Connect with us

রাজনীতি

জামায়াত নেতা শফিকুর রহমান: যার সঙ্গে সবাই এখন দেখা করতে চায়

Published

on

সূচক

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অভাবনীয় পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। যে জামায়াতে ইসলামী ও তার শীর্ষ নেতাদের কিছুদিন আগেও দেশি অভিজাত শ্রেণি ও বিদেশি কূটনীতিকরা এড়িয়ে চলতেন, এখন তারাই দলটির সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে ভিড় করছেন। গত বুধবার দলের আমির শফিকুর রহমান একটি উচ্চাভিলাষী নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইশতেহারে মূল প্রতিশ্রুতি ছিল—দল ক্ষমতায় এলে ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ২ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার ভিত্তি তৈরি করা। রাজনীতিক ও কূটনীতিকদের সামনে দেওয়া বক্তব্যে ৬৭ বছর বয়সী শফিকুর রহমান বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি, শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অর্থনীতিবিদদের কেউ কেউ এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, ইশতেহারে স্লোগান বেশি, বিশদ পরিকল্পনা কম। বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত নেতৃত্বের কাছে ইশতেহার আর্থিক হিসাবের চেয়ে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার বিষয়েই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সমালোচকরা দীর্ঘদিন ধরে জামায়াতকে এমন একটি দল হিসেবে তুলে ধরেছেন, যারা ধর্মীয় মতাদর্শে এতটাই আবদ্ধ যে, একটি তরুণ, বৈচিত্র্যময় ও আধুনিক সমাজ পরিচালনায় তারা অক্ষম। কিন্তু নতুন ইশতেহারদলটিতে এমন একটি রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করছে, যারা ধর্মীয় পরিচয় ও আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার মধ্যে কোনও বিরোধ দেখছে না।

দলটির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ব্যক্তিদের তালিকাও ছিল সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ। কিছুদিন আগেও বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, অভিজাত শ্রেণি ও বিদেশি কূটনীতিকরা তাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে যোগাযোগ এড়িয়ে চলতেন, কিংবা গোপনে সীমিত যোগাযোগ রাখতেন। এখন তাদের সঙ্গে সে যোগাযোগ প্রকাশ্যেই হচ্ছে।

গত কয়েক মাসে ইউরোপীয়, পশ্চিমা এমনকি ভারতীয় কূটনীতিকরাও ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এক সময় যে নেতাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রায় ‘অস্পৃশ্য’ মনে করা হতো, সে নেতার সঙ্গেই এখন সবাই কথা বলতে চাইছেন। যে নেতার দল দুইবার নিষিদ্ধ হয়েছিল, সবশেষ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময়—তার সামনে আসন্ন নির্বাচন এমন একটি প্রশ্ন আসছে, যা এক বছর আগেও কেউ উচ্চারণ করতে সাহস করতেন না। আর তা হলো, শফিকুর রহমান কি বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন?

‘মানুষের জন্য লড়ব’

জামায়াতে ইসলামী ও দলের শীর্ষ নেতার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির এ পরিবর্তনের পেছনে বড় কারণ হলো বাংলাদেশের রাজনীতিতে তৈরি হওয়া শূন্যতা। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটায়নি, বরং দেশের রাজনৈতিক কাঠামোকেই নাড়িয়ে দেয়। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দীর্ঘদিনের দ্বিমুখী রাজনীতির কাঠামো কার্যত ভেঙে পড়ে।

আওয়ামী লীগ রাজনীতির মাঠ থেকে কার্যত উধাও হয়ে গেছে। বিএনপি একমাত্র বড় দল হিসেবে টিকে থাকায় অনেকেই ভেবেছিলেন ছাত্রদের নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) সে শূন্যতা পূরণ করবে। বাস্তবে সে জায়গা দখল করে নিয়েছে দীর্ঘদিন কোনঠাসা হয়ে থাকা জামায়াত।

নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াত এখন দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তির একটি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। কিছু জরিপে দলটি বিএনপির সঙ্গে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে। এ রূপান্তরের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান, বলছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

শফিকুর রহমান ২০১৯ সালে জামায়াতের নেতৃত্বে আসেন, তখন দলটি নিষিদ্ধ ছিল। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে মধ্যরাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় ‘জঙ্গিবাদে সহায়তার’ অভিযোগে। ১৫ মাস পর জামিনে মুক্তি পান তিনি। ২০২৫ সালের মার্চে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মামলার আসামির তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হয়।

