ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক হলেন ওয়াহেদুজ্জামান সরদার
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক (গবেষণা) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন একই বিভাগে কর্মরত অতিরিক্ত পরিচালক মো. ওয়াহেদুজ্জামান সরদার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিউম্যান রিসোর্সেস ডিপার্টমেন্ট-১ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
ওয়াহেদুজ্জামান সরদার ২০০১ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা বিভাগে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। এরপর ২০০৫ সাল পর্যন্ত গবেষণা বিভাগে কর্মরত থাকাকালীন অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি উপ-বিভাগ ও ইসলামী অর্থনীতি উপ-বিভাগে কৃষি ও পল্লী ঋণ, মূল্যস্ফীতি এবং ইসলামী ব্যাংকিং বিষয়ে কাজ করেন।
২০০৫ সালে তিনি মনিটারি পলিসি ডিপার্টমেন্টে বদলি হন। দীর্ঘ ১৮ বছর তিনি ওপেন মার্কেট অপারেশন ও ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং-এ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এছাড়া অর্থনীতি ও ফাইন্যান্সের বিভিন্ন বিষয় তথা জিডিপি, মুদ্রানীতি, ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ, রেমিট্যান্স, ইসলামী অর্থনীতি, ক্ষুদ্রঋণ, কৃষি ঋণ, মোবাইল ব্যাংকিং বিষয়ে তার ১৫টি প্রবন্ধ দেশি ও বিদেশি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি সঞ্চয়পত্র ক্রেতাদের আর্থসামাজিক অবস্থা, কৃষিঋণ, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ভোক্তাঋণের উপর পরিচালিত গবেষণা কর্মে যুক্ত থেকে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নগদে নিযুক্ত প্রশাসকের নির্বাহী পরিচালক পদে পদোন্নতি
দেশের অন্যতম সেরা মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বরত মো. মোতাছিম বিল্লাহ বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ নিয়মিত পদ নির্বাহী পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার তাকে এ পদে পদোন্নতি প্রদান করে দাপ্তরিক নির্দেশনা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। মোতাছিম বিল্লাহ বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম অফিসে ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত অবস্থায় ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নগদের প্রশাসক পদে নিয়োগ পান।
মো. মোতাছিম বিল্লাহ বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৯৯৯ সালে সহকারি পরিচালক পদে কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ ২৭ বছরের কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ, সেন্ট্রাল ব্যাংক স্ট্রেনদেনিং প্রজেক্ট, ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট, ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন ও পেমেন্ট সিস্টেমস্ ডিপার্টমেন্টে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। প্রথম দেশীয় কার্ড স্কিম টাকাপে, এনপিএসবি মাইগ্রেশন, ক্যাশলেস বাংলাদেশ কার্যক্রম, বাংলা কিউআর প্রবর্তনসহ পেমেন্ট সিস্টেম আধুনিকায়নে তিনি নেতৃত্ব প্রদান করেন।
বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে গঠিত সেন্ট্রাল ব্যাংক স্ট্রেনদেনিং প্রজেক্টের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিজনেস প্রসেস রিইন্জিনিয়ারিংসহ অন্যান্য আধুনিকরণ কাজে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
নগদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে বহু ইতিবাচক পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে গত এক বছরে সেবার ক্ষেত্রে নগদ-এর কলেবর ও গুণগতমান বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও অভ‚ তপূর্ব সাফল্য পেয়েছে নগদ। মাত্র এক বছরের মধ্যে নগদ-এর লেনদেনকে প্রায় দ্বিগুণ করার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনেও বড় অর্জন এসেছে এই সময়ে।
শিক্ষা জীবনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ ও এমবিএ ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যায়ন বিভাগ থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ব্যাংক রেগুলেশন, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস প্রসেস রি-ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ডিজিটাল পেমেন্ট বিষয়ে অসংখ্য আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
অর্থনীতি
ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়সীমা নির্ধারণ
দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের জন্য নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার ঘোষিত অফিস সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (০৫ এপ্রিল ২০২৬) থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ব্যাংক কার্যক্রম নতুন সময়সূচি অনুযায়ী পরিচালিত হবে বলে জানানো হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, রোববার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ব্যাংকের অফিস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। আর গ্রাহক লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত।
এদিকে, শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হিসেবে পূর্বের মতোই বহাল থাকবে।
এছাড়া, সমুদ্র/স্থল/বিমান বন্দর এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা ও উপশাখাগুলো সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার বিষয়ে আগের নির্দেশনাও বহাল থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর সংশ্লিষ্ট ধারার আওতায় এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
কর্পোরেট সংবাদ
তিন মাসে রেকর্ড ১ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা লেনদেন করেছেন নগদের গ্রাহকেরা
ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা বা এমএফএস প্রতিষ্ঠান নগদ তাদের লেনদেনে নতুন রেকর্ড করেছে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার ৩৫৫ কোটি ৩২ লাখ টাকার বেশি লেনদেন করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২১ শতাংশ বেশি। এক প্রান্তিকে লেনদেনে এটি নগদের নতুন রেকর্ড। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বিজ্ঞপ্তিতে নগদ জানিয়েছে, এ রেকর্ডের পাশাপাশি নগদ চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে গ্রাহকের সম্পৃক্ততা ও লেনদেনের সংখ্যায়ও নতুন রেকর্ড গড়েছে। এ তিন মাসের মধ্যে নগদ গত জানুয়ারি মাসে ৪০ হাজার ৩০১ কোটি টাকা লেনদেন করেছে। মার্চে এ লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৪১ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকা। তবে ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনের কারণে বেশ কিছুদিন নগদসহ অন্যান্য মুঠোফোন আর্থিক সেবা প্রদানকারী অপারেটরগুলোর লেনদেনের ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। ফলে ওই মাসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৯ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা।
নগদ জানিয়েছে, এর আগে ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৯২ হাজার ৫৪ কোটি টাকা। যদিও পরের প্রান্তিকে তা কমে হয়েছিল ৯১ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকা। তবে তৃতীয় প্রান্তিকে লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে হয়েছিল ৯২ হাজার ১২৫ কোটি টাকা। আর ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে নগদ প্রথমবারের মতো এক প্রান্তিকে ১ লাখ কোটি টাকা লেনদেনের মাইলফলক অর্জন করে। সে প্রান্তিকে নগদের লেনদেন হয়েছিল ১ লাখ ২ হাজার ৩৮১ কোটি টাকা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নগদের ওপর সাধারণ গ্রাহকদের আস্থাবৃদ্ধির কারণে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে স্থিতিশীল ও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি বজায় রেখে এগিয়ে চলেছে। এ প্রবৃদ্ধি কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ধারাকে প্রতিফলিত করছে।
লেনদেনের এ নতুন রেকর্ডসহ চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে আরও কিছু মাইলফলক অর্জন করেছে নগদ। সর্বশেষ এই প্রান্তিকে নগদে যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি ব্যাংক অ্যাড মানি, পেমেন্ট ও প্রবাসী আয় এসেছে। এর বাইরে এ সময়ে নগদের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সরকারি ভাতা ও উপবৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে।
নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, নগদের এমন প্রবৃদ্ধি ও লেনদেন ইতিবাচক। এ ছাড়া লেনদেনে খরচ কম হওয়ায় দেশের নিম্নমধ্যবিত্ত ও গরিব মানুষের কাছে নগদ জনপ্রিয়। নগদে এক হাজার টাকায় ক্যাশ আউট চার্জ অন্য অপারেটরের চেয়ে সাড়ে ছয় টাকা কম, যা দেশের বিদ্যমান মোবাইল আর্থিক সেবাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম।
মো. মোতাছিম বিল্লাহ আরও বলেন, নগদে সেন্ড মানি সেবা ফ্রি। পাশাপাশি প্রবাসী আয় গ্রহণে খরচ কম হওয়ায় নগদের প্রতি মানুষের আস্থা দিন দিন বাড়ছে। এর ফলে প্রতি মাসে বা প্রতি প্রান্তিকে নগদ নিজের করা রেকর্ডগুলো ভাঙতে পারছে। এ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আমরা ভবিষ্যতে আরও অনেক বেশি লেনদেন করতে সক্ষম হব বলে আমি বিশ্বাস করি।’
