কর্পোরেট সংবাদ
শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা দিতে বিকাশের নতুন উদ্যোগ ‘বি হাইভ’
ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে কর্মজগতের সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচিত হয়ে ওঠাটা প্রচলিত। প্রচলিত এই ধারার বাইরে শিক্ষার্থীদের সাথে কর্পোরেট খাতের সংযোগ তৈরিতে এবার ‘বি হাইভ’ শিরোনামে ভিন্নধর্মী উদ্যোগ নিয়েছে বিকাশ। কর্মজগতের সাথে পরিচিত হতে এখন আর লেখাপড়া শেষ করা পর্যন্ত অপেক্ষা নয় বরং দ্বিতীয়ও তৃতীয় বর্ষে থাকতেই সে সুযোগ পেল দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। কর্পোরেটে বিভিন্ন বিভাগের কাজ সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত জানার সুযোগ দিতেই নেয়া হয়েছে এই নতুন প্রোগ্রাম।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) শিক্ষার্থী মাইশা মাহিয়াত নাওলি’র স্বপ্ন লেখাপড়া শেষ করে ফিনটেক খাতে কর্মজীবন শুরু করার। মাইশা বলেন, বিকাশ-এর এই প্রোগ্রামটার কথা শুনেই মনে হয়েছিল আমি যে দিকে এগোতে চাই সে সম্পর্কে জানার এটা একটা বড় সুযোগ হবে। কর্পোরেট অফিস কিভাবে কাজ করে, প্রজেক্ট তৈরি হয় কিভাবে, প্রজেক্টগুলো বাস্তবায়নের পথ সম্পর্কেও একটু ধারনা পেলাম এখানে এসে। আমার নিজেকে তৈরি করার স্কেচটা এখন অনেকটাই স্পষ্ট।
সম্প্রতি দেশের ১৮ টি শীর্ষস্থানীয় পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১৮০ জন শিক্ষার্থী বিষয়ভিত্তিক সেশনে অংশগ্রহণ, অফিস পরিদর্শন, প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশনে অংশগ্রহণ করেন। চার দিন-ব্যাপী এই প্রোগ্রামে চারটি ভাগে শিক্ষার্থীরা দেশসেরা এই ফিনটেক প্রতিষ্ঠানটিকে কাছ থেকে দেখার ও জানার সুযোগ পান।
উল্লেখ্য, এই প্রোগ্রামে অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সুনির্দিষ্ট নির্বাচন পদ্ধতির মাধ্যমে ১৮০জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হন। বিভিন্ন রাউন্ডের এই প্রতিযোগিতাগুলো শিক্ষার্থীদের কর্মজগতে প্রবেশ পথের সাথে পরিচিত করে তোলে।
বিকাশের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা ফেরদৌস ইউসুফ বলেন, প্রতিমুহূর্তে বদলে যেতে থাকা আমাদের এই ফিনটেক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অন্যতম চ্যালেঞ্জ হলো উদ্ভাবনী প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে দক্ষতাসম্পন্ন মানবসম্পদ তৈরি করা। সে লক্ষ্যেই প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ তৈরিতে বিনিয়োগ করে যাচ্ছে বিকাশ। তারই অংশ হিসেবে ‘বি নেক্সট’, ‘জেন নেক্সট লিডার’, ‘বি- এইস’, ‘বিটেকউইজ’ সহ বেশ কিছু ক্যারিয়ার প্রোগ্রাম চলমান আছে আমাদের। এর বাইরে, এখনই যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা শুরু করেছেন, তাদের চোখে আগামীর স্বপ্ন বুনে দিতেই আমাদের নতুন উদ্যোগ বি হাইভ। এতে অংশগ্রহণকারীরা পড়ালেখা চলার সময়ই নিজেদের তৈরি করার সুস্পষ্ট পথরেখা দেখতে পাবেন, এবং সেলক্ষ্যে তাদের শিক্ষাজীবনকে এগিয়ে নেবেন।
বর্তমানে, বিকাশের ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি প্রোগ্রাম ‘জেন নেক্সট লিডার’ এর মাধ্যমে ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েটদের ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ গ্রোথ নিশ্চিত করা হয়। পাশাপাশি, পেইড ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম ‘বি নেক্সট’ পরিচালনার মাধ্যমে কোম্পানির প্রকল্পগুলোর সাথে শিক্ষার্থীদের সরাসরি কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দেয় প্রতিষ্ঠানটি। বি-এইস ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামটি নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কৌশলগত অংশীদার হিসেবে মনোনীত করে যা বিকাশ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ তৈরি করে। সম্প্রতি চালু হওয়া এই নতুন উদ্যোগ ‘বি হাইভ’ শিক্ষাকালীন সময়েই কর্মক্ষেত্রের ধারণা এবং এরজন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির পথনির্দেশ করে।
