কর্পোরেট সংবাদ
জেসিআই ঢাকা প্রিমিয়ারের ২০২৬ সালের লোকাল প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ইলিয়াস আহমেদ ইফাজ
জেসিআই ঢাকা প্রিমিয়ার-এর ২০২৬ সালের লোকাল প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ইলিয়াস আহমেদ ইফাজ। নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইলিয়াস আহমেদ ইফাজের হাতে ‘প্রেসিডেন্ট চেইন’ পরিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব অর্পণ করেন জেসিআই বাংলাদেশের ২০২৬ সালের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট আরেফিন আহমেদ রাফি। এরপর নতুন বোর্ডের সকল সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়।
নতুন এই বোর্ডে বিভিন্ন পদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন, ‘এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট সানজিদা ইমাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুস সালাম হেমেল ও সজল মাহমুদ,সেক্রেটারি জেনারেল খন্দকার ফারাবি আহমেদ, ট্রেজারার হিসেবে আজিম ভূঁইয়া এবং জেনারেল লিগ্যাল কাউন্সিলর হিসেবে তাসমিয়া নুহিয়া আহমেদ।’
ডিরেক্টর হিসেবে গাজী শাহরিয়ার ইসলাম এবং ডিরেক্টর গাজী মুন্তাসির জহির অনন্ত। ২০২৫ সালের লোকাল প্রেসিডেন্ট গাজী নাঈম মানজুর ইমিডিয়েট পাস্ট লোকাল প্রেসিডেন্ট হিসেবে বোর্ডে থাকবেন।
নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইলিয়াস আহমেদ ইফাজ বলেন, সদস্যদের এই আস্থার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। শক্তিশালী নেতৃত্ব, টেকসই প্রজেক্ট এবং সদস্যদের মধ্যে দৃঢ় বন্ধন তৈরির মাধ্যমে জেসিআই ঢাকা প্রিমিয়ারকে আরও এগিয়ে নিতে চাই।
চ্যাপ্টারটির সেক্রেটারি জেনারেল খন্দকার ফারাবি আহমেদ বলেন,আমি বিশ্বাস করি শক্তিশালী সিস্টেম ও স্বচ্ছ প্রশাসনই একটি সংগঠনের মূল ভিত্তি। আমরা টিমওয়ার্ক, জবাবদিহিতা ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে জেসিআই ঢাকা প্রিমিয়ারকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করে তুলবো।
লোকাল প্রেসিডেন্ট গাজী নাঈম মানজুর বলেন, জেসিআই ঢাকা প্রিমিয়ার একটি শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে। নতুন নেতৃত্ব ঐক্য ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে এটিকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট আরেফিন আহমেদ রাফি নতুন টিমকে অভিনন্দন জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন যে, এই বোর্ড একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং উদাহরণযোগ্য কাজের মাধ্যমে তরুণ সমাজকে অনুপ্রাণিত করবে।
জেসিআই ঢাকা প্রিমিয়ার তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ, সামাজিক প্রভাব তৈরি এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে কাজ করে। ২০২৫ সালের সফল ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন এই বোর্ড ২০২৬ সালে সংগঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেবে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
সরকার গঠন করায় বিএনপিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে ডিসিসিআই
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে সরকার গঠন করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়িক সংগঠন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। একইসঙ্গে বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনীতি সচল করতে নবনির্বাচিত সরকারকে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের প্রত্যাশিত প্রতিনিধি নির্বাচন করেছে বলে মনে করে ডিসিসিআই। সংগঠনটির মতে, নতুন সরকার যোগ্য নেতৃত্ব ও সময়োপযোগী নীতিনির্ধারণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
সংগঠনটি বলেছে, বিদ্যমান বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা— বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক শুল্কারোপ নীতি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নানা সংকটের প্রভাবে স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বিনিয়োগ ও বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। একইসঙ্গে রফতানিমুখী খাতেও কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে না।
