Connect with us

জাতীয়

তারেক রহমান ১০ চ্যালেঞ্জ নিয়ে বসছেন প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে

Published

on

ব্লক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ী হয়ে দুই দশক পর আবারও রাষ্ট্রক্ষমতায় বসতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফলে ২০৯টি আসনেই জয়ী হয়েছে বিএনপি।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতির মাঝেই আলোচনায় উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সামনে থাকা বিশাল চ্যালেঞ্জগুলো।

বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে দলের নেতৃত্ব এখন তারেক রহমান কাঁধে, এখন এক বৈষম্যহীন নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার পর্বতসম প্রত্যাশার মুখোমুখি। তবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের পথচলা সহজ হবে না বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই জয় কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং একগুচ্ছ কঠিন সমস্যা সমাধানের অগ্নিপরীক্ষা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তাদের মতে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনাসহ বড় ধরনের ১০টি চ্যালেঞ্জ নিয়েই প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে হচ্ছে তাকে। বৈষম্যহীন নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে মানুষের পর্বতসম প্রত্যাশা এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপিকে ঘিরে। এই প্রত্যাশা আর স্বপ্নের সারথি হয়ে সক্ষমতা প্রমাণের সবচেয়ে বড় এবং কঠিন এক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দলটির নতুন নেতৃত্ব।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর তারেক রহমানকে বড় ধরনের যেসব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে, তার মধ্যে রয়েছে—গণতান্ত্রিক অধিকার সংরক্ষণ করা; মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখা; ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গঠন করা; রাষ্ট্রের সব পর্যায় থেকে দুর্নীতি দূর করা; উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান থেকে দেশের সুরক্ষা প্রদান; কার্যকর নিরপেক্ষ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম আমলাতন্ত্র গঠন; রাষ্ট্রের সামষ্টিক অর্থনীতিকে টেনে তোলা; মুদ্রাস্ফীতি মোকাবিলা; কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং নতুন অর্থনৈতিক কাঠামো তৈরির মাধ্যমে রাষ্ট্রে স্থিতিশীলতা আনা।

এসবের পাশাপাশি রয়েছে বেশকিছু কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জও। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিএনপিকে মুক্তিযুদ্ধের সব শক্তিকে একত্রিত করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মনোনিবেশ করতে হবে। তবেই গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণের পথ সুগম হবে। দেশে বইতে শুরু করবে স্থিতিশীলতার সুবাতাস।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। তাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সব মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার সংরক্ষণ করা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠন করা। বিগত সময়ে বাংলাদেশে উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান ঘটেছে, যারা পরবর্তী সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম পদে পদে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করবে। এক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিগুলোকে সম্পৃক্ত করে ঐক্যবদ্ধভাবে উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির মোকাবিলা করতে হবে। নয়তো জনপ্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব হবে না। পাশাপাশি কূটনৈতিক সম্পর্ক বা বাণিজ্যিক সম্পর্কের নামে বিদেশি কোনো রাষ্ট্রের এমন অনুরোধ রক্ষা করা যাবে না, যা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণ হয় বা জনস্বার্থবিরোধী হয়।

তিনি আরও বলেন, আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ বিএনপিকে মোকাবিলা করতে হবে, সেটি হলো জুলাই সনদ। যেখানে এমন অনেক বিষয় রয়েছে, যার সঙ্গে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একমত হতে পারেনি, সেই বিষয়গুলোর নিষ্পত্তি করতে হবে। এক্ষেত্রে সংবিধান সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আগামী সংসদের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার পরামর্শ দেন তিনি।