কর্পোরেট সংবাদ
ক্যাশ রেমিট্যান্স গ্রহণ করে মোটর সাইকেল পেলেন মাঈন উদ্দিন ও জিয়াউল হক
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে রিয়া মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে ক্যাশ রেমিট্যান্স উৎসবে ১৯তম মোটর সাইকেল পেলেন কুমিল্লা নাঙ্গলকোট শাখার গ্রাহক মাঈন উদ্দিন এবং ২০তম মোটর সাইকেল পেলেন ফেনী শাখার সেলফিন গ্রাহক মো. জিয়াউল হক। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী নাসির উদ্দিনের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রেক্ষিতে মাঈন উদ্দিন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী মোহাম্মদ মমিনুল হকের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রেক্ষিতে মো. জিয়াউল হক এই পুরস্কার পেয়েছেন।
২৯ মার্চ ২০২৬, রবিবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল র্যাফেল ড্রতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ ওমর ফারুক খাঁন।
এসময় ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম, ফরেন রেমিট্যান্স সার্ভিসেস ডিভিশন প্রধান মো. মোতাহার হোসেন মোল্লা, ওভারসিজ ব্যাংকিং ডিভিশন প্রধান মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, ফরেন ট্রেড প্রসেসিং ডিভিশন প্রধান মো. দাউদ খান এবং রিয়া মানি ট্রান্সফার বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম তালুকদার ও অ্যাসিস্ট্যান্ট অপারেশনস ম্যানেজার মো. আরাফাত হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য মাহে রমাদান উপলক্ষ্যে ইসলামী ব্যাংকে রিয়া মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে ক্যাশ রেমিট্যান্স গ্রহীতাদের মধ্যে ডিজিটাল র্যাফেল ড্র’র মাধ্যমে প্রতি ব্যাংকিং কর্ম দিবসে (রবি-বৃহস্পতিবার) একটি করে মোট ২০টি মোটর সাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে।
কর্পোরেট সংবাদ
নগদে রেমিটেন্স নিয়ে স্বর্ণের হার জিতলেন ফরিদপুরের বন্যা খাতুন
প্রবাসী বাংলাদেশীদের পাঠানো কষ্টার্জিত রেমিটেন্স বৈধপথে দেশে পাঠানোর বিষয়ে উৎসাহিত করতে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদের ‘হার না মানা হার’ ক্যাম্পেইনের প্রথম বিজয়ী হয়েছেন ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বন্যা খাতুন। দুবাইপ্রবাসী স্বামী মো. ফরিদের পাঠানো রেমিটেন্স নগদের মাধ্যমে গ্রহণ করে তিনি এই পুরস্কার জিতেছেন।
সম্প্রতি ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্যা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে তার হাতে পুরস্কার হিসেবে স্বর্ণের হার তুলে দিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া। এসময় সেখানে নগদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
স্বর্ণের হার উপহার পাওয়ার পর উচ্ছ্বসিত পরিবারের সদস্যরা ভিডিও কলের মাধ্যমে যুক্ত হন দুবাই প্রবাসী ফরিদের সঙ্গে। তিনি কথা বলেন অভিনেত্রী টয়ার সঙ্গেও। এসময় ফরিদ বলেন, “নগদে এমন একটা ক্যাম্পেইন চলছে সেটা জানতাম। কিন্তু এই স্বর্ণের হারটা যে আমার ঘরেই যাবে সেটা চিন্তাও করিনি। দুবাই থেকে পরিবারের জন্য নিয়মিত নগদের মাধ্যমেই রেমিটেন্স পাঠাই, কিন্তু এত বড় একটা গিফট পাব সেটা ছিল আমার ভাবনার বাইরে।”
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স দ্রুত ও নিরাপদে দেশের প্রিয়জনদের মোবাইলে পৌঁছে দিতে কাজ করছে নগদ। ঈদুল ফিতরের আগে প্রবাসীদের পরিবারের জন্য বাড়তি আনন্দের উপলক্ষ্য তৈরি করতেই ‘হার না মানা হার’ শিরোনামে এই ক্যাম্পেইন চালু করে নগদ। ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রবাসীরা নগদের মাধ্যমে দেশে সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা রেমিটেন্স পাঠালেই দেশে থাকা প্রিয়জনদের জন্য স্বর্ণের হার জেতার সুযোগ পাচ্ছেন।
এই ক্যাম্পেইন বিষয়ে নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাইমন ইমরান হায়দার বলেন, “প্রবাসী বাংলাদেশিরা সব সময়ই তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ান, যা আমাদের অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঈদের আগে বিদেশ থেকে আসা অর্থের অঙ্ক আরেকটু বড় হয়। আমরা এই পুরো ঘটনাটিকে আরো আনন্দময় করতেই ‘হার না মানা হার’ ক্যাম্পেইন চালু করি। এই প্রক্রিয়ায় নগদের মাধ্যমে রেমিটেন্স পাঠিয়ে যদি স্বর্ণের হার জিতে নেওয়া যায়, তাহলে সেটি হবে ওই প্রবাসী ও তার স্বজনদের জীবনের একটি বিশেষ ঘটনা।’