উল্লেখ্য, বিকাশের এইসব উদ্যোগের ফলে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেলসনআইকিউ পরিচালিত ক্যাম্পাস ট্র্যাক সার্ভে বি-স্কুল জরিপে ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালে টানা তিনবার স্বনামধন্য বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে সেরা ‘এমপ্লয়ার অব চয়েস’ নির্বাচিত হয় বিকাশ।
কর্পোরেট সংবাদ
এবি ব্যাংকের ডিএমডি হলেন ইফতেখার এনাম আওয়াল
এবি ব্যাংক পিএলসির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ইফতেখার এনাম আওয়াল।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাইন্যান্সে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর ১৯৯৪ সালের জুন মাসে এবি ব্যাংক পিএলসিতে ৭ম ব্যাচের প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন।
আধুনিক ব্যাংকিংয়ে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আওয়াল বিভিন্ন সময়ে এবি ব্যাংকের একাধিক কর্পোরেট শাখা এবং বিভাগে দায়িত্বপালন করেন। তাঁর প্রধান পেশাগত দক্ষতার মধ্যে রয়েছে কর্পোরেট বিজনেস, ঋণ ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক মুদ্রা এবং শাখা পরিচালনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে কার্যপরিচালনা করা।
তিনি দেশ-বিদেশে ব্যাংকিং সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন।
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকে এক হাজার ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসারের ওরিয়েন্টেশন
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির উদ্যোগে এক হাজার নতুন ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসারের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশে এটি অনুষ্ঠিত হয়। ৯১ হাজার ৭ শত ৫৬ জন প্রার্থীর মধ্যে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এ নিয়োগ প্রদান করা হয়। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দেশের ৬৪ জেলারই প্রতিনিধিত্ব রযেছে। যার মধ্যে প্রথম চট্টগ্রাম, দ্বিতীয় কুমিল্লা ও তৃতীয় কক্সবাজার জেলা। দেশের ৭৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মেধার ভিত্তিতে এ নিয়োগ পেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান। ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁনেরর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন ও ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার।
স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ড. এম কামাল উদ্দীন জসিম। এসময় ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব আলম, মাহমুদুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম, মুহাম্মদ সাঈদ উল্লাহ, কে.এম. মুনিরুল আলম আল-মামুন ও মো. মাকসুদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, বিগত বছরগুলোতে ইসলামী ব্যাংক অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছিল। সকল চ্যালেঞ্জকে সম্ভাবনায় পরিণত করে আবারো ঘুরে দাঁড়িয়ে অগ্রগতির ধারায় ফিরে এসেছে সাধারণ মানুষের প্রিয় এই প্রতিষ্ঠান। এ ব্যাংকের অগ্রযাত্রা আরো বেগবান করতে এবং ব্যাংক খাতের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য তরুণ কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তরুণরাই উন্নত বাংলাদেশ ও আধুনিক ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।
তিনি বলেন, আজকে যারা এ ব্যাংকে যোগদান করেছেন তারাই আগামী দিনে ব্যাংকিং সেক্টরে নেতৃত্ব দিবে। সবাইকে এ স্বপ্ন নিয়ে কাজ করতে হবে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। তিনি নতুন যোগদানকৃত কর্মকর্তাদের সুন্দর ব্যবহার ও উন্নত সেবা প্রদানের মাধ্যমে গ্রাহকদের আস্থা অর্জনের পাশাপাশি পেশাগত উৎকর্ষতা অর্জনের জন্য আহ্বান জানান।
কর্পোরেট সংবাদ
অভিজ্ঞতা ছাড়াই ১০০ জনকে নিয়োগ দেবে প্রাণ গ্রুপ
শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রাণ গ্রুপে ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট টেরিটরি সেলস ম্যানেজার (এটিএসএম)’ পদে ১০০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীকে অবশ্যই এমবিএ/এমএসসি/বিবিএ/বিএসসি/বিবিএস ডিগ্রিধারী হতে হবে। শুধুমাত্র পুরুষ প্রার্থীরা আবেদনের সুযোগ পাবেন।
প্রতিষ্ঠানের নাম: প্রাণ গ্রুপ
পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট টেরিটরি সেলস ম্যানেজার (এটিএসএম)
পদসংখ্যা: ১০০ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিএ/এমএসসি/বিবিএ/বিএসসি/বিবিএস
অভিজ্ঞতা: প্রযোজ্য নয়
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ২৩-৩২ বছর
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা এখানে ক্লিক করে প্রাণ গ্রুপ আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
সূত্র: বিডিজবস ডটকম
কর্পোরেট সংবাদ
সর্বত্র ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংকের ‘আস্থা’ অ্যাপ
আস্থা, উদ্ভাবন ও অন্তর্ভুক্তি— এই তিন ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের ‘আস্থা’ অ্যাপ হয়ে উঠেছে মানুষের দৈনন্দিন ব্যাংকিং প্রয়োজন পূরণের এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম। সবার কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে অ্যাপটি পেয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা।
এগার লাখেরও বেশি ব্যবহারকারী এবং মাসে ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেনের মাধ্যমে আস্থা অ্যাপ ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিয়েছে বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তের গ্রাহকের কাছে। অ্যাপটি ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, যা সহজ, দ্রুত ও ঝামেলাহীন ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিতের পাশাপাশি নিশ্চিত করছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা।
‘আস্থা’ ডিজাইন করা হয়েছে সবার জন্য। কিউআরের মাধ্যমে পেমেন্ট নেওয়া ছোট শহরের মাইক্রো-মার্চেন্ট থেকে শুরু করে আর্থিক বিষয় নিয়ে কাজ করা ব্যস্ত পেশাজীবী— সবাই নিজ নিজ প্রয়োজনে সেবা নিতে পারেন ‘আস্থা’ অ্যাপ থেকে। আন্তঃব্যাংক ফান্ড ট্রান্সফার, ডিপিএস ও টার্ম ডিপোজিট ওপেনিং, ইনস্যুরেন্স পেমেন্ট, কার্ডবিহীন এটিএম উত্তোলন, কনজ্যুমার লোন, বাংলা কিউআর, ভিসা কার্ড ট্রান্সফার ও বিকাশ ইন্টিগ্রেশনসহ ১২০টিরও বেশি ফিচার ও সেবার সমন্বয়ে ‘আস্থা’ হয়ে উঠেছে প্রায় সব ধরনের আর্থিক প্রয়োজন পূরণের একক ও সুবিন্যস্ত পয়েন্ট। এই ব্যবহারবান্ধব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম দেশে ক্যাশলেস অর্থনীতির দ্রুত প্রসার ঘটাচ্ছে।
এই পরিবর্তনের প্রমাণ মিলছে ‘আস্থা’ ব্যবহারের পরিসংখ্যানে। বর্তমানে ব্র্যাক ব্যাংকের মোট লেনদেনের প্রায় ৭১ শতাংশই সম্পন্ন হচ্ছে আস্থা অ্যাপের মাধ্যমে, যা ব্যাংকটির প্রতি গ্রাহক আস্থার সুস্পষ্ট প্রতিফলন। ‘আস্থা’র শক্তি কোনো একক ফিচারে নয়, বরং এর পুরো ইকোসিস্টেমই ‘আস্থা’র সক্ষমতাকে তুলে ধরে, যা জটিলতা দূর করে গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং অভিজ্ঞতাকে করে তুলেছে সহজ ও উপভোগ্য। সাধারণ ফান্ড ট্রান্সফার থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনা— সব সেবাই পাওয়া যায় এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। দ্রুত, সহজ ও ঝামেলাহীন হওয়ায় ব্যাংকিংও হয়ে উঠেছে আরও স্মার্ট।
পেপারলেস প্রক্রিয়ায় আর্থিক অন্তর্ভুক্তির বিকাশেও ‘আস্থা’ ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে নতুন খোলা রিটেইল অ্যাকাউন্টের ৯০ শতাংশই ই-কেওয়াইসির মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে। সকল রিটেইল গ্রাহক ও কার্ডহোল্ডার পাচ্ছেন ই-স্টেটমেন্ট, যেখানে দরকার হচ্ছে না প্রিন্টেড কপির। সকল কার্ড অ্যাক্টিভেশন সম্পন্ন হচ্ছে গ্রিন পিন ব্যবস্থার মাধ্যমে। ফলে, পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে ফিজিক্যাল মেইলার। এই আধুনিক সেবার প্রভাবও কিন্তু লক্ষণীয়। ‘আস্থা’ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিদিন ২ লাখেরও বেশি অ্যাকটিভ ইউজার আনুমানিক ৭.৫ থেকে ১০ লাখ মিনিটের ম্যানুয়াল সেবার সময় সাশ্রয় করছেন।
