পুঁজিবাজার
সময়মতো ব্যবসা শুরু না করায় এক ব্রোকারেজ হাউসের সনদ বাতিল
পুঁজিবাজারে শেয়ার লেনদেনের অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠান এসকিউ ব্রোকারেজ হাউসের সনদ বাতিল করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। নিয়ম অনুযায়ী, সনদ নেওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবসা শুরু করতে না পারায় প্রতিষ্ঠানটির নিবন্ধন সনদ বাতিল করা হয়েছে। ডিএসই থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, নিবন্ধন সনদ বাতিল হওয়ায় এখন আর পুঁজিবাজারে লেনদেনের কোনো বৈধতা নেই প্রতিষ্ঠানটির। এ কারণে এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনো ধরনের শেয়ার লেনদেন–সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রমে যুক্ত না থাকার বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের সতর্কতার অংশ হিসেবে এ সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে ডিএসইর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এরই মধ্যে কোনো বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে লেনদেন করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণসহ এ বিষয়ে স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে যোগাযোগ করতে।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় শেয়ারবাজারে শেয়ার লেনদেনের জন্য ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট বা ট্রেক সনদ নেয় এসকিউ ব্রোকারেজ হাউস। শেয়ারবাজারে ট্রেক সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো ‘ব্রোকারেজ হাউস’ নামে পরিচিত। রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটিকে স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলারের সনদ দেয় তৎকালীন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর মধ্যে স্টক ব্রোকার সনদ হচ্ছে শেয়ারবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ার লেনদেন সুবিধা–সংক্রান্ত ব্যবসার অনুমোদন। আর স্টক ডিলার সনদ দেওয়া হয় প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব বিনিয়োগ ও ব্যবসার জন্য।
নিয়ম অনুযায়ী, এই সনদ প্রাপ্তির নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটিকে ব্যবসা শুরু করতে হয়। কিন্তু কয়েক দফা সময় বাড়ানোর পরও প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসা শুরু করতে পারেনি বলে ডিএসই জানিয়েছে। এ অবস্থায় ডিএসইর পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে ব্যবসা শুরুর তাগিদও দেওয়া হয় কয়েক দফায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসা শুরু করতে পারেনি। সর্বশেষ প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে সনদ বাতিলের আবেদন করা হলে ডিএসই প্রতিষ্ঠানটির ব্রোকারেজ সনদ বাতিল করে।
আরও জানা যায়, এ প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় ছিলেন কুমিল্লা থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগদলীয় একজন সংসদ সদস্য। ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাই প্রতিষ্ঠানটি এ ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এ কারণে নিজেরা সনদ বাতিলের আবেদন করে। তার ভিত্তিতে সনদ বাতিল হয়-জানিয়েছে গণমাধ্যম।
এমকে
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৪৭ কোটি টাকার
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩৮টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৪৭ কোটি ৫১ লাখ ০৬ হাজার টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) কোম্পানিগুলোর মোট ১ কোটি ৩০ লাখ ১৪ হাজার ১৯৪ টি শেয়ার ৮১ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৪৭ কোটি ৫১ লাখ ০৬ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি রেনাটার ১১ কোটি ৩১ লাখ ৬৭ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে ডমিনেজ স্টিলের ৬ কোটি ৬৮ লাখ ৬২ হাজার টাকার ও তৃতীয় স্থানে জিকিউ বলপেনের ৪ কোটি ৯৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দরপতনের শীর্ষে আরামিট সিমেন্ট
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে আরামিট সিমেন্ট লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) ডিএসইতে সর্বোচ্চ আরামিট সিমেন্ট লিমিটেডের শেয়ার দর ৩ পয়সা বা ৪ দশমিক ৯১ শতাংশ কমেছে। এর ফলে কোম্পানিটি দরপতনের শীর্ষে অবস্থান করেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল ব্যাংক এশিয়া পিএলসি। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৩ দশমিক ১৮ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা সি এ পি এম বিডিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ানের শেয়ার দর ৩ দশমিক ০৩ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- এটলাস বাংলাদেশের ২.৯৫ শতাংশ, কেডিএস এক্সেসরিজের ২.৪৩ শতাংশ, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের ২.৪১ শতাংশ, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগের ২.৪১ শতাংশ, জিল বাংলা সুগার মিলসের ২.৩৮ শতাংশ, রহিম টেক্সটাইলের ২.১৫ শতাংশ এবং ন্যাশনাল ব্যাংকের ২.১৩ শতাংশ দর কমেছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধি শীর্ষে কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৩টি কোম্পানির মধ্যে ২৩৯টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) ডিএসইতে সর্বোচ্চ কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ার দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২ টাকা ১ পয়সা বা ১০ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে মীর আক্তার হোসেন লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা ন্যাশনাল পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- ফিনিক্স ফাইন্যান্স ফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ৯.৫২ শতাংশ, নাহি অ্যালুমিনিয়াম কোম্পোসাইট প্যানেলের ৮.৪৯ শতাংশ, গোল্ডেন সনের ৭.৮৬ শতাংশ, শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ৭.৪১ শতাংশ, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের ৭.৩২ শতাংশ, ইফাদ অটোস পিএলসির ৬.৯১ শতাংশ ও পাইওনিয়ার ইন্সুরেন্স পিএলসির ৬.৭৪ শতাংশ শেয়ার দর বেড়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে খান ব্রাদার্স পি.পি. ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) ডিএসইতে সবোর্চ্চ খান ব্রাদার্স পি.পি. ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ৩৬ কোটি ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি লেনদেনের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে।
এদিন লেনদেনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল সিটি ব্যাংক পিএলসি। কোম্পানিটির ২৫ কোটি ০৪ লাখ ০৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ২০ কোটি ২২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে একমি পেস্টিসাইড লিমিটেড।
এছাড়াও, ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম, মীর আক্তার হোসেন, গোল্ডেন সন, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস, বিবিএস ক্যাবলস পিএলসি ও পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স পিএলসি।
এমএন
পুঁজিবাজার
সূচকের উত্থানে লেনদেন ৮৩৬ কোটি টাকা
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৩৯টি কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। টাকার অংকে লেনদেনের পরিমান বেড়ে ৮৩৬ কোটি ছাড়িয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ২৪ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৫৪ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ৮ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট বেড়ে ১০৬৬ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৩ দশমিক ১৬ পয়েন্ট বেড়ে ১৯৮৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ ডিএসইতে ৮৩৬ কোটি ৪৮ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৭৯৩ কোটি ৪২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২৩৯টি কোম্পানির, বিপরীতে ৯০টি কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৬৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এমএন



