রাজনীতি
সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়া নিয়ে যা জানালো বিএনপি
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে উপস্থিত হয়েছেন।
শপথ অনুষ্ঠান শুরুর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, আজকে বিএনপির সংসদ সদস্যরা আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। সংবিধানে এখনও এটাকে ধারণ করা হয়নি।
বিস্তারিত আসছে…
এমএন
রাজনীতি
শপথ নেওয়ার বিষয়ে যা জানাল এনসিপি
সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ প্রক্রিয়া নিয়ে বিএনপির আপত্তির কারণে আজ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৬ সংসদ সদস্য শপথ গ্রহণ করবেন কি না সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেননি। একইসঙ্গে বিএনপিও জানিয়েছে, তাদের নির্বাচিত সদস্যরা কেবল সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে শপথ নেবেন, সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নয়।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা উপস্থিত হন।
শপথ শুরুর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দলের কেউই সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হননি এবং বর্তমান সংবিধানে এ পরিষদের বিধানও অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
এমন বক্তব্যের পর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নির্বাচিতরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না হলে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন কিনা তা নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানান।
এনসিপির মিডিয়া সেলের এক সদস্য বলেন, ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা সংসদে বৈঠকে বসবেন কিছুক্ষণের মধ্যে, সেখানে শপথ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
১১ দলীয় জোট ও এনসিপির নির্বাচিত এক প্রার্থীও একই কথা জানান। তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না হলে আমরা শপথ নেব কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়।
এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত বলেন, এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমাদের সদস্যরা কিছুক্ষণের মধ্যে সভায় বসবেন।
এমএন
রাজনীতি
সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নেওয়ার কারণ জানালেন সালাহউদ্দিন
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার কথা থাকলেও বিএনপির দলীয় সংসদ সদস্যরা আজ শপথ নেবে না বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে শপথ গ্রহণের আগে সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে এ কথা জানান তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ ফরম থাকলেও আমরা (বিএনপি) কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। এ ছাড়া সংবিধানে এটা এখনো ধারণ করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের কে শপথ নেওয়াবেন, সেটা বিধান করতে হবে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের বিধান সংবিধানে নেই। আমরা সংবিধান মেনে এ পর্যন্ত চলছি, সামনের দিনেও চলব। দলীয় চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত জানাচ্ছেন বলেও জানান সালাহউদ্দিন।
এর আগে, আজ সকাল পৌনে ১১টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। এদিন তাদের জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ পাঠ করানোর কথা। তবে বিএনপি আজ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ার কথা বলছে বিএনপি।
এর আগে গতকাল ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ পাঠ আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে পরিচালনা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
এদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসন জয়লাভ করেছে।
সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া এনসিপি শাপলা কলি প্রতীকে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা প্রতীকে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা প্রতীকে ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
অন্য দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এসব দলের মধ্যে আছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৯১ আসনে প্রার্থী দেয় সরকার গঠন করতে যাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তবে তাদের কোনো প্রার্থীকেই জামানত হারাতে হয়নি। অন্যদিকে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৯টি আসনে প্রার্থী দেয়। তাদের মধ্যে তিন প্রার্থী নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান।
বিগত সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবার ১৯৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলটির প্রার্থীদের মধ্যে কেবলমাত্র পাঁচজন তাদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় বাকি সবাই জামানত হারিয়েছেন। জুলাই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তাদের মধ্যে তিনজন জামানত হারিয়েছেন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, বাসদ, নাগরিক ঐক্যসহ বাকি দলগুলোর বেশিরভাগ প্রার্থীই তাদের জামানত রক্ষা করতে পারেননি।
এমএন
রাজনীতি
ইসলামী আন্দোলনের আমির রেজাউল করীমের বাসায় তারেক রহমান
নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও ইতিবাচক রাজনীতির বার্তা দিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাইর বাসায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে রমনার ৫৫/১ সিদ্ধেশ্বরী রোডে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের বাসায় পৌঁছান তারেক রহমান। সেখানে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন মহাসচিব (সেক্রেটারি জেনারেল) অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ।
তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি, রাজনৈতিক সহাবস্থান ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যেই এই সৌজন্য সাক্ষাৎ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, নির্বাচনের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে একে অপরের মধ্যে কোথাও কোথাও ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।
তবে এসব বিরোধ যেন প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি একটি নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যাত্রাপথে ভিন্ন দল কিংবা ভিন্নমতের সবার সহযোগিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে ২১২ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। এ নির্বাচনে ৬৮ আসনে জয়ী হয়েছে জামায়াত।
এ ছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংগঠকদের দল এনসিপি পেয়েছে ছয়টি আসন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে একটি আসন।
এ সময় আমিরের বাসার সামনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি নিরাপত্তা এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
রাজনীতি
জুলাই সনদে স্বাক্ষর করছে এনসিপি, সন্ধ্যায় যাবে যমুনায়
জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে সন্ধ্যায় যমুনায় যাবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধি দল। এতে নেতৃত্ব দেবেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যাবে এনসিপি প্রতিনিধি দল। এনসিপির মিডিয়া উইংয়ের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বার্তায় বলা হয়েছে, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আজ সন্ধ্যা ৬টায় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে যমুনায় যাবেন। প্রতিনিধি দলে থাকবেন সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, জাভেদ রাসিন, মনিরা শারমিন এবং যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা।
গত বছরের ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ২৫টি রাজনৈতিক দলের নেতারা জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দেশের ২৯৯টি আসনে একযোগে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি ফলাফলে গণভোটে জনমত ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হয়েছে।
এমএন
রাজনীতি
সন্ধ্যায় ইসলামী আন্দোলনের আমিরের বাসায় যাবেন তারেক রহমান
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিমের বাসায় সৌজন্যে সাক্ষাৎ করতে যাবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি সাক্ষাৎ করতে যাবেন। বিএনপির দলীয় সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে গতকাল রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় যান বিএনপির চেয়ারম্যান। এ সময় তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জামায়াতের আমির। পরে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় যান তারেক রহমান।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের ফলাফলে দেখা গেছে, বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। জোটের শরিকদের আরও ৩টি আসন মিলিয়ে বিএনপি জোটের বর্তমান আসনসংখ্যা ২১২। দীর্ঘ দেড় দশক পর এমন ‘ভূমিধস’ বিজয় দলটির কর্মী-সমর্থকদের মাঝে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।
তারেক রহমানের এই ঐতিহাসিক বিজয়ে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘আপনার নেতৃত্বে বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় আপনাকে আন্তরিক মোবারকবাদ। গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় জনগণের এই স্পষ্ট রায় দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
এমএন



