকারদের, পাইকাররা আমদানিকারকদের দায়ী করছেন।
কেউ বলছেন, নির্বাচন-পরবর্তী সরবরাহে বিঘ্ন, কেউ আবার পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াকে অজুহাত দেখাচ্ছেন। কিন্তু পণ্যের অস্বাভাবিক দামের চাপে নাভিশ্বাস উঠেছে ভোক্তার। গতকাল রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়।
রোজায় বেশ কিছু দরকারি পণ্য বিশেষ করে লেবু, বেগুন, শসা, পেঁয়াজ, খেজুর, মুরগি, মাংস ও ফলের দাম লাগামহীন বেড়েছে।
গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে কোনো কোনো পণ্যের দাম দ্বিগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। রমজান সংযমের মাস হলেও বাজারের পণ্যের বাড়তি দর সাধারণ মানুষের জীবনে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। সীমিত আয়ের মানুষের জন্য নিত্যপণ্যের এই ঊর্ধ্বগতি হয়ে উঠেছে বড় দুশ্চিন্তার কারণ।
ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ার পেছনে ‘১০১টি’ কারণ দেখালেও ভোক্তারা রমজান এলেই অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ান বলে অভিযোগ করেছেন। তাঁরা মনে করেন, এর পেছনে অতি মুনাফালোভী একটি সিন্ডিকেট চক্র সক্রিয় রয়েছে। বাজার তদারকি জোরদার না হলে এই প্রবণতা রোধ করা কঠিন হবে।
গতকাল বুধবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল, কৃষি মার্কেট, মহাখালী কাঁচাবাজার, জোয়ারসাহারা বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারভেদে পণ্যের দামে তারতম্য থাকলেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সর্বত্রই স্পষ্ট। রমজানে ইফতারে লেবুর চাহিদা বাড়ে। সেই সুযোগে লেবুর দামও চড়া। বতর্মানে সাইজভেদে লেবু প্রতি হালি ৮০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও ১৬০ টাকাও চাওয়া হচ্ছে।
বেগুনের দামও দ্বিগুণ হয়েছে। প্রতি কেজি বেগুন ১০০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি শসা ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি। কাঁচা মরিচের কেজিও ২০০ থেকে ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মোহাম্মদপুরের টাউনহলের সবজি বিক্রেতা মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘আড়তেই বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে, যার কারণে আমাদেরও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’
পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম এক সপ্তাহে কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে পাইকারিতে ৫৩ থেকে ৫৬ টাকা এবং খুচরায় ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডালের বাজারেও চাপ রয়েছে। ছোলার দামও কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ছোলা ৯৫ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোট দানার মসুর ডাল কেজিতে ১৬০ টাকা, মোটা দানার মসুর ডাল ১০০ টাকা ও মাঝারি দানার মসুর ডাল ১১৫ থেকে ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
মুরগি ও মাংসে চাহিদার চাপ : রমজানে মুরগির চাহিদা বাড়ায় দামও বেড়েছে। সোনালি মুরগি কেজি মানভেদে ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ২০০ থেকে ২১০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কেজি এক হাজার ৩০০ টাকা এবং গরুর মাংস কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মুরগি বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে চাহিদা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় মুরগির দাম বেড়ে গেছে। এখন খামারি পর্যায়ে মুরগির দাম চড়া।
শুল্ক ছাড়েও বাড়ল খেজুরের দাম : দেশে পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও এবারও অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে খুচরা বাজারে খেজুরের দাম বেড়েছে। রাজধানীর খুচরা বাজারে গত দুই সপ্তাহে জাত ও মানভেদে বেশ কিছু খেজুরের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বিক্রি হচ্ছে। বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) খেজুর আমদানিতে বর্তমান শুল্কের ৪০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরও দাম কমেনি, বরং কিছু জাতের খেজুরের দাম বেড়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘এবার খেজুরের দাম কিছুটা বাড়লেও গত বছরের তুলনায় কম আছে। আর পাইকারির চেয়ে খুচরা বিক্রেতারা বেশি দাম বাড়াচ্ছেন। গত বছরের চেয়ে এবার যে শুল্কছাড় দেওয়া হয়েছে, সেটা মাত্র ২ শতাংশ বেশি। কিন্তু বাজার গত বছরের চেয়ে অনেক কম রয়েছে।’
রাজধানীর খুচরা বাজার বাড্ডা ও কুড়িল জোয়ারসাহারা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি বরই ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, সুক্কারি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, মেডজুল এক হাজার ৪০০ থেকে এক হাজার ৬০০ টাকা ও মেডজুল জাম্বু খেজুর এক হাজার ৭০০ থেকে এক হাজার ৮০০ টাকা, আজওয়া খেজুর মানভেদে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকা, ছোট সাইজের আজওয়া খেজুর ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, মরিয়ম এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছড়া খেজুর মানভেদে ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ফলেও ঊর্ধ্বমুখী দাম : দেশি ফলের মধ্যে কলার দাম ডজন প্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে কেজি ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়। মাঝারি সাইজের আনারস প্রতি পিস ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিদেশি ফলের দাম আগে থেকেই চড়া ছিল। রোজাকে ঘিরে আরো বেড়েছে।
