Connect with us
৬৫২৬৫২৬৫২

আন্তর্জাতিক

আবেদনের পাঁচ মিনিটেই মিলছে ফ্যামিলি ভিজিট ভিসা

Published

on

খালেদা

কুয়েতে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আবারও উন্মুক্ত হয়েছে ফ্যামিলি ভিজিট ভিসা। নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালুর ফলে এখন আবেদন প্রক্রিয়া আগের তুলনায় অনেক সহজ ও দ্রুত হয়েছে। আবেদনকারীর তথ্য আপলোড করার পর যাচাইকরণ সম্পন্ন হলেই মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ই-মেইলে পৌঁছে যাচ্ছে ই-ভিসা। এতে স্বস্তি ফিরেছে দেশটিতে থাকা তিন লাখেরও বেশি বাংলাদেশি প্রবাসীর মাঝে।

আগের ৩০ দিনের পরিবর্তে এবার ভিজিট ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে ৯০ দিন করা হয়েছে। পাশাপাশি শিথিল হয়েছে বেতন-শর্ত, ফলে অনেক প্রবাসী এখন শুধু স্ত্রী-সন্তান নয়, চার ডিগ্রি আত্মীয় যেমন খালা, কাকা, ভাই-বোন, দাদা-দাদী, নাতি-নাতনি, শ্বশুর-শাশুড়ি কিংবা ছেলে-মেয়ের স্ত্রী/স্বামীকেও কুয়েতে আনতে পারবেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নতুন প্ল্যাটফর্মে মোট চার ধরনের ভিসার আবেদন করা যাচ্ছে—
.ট্যুরিস্ট
.ফ্যামিলি ভিজিট
.বিজনেস
.গভর্নমেন্ট ভিসা

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সম্পর্ক প্রমাণে অধিকাংশ ক্ষেত্রে জন্মসনদই যথেষ্ট হলেও কিছু পরিস্থিতিতে বিবাহ সনদ লাগতে পারে। সব নথিই অবশ্যই আরবি ভাষায় জমা দিতে হবে। অন্য ভাষার নথি অনুমোদিত অনুবাদ অফিস থেকে আরবিতে রূপান্তর করতে হবে।

জিসিসি দেশগুলোর বহু পেশাজীবী অনলাইনে বা আগমনের সময় সহজেই পর্যটন ভিসা পেতে পারবেন। তালিকায় রয়েছে, কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি, কূটনীতিক, বিচারক, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, গোল্ডেন ভিসাধারী, ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, হিসাবরক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, পাইলট, মিডিয়া কর্মীসহ আরও অনেক পেশা।

পেশা সম্পর্কিত তথ্য আবেদন করার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই হয়ে যায়। পাশাপাশি আবেদনকারীদের কুয়েতে নিজস্ব অথবা আমন্ত্রণকারীর ঠিকানা প্রদান বাধ্যতামূলক।

ইসরাইলের নাগরিক ছাড়া বিশ্বের সব দেশের নাগরিকই এই সুবিধা পাবেন। তবে ভিজিট ভিসায় কাজ করা বা ভিসা রূপান্তরের চেষ্টা করা সম্পূর্ণ অবৈধ। আইন লঙ্ঘন করলে ভিজিটরকে নির্বাসিত করা হবে এবং স্পন্সরও কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে পারেন।

এখন ফ্যামিলি ভিজিট ভিসায় সর্বোচ্চ তিন মাস অবস্থানের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি এক বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিজিট ভিসা চালু হয়েছে, তবে প্রতিবার প্রবেশের পর সর্বোচ্চ এক মাস অবস্থান করে দেশে ফিরে যেতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিজিট ভিসার অপব্যবহার হলে বাংলাদেশের জন্য এ সুবিধা আবারও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই স্বজনদের দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি প্রবাসীদের নিশ্চিত করতে হবে।

