রাজনীতি
আজ ডা. শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তারেক রহমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিশাল জয়ের পর দেশে এক ইতিবাচক ধারার রাজনীতি ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। এরই অংশ হিসেবে রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজনৈতিক জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বিএনপির মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার জানিয়েছেন, বাংলাদেশের ইতিবাচক ধারার রাজনীতি রবিবার থেকে সূচনা হচ্ছে।
তারই অংশ হিসেবে এদিন সন্ধ্যায় ৭টায় ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের বাসায় যাবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরপর রাত ৮টার দিকে তিনি বাড্ডায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন।
উল্লেখ্য, দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দুই দশক পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ হয়। এর মধ্যে ২৯৭ আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এসব আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে।
ফলাফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। তাদের শরিকরা পেয়েছে তিনটি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য শরিকেরা পেয়েছে ৯টি আসন।
এমএন
রাজনীতি
নির্বাচনের পর একান্ত সাক্ষাৎকারে যা বললেন ডা. শফিকুর রহমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামী সংসদে‘কার্যকর ও শক্তিশালী’ বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে। জনগণের ক্ষমতায়নে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করবে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জুলাইয়ের চেতনা সমুন্নত রাখতে এবং নাগরিক অধিকার আদায়ে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে তার দল।
তিনি জানান, জনগণের কণ্ঠস্বর হয়ে সংসদে ভূমিকা রাখবে জামায়াত। সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে শক্তিশালী করবে গণতন্ত্র।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের সরকার গঠনের সম্ভাবনা এবার অন্তত নাই, সবাই বুঝতে পারছি। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে আমরা মনে করি, যেটুকু পেয়েছি এটা দিয়েই দেশের সেবা করতে পারবো এবং উদারহরণও তৈরি করতে পারবো। দেশের স্বার্থে সরকার কোনো উদ্যোগ নিলে আমরা সমর্থন দেব। আবার যদি দেশ এবং জনগণের স্বার্থ বিঘ্নিত হয়, তাহলে চাটুকারিতা করবো না।’
সংসদে গেলেও সরকারের অতিরিক্ত কোনো সুবিধা নেবে না উল্লেখ করে স্থানীয় জনগণের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়নে নিজেদের উজাড় করে দেবেন বলেও জানান ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘দেশবাসীর প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। হয়তো সরকারি সুযোগ সুবিধা কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে অনেক কিছু আমাদের হাতে থাকবে না। এরপরও জনগণের জন্য কাজ করার সুযোগ তো আমাদের থাকবে। আমাদের একনম্বর অগ্রাধিকার জনগণ, দুই নম্বর অগ্রাধিকার জনগণ এবং তিন নম্বর অগ্রাধিকারও থাকবে জনগণ। জনগণকে নিয়েই আমাদের সব কিছু হবে।’
যেকোনো ধরনের প্রতিহিংসা বর্জন করে দেশের সব নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিতে জামায়াত ভূমিকা রাখবে বলেও প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন দলটির প্রধান।
তিনি বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছি, এমন বক্তব্য দিবো না যেটা আমরা মানতে পারবো না বা মানবো না। যা বলেছি ইনশাআল্লাহ আমরা মানবো। ভালো কাজে সমর্থন আর মন্দ কাজে আমাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।’
এমএন
রাজনীতি
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিজয়ী জোটকে অভিনন্দন হেফাজতের
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার নেতৃত্বাধীন জোটকে আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান এ শুভেচ্ছা জানান।
বিবৃতিতে হেফাজত নেতারা নবনির্বাচিত সব সংসদ সদস্যসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকেও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। একইসঙ্গে তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
বিবৃতিতে হেফাজত আমির ও মহাসচিব বলেন, রাষ্ট্র ক্ষমতা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশাল নেয়ামত এবং কঠিন আমানত। এটি কেবল সম্মানের বিষয় নয় বরং জনগণের হক আদায়ের এক গুরুদায়িত্ব। আমরা আশা করি, তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিতব্য নতুন সরকার সততা ও দক্ষতার সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে এবং দেশে ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
হেফাজত নেতারা নতুন সরকারের কাছে বেশ কিছু দাবি ও প্রত্যাশা তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে:
* মসজিদ-মাদ্রাসা ও আলেম-ওলামাদের সুরক্ষা প্রদান।
* জনগণের ধর্মীয় ও মানবাধিকার সংরক্ষণ এবং আইনের শাসন নিশ্চিতকরণ।
* দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
* ইসলামি শিক্ষা, সভ্যতা ও তাহজিব-তামাদ্দুন সংরক্ষণে দৃঢ় পদক্ষেপ।
* ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার শিকড় উৎপাটন এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করা।
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও নৈরাজ্যের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতিতে বলা হয়, সহিংসতা কোনো জাতির জন্য কল্যাণ বয়ে আনে না। আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি- সন্ত্রাস দমনে কঠোর ও ন্যায়ভিত্তিক পদক্ষেপ নিন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
