জাতীয়
বিদায়বেলায় উপদেষ্টারা, সাফল্যের মূল্যায়নে কে কত নম্বর দিলেন
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের ওপর গণভোট। এই নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হবে এবং বিদায় নেবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। দেড় বছরের দায়িত্ব পালন শেষে নিজেদের সাফল্য, ব্যর্থতা এবং কাজের মূল্যায়ন করতে গিয়ে তারা ১০০ নম্বরের মধ্যে নিজেদের বিভিন্ন নম্বর দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা নিজেদের কর্মকাণ্ডের ব্যাখ্যা দেন। এর মধ্যে তিনজন উপদেষ্টা নিজেদের কাজের মূল্যায়নে ৭০ থেকে সর্বোচ্চ ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত নম্বর দিয়েছেন। তবে কেউই নিজেকে শতভাগ সফল বলে দাবি করেননি। এছাড়া অন্যান্য উপদেষ্টারাও নানা বিষয় তুলে ধরেছেন।
নিজেকে ৭০ বা ৮০-এর বেশি দিতে রাজি নই : অর্থ উপদেষ্টা
নিজের মূল্যায়নে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি খুব প্র্যাগমেটিক মানুষ। নিজেকে ১০০ নম্বর কেন দেব? আমাদের অনেক ইচ্ছা ছিল, অনেক কাজ শুরু করেছি, কিন্তু সব শেষ করে যেতে পারিনি। সে কারণেই আমি নিজেকে ৭০ বা ৮০-এর বেশি দিতে রাজি নই।
তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সময়ে অর্থনীতি পরিচালনা করা সহজ ছিল না। কাঠামোগত দুর্বলতা, প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা এবং দীর্ঘদিনের অনিয়মের কারণে অনেক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সময় লেগেছে।
৩০ শতাংশ হয়তো আরও ভালো হতে পারত, কিন্তু হয়নি : নৌপরিবহন উপদেষ্টা
নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সাফল্যের শতাংশ আমি মেবি (সম্ভবত) ৭০ শতাংশ দেব। এটা আমার মূল্যায়ন। ৩০ শতাংশ হয়তো আরও ভালো হতে পারত, কিন্তু হয়নি। হয়নি বিভিন্ন কারণে, নানাবিধ কারণে।
দেশের অস্থির সময়ে পুলিশের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি জানান, এত বড় প্রতিবাদ ও আন্দোলনের মুখেও পুলিশ কোনো আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেনি। এমনকি লাঠিচার্জের ক্ষেত্রেও তারা যথেষ্ট সংবরণ দেখিয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, লাঠি মারলে লোকে বলে পুলিশ লাঠি মারছে, আর রাইফেল তো কথাই নেই; রাইফেল তো বলতে গেলে আনইউজড (অব্যবহৃত)।
বিপ্লবের পর অনেক দেশ বছরের পর বছর অনিশ্চয়তা ও গৃহযুদ্ধের (সিভিল ওয়ার) মধ্যে কাটিয়েছে। সেই তুলনায় বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত শান্তিপ্রিয় এবং সুশৃঙ্খল বলেও মনে করেন তিনি।
প্রশাসনিক জটিলতা ও জনবল সংকটে শতভাগ সফল হতে পারিনি : ধর্ম উপদেষ্টা
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, আমি ৯৫ শতাংশ সফল হয়েছি। আমার মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ডে অনেক অর্গান আছে, অনুদান শাখা আছে। অনুদান শাখার মাধ্যমে দেশের মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, কবরস্থান এবং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মীয় জাতিগোষ্ঠীকে প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হয়েছে।
নিজের সফলতার খতিয়ান তুলে ধরে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, প্রশাসনিক কিছু জটিলতা ও জনবল সংকটের কারণে আমি শতভাগ সফল হতে পারিনি। প্রশাসনিক কাজ একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। তবে আমরা ইতোমধ্যে শূন্যপদ পূরণে ছয়জন কর্মকর্তা নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আর কিছুদিন সময় পেলে ওয়াকফ প্রশাসনকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে এবং জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসতে পারতাম। ওয়াকফ সংক্রান্ত কাজগুলো বেশ জটিল, বিশেষ করে ভূমিসংক্রান্ত মামলার কারণে হাইকোর্টে বছরের পর বছর শুনানি ঝুলে থাকে।
জ্বালানি খাত ঘুরে দাঁড়াতে সময় ও বিনিয়োগ প্রয়োজন, কোনোটাই পাইনি : জ্বালানি উপদেষ্টা
জ্বালানি খান ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য সময় ও বিনিয়োগ প্রয়োজন। কিন্তু, এর কোনোটাই তিনি পাননি বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান।
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে এ খাতে দৃশ্যমান কিছু না করতে পারার ব্যর্থতা শিকার করে তিনি বলেন, জ্বালানি খাতকে ঘুরে দাঁড়াতে সময় ও বিনিয়োগ প্রয়োজন। তার কোনোটাই পাননি তিনি। তবে রাজনৈতিক সরকার নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে এ খাতকে ঢেলে সাজাতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ফাওজুল কবির খান বলেন, ভর্তুকি দিয়ে কোনো প্রকল্প হাতে নিতে চায়নি অন্তর্বর্তী সরকার। আদানি চুক্তি নির্বাচিত সরকারের হাত ধরে সমাধান হবে।