ডিসিসিআই বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে প্রান্তিক পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ কমেছে এবং সামগ্রিক উৎপাদন ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অনেক উদ্যোক্তার জন্য ব্যবসা টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি স্থানীয় ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শিল্প-কারখানা পরিচালনায় নিরুৎসাহিত করছে। পাশাপাশি বন্দর ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়হীনতা, রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় সংস্কার কার্যক্রমে অচলাবস্থা, শিল্প খাতে জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা, উচ্চ সুদের হার, সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি, ঋণপ্রাপ্তিতে দীর্ঘসূত্রতা এবং প্রয়োজনীয় নীতিসহায়তার অভাব— এসব কারণে বেসরকারি খাতের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এমন প্রেক্ষাপটে দেশের জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় দ্রুত ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে ডিসিসিআই। সংগঠনটির মতে, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমেই বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব।
দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি গতিশীল রাখতে শিল্প ও বাণিজ্যখাতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে নবনির্বাচিত সরকারের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের এই শীর্ষ সংগঠন।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
দেশের ২৯টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাথে যুক্ত হলো নগদ, বিল দিন নিমিষেই
বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল লেনদেন আরও সহজ করতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের পরিধি বাড়িয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’। এখন থেকে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) আরও ২০টি অঞ্চলের গ্রাহকেরা নগদের মাধ্যমে তাদের বিদ্যুৎ বিল প্রদান করতে পারবেন। এর ফলে দেশের ২৪টি জেলার মোট ২৯টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকেরা ঝামেলা ছাড়াই মুহূর্তের মধ্যে বিল পরিশোধের সুবিধা পাবেন।
নতুন এই ২০টি সমিতি যুক্ত হওয়ার ফলে বিআরইবি-র অর্ধেকের বেশি গ্রাহক নগদের মাধ্যমে বিল দিতে পারবেন। প্রত্যেক গ্রাহক অ্যাপের মাধ্যমে এই সুবিধা নিতে পারবেন। সে জন্য অ্যাপে ‘বিল পে’ ট্যাবে গিয়ে ‘ইলেকট্রিসিটি’ অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘আরইবি পোস্টপেইড’ নির্বাচন করে বিল প্রদান করা যাবে।
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ২০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) পোস্টপেইড বিল প্রদান করা যাবে নগদ অ্যাপ ব্যবহার করে। সমিতিগুলো হলো- ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২, ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩, ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪, নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, ঝালকাঠি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
এর আগে নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, রাজবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ ও টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকেরা নগদের মাধ্যমে তাদের বিদ্যুৎ বিল প্রদান করে আসছেন।
বাংলাদেশের ৮০ ভাগ বিদ্যুৎ গ্রাহক আছেন আরইবির অধীনে। আর দেশের ৮ কোটির বেশি গ্রাহক আছেন নগদে। এই দুটি প্রতিষ্ঠান ২০২৩ সালে চুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকের জীবন আরো বেশি স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে কাজ করছে। নতুন যুক্ত হওয়া সমিতিগুলোর গ্রাহকেরাও এখন থেকে নগদের পল্লী বিদ্যুৎ বিল সেবা গ্রহণ করতে পারবেন মুহূর্তেই।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ঢাকার মনিপুরী পাড়ায় ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন উপশাখা উদ্বোধন