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

বিশ্ব ব্যবস্থা ধ্বংসে যুক্তরাষ্ট্র বড় ভূমিকা রাখছে: জার্মান প্রেসিডেন্ট

Published

on

খালেদা

জার্মান প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভল্টার স্টাইনমাইয়ার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বিদেশ নীতির কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব ব্যবস্থা ধ্বংসে বড় ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে অত্যাচারীরা যা খুশি তা ছিনিয়ে নিতে পারে-এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে বিশ্ব ব্যবস্থা ‘ডাকাতদের আস্তানায়’ পরিণত হবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। এ অবস্থায় বিশ্বব্যবস্থা রক্ষায় বিশ্বের দেশগুলোর প্রতি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান স্টাইনমাইয়ার।

কয়েকদিন আগে ভেনেজুয়েলা থেকে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণকাণ্ডে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিন্দা অব্যাহত রয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের দিকেই ইঙ্গিত করে জার্মান প্রেসিডেন্ট এমন নজিরবিহীন কড়া মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টাইনমাইয়ার বলেন, ‘বৈশ্বিক গণতন্ত্র বর্তমানে যেভাবে আক্রমণের শিকার হচ্ছে, অতীতে এমন পরিস্থিতি কখনো দেখা যায়নি। যদিও জার্মান শাসনব্যবস্থায় প্রেসিডেন্টের ভূমিকা অনেকটাই অলঙ্কারিক, তবে তার বক্তব্যের গুরুত্ব রয়েছে। দেশটিতে মত প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টরা রাজনীতিকদের চেয়েও বেশি স্বাধীনতা ভোগ করেন।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

রাশিয়ার ক্রাইমিয়া দখল এবং ইউক্রেইনে পুরোদস্তুর সামরিক আগ্রাসনের ঘটনাকে ‘সন্ধিক্ষণ’ হিসেবে উল্লেখ করে স্টাইনমাইয়ার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক আচরণ দ্বিতীয় এক ঐতিহাসিক ধ্বসের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বুধবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যবোধের পতন ঘটছে, যে দেশটি এই বিশ্ব ব্যবস্থা গড়তে সহায়তা করেছিল।”

এই পরিস্থিতির পরিবর্তনে ভারত ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান জার্মান প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, “এটা এমন একটি বিশ্বকে ডাকাতদের আস্তানায় পরিণত হওয়া থেকে আটকানোর প্রশ্ন, যেখানে সবচেয়ে বড় অত্যাচারী তার ইচ্ছামতো যা খুশি তা নিয়ে নেয়, আর অঞ্চল বা দেশগুলো বিবেচিত হয় সামান্য কয়েকজন শক্তিধরের সম্পদ হিসেবে।”

হুমকিতে পরিপূর্ণ এই বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সক্রিয় হস্তক্ষেপ জরুরি বলে মন্তব্য করেন স্টাইনমাইয়ার। তিনি বলেন, ‘এজন্য ভারত ও ব্রাজিলের মতো প্রভাবশালী দেশগুলোকে বিশ্বব্যবস্থা রক্ষায় দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারাবদ্ধ হতে হবে।’

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

এবার পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান কিনতে চায় সৌদি আরব

