জাতীয়
প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্য উপদেষ্টারা কে কোথায় ভোট দেবেন?
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বলে মনে করছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামীকাল (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদের ওপর অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে তার ভোট প্রদান করবেন।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদয়ন হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। একই এলাকায় অবস্থিত ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেবেন শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সিআর আবরার।
সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ রাজধানীর মিরপুর-১২ নম্বর এলাকার ই ব্লকের একটি কেন্দ্রে ভোট দেবেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার শ্যামলী শিশু মেলার কাছের একটি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন মহাখালী ডিওএইচএস এলাকার একটি স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেবেন। ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টর প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম চট্টগ্রাম মহানগরীর মেহেদীবাগ এলাকায় নিজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। তবে ধর্ম উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেন, যিনি চট্টগ্রামের ভোটার, জরুরি কাজের কারণে ঢাকায় অবস্থান করায় এবার ভোটকেন্দ্রে যেতে নাও পারেন বলে জানিয়েছেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান গুলশান-২ এর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। আর বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ধানমন্ডির একটি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারা দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
এমএন
জাতীয়
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস নিয়োগ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পার-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সনজীদা শরমিন। জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ইউরোলজি) অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) পদে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) পদে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হলো।
এমএন
জাতীয়
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে মন্ত্রিসভার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন
ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্য সংকটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক অবস্থায় টালমাটাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ৭ সদস্যবিশিষ্ট উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে।
সোমবার (৯ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে গঠিত এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং খাদ্যমন্ত্রী।
এ কমিটির কার্যপরিধির ও দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিরূপণ করা। পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সংকট ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনে কমিটি অতিরিক্ত সদস্য অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করতে পারবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সভা অনুষ্ঠিত হবে। অর্থ বিভাগ এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।
এমএন
জাতীয়
চাঁদপুরে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্টের বিশেষ মহড়া
অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্প ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো জরুরি মুহূর্তে জীবন ও সম্পদ রক্ষায় জনসচেতনতা বাড়াতে চাঁদপুরে এক বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহড়ায় ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স এবং রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবীরা যৌথভাবে আত্মরক্ষামূলক বিভিন্ন কলাকৌশল প্রদর্শন করেন এই মহড়ায়।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে চাঁদপুর শহরের হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই মহড়ার আয়োজন করা হয়।
মহড়ার একটি অংশে প্রতীকীভাবে দেখানো হয়—ভয়াবহ আগুনের কুণ্ডলীর মাঝে আটকা পড়ে একজন ব্যক্তি অচেতন হয়ে পড়েছেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন। এছাড়া বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে আটকা পড়া মানুষদের নিরাপদে নামিয়ে আনার কৌশলও প্রদর্শন করা হয়।
বাস্তবে এমন কোনো ঘটনা না ঘটলেও মহড়ার এই দৃশ্য দেখতে সেখানে জড়ো হন শত শত মানুষ। প্রথমে অনেকেই ভেবেছিলেন সত্যি সত্যিই হয়তো কোনো দুর্ঘটনা ঘটেছে, যে কারণে ফায়ার সার্ভিস ও স্বেচ্ছাসেবীদের এত দৌড়ঝাঁপ।
মূলত ভূমিকম্প, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা আগুন লাগার মতো ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো কীভাবে কাজ করে, সেটিই এই মহড়ার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। মহড়ায় সরকারের বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও অংশ নেয়। শুধু মহড়া নয়, সেখানে দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার জন্য বিভিন্ন সরঞ্জামও প্রদর্শন করা হয়।
এ ধরনের মানবিক কাজে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজেদের দায়বদ্ধতার কথা জানান সংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে, উপস্থিত দর্শনার্থীরা জানান, এই মহড়া থেকে দুর্যোগ মোকাবিলার অনেক কিছু শেখার আছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. এরশাদ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা জাহিদ হাসান, চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী এবং ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স চাঁদপুরের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ প্রমুখ।
এমএন
জাতীয়
সংবিধান মেনেই এসেছি, সংবিধান মেনেই এগিয়ে যাবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বর্তমান সরকার গঠনসহ অন্যান্য যাবতীয় কার্যক্রম সংবিধান মেনেই পরিচালনা হচ্ছে বলে দৃঢ়ভাবে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম আয়োজিত ‘গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার সুরক্ষা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের প্রতি আইনজীবী সমাজের প্রত্যাশা শীর্ষক’আলোচনা সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জামায়াত বলছে, আলাদা শপথ নিতে হবে। এসব কথা গায়ের জোরে বলছে। আমরা এখানে সংবিধান মেনেই এসেছি, এখনো মানছি। সংবিধান মেনেই সামনে এগিয়ে যাবো।
তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদের প্রতি আমরা শতভাগ অঙ্গীকারাবদ্ধ, আমরা তা বাস্তবায়ন করবো।
সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা সমালোচনা করছে তারা কয়দিন আগেও নির্বাচনের পর সুবিধা বোঝে নোক্তা লাগিয়ে স্বাক্ষর করেছে।
এমএন
জাতীয়
সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য: প্রধানমন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন,সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। তিনি জনগণকে আশ্বাস দিয়ে বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী ও ক্ষমতায়ন করতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে। সরকার পর্যায়ক্রমে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে চার কোটি পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগামী মাসের মধ্যেই ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করা হবে। একই সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতিতে ধৈর্যের সঙ্গে দেশবাসীকে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার আহ্বান জানান তিনি।
সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে রাজধানীর কড়াইল ও ভাসানটেক বাগানবাড়ি বস্তি, রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরসহ দেশের মোট ১৪টি স্থানে ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
এই কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত নারীরা প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। তবে এই সময় তারা অন্য কোনো ভাতা বা সরকারি সুবিধা পাবেন না। তবে পরিবারের অন্য কেউ কোনো সরকারি সুবিধা পেয়ে থাকলে তা বহাল থাকবে।
পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ জন্য ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বর্তমানে এই কর্মসূচিটি রাজধানীর কড়াইল বস্তি, ভাসানটেক বাগানবাড়ি বস্তি, রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর, বান্দরবানের লামা, খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাসন, সুনামগঞ্জের দিরাই, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, বগুড়া সদর, নাটোরের লালপুর, ঠাকুরগাঁও সদর এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ এ বাস্তবায়িত হচ্ছে।
ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটির সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, ব্যবহৃত গৃহস্থালিসামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার ও মোবাইল) এবং রেমিট্যান্স প্রবাহসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে এসব তথ্য ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয় বলে জানান তিনি।
পাইলট পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এরপর সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাইয়ের পর ৪৭ হাজার ৭৭৭টি সঠিক পাওয়া যায়। এরপর একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা নেওয়া, সরকারি চাকরি বা পেনশনভোগী হওয়া ইত্যাদি বিবেচনায় চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন পরিবারের নারীপ্রধানকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।
সরকারের দাবি, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাবে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
এমএন