রাজধানীর তেজগাঁওয়ের মনিপুরী পাড়ায় নতুন একটি উপশাখা চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এর মাধ্যমে ব্যাংকটির মোট উপশাখার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৬-তে। গত মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁওয়ের ১৪৫, মনিপুরী পাড়া, জেডিপিসি ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই উপশাখার উদ্বোধন করা হয়।
ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই উপশাখাটির উদ্বোধন করেন।
এ সময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ব্যাংকটির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক শেখ মোহাম্মদ আশফাক, ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের সিনিয়র জোনাল হেড (নর্থ) এ.কে.এম. তারেক, সিনিয়র জোনাল হেড (সাউথ) তাহের হাসান আল মামুন। এ ছাড়াও ব্যাংকের ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ঢাকার এ ব্যস্ততম এলাকাটি মনিপুরী জাতিগোষ্ঠী, আবাসিক এলাকা ও ক্রমবর্ধমান ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য সুপরিচিত। ফলে, ব্র্যাক ব্যাংকের এই উপশাখার মাধ্যমে বৈচিত্র্যময় এই গ্রাহকশ্রেণি আরও সুবিধাজনক ও উন্নত ব্যাংকিং সেবা উপভোগ করবেন।
গ্রাহকরা এখানে অ্যাকাউন্ট খোলা, নগদ জমা ও উত্তোলন, ডিপিএস-এফডিআর খোলা, ইএফটিএন ও আরটিজিএসফান্ড ট্রান্সফার, রেমিটেন্স সেবা, ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, ক্রেডিট কার্ড, স্টুডেন্ট ফাইল, কনজ্যুমার লোন, ডেবিট কার্ড ও চেকবই প্রসেসিং, আস্থা অ্যাপ রেজিস্ট্রেশন, স্কুল ব্যাংকিং, সঞ্চয়পত্রসহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, এই উপশাখা থেকে বৈদেশিক মুদ্রা-সংক্রান্ত কোনো সেবা প্রদান করা হবে না।
বর্তমানে ব্র্যাক ব্যাংক দেশের অন্যতম বৃহত্তম ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে। সারা দেশে ব্যাংকটির বর্তমানে ৩১০টি শাখা ও উপশাখা, ৩৩০টি এটিএম, ৪৪৬টি এসএমই ইউনিট অফিস এবং ১,১১৭টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট রয়েছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা
উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের অনুমোদিত স্থানীয় চ্যাপ্টার উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের ২০২৬–২৭ মেয়াদে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচিত হয়েছে। গত ১৭ জানুয়ারি সংগঠনটির বার্ষিক সাধারণ সভায় সদস্যদের ভোটে ৯ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন হয়। পরে ৮ ফেব্রুয়ারি কমিটির প্রথম সভায় সংগঠনটির নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হয়।
নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তানভির রহমান, সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন মো. দেলোয়ার হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শাকিল হোসেন। ৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন মহীন রীয়াদ, শাবাব মুস্তাফা, সুব্রত রায়, দোলন প্রভা, মঈনুল ইসলাম ও মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম।
উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ হলো উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের অনুমোদিত একটি স্থানীয় চ্যাপ্টার। ২০১১ সালের ৩ অক্টোবর এটি ফাউন্ডেশনের ৩৯তম চ্যাপ্টার হিসেবে বৈশ্বিক স্বীকৃতি পায়। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৯ জুন এটি বাংলাদেশে সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী একটি অলাভজনক ফাউন্ডেশন হিসেবে নিবন্ধিত হয়।
উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ এমন একটি পৃথিবীর স্বপ্নে বিশ্বাস করে যেখানে প্রতিটি মানুষ মানবতার সকল জ্ঞানের অংশীদার হতে পারবে। শিক্ষা ও জ্ঞান লাভের অধিকারকে মানবাধিকার হিসেবে গণ্য করে এই প্রতিষ্ঠানটি সমাজের সকল স্তরে উন্মুক্ত জ্ঞান তৈরি, সংগ্রহ ও প্রসারে কাজ করে। উইকিপিডিয়া ও অন্যান্য উইকি প্রকল্পের বিষয়বস্তুসমূহ স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে তৈরি হলেও, ফাউন্ডেশনটির লক্ষ্য এই অনন্য সম্প্রদায়কে ডিজিটাল স্বেচ্ছাসেবায় উৎসাহিত করা ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়তা করা।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