Published

on

খালেদা

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তির পর এবার শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। পাকিস্তান থেকে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান কিনতে চায় সৌদি আরব। তবে সৌদি আরব পকিস্তানকে যে ঋণ দিয়েছে তার আওতায় এ চুক্তি হতে পারে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রিয়াদ ও ইসলামাবাদের মধ্যে প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারের ঋণকে যুদ্ধবিমান ক্রয়ের চুক্তিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে ইয়েমেনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে নিজেদের সামরিক আধিপত্য বজায় রাখতে সৌদি আরব এই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সংগ্রহ করতে আগ্রহী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গত বছর দেশ দুটির মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির ধারাবাহিকতায় এই আলোচনা সামনে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান ও সৌদির এই ঘনিষ্ঠতা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী সম্ভাব্য এই চুক্তির মোট অর্থমূল্য চার বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। যেখানে ঋণের সমন্বয় ছাড়াও অতিরিক্ত দুই বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে পাকিস্তান ও সৌদি আরব ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে কাজ করে আসছে। যেখানে তেল সমৃদ্ধ দেশটি বিভিন্ন সময়ে ইসলামাবাদের আর্থিক সংকট কাটাতে বিলিয়ন ডলারের ঋণ ও জ্বালানি সহায়তা প্রদান করেছে। বিনিময়ে পাকিস্তানের সুদক্ষ সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা সৌদি আরবের সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে আসছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান তাদের সামরিক সরঞ্জামের রপ্তানি বাড়াতে বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কিছুদিন আগেই লিবিয়ার খলিফা হাফতারের বাহিনীর কাছে চার বিলিয়ন ডলার মূল্যের জেএফ-সেভেনটিন যুদ্ধবিমান বিক্রির চুক্তি সম্পন্ন করেছে দেশটি।

গত মে মাসে ভারতের সাথে আকাশপথের সংক্ষিপ্ত লড়াইয়ে এই বিমানের কার্যকারিতা প্রমাণিত হওয়ার পর থেকেই আরব দেশগুলোর মধ্যে এই যুদ্ধবিমানের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ২০২৬ সালের শুরু থেকেই ইয়েমেনের পূর্বাঞ্চলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রক্সি গোষ্ঠী এসটিসির অগ্রযাত্রা রুখতে সৌদি বিমান বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তবে পাকিস্তানের এই চীনা প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান সংগ্রহের ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া কী হবে তা নিয়ে জল্পনা চলছে। বর্তমানে ওয়াশিংটন ও রিয়াদ আমেরিকার সর্বাধুনিক এফ-থার্টিফাইভ যুদ্ধবিমান নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একটি অংশ মনে করছে যে সৌদি আরব যদি চীনের সহযোগিতায় নির্মিত পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এফ-থার্টিফাইভ বিক্রির প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

বিশ্বজুড়ে নতুন ভাইরাস নিয়ে সতর্কতা, দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা

Published

on

খালেদা

ইথিওপিয়ায় ইবোলা-সম্পর্কিত একটি নতুন ভাইরাসের সম্ভাব্য সংক্রমণ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটি জানিয়েছে, ভাইরাসটির বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে এবং এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সক্ষমতা রাখে এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এখনো ব্যাপক সংক্রমণের কোনো নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতিকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে উচ্চ জ্বর, বমি, ডায়রিয়া, তীব্র শরীর ব্যথা এবং কিছু ক্ষেত্রে রক্তক্ষরণের লক্ষণ দেখা গেছে, যা ইবোলা ভাইরাসের উপসর্গের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইথিওপিয়ার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সন্দেহভাজন রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করেছে। পাশাপাশি আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে নিবিড় নজরদারিতে রাখা হয়েছে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধে দ্রুত আইসোলেশন ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইবোলা-সম্পর্কিত ভাইরাস সাধারণত প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয় এবং পরবর্তীতে মানুষের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে। আফ্রিকার পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে অতীতেও এ ধরনের প্রাদুর্ভাব জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি সৃষ্টি করেছে।

এ অবস্থায় ইথিওপিয়ার সরকার দেশজুড়ে সতর্কতা জারি করেছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে, যাতে ভাইরাস অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়তে না পারে। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পর্যাপ্ত ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। নিয়মিত হাত ধোয়া, অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়ানো এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত ও স্বচ্ছ তথ্য আদান-প্রদান এবং আন্তর্জাতিক সমন্বিত উদ্যোগই এ ধরনের সংক্রমণ মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ভারতের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিলে ট্রাম্পের সম্মতি