অর্থনীতি
আরও কমলো স্বর্ণ-রুপার দাম, কত দামে বিক্রি হচ্ছে আজ
দেশের বাজারে আবারও কমানো হয়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সবশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ রোববার (১৫ মার্চ) থেকে নতুন এই কার্যকর মূল্যে মূল্যবান এই ধাতু দুটি বিক্রি হচ্ছে।
শনিবার সকালে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) দাম হ্রাস পাওয়ায় এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্বর্ণের দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৮৩ টাকা এবং রুপার দাম ২৯২ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এর আগে এর আগে, সবশেষ গত ১৩ মার্চ সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
অর্থনীতি
১৬টি জ্বালানিবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, আরও তিনটি আসছে
পরিশোধিত জ্বালানি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে ১৬টি জাহাজ। যা দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পখাতের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। ৩ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত এসব জাহাজ বন্দরে নোঙর করে। এর মধ্যে ১১টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস করা হয়েছে। বাকী ৫টি থেকে খালাস করা হচ্ছে। এছাড়া আগামী কয়েক দিনে আরও তিনটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছাবে।
বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের প্রথম দশ দিনে কাতার থেকে তিনটি এলএনজিবাহী জাহাজ—‘আল জুর’, ‘আল জাসাসিয়া’ ও ‘লুসাইল’—প্রায় ৬২ হাজার টন করে এলএনজি নিয়ে খালাস সম্পন্ন করেছে।
১২ মার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছানো ‘আল গালায়েল’ জাহাজ থেকে ২৬,১৬৫ টন এলএনজি ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটে খালাস করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, এলপিজিবাহী জাহাজের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল। মালয়েশিয়া ও ওমান থেকে আসা জাহাজগুলো ইতিমধ্যেই মোট ১৯,৩১৬ টন এলপিজি খালাস করেছে। আরও কয়েকটি এলপিজি ট্যাঙ্কারে খালাস প্রক্রিয়া চলছে, যা মার্চের মাঝামাঝি শেষ হবে।
এলএনজি ও এলপিজি ছাড়াও পরিশোধিত জ্বালানি, ফার্নেস অয়েল, গ্যাস অয়েল, ডিজেল এবং বেজ অয়েলসহ শিল্পখাতের গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল বন্দরে এসেছে। বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি এবং চার হাজার টন বেজ অয়েল দেশে এসেছে।
সম্প্রতি হরমুজ প্রণালির ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা জাহাজ চলাচল ও বিমা খরচকে প্রভাবিত করছে। তবে বন্দরের কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি মাসে জাহাজ চলাচল এখনও স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পখাত এবং গৃহস্থালির জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরণের বিঘ্নের আশঙ্কা নেই।
অর্থনীতি
রুপার দামে পতন, ভরি কত?
দেশের বাজারে রুপার দাম আরেক দফা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২৯২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি রুপার (পিওর সিলভার) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৬ হাজার ৬৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৭৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ২৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম।
অর্থনীতি
দাম কমার পর আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
আমদানিনির্ভর হওয়ায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে প্রায়ই ওঠানামা দেখা যায়। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব ও স্থানীয় পরিস্থিতির কারণে সময় সময় স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সবশেষ ১৩ মার্চ বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে নতুন দর নির্ধারণ করেছে।
সেই সংশোধিত মূল্য অনুযায়ী শনিবার (১৪ মার্চ) দেশের বাজারে স্বর্ণ কেনাবেচা শুরু হয়েছে।
বাজুসের নির্ধারিত সর্বশেষ দামে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের খরচ করতে হচ্ছে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা।
১৮ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকায়। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বহুবার সমন্বয় করা হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর এখন পর্যন্ত মোট ৪২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, আর ১৬ দফা কমানো হয়েছে।
অর্থনীতি
দেশের বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম, কত দামে বিক্রি হচ্ছে আজ
ফের কমানো হয়েছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়েছে। এতে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে। শুক্রবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোনার দাম ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা এবং রুপার দাম ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়েছিল।
প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৬৭ হাজার ১০৬ টাকা এবং প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৪২ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম। যেখানে দাম ২৬ দফা বাড়ানো হয়েছে। কমানো হয়েছে ১৬ দফা।
এমএন