‘সরে দাঁড়াতে’ চান ঢাবির উপাচার্য
সংসদ নির্বাচনের দুদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা বললেন অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষায় যেন কোনো অসুবিধা না হয়, সেজন্য ‘সরকার চাইলে’ আরো কিছুদিন দায়িত্ব চালিয়ে যেতেও তার আপত্তি নেই।
মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এক সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক নিয়াজ বলেন, “আমি এখন মনে করছি যে, এটি একটি দায়িত্ব পালনের পর্বে আমরা একটি ভালো পর্যায়ে এসেছি এবং আমি সরে দাঁড়াতে চাই।’
২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর পরিবর্তনের হাওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদেও পরিবর্তন আসে। ওই বছর ২৭ অগাস্ট ভিসির দায়িত্ব পান ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “ক্রান্তিকালীন সময়ে, খুব বিশেষ ধরনের পরিস্থিতিতে আমরা ২০২৪ এর অগাস্ট মাসের শেষের দিকে দায়িত্ব নিয়েছি। খুবই আপৎকালীন একটি পরিস্থিতিতে, যে সময় বিশ্ববিদ্যালয় কার্যত অচল ছিল, একাডেমিক কর্মকাণ্ড বন্ধ ছিল, হলগুলো ভাসমান অবস্থায় ছিল এবং প্রশাসনিক কাঠামো অকেজো হয়ে পড়েছিল।
“ওই পরিস্থিতিতে আপনাদেরকে সাথে নিয়ে আমাদের প্রথম কাজ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাজকর্ম শুরু করা এবং এটিকে স্থিতিশীল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। আজকে প্রায় দেড় বছর পর আপনাদের সবাইকে সাথে নিয়ে আমরা মোটামুটি একটি ভালো অবস্থানে আছি।”
সে কারণে ‘সরে যাওয়ার’ ইচ্ছার কথা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, “এখন এই মুহূর্তে আমাদের যেন কোনো শূন্যতা না হয়, ধারাবাহিকতা যেন কোনো অসুবিধায় না পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মুথ ট্রানজিশন দরকার। সেজন্য আমাকে যদি সরকার মনে করেন, অংশীজনরা যদি মনে করেন যে আরো কিছু সময় এই ধারাবাহিকতার প্রশ্নে হঠাৎ শূন্যতে যেন না হয় সেই প্রশ্নে যদি তারা কিছু সময় নিতে চান, আমি সেটি বিবেচনা করতে রাজি আছি।
“কিন্তু সারাদেশের মতই আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি, একটি নিয়মিত রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নেবেন এবং আমরা তাদেরকে পূর্ণ সহযোগিতা করব।”
নির্বাচনের পর নতুন সরকার যদি রাখতে চায়, ভিসি পদে থেকে যাবেন কি না-এমন প্রশ্নে অধ্যাপক নিয়াজ বলেন, “এটা খুবই জটিল প্রশ্ন। আমি খুবই একজস্টেড। আপাতত একটু বিশ্রাম প্রয়োজন।”
পদত্যাগের প্রক্রিয়া কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি আমার মাননীয় আচার্য বরাবর লিখব। বর্তমানে আমি ডেপুটেশনে আছি। এরপর ডেপুটেশন থেকে আমি অব্যাহিত চাইব এবং আমি আমার যে মূল কাজ, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে আমি ফেরত যেতে চাই।
“এর পরের পরিস্থিতিতে যদি অন্য কোনো দায়িত্বের বিষয় থাকে, বা অন্য কোনো সুযোগ যদি আমাকে আল্লাহ দেন, তখন আমি সেটা চিন্তা করব, বিবেচনা করব। আপাতত অনেকদিন কঠিন পরিশ্রম হয়েছে।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর কয়েকটি ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির’ কথাও সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন নিয়াজ আহমদ খান।
তিনি বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সংবরণ হয়েছে। তার সবচাইতে বড় উদাহরণ হচ্ছে ডাকসু এখন কার্যকর আছে। শিক্ষার্থীদের অধিকার মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত। এখন কারো পক্ষে সেটি সম্পূর্ণ আবার রিভার্স করা, একদম এটিকে সম্পূর্ণভাবে ইগনোর করার সুযোগ কারো নেই।
“দ্বিতীয়ত, এত রকম সীমাবদ্ধতার মধ্যেও টাইমস হায়ার এডুকেশন আমাদের ২০০ ভাগ অগ্রগতি হয়েছে। আমাদের বিদেশি ছাত্রের সংখ্যা এখন ১৬০ ভাগ বেড়েছে।”
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮৪১ কোটি টাকার যে প্রকল্প শুরু হয়েছে, তাতে আবাসন সংকট নিরসন হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন উপাচার্য।