এরপর থেকেই আবেগঘন কিন্তু হিসেবি জনসমাবেশে শফিকুর রহমান ব্যাপক আলোচনায় আসেন। গত জুলাইয়ে ঢাকার এক বিশাল সমাবেশে তীব্র গরমে দুবার মঞ্চে অসুস্থ হয়ে পড়লেও চিকিৎসকদের পরামর্শ উপেক্ষা করে বক্তব্য শেষ করেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘আল্লাহ যতদিন হায়াৎ দেবেন, ততদিন আমি মানুষের জন্য লড়ব। জামায়াত ক্ষমতায় এলে আমরা মালিক নয়, খাদেম হব। কোনও মন্ত্রী প্লট নেবে না, করমুক্ত গাড়ি নেবে না। চাঁদাবাজি হবে না, দুর্নীতি হবে না। তরুণদের স্পষ্ট করে বলতে চাই—আমরা তোমাদের সঙ্গেই আছি।’

জামায়াতের ভাবমূর্তি গড়ার চেষ্টা

সমর্থকদের কাছে শফিকুর রহমান একজন সহজপ্রাপ্য, নৈতিকতায় দৃঢ় নেতা—যিনি ঘরে থাকার চেয়ে বাইরে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পছন্দ করেন। টানা তৃতীয় মেয়াদে দলের আমির হিসেবে তিনি জামায়াতের ভেতরে দৃঢ় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন। তবে এখন তার চ্যালেঞ্জ শুধু নির্বাচন নয়, ভাবমূর্তি রক্ষারও।

দলে নতুন সমর্থকদের টানতে গিয়ে তিনি জামায়াতকে ধর্মীয় দল থেকে ‘সুশাসন, শৃঙ্খলা ও পরিবর্তনের বাহন’ হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছেন। এ পরিবর্তন কতটা বাস্তব আর কতটা কৌশলগত—সেটাই ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এ পুনর্গঠনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা ১৯৭১ সালের ভূমিকা। স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নেওয়া ও পরবর্তী যুদ্ধাপরাধ বিচারের বিষয়টি আজও দলটির পিছু ছাড়েনি।

ডা. শফিকুর রহমান সাম্প্রতিক সময়ে ‘অতীতের ভুল’ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন, তবে নির্দিষ্ট করে দায় স্বীকারের বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। দলটির সমর্থকদের মতে, এটি রাজনৈতিক বাস্তবতা, আর সমালোচকদের মতে এটি ইচ্ছাকৃত অস্পষ্টতা।

নারী নেতৃত্ব

জামায়াতের সীমাবদ্ধতা সবচেয়ে স্পষ্ট হয়েছে নারী নেতৃত্ব প্রসঙ্গে। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নারীর পক্ষে দলের শীর্ষ পদে থাকা সম্ভব নয়। আল্লাহ সবাইকে আলাদা স্বভাব দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। একজন পুরুষ সন্তান জন্ম দিতে বা বুকের দুধ খাওয়াতে পারে না। শারীরিক সীমাবদ্ধতা আছে।

তার এই বক্তব্য নতুন করে সমালোচনার জন্ম দেয়। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে নারীদের অগ্রণী ভূমিকার পর এমন অবস্থান জামায়াতের জন্য বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে। রাজনৈতিক ইতিহাসবিদ মহিউদ্দিন আহমদ বলেন, এটি নতুন কিছু নয়—জামায়াত কখনও সাধারণ আসনে নারী প্রার্থী দেয়নি।

‘দাদু’ শফিকুর

তরুণ সমর্থকদের কাছে এসব বিতর্কের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছেন শফিকুর রহমান নিজেই। প্রচারণায় তরুণদের অনেকেই তাকে ডাকছেন ‘দাদু’ বলে। চট্টগ্রামে আইনের এক তরুণ শিক্ষার্থী বলেন, ‘তিনি আমাদের সঙ্গে সম্মান দিয়ে কথা বলেন। অন্য নেতারা তরুণদের তুচ্ছ করেন, কিন্তু শফিকুর রহমান তা করেন না।’

সামনে কী অপেক্ষা করছে?

