জাতীয়
খালেদা জিয়ার জানাজা: বুধবার সকাল থেকে বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
জানাজায় প্রচুর মানুষের সমাগম হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিএমপি বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা মেনে চলতে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে জানাজা শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত এলাকাগুলোতে ডাইভারশন কার্যকর থাকবে।
যান চলাচল সংক্রান্ত বিধিনিষেধ
১. এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ইন্দিরা রোড র্যাম্প দিয়ে নামা বন্ধ থাকবে; এর পরিবর্তে এফডিসি র্যাম্প ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
২. সোনারগাঁও মোড় থেকে ফার্মগেট বা বিজয় সরণি অভিমুখে যান চলাচল সীমিত থাকবে।
৩. কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ সড়কটি যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলার অনুরোধ করা হয়েছে।
৪. প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ক্রসিং থেকে দক্ষিণ বিজয় সরণি/ফার্মগেটে সীমিত গাড়ি চলাচল করবে।
৫. বনানী-মহাখালী-গুলশান বা এয়ারপোর্ট রোড থেকে রমনা-শাহবাগ-মতিঝিল-পল্টন-গুলিস্তানগামী গাড়িগুলোকে মহাখালী-জাহাঙ্গীরগেট-কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ সড়ক এড়িয়ে মহাখালী বাস টার্মিনালের সামনের রাস্তা ও মগবাজার ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।
৬. মিরপুর অঞ্চল থেকে ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুরগামী গাড়িগুলো মানিক মিয়া এভিনিউ ও এর আশপাশের এলাকা এড়িয়ে মিরপুর-টেকলিক্যাল-শ্যামলী রং রোড ধরে চলাচলের অনুরোধ করা হলো।
৭. মিরপুর অঞ্চল থেকে রমনা-মতিঝিলগামী যানগুলো মিরপুর রোডের শ্যামলী থেকে বামে টার্ন নিয়ে আগারগাঁও ক্রসিং হয়ে ফকরুদ্দিন রোড/লিংক রোড হয়ে জাহাঙ্গীরগেট-মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার ফ্লাইওভার হয়ে চলাচল করবে।
৮. পান্থপথ ক্রসিং থেকে সোনারগাঁও হোটেল ক্রসিংয়ের দিকে গাড়ি চলাচল সীমিত করা হবে।
৯. ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ক্রসিং ও প্রয়োজনে সায়েন্সল্যাব ক্রসিং থেকে গাড়ি ডাইভারশন হবে।
১০. প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ক্রসিং থেকে দক্ষিণ দিকে সীমিত গাড়ি চলেব।
জানাজাস্থলকে খালি রাখার জন্য যেসব ক্রসিংয়ে যান চলাচল বন্ধ থাকবে—
ক. ফার্মগেট পুলিশ বক্স ক্রসিং
খ. ফার্মগেট ইন্দিরা রোড ক্রসিং
গ. বিজয় সরণি ক্রসিং
ঘ. উড়োজাহাজ ক্রসিং
ঙ. আসাদগেট ক্রসিং
চ. রাপা প্লাজা ক্রসিং
ছ. গণভবন ক্রসিং
অর্থাৎ রাপা প্লাজা থেকে গণভবন ক্রসিং, ফার্মগেট থেকে মানিক মিয়া এভিনিউ পশ্চিম/আড়ং পর্যন্ত, বিজয় সরণি ক্রসিং থেকে লেক রোড হয়ে গণভবন ক্রসিং এবং উড়োজাহাজ ক্রসিং হয়ে খেজুরবাগান ক্রসিং হয়ে ফার্মগেট পুলিশ বক্স পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ থাকবে।
যেসব জায়গায় গাড়ি পার্কিং করা যাবে—
১. ঢাকা মহানগরের যানবাহন পার্কিং করতে হবে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে।
২. ঢাকার বাইরে থেকে আগত জনসাধারণের বাসসহ অন্যান্য যানবাহন পার্কিং করতে হবে—
মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, শাহবাগ থানা এলাকা, উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরের বৌবাজার/গরুর হাট এলাকা এবং পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ের ৩০০ ফিট সার্ভিস রোড।
জাতীয়
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনাইটেড নেশনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলেরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে মন্ত্রীর বেইলি রোডের সরকারি বাংলোতে তাদের মধ্যে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসানের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, পুলিশ সংস্কার, স্বাধীন পুলিশ কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ এবং রোহিঙ্গা ইস্যুসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী ইউএনডিপি প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান। এছাড়া, আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলের নতুন পোর্টফলিওতে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।
পুলিশ সংস্কার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা পুলিশ সংস্কারে কাজ করছি। তবে তা রাতারাতি নয়, আমরা ধারাবাহিক বা পর্যায়ক্রমিক উন্নয়নে বিশ্বাসী। পুলিশের পুনর্গঠন, সংস্কার, সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইউএনডিপি বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে পারে।
পুলিশ সংস্কারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনে ইউএনডিপির অবদান অনস্বীকার্য। গত ১৫-১৭ বছর যাবৎ সংস্থাটি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে কাজ করেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, কমিশনের অধ্যাদেশের খসড়া প্রণয়নেও ইউএনডিপি যাবতীয় সহযোগিতা করেছে এবং এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম অনুশীলনগুলো অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশের সঙ্গে স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তাই এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ সংসদে বিল আকারে পেশ করা হবে।
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ সম্পর্কে আবাসিক প্রতিনিধির এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এটিও পরবর্তী সময়ে অধিকতর যাচাই-বাছাই শেষে জাতীয় সংসদে বিল আকারে পেশ করা হবে।
তিনি ব্যাখ্যা করেন, অধ্যাদেশটির দু-একটি সংজ্ঞা এমনভাবে দেওয়া হয়েছে, যাতে গুমের প্রকৃত নির্দেশদাতা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। মন্ত্রী এ সময় তার গুমকালীন অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে (এপিবিএন) তদন্তের ক্ষমতা প্রদান প্রসঙ্গে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, কেবল তদন্তকারী কর্মকর্তাই তদন্ত করতে পারেন এবং এপিবিএন কোনো তদন্তকারী সংস্থা নয়। তবে তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার বিষয়ে প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ শাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, বাংলাদেশে ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ সোনালি দয়ারাত্নে, অ্যাসিস্ট্যান্ট রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ আনোয়ারুল হক এবং ইউএনডিপি-বাংলাদেশের রুল অব ল, জাস্টিস অ্যান্ড সিকিউরিটি বিষয়ক অ্যাডভাইজর রোমানা স্কওয়েইগার উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয়
