রাজনীতি
জামায়াতের ৩ জানুয়ারির মহাসমাবেশ স্থগিত
আগামী ৩ জানুয়ারি পূর্বঘোষিত মহাসমাবেশ স্থগিত ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ওইদিন দেশের ৯টি কৃষি ও কৃষি-প্রাধান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানান দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার।
জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মহাসমাবেশ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মহাসমাবেশের নতুন তারিখ ও কর্মসূচি পরবর্তীতে জানানো হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বার্তাটি পাঠিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার সহকারী মুজিবুল আলম।
রাজনীতি
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিজয়ী জোটকে অভিনন্দন হেফাজতের
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার নেতৃত্বাধীন জোটকে আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান এ শুভেচ্ছা জানান।
বিবৃতিতে হেফাজত নেতারা নবনির্বাচিত সব সংসদ সদস্যসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকেও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। একইসঙ্গে তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
বিবৃতিতে হেফাজত আমির ও মহাসচিব বলেন, রাষ্ট্র ক্ষমতা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশাল নেয়ামত এবং কঠিন আমানত। এটি কেবল সম্মানের বিষয় নয় বরং জনগণের হক আদায়ের এক গুরুদায়িত্ব। আমরা আশা করি, তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিতব্য নতুন সরকার সততা ও দক্ষতার সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে এবং দেশে ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
হেফাজত নেতারা নতুন সরকারের কাছে বেশ কিছু দাবি ও প্রত্যাশা তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে:
* মসজিদ-মাদ্রাসা ও আলেম-ওলামাদের সুরক্ষা প্রদান।
* জনগণের ধর্মীয় ও মানবাধিকার সংরক্ষণ এবং আইনের শাসন নিশ্চিতকরণ।
* দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
* ইসলামি শিক্ষা, সভ্যতা ও তাহজিব-তামাদ্দুন সংরক্ষণে দৃঢ় পদক্ষেপ।
* ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার শিকড় উৎপাটন এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করা।
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও নৈরাজ্যের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতিতে বলা হয়, সহিংসতা কোনো জাতির জন্য কল্যাণ বয়ে আনে না। আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি- সন্ত্রাস দমনে কঠোর ও ন্যায়ভিত্তিক পদক্ষেপ নিন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
হেফাজত নেতারা তরুণ প্রজন্ম ও নাগরিক সমাজকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। উসকানিমূলক স্ট্যাটাস, মিথ্যা তথ্য ছড়ানো এবং প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করা থেকে বিরত থেকে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার অনুরোধ করেন তারা।
এমএন
রাজনীতি
ডা. শফিক ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তারেক রহমান
নির্বাচনের পর সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপি আহবায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামীকাল রোববার সন্ধ্যা সাতটায় জামায়াত আমীরের বসুন্ধরার বাসায় যাবেন তিনি।
এরপর যাবেন নাহিদ ইসলামের বাড্ডার বাসায়। বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, বিএনপি যে ইতিবাচক রাজনীতির সূচনা করতে চায় এর অংশ হিসেবেই দলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি দলের প্রধানদের বাসায় সৌজন্য সাক্ষাতে যাচ্ছেন।
রাজনীতি
নির্বাচনের পরই দুঃসংবাদ পেলেন বিএনপির ৩ নেতা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে অন্য দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে সহযোগিতা করায় বিএনপির তিন নেতাকে দলের সব পদ-পদবিসহ আজীবনের জন্য স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহিন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেনের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শাহিন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেনের স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ (উজিরপুর ও বানারীপাড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থীর পক্ষে কোনো রকম নির্বাচনী কাজ না করায় এবং প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য দলকে সহযোগিতা করায় বিএনপির সব পদ, পদবিসহ আজীবনের জন্য তিন বিএনপি নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো।’
নির্বাচনের পরের দিন (১৩ ফেব্রুয়ারি) বহিষ্কার করা ওই নেতা হলেন, গুঠিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন দফাদার, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি মো. জামাল মোল্লা এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সহিদ বেপারী।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেন জানিয়েছেন, বহিষ্কারের কাগজ স্ব স্ব ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
বিএনপি দলীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির বহিষ্কৃত ওই তিন নেতা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে একই আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন।
বহিষ্কৃত গুঠিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন দফাদার জানিয়েছেন, এসংক্রান্ত কোনো কাগজ এখনো আমি হাতে পাইনি।
এমএন
রাজনীতি
৩০ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ জামায়াতের, নিচ্ছে আইনি পদক্ষেপ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এসব আসনে ভোটের ফলাফল স্থগিত, পুনর্গণনাসহ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান তিনি।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, দেশের মানুষ একটি সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন আশা করেছে। ইতিমধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। যদিও সেই নির্বাচনে অনেক ক্ষেত্রেই কারচুপি-জালিয়াতি হয়েছে এবং ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হয়েছে। এজেন্টদের বের করে দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, যা আমরা আগেও বলেছি।
জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ৩০টি আসনে এ ধরনের চরম অব্যবস্থাপনা দেখেছি।
যেখানে ভোট জালিয়াতি হয়েছে, কারচুপি হয়েছে। যেসব কাগজ (রেজাল্ট শিট) দেওয়া হয়েছে, সেখানে ওভাররাইটিং (কাটাকাটি) হয়েছে, ঘষামাজা হয়েছে। আমরা নির্বাচনের দিনও এসব বিষয়গুলো তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং অফিসারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলাম। কিছু আসনে ফল দ্রুত দেওয়া হলেও ইচ্ছে করেই কিছু আসনে ফলাফল দেওয়া হয়নি। যেমন ঢাকার কয়েকটি আসনে আমরা ভোর ৫টায় গিয়ে নির্বাচনের রেজাল্ট পেয়েছি।
তিনি বলেন, যেসব আসনে আমরা এ ধরনের নির্বাচনী অব্যবস্থাপনা দেখেছি এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যে আচরণবিধি সেটি মানা হয়নি, এসব আসনের বিষয়ে আমরা স্থানীয়ভাবে রিটার্নিং অফিসার অথবা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যারা আছেন, তাদের জানিয়েছি। ভোট পুনর্গণনার জন্য সংশ্লিষ্টদের আমরা আহ্বান জানিয়েছি। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকেও জানাব এবং এই ব্যাপারে সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ আছে এবং আমরা সেসব পদক্ষেপ নেব।
নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে আমাদের ওপর, আমাদের সমর্থক, এজেন্ট এবং ক্ষেত্রবিশেষে মহিলাদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এমন শতাধিক ঘটনা ঘটেছে। আমরা সবগুলোর তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ করছি। গণমাধ্যমেও এসব তথ্য উঠে আসছে। বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনায় মৃত্যুবরণের ঘটনাও ঘটেছে। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন, পরে মৃত্যুবরণ করেছেন এমন কিছু ঘটনাও ঘটেছে।
এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় মৃত্যু ও আহত হওয়ার তথ্য তুলে ধরে নতুন বাংলাদেশে সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশের প্রত্যাশা করেন তিনি।
এমএন
রাজনীতি
আইনের শাসন সবার জন্য সমান হতে হবে : জামায়াত আমির
জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের যেসব এলাকায় সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পাওয়া যাবে, সেখানেই শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আইনের শাসন সবার জন্য সমান হতে হবে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
পাঠকদের জন্য জামায়াত আমিরের পুরো পোস্টটি হুবহু দেওয়া হলো- ‘প্রিয় দেশবাসী, বিএনপি জোট সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন অর্জন করেছে।
আমরা এই ফলাফলকে স্বীকৃতি দিই এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে সম্মান করি। তবে জাতীয় ভোটের ফলাফল একটি আরো গভীর ও জটিল বাস্তবতার কথাও তুলে ধরে।’
বিএনপির প্রায় ৫৪ শতাংশ ভোটের বিপরীতে প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পেয়ে জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোট একটি শক্তিশালী জাতীয় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আমাদের বর্তমান ‘ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট’ পদ্ধতিতে লক্ষ লক্ষ ভোট কাঠামোগতভাবে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন পায় না।
৫৩টি আসনে বিএনপি মাত্র কয়েক শত থেকে কয়েক হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছে। এর মধ্যে কয়েকটি আসন বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যালোচনাধীন রয়েছে এবং আমরা আইনের আওতায় বৈধ সকল পন্থায় প্রচেষ্টা চালাবো। এটি জাতীয় ফলাফল প্রত্যাখ্যান নয়, বরং নির্দিষ্ট যেসব আসনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সেখানে ভোটের স্বচ্ছতা ও সততা রক্ষার একটি দায়িত্বশীল প্রচেষ্টা।
একই সাথে, গণতন্ত্রের জন্য স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা অপরিহার্য। যেখানেই ভোট গণনায় বিলম্ব, অনিয়ম বা বিরোধের অভিযোগ উঠেছে, সেখানে আমাদের প্রতিনিধিগণ আইনগত কাঠামোর মধ্যেই পুনর্গণনা ও আইনি প্রতিকারে চেষ্টা করছেন। প্রতিটি ভোট অবশ্যই সঠিকভাবে গণনা করা এবং প্রতিটি সংগত উদ্বেগ গুরুত্বের সাথে যাচাই করা জরুরি। জনগণের আস্থা নির্ভর করে স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সাথে কাজ করার উপর।
ত্যাগ-কুরবানী ও সংস্কারের চেতনায় প্রণীত জুলাই সনদ এবং গণভোটে ৪৮,০৭৪,৪২৯ জন ‘হ্যাঁ’ এবং ২২,৫৬৫,৬২৭ জন ‘না’ ভোট দিয়েছেন, যাতে প্রায় ৬৮ শতাংশ বৈধ ভোট সংস্কারের পক্ষে এসেছে। এটা পরিবর্তনের জন্য স্পষ্ট একটি জাতীয় ম্যান্ডেট।
আমরা আশা করি, নতুন সরকার এই ম্যান্ডেটকে সম্মান করবে, আইনের শাসন সমুন্নত রাখবে এবং সংযম ও জবাবদিহিতার সঙ্গে শাসনকার্য পরিচালনা করবে। সংস্কার কোনো স্লোগান নয়, এটি একটি আমানত।
আমি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আমার প্রত্যাশা, যেখানেই সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পাওয়া যাবে, সেখানেই তারা যেন শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। আইনের শাসন সবার জন্য সমান হতে হবে। একই সঙ্গে, আমি বিএনপির নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে প্রমাণ করেন যে তারা সংবিধানের নিয়মের মধ্যে থেকে দেশ পরিচালনা করবেন এবং আইন লঙ্ঘনকারী যে কোনো কর্মীকে পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
এটি এমন একটি মুহূর্ত যখন পরিপক্বতা ও জাতীয় দায়িত্ববোধের প্রয়োজন। আসুন, আমরা শান্ত ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে সামনে এগিয়ে যাই। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষা করি, জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান করি এবং এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ অব্যাহত রাখি, যেখানে ক্ষমতার প্রয়োগ করা হয় সততা, সংযম ও জবাবদিহিতার সঙ্গে।
এমএন