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত প্রথমবারের মতো একজন হিন্দু প্রার্থী দিয়েছে। বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে যোগাযোগও বাড়িয়েছে। ভারতীয় হাইকমিশনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছে। সবমিলিয়ে, নির্বাচনে জিতুক বা হারুক—বাংলাদেশের রাজনীতিতে ডা. শফিকুর রহমান এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম।

রাজনৈতিক ইতিহাসবিদ মহিউদ্দিন আহমদ মনে করেন, ‘তার রাজনৈতিক দর্শন এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়, কিন্তু দলের ওপর তার নিয়ন্ত্রণ নিঃসন্দেহে দৃঢ়।’

এমএন

শেয়ার করুন:-

রাজনীতি

রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা

Published

on

সূচক

বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিতে আজ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজধানী ঢাকায় বৈশাখী শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের ব্যানারে এই শোভাযাত্রাটি করা হয়। এটি প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নারী, শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের ও পেশার মানুষ অংশ নেন এই শোভাযাত্রায়। দেশীয় সংস্কৃতির নানা উপাদান যেমন, মাছ ধরার পলো, ঢেঁকি, খেওয়া জাল ও কুলার উপস্থিতি ছিল এতে। বাঙালিয়ানার সাজ-পোশাকে চোখে পড়ার মতো উপস্থিতি ছিল শিশুদের। দেশাত্মবোধক, জারি, সারি ও ভাটিয়ালি গানে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শোভাযাত্রার আগে একটি সমাবেশ হয়। এ সময় বক্তারা বলেন, দেশীয় সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। পশ্চিমা ও বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

হারানো সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বক্তারা। পাশাপাশি বাঙালির প্রকৃত চেতনা জাগ্রত করার কথাও বলেন তারা। তবে সমাবেশে এমন সংস্কৃতি থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানানো হয়, যা ইমান ও আকিদার ক্ষতি করে বা ইসলামী শরিয়ার বিরুদ্ধে যায়।

শোভাযাত্রায় জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ রাজধানীর নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

মান্ডায় জামায়াতের উদ্যোগে ১৮ শিশুর বিনামূল্যে সুন্নাতে খতনা সম্পন্ন

Published

on

সূচক

রাজধানীর মুগদায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ১৮ জন শিশুর বিনামূল্যে সুন্নাতে খতনা সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ৯টায় ৭২ নম্বর ওয়ার্ডের মান্ডা এলাকায় মুগদা পূর্ব থানা জামায়াতের কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সুন্নাহ অনুসরণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুগদা পূর্ব থানা আমির ও কাশবন ওয়েলফেয়ার সোসাইটির চেয়ারম্যান মাওলানা ইসহাক। তিনি আগামী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৭২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা ইসহাক বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে ইসলামের সৌন্দর্য ও নবীদের সুন্নাহর কোনো বিকল্প নেই। মানুষের কল্যাণের লক্ষ্যেই জামায়াতে ইসলামী যাবতীয় মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

থানা সেক্রেটারি প্রভাষক ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য ওসামা মুন্সি সুরুজ, শহীদুল ইসলাম শহীদ ও মুজিবুর রহমানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

খতনা শেষে শিশুদের সুস্বাস্থ্য কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

গণভোটের রায় না মানলে সংকটে পড়বে দেশ : শিশির মনির

Published

on

সূচক

গণভোটের ফলাফল মেনে নিয়ে দ্রুত সংবিধান সংস্কার সভার (কনস্টিটিউশনাল রিফর্ম অ্যাসেম্বলি) অধিবেশন ডাকার আহ্বান জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে দেশ নতুন করে সাংবিধানিক ও অনাস্থার সংকটে পড়বে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইডিবি) মিলনায়তনে এক জাতীয় সেমিনারে কিনোট পেপার উপস্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন। ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার : সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্য।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে শিশির মনির বলেন, জগতে কোথাও কি শুনেছেন গণঅভ্যুত্থান সংবিধান মেনে হয়? সংবিধান মেনে তো অভ্যুত্থান হয় না, এটি হয় সংবিধানের বাইরে থেকে। এখন এই রাজনৈতিক বিষয়টিকে আদালতের সাবজেক্ট ম্যাটারে পরিণত করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, আগামী ১৯ তারিখ আদালত খুলবে। আমরা আশা করছি আদালত খোলার পর সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশের প্রশ্নটি উত্থাপিত হবে। যদি বাংলাদেশের আদালত তার মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারে, তবে এই ক্ষেত্রে তাদের উচিত হবে সরকারের বিরুদ্ধে রায় দেওয়া।

সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে এই আইনজীবী বলেন, গণভোটের রেজাল্ট মেনে নিয়ে ১৮০ দিনের জন্য সংবিধান সংস্কার সভার অধিবেশন ডাকতে হবে। এরপর উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ—এই দুই ভাগে পার্লামেন্ট বিভক্ত হয়ে যাওয়ার কথা। উচ্চকক্ষ গঠিত হওয়ার কথা ১০০ জনকে নিয়ে, যেখানে ভোটের সংখ্যানুপাতে দলগুলো আসন পাবে। এই কর্মকাণ্ড যদি আপনারা প্রদর্শন না করেন, তবে তা হবে ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়।