বিগত আওয়ামী লীগের সরকারের সময়ে দেশের প্রশাসনে ব্যাপক দলীয়করণের অভিযোগ ওঠে। এতে প্রশাসন, বিশেষ করে জনপ্রশাসনে বিভিন্ন শাখায় স্বাভাবিক কার্যক্রম নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়। দলীয় পরিচয়ে পরিচিত কর্মকর্তাদের প্রভাবে চাকরি, নিয়োগ, পদোন্নতি নানাভাবে প্রভাবিত হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া প্রশাসনে জেঁকে বসে একটি সুবিধাবাদী গ্রুপ, যারা রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের চেয়ে নিজেদের উন্নয়নে বেশি সময় ব্যয় করে। এতে প্রশাসন পরিণত হয় দুর্নীতির আঁতুরঘরে, স্থবির হয়ে পড়ে উন্নয়মূলক কার্যক্রম। আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রশাসন ঢেলে সাজাতে এবং নিরপেক্ষ প্রশাসন গঠনে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। ফলে এ সময়ে প্রশাসন হয়ে পড়েছে গতিহীন, কর্মস্পৃহাহীন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর এ প্রশাসন দিয়ে আগামী বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাধার সম্মুখীন হতে পারে। তাই প্রশাসন ঢেলে সাজাতে না পারলে সরকারের কার্যক্রম পরিচালনা নির্বিঘ্ন হবে না।

সাবেক জনপ্রশাসন সচিব ও রাজনীতি বিশ্লেষক এ কে এম আব্দুল আউয়াল মজুমদার বলেন, নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, আমলাতন্ত্রকে ঢেলে সাজানো। অধ্যাপক ইউনূসের সরকার এ কাজটি দক্ষতার সঙ্গে করতে না পারায় অনেক ভালো কাজের সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে। তবে কাজটি তাদের জন্য খুব সহজও ছিল না। নির্বাচিত সরকারের জন্য কাজটি কঠিন হবে না। রাষ্ট্র হলো একটি ‘ঘর’। সরকার হলো ওই ঘরের ‘ছাউনি’। আমলাতন্ত্র হলো ‘খুঁটি’। খুঁটি নড়বড়ে হলে বসবাস নিরাপত্তাহীন ও নিরানন্দ হয়। এমন অবস্থায় ভালো থাকা বা ভালো কাজ করা সম্ভব হয় না। তাই নতুন সরকার প্রধানকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে এবং সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের আমলাতন্ত্র মাঝামাঝি মানের। এটা সিঙ্গাপুর, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো চৌকস নয়। তাই এখান থেকে তুলনামূলকভাবে সেরাদের খুঁজে বের করে কাজে লাগাতে হবে। দলীয় বিবেচনাকে প্রাধান্য না দিয়ে পেশাদারিত্বকে গুরুত্ব দিতে হবে। অন্যদিকে আমলাতন্ত্রে একটি সুবিধাবাদী গ্রুপ রয়েছে, যারা সবসময় নতুন সরকারের কাছে ভিড়ে যায় এবং সরকারকে বিভ্রান্ত করে। এই সুবিধাবাদীদের খপ্পরে পড়লে সরকারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হবে, সরকারকে বিপদে পড়তে হবে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দেশের অর্থনীতি অনেকটা গতিহীন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে আমদানি, রপ্তানি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অনেকটাই সংকুচিত হয়ে আসে। এই সময়ে যদিও রেমিট্যান্স অর্থনীতির চাকা কিছু সচল রেখেছে, কিন্তু স্বাভাবিক গতি ফেরাতে পারেনি। তা ছাড়া রাজনৈতিক অস্থিরতা, মবতন্ত্র ইত্যাদি কারণে ছোট- বড় অসংখ্য কারখানা বন্ধ হয়ে লাখ লাখ মানুষ বেকার হয়ে পড়ে, যা দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে। তাই নতুন সরকারের জন্য অর্থনীতি পুনরুদ্ধার একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া এবং বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করাকে কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যাংক খাতের নাজুক অবস্থা এবং গত ১৫ বছরে বিদেশে পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার ব্যবস্থা করতে চ্যালেঞ্জে পড়তে হবে নতুন সরকারকে। এ ছাড়া ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করাটাও নতুন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, নতুন সরকারকে অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করতে হবে। কারণ দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয়। এটা আগামী সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সরকারের আয়ের গতি মন্থর। অন্তর্বর্তী সরকার বারবার সময় বাড়িয়েও আয়ের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। দেশে বর্তমানে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি বিরাজ করছে, এমন পরিস্থিতিতে যদি সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় কাঙ্ক্ষিত আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে না পারে, তাহলে টাকা ছাপতে হবে। এটি মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়িয়ে দেবে। এক্ষেত্রে করহার তিন শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে একাধিক স্লাবে ভাগ করলে মানুষ কর প্রদানে আগ্রহী হবে। বর্তমান স্লাবের উচ্চ স্তরে ২৫ শতাংশ হারে কর প্রদান অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না। এ ছাড়া দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনাও একটি চ্যালেঞ্জ, দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে আনতে হলে বাজার ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। আমদানি-রপ্তানি ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে এবং রিজার্ভ বাড়াতে এ মুহূর্তে রেমিট্যান্সের ওপর জোর দিতে হবে। এসব অর্থনৈতিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণে দক্ষ, অভিজ্ঞদের নেতৃত্বে মন্ত্রণালয় পরিচালনা করতে হবে।