হেফাজত নেতারা তরুণ প্রজন্ম ও নাগরিক সমাজকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। উসকানিমূলক স্ট্যাটাস, মিথ্যা তথ্য ছড়ানো এবং প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করা থেকে বিরত থেকে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার অনুরোধ করেন তারা।
এমএন
রাজনীতি
ডা. শফিক ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তারেক রহমান
নির্বাচনের পর সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপি আহবায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামীকাল রোববার সন্ধ্যা সাতটায় জামায়াত আমীরের বসুন্ধরার বাসায় যাবেন তিনি।
এরপর যাবেন নাহিদ ইসলামের বাড্ডার বাসায়। বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, বিএনপি যে ইতিবাচক রাজনীতির সূচনা করতে চায় এর অংশ হিসেবেই দলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি দলের প্রধানদের বাসায় সৌজন্য সাক্ষাতে যাচ্ছেন।
রাজনীতি
নির্বাচনের পরই দুঃসংবাদ পেলেন বিএনপির ৩ নেতা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে অন্য দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে সহযোগিতা করায় বিএনপির তিন নেতাকে দলের সব পদ-পদবিসহ আজীবনের জন্য স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহিন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেনের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শাহিন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেনের স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ (উজিরপুর ও বানারীপাড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থীর পক্ষে কোনো রকম নির্বাচনী কাজ না করায় এবং প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য দলকে সহযোগিতা করায় বিএনপির সব পদ, পদবিসহ আজীবনের জন্য তিন বিএনপি নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো।’
নির্বাচনের পরের দিন (১৩ ফেব্রুয়ারি) বহিষ্কার করা ওই নেতা হলেন, গুঠিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন দফাদার, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি মো. জামাল মোল্লা এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সহিদ বেপারী।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেন জানিয়েছেন, বহিষ্কারের কাগজ স্ব স্ব ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
বিএনপি দলীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির বহিষ্কৃত ওই তিন নেতা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে একই আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন।
বহিষ্কৃত গুঠিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন দফাদার জানিয়েছেন, এসংক্রান্ত কোনো কাগজ এখনো আমি হাতে পাইনি।
এমএন
রাজনীতি
৩০ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ জামায়াতের, নিচ্ছে আইনি পদক্ষেপ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এসব আসনে ভোটের ফলাফল স্থগিত, পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান তিনি।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দেশের মানুষ একটি সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন আশা করেছে। ইতিমধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। যদিও সেই নির্বাচনে অনেক ক্ষেত্রেই কারচুপি-জালিয়াতি হয়েছে এবং ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হয়েছে। এজেন্টদের বের করে দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যা আমরা আগেও বলেছি।
জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ৩০টি আসনে এ ধরনের চরম অব্যবস্থাপনা দেখেছি।
যেখানে ভোট জালিয়াতি হয়েছে, কারচুপি হয়েছে। যেসব কাগজ (রেজাল্ট শিট) দেওয়া হয়েছে, সেখানে ওভাররাইটিং (কাটাকাটি) হয়েছে, ঘষামাজা হয়েছে। আমরা নির্বাচনের দিনও এসব বিষয়গুলো তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং অফিসারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলাম। কিছু আসনে ফল দ্রুত দেওয়া হলেও ইচ্ছে করেই কিছু আসনে ফলাফল দেওয়া হয়নি। যেমন ঢাকার কয়েকটি আসনে আমরা ভোর ৫টায় গিয়ে নির্বাচনের রেজাল্ট পেয়েছি।
তিনি বলেন, যেসব আসনে আমরা এ ধরনের নির্বাচনী অব্যবস্থাপনা দেখেছি এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যে আচরণবিধি সেটি মানা হয়নি, এসব আসনের বিষয়ে আমরা স্থানীয়ভাবে রিটার্নিং অফিসার অথবা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যারা আছেন, তাদের জানিয়েছি। ভোট পুনর্গণনার জন্য সংশ্লিষ্টদের আমরা আহ্বান জানিয়েছি। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকেও জানাব এবং এই ব্যাপারে সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ আছে এবং আমরা সেসব পদক্ষেপ নেব।
নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আমাদের ওপর, আমাদের সমর্থক, এজেন্ট এবং ক্ষেত্রবিশেষে মহিলাদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এমন শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। আমরা সবগুলোর তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করছি। গণমাধ্যমেও এসব তথ্য উঠে আসছে। বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুবরণের ঘটনাও ঘটেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন, পরে মৃত্যুবরণ করেছেন এমন কিছু ঘটনাও ঘটেছে।
এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় মৃত্যু ও আহত হওয়ার তথ্য তুলে ধরে নতুন বাংলাদেশে সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশের প্রত্যাশা করেন তিনি।
এমএন



