জাতীয়
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতেছে, রাষ্ট্র ও সংবিধানে কী কী বদল আসবে
বিপুল ব্যবধানে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ভোট জিতেছে। এর মধ্যে দিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের পথ খুলল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা তিনটায় জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার ছিলেন ১২ কোটি ৭৭ লাখের কিছু বেশি। সচিব আখতার হোসেন জানান, গণভোটে ভোট পড়েছে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন। ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন।
‘হ্যাঁ’ জয়ে কী হবে
গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হওয়ার ফলে সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের পথ খুলল। এতে প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা কিছুটা কমার পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কিছু ক্ষেত্রে বাড়বে। সাংবিধানিক পদে নিয়োগ হবে ক্ষমতাসীন দল, বিরোধী দল ও ক্ষেত্রবিশেষে বিচার বিভাগের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে। বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী, প্রায় সব নির্বাহী কর্তৃত্ব প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত। প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ছাড়া রাষ্ট্রপতিকে অন্য যেকোনো কাজ করতে হয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী।
এ ছাড়া কোনো বিষয়ে সংসদে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনতার আওতা বাড়বে। সব মিলিয়ে রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরির সম্ভাবনা বাড়বে।
‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হওয়ায় আগামী সংসদ হবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট। সংবিধান সংশোধন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসবে। কোনো একটি দলের চাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সংবিধান সংশোধন করা কঠিন হবে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। এরপর সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের অঙ্গীকার করে। এ লক্ষ্যে ২০২৪ সালের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশ ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করে। এরপর আরও কয়েকটি খাতে সংস্কারের সুপারিশ দিতে কমিশন করা হয়।
প্রথমে গঠন করা ছয়টি সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলোর মধ্যে ১৬৬টিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য তৈরির লক্ষ্যে গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রম শুরু হয়। ৩০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কমিশনের দীর্ঘ আলোচনা শেষে ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবে ঐকমত্য ও সিদ্ধান্ত হয়। এগুলো নিয়ে তৈরি করা হয়েছে জুলাই জাতীয় সনদ।
এই প্রস্তাবগুলোর মধ্যে ৪৮টি সংবিধান-সম্পর্কিত। অন্য প্রস্তাবগুলো সরকারি আদেশ, অধ্যাদেশ জারি বা আইন বিধি করে বাস্তবায়ন সম্ভব। বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের কিছু প্রস্তাব ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
কিন্তু সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো অধ্যাদেশ বা কোনো আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নের সুযোগ নেই। জুলাই জাতীয় সনদে থাকা সংবিধান-সম্পর্কিত এই ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে গতকাল অনুষ্ঠিত হয় গণভোট। এসব প্রস্তাবের মধ্যে ১৯টি মৌলিক সংস্কার প্রস্তাব হিসেবে চিহ্নিত করেছিল জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
মূলত সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলোর বাস্তবায়নে তিনটি স্তর। প্রথমত, আইনি ভিত্তি দিতে আদেশ জারি। গত ১৩ নভেম্বর জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ জারি করেন রাষ্ট্রপতি।
বাস্তবায়নের দ্বিতীয় স্তরে হয়েছে গণভোট। এই গণভোট হয়েছে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংস্কার-সম্পর্কিত অংশ নিয়ে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় এখন তৃতীয় স্তর শুরু হবে। এ ক্ষেত্রে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হবে। সংসদ সদস্যরা একই সঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সংস্কার পরিষদ প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ এবং গণভোটের ফলাফল অনুসারে সংস্কার সম্পন্ন করবে। তবে পরিষদ নির্দিষ্ট সময়ে সংবিধান সংস্কার না করলে কী হবে, তা বাস্তবায়ন আদেশে উল্লেখ নেই।
সংস্কার প্রস্তাব অনুযায়ী, এক ব্যক্তি জীবনে সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে পারবেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় প্রধানের পদে থাকবেন না, এমন বিধানও প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এই প্রস্তাব নিয়ে বিএনপির ভিন্নমত ছিল।
এখন প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতিকে কাজ করতে হয়। তবে জুলাই সনদের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল, আইন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে কারও পরামর্শ বা সুপারিশ ছাড়াই নিজ এখতিয়ারে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিতে পারবেন।
জুলাই সনদে আইনসভা বা সংসদকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট করা এবং উচ্চকক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে গঠন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, সংবিধান সংশোধন করতে নিম্নকক্ষের দুই-তৃতীয়াংশ এবং উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন লাগবে।
এমএন
জাতীয়
মুমেক অধ্যক্ষকে ঢামেকে বদলি, যোগদানপত্র গ্রহণ না করে ১৩ দিন পর ওএসডি