বিদায়ের সময় ভেতরের কথা নিয়ে তিক্ততা বাড়াতে চাই না : ভূমি উপদেষ্টা
সরকারের ভেতরে অন্যদের সমর্থন না পাওয়ায় ভূমি নিবন্ধন আইন মন্ত্রণালয় থেকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনতে পারেননি বলে জানিয়েছেন খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। এ বিষয়ে তিনি বলেন, বিদায়ের সময় ভেতরের কথা নিয়ে তিক্ততা বাড়াতে চাই না।
ভোগান্তি লাঘবে ভূমি নিবন্ধনকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার একটা প্রক্রিয়া ছিল। সেই বিষয়ে অগ্রগতি জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, আমি যখন বিদায় নিচ্ছি তখন ভেতরের কথা নিয়ে তিক্ততা বাড়াতে চাই না। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে এটাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। প্রধান উপদেষ্টা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু আমরা সফল হইনি।
কেন সফল হননি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের তো সমর্থন পেতে হবে, এটার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারের আরও যারা আছেন তাদের সমর্থন লাভ করতে পারিনি।
ভুলত্রুটি থাকলে ক্ষমা করবেন, আমাকে ভুলে যাবেন : বাণিজ্য উপদেষ্টা
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ইনশাআল্লাহ নতুন সরকার গঠন হওয়ার পরে সাথে সাথে আমি আমার কর্মজীবনে ফেরত যাব। আশা করি আপনারা আমাকে ভুলে যাবেন এবং মাফ করে দেবেন। আমি ভুলে থাকতে চাই। আমি কখনোই কোনো যোগাযোগ মাধ্যমে আসিনি আগে। আমি আবার চাই আপনাদের মাধ্যমে একটি স্বনির্বন্ধ অনুরোধ করতে চাই, শেষ অনুরোধ, যে আমাকে দয়া করে ভুলে যাবেন।
তিনি বলেন, গত দেড় বছর বিভিন্ন প্রশ্ন ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে সাংবাদিকরা তাকে জবাবদিহিতার মধ্যে রেখেছেন। এতে তার কাজের গতি যেমন বেড়েছে, তেমনি যেসব জায়গায় ভুল ছিল, সেগুলো সংশোধনের সুযোগও তৈরি হয়েছে।
‘সরকারে আসার সময় আমার তেমন কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। তবে চেষ্টার কোনো কমতি রাখিনি। আল্লাহর রহমতে সৎভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। কারও প্রতি বৈষম্য বা স্বজনপ্রীতি করিনি। সম্মিলিতভাবে আল্লাহ তায়ালা বরকত দিয়েছেন।’
এমএন
জাতীয়
মুমেক অধ্যক্ষকে ঢামেকে বদলি, যোগদানপত্র গ্রহণ না করে ১৩ দিন পর ওএসডি
মুগদা মেডিকেল কলেজের (মুমেক) সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোস্তাফিজুর রহমানকে বদলির পরও ১৩ দিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) যোগদান করতে দেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত গত সোমবার (১৪ এপ্রিল) তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়ে মাতুয়াইল শিশু ও মাতৃ-স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে গত ৩০ মার্চ এক আদেশে তাকে মুমেকের অধ্যক্ষ পদ থেকে সরিয়ে ঢামেকের পেডিয়াট্রিক্স বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে পদায়ন করা হয়। তিনি ১ এপ্রিল মুমেক থেকে অব্যাহতি নিয়ে ঢামেকে যোগদানপত্র জমা দিলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করেনি।
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ২০২৪ সালে পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের পেডিয়াট্রিক্স বিভাগে কর্মরত ছিলেন। সে সময় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অংশগ্রহণ ও অর্থ সহায়তার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে ১৮ জুলাই তাকে অধ্যাপক পদ থেকে পদাবনতি দিয়ে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে রাঙামাটি মেডিকেল কলেজে বদলি করা হয়। তবে ব্যাপক সমালোচনার মুখে ১১ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার সেই আদেশ বাতিল করে।
চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি তিনি মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় চিকিৎসকদের সর্ববৃহৎ সুপারনিউমারারি পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি, যার ধারাবাহিকতায় তাকে অধ্যক্ষ করা হয়।
অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর কলেজটির দীর্ঘদিনের আর্থিক জটিলতা নিরসনে ভূমিকা রাখেন তিনি। বকেয়া বেতন পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য ডোনেশনের মাধ্যমে একটি বাস সংগ্রহের সিদ্ধান্তও নেন।
তবে কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই মাত্র দুই মাস ২০ দিনের মাথায় তাকে অধ্যক্ষের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে ঢামেকে যোগদান আটকে রেখে তাকে আবারও ওএসডি করা হয়।
সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পার-১ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এ সংক্রান্ত আদেশে স্বাক্ষর করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০১১ ও ২০১৩ সালে পদোন্ননা থেকে বঞ্চিত হন অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান। পরবর্তীতে ২০২১ সালে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেলেও একদিনের মধ্যেই সেই আদেশ বাতিল করা হয়।
জাতীয়
বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তারেক রহমান
বিশ্বখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের ২০২৬ সালের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তিত্বের তালিকায় জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার দল বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তারেক রহমান।
জাতীয়
সেনাপ্রধানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সেনাসদরে সেনাপ্রধানের সঙ্গে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা শিল্প ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সহযোগিতার বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
জাতীয়
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্রয়োজন
জ্বালানি খাতে চলমান সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কাছে বাংলাদেশের জন্য ২ বিলিয়ন ডলারের সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে সংসদ সচিবালয় থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেক) প্লাস সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, জ্বালানি নিরাপত্তা ও সংকট মোকাবিলায় এই অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।
সম্মেলনে অংশ নেওয়া দেশগুলো ভবিষ্যতে যৌথভাবে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কাজ করার বিষয়ে একমত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি-এর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই ভার্চুয়াল সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানরা অংশ নেন। এতে ভারত, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ অংশ নেয়।
এছাড়া আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক থেকেও প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেন।
এদিকে সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এতে তেলের চাহিদা ও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে পেট্রল ও অকটেন বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় কিছু এলাকায় সরবরাহ ব্যবস্থায় সাময়িক চাপের কথাও জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এখন অত্যন্ত জরুরি।
জাতীয়
পুলিশ সংস্কারে সহায়তার আশ্বাস যুক্তরাজ্যের
বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ায় অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে নবনিযুক্ত ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহের কথা জানান ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক।
সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার নবনিযুক্ত আইজিপিকে অভিনন্দন জানান। সৌহার্দপূর্ণ এই বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন, অনিয়মিত মাইগ্রেশন, মানব পাচার, মানি লন্ডারিং, ভিসা জালিয়াতি এবং ভুয়া দলিলাদি যাচাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রস্তাব দেন তিনি। এ ছাড়া বাংলাদেশ পুলিশের সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়েও আলোচনা হয়।
আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির যুক্তরাজ্যের এই সহযোগিতার আগ্রহকে স্বাগত জানান। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সংস্কারে গৃহীত স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়ে হাইকমিশনারকে জানান।
আইজিপি বলেন, পুলিশের পেশাদারিত্ব ও সক্ষমতা বাড়াতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