তিনি বলেন, আমি সুইজারল্যান্ড থেকে শ্রীলঙ্কা পর্যন্ত ২৬টি দেশের নজির সংগ্রহ করেছি। দুনিয়ার ইতিহাসে এমন একটা উদাহরণ নেই, যেখানে মানুষ গণভোটের রায় দিয়েছে আর সরকার তা মানেনি।

আদালত ও রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমরা রাজনৈতিকভাবে প্রবর্তন করেছিলাম। সেটাকে কোর্টে নিয়ে গিয়ে ‘অসাংবিধানিক’ বলা হলো। ফলে ১৭ বছর দেশে আগুন জ্বলল। এখন আবার কোর্ট বলছেন, সেটা সাংবিধানিক। রাজনৈতিক প্রশ্নের সমাধান যখন কোর্টে খোঁজা হয়, তখন সংকট আরও বাড়ে।

‘থুতু নিজের গায়েই পড়বে’— এমন মন্তব্য করে সরকারের উদ্দেশ্যে শিশির মনির বলেন, মিসাইল ছুড়লে তার নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে হয়। তা না হলে সেই মিসাইল কার বাড়িতে গিয়ে পড়বে, কোনো শিশু বা নারীকে হত্যা করবে, তার ঠিক থাকে না। আপনারা ওপর দিকে চেয়ে থুতু দিচ্ছেন, অপেক্ষা করেন, কয়দিন পর এই থুতু ঘুরে আপনাদের নিজেদের গায়েই পড়বে।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

জাতীয়তাবাদী পুলিশ বাহিনী গঠনের চেষ্টা করছে বিএনপি

Published

on

সূচক

বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, শেখ হাসিনার সময়ে পুলিশ ধীরে ধীরে ‘পুলিশ লীগে’ পরিণত হয়েছিল। এখন বিএনপি সেই বাহিনীকে ‘জাতীয়তাবাদী পুলিশ বাহিনী’ বানানোর চেষ্টা করছে। তা না হলে তারা কেন পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠন করছে না? পুলিশ অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন করছে না কেন?

রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই শহীদ ও জুলাই যোদ্ধাদের বিএনপি নানা ভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। আমরা স্পষ্ট করে বলেছি, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে, কথা বলার স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে এবং বৈষম্য দূর করতে হবে। আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দুর্নীতি-লুটপাটের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর দেশ পিছিয়ে যাচ্ছে এবং পুরোনো ধারায় ফিরে যাচ্ছে। জুলাই যোদ্ধাদের নাম ব্যবহার করে সরকার তাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করছে। কখনো একাত্তরের চেতনা, আবার কখনো জুলাই আন্দোলনের নাম ব্যবহার করা হচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে তারা এসব আদর্শ ধারণ করে না।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, বিএনপি দাবি করছে তারা জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে, কিন্তু বাস্তবে তারা সেটিকে কলুষিত করেছে। শেখ হাসিনার আমলে বিচার বিভাগ যেভাবে দলীয়করণ হয়েছিল, বর্তমান সরকারও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বিচারপতিদের নিরপেক্ষ নিয়োগের যে অধ্যাদেশ ছিল, সেটিও বাতিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানের দলীয়করণের মাধ্যমে দেশে স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেগুলোই আবার বহাল রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, সংস্কারের কথা বলা হলেও তা বাস্তবে ধারণ করা হচ্ছে না।

তিনি বলেন, প্রকৃত সংস্কার ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের লক্ষ্যে আবারও আন্দোলনে নামতে হচ্ছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

ফ্যাসিবাদ কায়েমের ইঙ্গিত দিচ্ছে সরকারঃ জামায়াত আমির

Published

on

সূচক

নতুন করে ফ্যাসিবাদ কায়েমের সুযোগ দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আবারও ফ্যাসিবাদ কায়েমের ইঙ্গিত দিচ্ছে সরকার। তবে নতুন করে সেই সুযোগ দেওয়া হবে না। জুলাই জাদুঘর জনগণের, কিন্তু সেটাকেও তারা দলীয়করণের পথে নিয়ে গেছে।

রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

জামায়াত আমির বলেন, যতদিন সংসদে লড়াই করতে পারবো ততদিন থাকবো, এর বাইরে এক সেকেন্ডও নয়। রাজপথই আমাদের মূল ঠিকানা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে বিএনপি জাতির সঙ্গে ধোঁকাবাজি ও গাদ্দারি করেছে অভিযোগ করে জামায়াত আমির বলেন, ক্রিকেট বোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা পরিষদ—সব জায়গায় ক্যু করছে বিএনপি। এই অবৈধ হস্তক্ষেপ গণতান্ত্রিক পথসমূহ আবারও রুদ্ধ করছে। সরকারের এই অবৈধ হস্তক্ষেপ মানা হবে না; জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মোকাবেলা করা হবে।

অন্যদিকে, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। এবারের আন্দোলনে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা সামনে সারিতে থাকবেন। যদি বুলেট ছোড়া হয়, সেই বুলেট আগে আমাদের বুক ভেদ করবে। তবে এবার অর্ধেক সফলতা নয়; পরিপূর্ণ সফলতার জন্য রাজপথে নামবো।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার19 minutes ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ৩০৫ শেয়ারদর

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন প্রথম দেড় ঘণ্টায়...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার29 minutes ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না সাফকো স্পিনিং

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সাফকো স্পিনিং মিলস লিমিটেড শেয়ার দর ও লেনদেনের অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির কারণ জানে না বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার39 minutes ago

প্রিমিয়ার সিমেন্টের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস পিএলসির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার47 minutes ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ১৯ এপ্রিল দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে কোম্পানিটির পর্ষদ...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার2 days ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো এসকোয়ার নিট

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এসকোয়ার নিট কম্পোজিট পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২০ এপ্রিল বিকাল ৪টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার2 days ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ইউনিলিভার কনজিউমার

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২০ এপ্রিল বিকাল ৪টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার2 days ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পিপলস ইন্স্যুরেন্স

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পিপলস ইন্স্যুরেন্স পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২৩ এপ্রিল বিকাল ৩টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
সূচক
জাতীয়52 seconds ago

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সূচক
পুঁজিবাজার19 minutes ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ৩০৫ শেয়ারদর

সূচক
পুঁজিবাজার29 minutes ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না সাফকো স্পিনিং

সূচক
পুঁজিবাজার39 minutes ago

প্রিমিয়ার সিমেন্টের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সূচক
পুঁজিবাজার47 minutes ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স

সূচক
অর্থনীতি53 minutes ago

দেশের বাজারে ফের বাড়ল সোনা ও রুপার দাম

সূচক
জাতীয়16 hours ago

মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

সূচক
ধর্ম ও জীবন16 hours ago

দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিদ্যমান

সূচক
আন্তর্জাতিক17 hours ago

কমলো তেলের দাম

সূচক
জাতীয়17 hours ago

জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করব: প্রধানমন্ত্রী

সূচক
জাতীয়52 seconds ago

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সূচক
পুঁজিবাজার19 minutes ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ৩০৫ শেয়ারদর

সূচক
পুঁজিবাজার29 minutes ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না সাফকো স্পিনিং

সূচক
পুঁজিবাজার39 minutes ago

প্রিমিয়ার সিমেন্টের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সূচক
পুঁজিবাজার47 minutes ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স

সূচক
অর্থনীতি53 minutes ago

দেশের বাজারে ফের বাড়ল সোনা ও রুপার দাম

সূচক
জাতীয়16 hours ago

মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

সূচক
ধর্ম ও জীবন16 hours ago

দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিদ্যমান

সূচক
আন্তর্জাতিক17 hours ago

কমলো তেলের দাম

সূচক
জাতীয়17 hours ago

জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করব: প্রধানমন্ত্রী

সূচক
জাতীয়52 seconds ago

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সূচক
পুঁজিবাজার19 minutes ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ৩০৫ শেয়ারদর

সূচক
পুঁজিবাজার29 minutes ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না সাফকো স্পিনিং

সূচক
পুঁজিবাজার39 minutes ago

প্রিমিয়ার সিমেন্টের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সূচক
পুঁজিবাজার47 minutes ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স

সূচক
অর্থনীতি53 minutes ago

দেশের বাজারে ফের বাড়ল সোনা ও রুপার দাম

সূচক
জাতীয়16 hours ago

মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

সূচক
ধর্ম ও জীবন16 hours ago

দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিদ্যমান

সূচক
আন্তর্জাতিক17 hours ago

কমলো তেলের দাম

সূচক
জাতীয়17 hours ago

জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করব: প্রধানমন্ত্রী