বিশ্বাস ও উদ্ভাবনই ‘আস্থা’র সিকিউরিটি ইনফ্রাস্ট্রাকচারের মূল চালিকাশক্তি। এনক্রিপ্টেড কানেকশন, বিহ্যাভিওরাল ফ্রড ডিটেকশন, ডিভাইস বাইন্ডিং এবং ২৪/৭ মনিটরিং ব্যবস্থা লাখো ব্যবহারকারীর জন্য নিশ্চিত করছে নিরাপদ ও সুরক্ষিত ব্যাংকিং সেবা। ডিজিটাল রিসিট, ইন-অ্যাপ কনফার্মেশন ও ই-স্টেটমেন্ট স্বচ্ছ অডিট ট্রেইল তৈরি করে, যা গ্রাহক সুবিধা নিশ্চিতের পাশাপাশি নির্ভরযোগ্যতাও নিশ্চিত করে।
দায়িত্বশীল ডিজিটাল ব্যবহারের বিষয়ে গ্রাহকদের সচেতন করতেও ব্র্যাক ব্যাংক নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। ফলে, ‘আস্থা’ গ্রাহকদের পুরো ব্যাংকিং অভিজ্ঞতাকে দিচ্ছে এক নতুন রূপ।
ভবিষ্যৎ ব্যাংকিংয়ের বিষয়টি মাথায় রেখে ব্র্যাক ব্যাংক ‘আস্থা’কে করে তুলছে আরও বেশি ইন্টেলিজেন্ট, ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও বহুমুখী প্ল্যাটফর্মবান্ধব। নতুন নতুন থার্ড-পার্টি ইন্টিগ্রেশন যুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ‘আস্থা’ বিকশিত হচ্ছে একটি পূর্ণাঙ্গ ফাইন্যান্সিয়াল ও লাইফস্টাইল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে। দেশে স্মার্ট, সহজ ও নিরাপদ ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গ্রাহকদের নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ‘আস্থা’ এগিয়ে যাচ্ছে।
‘আস্থা’ নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “আস্থার এই যাত্রা শুধু উদ্ভাবনের ফল নয়— এটি আরও স্মার্ট ব্যাংকিং সেবা উপভোগ করতে চাওয়া গ্রাহকদের পছন্দেরও প্রতিফলন। ম্যানুয়াল সেবার জন্য আগে যেখানে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো, এই ডিজিটাল সেবার প্রসার ঘটায় এখন আর লাইনে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট করতে হচ্ছে না। এই সুবিধা সময় বাঁচায়, কার্বন নিঃসরণ কমায়, কাগজের অপচয় রোধ করে এবং মানুষকে তাঁদের সময়কে আরও অর্থবহভাবে ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়। ‘আস্থা’ ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকরা শুধু সুবিধাই পাচ্ছেন না, তাঁরা আরও দক্ষ, টেকসই ও ভবিষ্যৎ-প্রস্তুত বাংলাদেশ গঠনেও অবদান রাখছেন।
প্রযুক্তি, গ্রাহক আস্থা ও অন্তর্ভুক্তির সমন্বয়ে ‘আস্থা’ অ্যাপ শুধু সকলের কাছে ব্র্যাক ব্যাংকের সেবা পৌঁছেই দিচ্ছে না, বরং এটি সারাদেশে লাখো মানুষের জন্য আধুনিক ব্যাংকিংয়ের এক নতুন দিগন্তেরও উন্মোচন করছে।
কর্পোরেট সংবাদ
পূবালী ব্যাংকের ঢাকা অঞ্চলের শাখা ব্যবস্থাপক সম্মেলন
সেবার মান বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যাংকের ব্যবসা সম্প্রসারণে ব্যবস্থাপকদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে পূবালী ব্যাংক পিএলসির ঢাকা কেন্দ্রীয় অঞ্চলের ‘৫ম শাখা ব্যবস্থাপক সম্মেলন- ২০২৫’ সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পূবালী ব্যাংকের ঢাকা কেন্দ্রীয় অঞ্চলাধীন শাখাসমূহের ব্যবস্থাপকবৃন্দের অংশগ্রহণে সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন পূবালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ আলী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং বিভাগ প্রধান ও উপ-মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আল মামুন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা কেন্দ্রীয় অঞ্চল প্রধান ও মহাব্যবস্থাপক আবু লাইছ মো. শামসুজ্জামান।
২০২৫ সালে ব্যাংকের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিভিন্ন কৌশল ও দিক নিয়ে সম্মেলনে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।