নতুন পে-স্কেল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর বৈঠক
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেল বা বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকটি দুপুর দেড়টার কিছু পর শুরু হয়ে বিকেল ৩টার আগেই শেষ হয়। তবে বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে বা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কোনো নির্দেশনা ছিল কিনা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকরা অর্থমন্ত্রীর মন্তব্য জানার জন্য অপেক্ষা করলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি।
এদিকে নতুন পে-স্কেলের দাবিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি ছয় দিনের কর্মসূচি পালন করছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণে অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের একটি জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করেছিল। ওই কমিশনের প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরে গড়াতে পারে। এ ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সম্ভাবনা বেশি প্রথমে মূল বেতন কার্যকর করা এবং পরবর্তীতে অন্যান্য ভাতা ও সুবিধা যুক্ত করা হতে পারে।
জাতীয়
র্যাব বিলুপ্তি নিয়ে যা বললেন মহাপরিচালক
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) নতুন মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, দেশে র্যাবের মতো একটি বিশেষায়িত বাহিনীর প্রয়োজন রয়েছে। তবে এটি রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে পরিচালিত হবে এবং সঠিকভাবে পরিচালিত হলে বাহিনীর ভাবমূর্তি আরও উন্নত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
র্যাব বিলুপ্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্ত সরকারের এখতিয়ারাধীন বিষয়। বাহিনীর দায়িত্ব হলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা, যা তারা অব্যাহত রাখবে।
তিনি আরও দাবি করেন, গত দেড় বছরে র্যাবের বিরুদ্ধে কোনো বড় ধরনের অপকর্মের ঘটনা ঘটেনি। ভবিষ্যতেও বাহিনীকে আরও সুশৃঙ্খল ও জবাবদিহিতার মধ্যে পরিচালিত করার বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে।
আহসান হাবীব পলাশ জানান, বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো তদন্ত ও কার্যক্রমে র্যাব সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।
দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, জলদস্যুতা বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে এবং এসব নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে। একই সঙ্গে দেশে জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদের উপস্থিতি আছে কি না—এ বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করে তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে র্যাব সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাবে।
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের অফিসে উভয়ের এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। সাক্ষাৎকালে তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
রাষ্ট্রদূত এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে দুটি ছবি এবং হোয়াইট হাউসের একটি রেপ্লিকা তুলে দেন। একটি ছবিতে রয়েছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার এবং অপর ছবিতে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ সিনিয়র।
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
জাতীয়
ঋণ ব্যবস্থাপনা ও করের আওতা বাড়ানোর ওপর জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ঋণ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী এবং করের আওতা বৃদ্ধি করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং চলমান সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) পরিকল্পনা কমিশনে এনইসি সম্মেলন কক্ষে ন্যাশনাল মাল্টি স্টকহোল্ডার কন্সাল্টেশন অন বাংলাদেশ গ্রেডিশন রেটিনেস এসেসমেন্ট শীর্ষক সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি চ্যালেঞ্জপূর্ণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এ অবস্থায় দেশের অর্থনীতিকে সুশৃঙ্খল ও স্থিতিশীল করতে সুপরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে কিছু বড় প্রকল্প যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি ছাড়া গ্রহণ করায় দেশের ওপর ঋণের চাপ বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রকল্পের ব্যয় ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন থেকে গেছে, যা অর্থনীতিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, ‘ইতোমধ্যে যে ঋণ নেওয়া হয়েছে, তা যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করা এবং ভবিষ্যতে নতুন প্রকল্প গ্রহণে আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে বাস্তবসম্মত ও ফলপ্রসূ প্রকল্প নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
কর ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের কর-জিডিপি অনুপাত সন্তোষজনক নয় এবং তা বাড়ানো প্রয়োজন। তবে হার বাড়ানোর পরিবর্তে করের আওতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি বলেন, আমাদের অর্থনীতির একটি বড় অংশ এখনও করের আওতার বাইরে রয়েছে। তাই করের হার বাড়ানো নয়, বরং করের আওতা বিস্তৃত করে রাজস্ব আদায় বাড়াতে হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোর মাধ্যমে বিদ্যমান ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং একই সঙ্গে উন্নয়ন কার্যক্রমকে টেকসই ধারায় এগিয়ে নিতে হবে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি; জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং জাতিসংঘের ইউএন-ওএইচআরএলএলএসের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।