বাংলাদেশে সংবিধান অনুসারে, দেশের কূটনৈতিক নীতি হলো সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব। কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমাদের স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্কে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে, বিশেষ করে ভিসা জটিলতা দেখা দেয়। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে শুরু করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভিসা জটিলতা দেখা গেছে। এ ছাড়া বাণিজ্য ঘাটতি এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে অনেক দেশ ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছে। এমন পরিস্থিতিতে সারা বিশ্বের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক স্থাপন করা আসন্ন সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বিশিষ্ট কূটনীতিক এম হুমায়ুন কবীরের মতে, আগামীতে যারা সরকার গঠন করবে, রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের বৈশ্বিক যোগাযোগ সমুন্নত রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে পেশাগত কূটনীতি ও আধুনিক কূটনীতির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভিসাগত জটিলতা রয়েছে। মূলত কোনো দেশের মানুষ যদি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে, অবৈধ কাগজপত্র সরবরাহ করে অন্য দেশে গমন করে, অথবা রাষ্ট্রীয় অস্থিতিশীলতার সৃষ্টি হয়, তাহলে এমন ভিসা জটিলতা দেখা দেয়। এই সমস্যা থেকে উত্তরণে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে হবে। যারা এসব কাজে জড়িত তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং পরবর্তী সময়ে ফের যেন তা না হয় সে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মূলত তরুণরা এসব পথ অবলম্বন করে বিদেশ পাড়ি জমাতে চায়, তাই তাদের বিদেশ যাত্রায় নিরুৎসাহিত করতে দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। সেজন্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে আইনের শাসন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, সরকারকে মনে রাখতে হবে, পৃথিবী আর আগের মতো নেই। বাংলাদেশ বর্তমান যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এবং ভারত ও চীনের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দুই পৃথক পরিস্থিতির মধ্যে অবস্থান করছে। এ পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ সব মৌলিক বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে। কূটনৈতিক নীতি নির্ধারণ উন্নয়নে এমনভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে, যেন বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে এই দেশগুলো পারস্পরিক কোনো দ্বন্দ্বে জড়িয়ে না পড়ে।

তবে বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, বিএনপির সামনে চ্যালেঞ্জ যতটা বড়, তার চেয়ে বড় সম্ভাবনাও অপেক্ষা করছে। ২৫ ডিসেম্বর নেতাকর্মী ও দেশবাসীর উষ্ণ সংবর্ধনা নিয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন করেন তারেক রহমান। লাখ লাখ মানুষের সমাগমে তার এই রাজসিক প্রত্যাবর্তন রাজনীতির জন্য নতুন বার্তাবহ ঘটনা। যার অর্থ মানুষের সমর্থন এবং ব্যাপক প্রত্যাশা রয়েছে দলটি ঘিরে, দলের নেতা তারেক রহমানকে ঘিরে, যার প্রমাণ মিলেছে নির্বাচনে দলটির বড় জয়েও। এখন মানুষের সেই সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি তাদের প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পারে, সেটিই দেখার বিষয়।