মুগদা মেডিকেল কলেজের (মুমেক) সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোস্তাফিজুর রহমানকে বদলির পরও ১৩ দিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) যোগদান করতে দেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত গত সোমবার (১৪ এপ্রিল) তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়ে মাতুয়াইল শিশু ও মাতৃ-স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে গত ৩০ মার্চ এক আদেশে তাকে মুমেকের অধ্যক্ষ পদ থেকে সরিয়ে ঢামেকের পেডিয়াট্রিক্স বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে পদায়ন করা হয়। তিনি ১ এপ্রিল মুমেক থেকে অব্যাহতি নিয়ে ঢামেকে যোগদানপত্র জমা দিলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করেনি।
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ২০২৪ সালে পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের পেডিয়াট্রিক্স বিভাগে কর্মরত ছিলেন। সে সময় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অংশগ্রহণ ও অর্থ সহায়তার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে ১৮ জুলাই তাকে অধ্যাপক পদ থেকে পদাবনতি দিয়ে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে রাঙামাটি মেডিকেল কলেজে বদলি করা হয়। তবে ব্যাপক সমালোচনার মুখে ১১ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার সেই আদেশ বাতিল করে।
চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি তিনি মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় চিকিৎসকদের সর্ববৃহৎ সুপারনিউমারারি পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি, যার ধারাবাহিকতায় তাকে অধ্যক্ষ করা হয়।
অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর কলেজটির দীর্ঘদিনের আর্থিক জটিলতা নিরসনে ভূমিকা রাখেন তিনি। বকেয়া বেতন পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য ডোনেশনের মাধ্যমে একটি বাস সংগ্রহের সিদ্ধান্তও নেন।
তবে কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই মাত্র দুই মাস ২০ দিনের মাথায় তাকে অধ্যক্ষের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে ঢামেকে যোগদান আটকে রেখে তাকে আবারও ওএসডি করা হয়।
সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পার-১ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এ সংক্রান্ত আদেশে স্বাক্ষর করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০১১ ও ২০১৩ সালে পদোন্ননা থেকে বঞ্চিত হন অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান। পরবর্তীতে ২০২১ সালে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেলেও একদিনের মধ্যেই সেই আদেশ বাতিল করা হয়।
জাতীয়
বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমান
বিশ্বখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের ২০২৬ সালের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তিত্বের তালিকায় জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার দল বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তারেক রহমান।
জাতীয়
সেনাপ্রধানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সেনাসদরে সেনাপ্রধানের সঙ্গে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা শিল্প ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সহযোগিতার বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
জাতীয়
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্রয়োজন
জ্বালানি খাতে চলমান সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কাছে বাংলাদেশের জন্য ২ বিলিয়ন ডলারের সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে সংসদ সচিবালয় থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেক) প্লাস সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, জ্বালানি নিরাপত্তা ও সংকট মোকাবিলায় এই অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।
সম্মেলনে অংশ নেওয়া দেশগুলো ভবিষ্যতে যৌথভাবে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কাজ করার বিষয়ে একমত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি-এর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই ভার্চুয়াল সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানরা অংশ নেন। এতে ভারত, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ অংশ নেয়।
এছাড়া আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক থেকেও প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেন।
এদিকে সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এতে তেলের চাহিদা ও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে পেট্রল ও অকটেন বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় কিছু এলাকায় সরবরাহ ব্যবস্থায় সাময়িক চাপের কথাও জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এখন অত্যন্ত জরুরি।
জাতীয়
পুলিশ সংস্কারে সহায়তার আশ্বাস যুক্তরাজ্যের
বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ায় অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে নবনিযুক্ত ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহের কথা জানান ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক।
সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার নবনিযুক্ত আইজিপিকে অভিনন্দন জানান। সৌহার্দপূর্ণ এই বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন, অনিয়মিত মাইগ্রেশন, মানব পাচার, মানি লন্ডারিং, ভিসা জালিয়াতি এবং ভুয়া দলিলাদি যাচাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রস্তাব দেন তিনি। এ ছাড়া বাংলাদেশ পুলিশের সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়েও আলোচনা হয়।
আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির যুক্তরাজ্যের এই সহযোগিতার আগ্রহকে স্বাগত জানান। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সংস্কারে গৃহীত স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়ে হাইকমিশনারকে জানান।
আইজিপি বলেন, পুলিশের পেশাদারিত্ব ও সক্ষমতা বাড়াতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