এমএন

শেয়ার করুন:-

জাতীয়

মুমেক অধ্যক্ষকে ঢামেকে বদলি, যোগদানপত্র গ্রহণ না করে ১৩ দিন পর ওএসডি

Published

on

ব্লক

মুগদা মেডিকেল কলেজের (মুমেক) সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোস্তাফিজুর রহমানকে বদলির পরও ১৩ দিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) যোগদান করতে দেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত গত সোমবার (১৪ এপ্রিল) তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়ে মাতুয়াইল শিশু ও মাতৃ-স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে গত ৩০ মার্চ এক আদেশে তাকে মুমেকের অধ্যক্ষ পদ থেকে সরিয়ে ঢামেকের পেডিয়াট্রিক্স বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে পদায়ন করা হয়। তিনি ১ এপ্রিল মুমেক থেকে অব্যাহতি নিয়ে ঢামেকে যোগদানপত্র জমা দিলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করেনি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ২০২৪ সালে পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের পেডিয়াট্রিক্স বিভাগে কর্মরত ছিলেন। সে সময় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অংশগ্রহণ ও অর্থ সহায়তার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে ১৮ জুলাই তাকে অধ্যাপক পদ থেকে পদাবনতি দিয়ে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে রাঙামাটি মেডিকেল কলেজে বদলি করা হয়। তবে ব্যাপক সমালোচনার মুখে ১১ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার সেই আদেশ বাতিল করে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি তিনি মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় চিকিৎসকদের সর্ববৃহৎ সুপারনিউমারারি পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি, যার ধারাবাহিকতায় তাকে অধ্যক্ষ করা হয়।

অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর কলেজটির দীর্ঘদিনের আর্থিক জটিলতা নিরসনে ভূমিকা রাখেন তিনি। বকেয়া বেতন পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য ডোনেশনের মাধ্যমে একটি বাস সংগ্রহের সিদ্ধান্তও নেন।

তবে কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই মাত্র দুই মাস ২০ দিনের মাথায় তাকে অধ্যক্ষের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে ঢামেকে যোগদান আটকে রেখে তাকে আবারও ওএসডি করা হয়।

সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পার-১ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এ সংক্রান্ত আদেশে স্বাক্ষর করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০১১ ও ২০১৩ সালে পদোন্ননা থেকে বঞ্চিত হন অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান। পরবর্তীতে ২০২১ সালে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেলেও একদিনের মধ্যেই সেই আদেশ বাতিল করা হয়।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমান

Published

on

ব্লক

বিশ্বখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের ২০২৬ সালের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তিত্বের তালিকায় জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার দল বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তারেক রহমান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×
শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

সেনাপ্রধানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

Published

on

ব্লক

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সেনাসদরে সেনাপ্রধানের সঙ্গে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা শিল্প ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সহযোগিতার বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×
শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্রয়োজন

Published

on

ব্লক

জ্বালানি খাতে চলমান সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কাছে বাংলাদেশের জন্য ২ বিলিয়ন ডলারের সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে সংসদ সচিবালয় থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেক) প্লাস সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, জ্বালানি নিরাপত্তা ও সংকট মোকাবিলায় এই অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সম্মেলনে অংশ নেওয়া দেশগুলো ভবিষ্যতে যৌথভাবে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কাজ করার বিষয়ে একমত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি-এর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই ভার্চুয়াল সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানরা অংশ নেন। এতে ভারত, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ অংশ নেয়।

এছাড়া আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক থেকেও প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেন।

এদিকে সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এতে তেলের চাহিদা ও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে পেট্রল ও অকটেন বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় কিছু এলাকায় সরবরাহ ব্যবস্থায় সাময়িক চাপের কথাও জানা গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এখন অত্যন্ত জরুরি।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

পুলিশ সংস্কারে সহায়তার আশ্বাস যুক্তরাজ্যের

Published

on

ব্লক

বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ায় অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে নবনিযুক্ত ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহের কথা জানান ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার নবনিযুক্ত আইজিপিকে অভিনন্দন জানান। সৌহার্দপূর্ণ এই বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন, অনিয়মিত মাইগ্রেশন, মানব পাচার, মানি লন্ডারিং, ভিসা জালিয়াতি এবং ভুয়া দলিলাদি যাচাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রস্তাব দেন তিনি। এ ছাড়া বাংলাদেশ পুলিশের সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়েও আলোচনা হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির যুক্তরাজ্যের এই সহযোগিতার আগ্রহকে স্বাগত জানান। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সংস্কারে গৃহীত স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়ে হাইকমিশনারকে জানান।

আইজিপি বলেন, পুলিশের পেশাদারিত্ব ও সক্ষমতা বাড়াতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার12 hours ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৪৭ কোটি টাকার

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩৮টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৪৭ কোটি...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার12 hours ago

দরপতনের শীর্ষে আরামিট সিমেন্ট

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে আরামিট সিমেন্ট লিমিটেড।...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার12 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৩টি কোম্পানির মধ্যে ২৩৯টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার12 hours ago

লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে খান ব্রাদার্স পি.পি. ওভেন ব্যাগ...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার13 hours ago

সূচকের উত্থানে লেনদেন ৮৩৬ কোটি টাকা

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার13 hours ago

হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালস বাংলাদেশ পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ২৩ এপ্রিল বিকাল ৩টা...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার13 hours ago

ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ২২ এপ্রিল দুপুর ২টা ৩০...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
ব্লক
জাতীয়7 hours ago

মুমেক অধ্যক্ষকে ঢামেকে বদলি, যোগদানপত্র গ্রহণ না করে ১৩ দিন পর ওএসডি

ব্লক
অর্থনীতি7 hours ago

উন্নয়ন প্রকল্পে আমূল সংস্কারের পথে নতুন সরকার: তিতুমীর

ব্লক
অর্থনীতি7 hours ago

রুপার দামে বড় লাফ

ব্লক
অর্থনীতি7 hours ago

এপ্রিলের ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৬০৭ মিলিয়ন ডলার

ব্লক
জাতীয়8 hours ago

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমান

ব্লক
অর্থনীতি8 hours ago

চামড়া ও পাটজাত পণ্যে বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্ক: বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্লক
জাতীয়8 hours ago

সেনাপ্রধানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ব্লক
আইন-আদালত8 hours ago

কারাগার থেকে বার কাউন্সিল নির্বাচনে লড়তে ব্যারিস্টার সুমনের রিট

ব্লক
জাতীয়8 hours ago

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্রয়োজন

ব্লক
অর্থনীতি9 hours ago

তিন মাসে আড়াই হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ

ব্লক
জাতীয়7 hours ago

মুমেক অধ্যক্ষকে ঢামেকে বদলি, যোগদানপত্র গ্রহণ না করে ১৩ দিন পর ওএসডি

ব্লক
অর্থনীতি7 hours ago

উন্নয়ন প্রকল্পে আমূল সংস্কারের পথে নতুন সরকার: তিতুমীর

ব্লক
অর্থনীতি7 hours ago

রুপার দামে বড় লাফ

ব্লক
অর্থনীতি7 hours ago

এপ্রিলের ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৬০৭ মিলিয়ন ডলার

ব্লক
জাতীয়8 hours ago

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমান

ব্লক
অর্থনীতি8 hours ago

চামড়া ও পাটজাত পণ্যে বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্ক: বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্লক
জাতীয়8 hours ago

সেনাপ্রধানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ব্লক
আইন-আদালত8 hours ago

কারাগার থেকে বার কাউন্সিল নির্বাচনে লড়তে ব্যারিস্টার সুমনের রিট

ব্লক
জাতীয়8 hours ago

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্রয়োজন

ব্লক
অর্থনীতি9 hours ago

তিন মাসে আড়াই হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ

ব্লক
জাতীয়7 hours ago

মুমেক অধ্যক্ষকে ঢামেকে বদলি, যোগদানপত্র গ্রহণ না করে ১৩ দিন পর ওএসডি

ব্লক
অর্থনীতি7 hours ago

উন্নয়ন প্রকল্পে আমূল সংস্কারের পথে নতুন সরকার: তিতুমীর

ব্লক
অর্থনীতি7 hours ago

রুপার দামে বড় লাফ

ব্লক
অর্থনীতি7 hours ago

এপ্রিলের ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৬০৭ মিলিয়ন ডলার

ব্লক
জাতীয়8 hours ago

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমান

ব্লক
অর্থনীতি8 hours ago

চামড়া ও পাটজাত পণ্যে বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্ক: বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্লক
জাতীয়8 hours ago

সেনাপ্রধানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ব্লক
আইন-আদালত8 hours ago

কারাগার থেকে বার কাউন্সিল নির্বাচনে লড়তে ব্যারিস্টার সুমনের রিট

ব্লক
জাতীয়8 hours ago

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্রয়োজন

ব্লক
অর্থনীতি9 hours ago

তিন মাসে আড়াই হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