Published

on

খালেদা

রাশিয়ার কাছ থেকে তেল ও ইউরেনিয়াম আমদানিকারক দেশগুলোর বিরুদ্ধে নজিরবিহীন যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পুতিনের ‘যুদ্ধযন্ত্র’কে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করতে ভারত, চীন ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলোর ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত চড়া আমদানি শুল্ক আরোপের একটি বিলে সম্মতি দিয়েছেন তিনি। রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটিক—উভয় পার্টির সমর্থনে তৈরি এই ‘রাশিয়া স্যাংশন বিল’ কার্যকর হলে বিশ্ব বাণিজ্যে এক বিশাল অস্থিরতা তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। খবর এনডিটিভির।

সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম ও রিচার্ড ব্লুমেনথালের তৈরি এই বিলে ট্রাম্প প্রশাসনকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে যারা জেনেবুঝে রাশিয়ার তেল বা গ্যাস কিনবে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট সরাসরি সেই দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা পণ্যের ওপর আকাশচুম্বী শুল্ক এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবেন। মূলত মস্কোর অর্থের উৎস পুরোপুরি বন্ধ করে ভ্লাদিমির পুতিনকে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য করাই ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এই বিল পাস হলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে ভারত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা ভারতীয় কিছু পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক রাশিয়ার তেল কেনার কারণে আগে থেকেই কার্যকর রয়েছে। নতুন বিল অনুযায়ী এই শুল্কের পরিমাণ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়লে দুই দেশের বাণিজ্যে বড় ধরনের ধস নামতে পারে। মার্কিন নীতিনির্ধারকদের মতে, ইউক্রেন যখন শান্তির জন্য ছাড় দিচ্ছে, তখন পুতিনকে দমাতে এই কঠোর পদক্ষেপের কোনো বিকল্প নেই।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সিনেটর গ্রাহাম জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহেই বিলটি নিয়ে মার্কিন সিনেটে ভোটাভুটি হতে পারে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, রাশিয়ার ব্যবসায়িক অংশীদারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করাই এখন হোয়াইট হাউসের প্রধান কৌশল। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় শুধু তেল নয়, রাশিয়ার ইউরেনিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানিকারক দেশগুলোও বড় ধরনের অর্থনৈতিক শাস্তির মুখে পড়বে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই আগ্রাসী নীতি বিশ্বজুড়ে নতুন এক অর্থনৈতিক স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা করতে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

জাতিসংঘের সংস্থাসহ ৬৬ সংগঠন থেকে সরে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

খালেদা

জাতিসংঘ–সংশ্লিষ্ট সংস্থাসহ প্রায় ৬৬টি আন্তর্জাতিক সংগঠন থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। এর মধ্যে রয়েছে জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনা পরিচালনাকারী জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (ইউএনএফসিসিসি)।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) এক নির্বাহী আদেশে ৬৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থা, এজেন্সি ও কমিশনে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে এসব সংস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ও অর্থায়ন পর্যালোচনার নির্দেশনা দিয়েছিলেন তিনি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এই সংস্থাগুলোর অনেকগুলোই অপ্রয়োজনীয়, অপব্যবস্থাপনা বা যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থের পরিপন্থি। বেশিরভাগই জলবায়ু, শ্রম ও বিভিন্ন দেশের বিচিত্র সম্পর্কিত ইস্যু নিয়ে কাজ করে। এসব পদক্ষেপকে রিপাবলিকান প্রশাসন ওয়াক বা অগ্রাধিকারবিহীন উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এরই মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও), ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা (ইউএনআরডব্লিওএ), জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ এবং ইউনেসকোসহ একাধিক সংস্থা থেকে বেরিয়ে এসেছে। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মসূচি ও কর্মী সংখ্যায়ও কাটছাঁটের প্রভাব পড়ছে।

আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনা কাঠামো (ইউএনএফসিসিসি) থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জলবায়ু কেন্দ্রিক সংস্থাগুলো থেকে নাম প্রত্যাহারের সর্বশেষ পদক্ষেপ। এই চুক্তিই প্যারিস জলবায়ু চুক্তির ভিত্তি। সে চুক্তি থেকেও ট্রাম্প আগেই সরে দাঁড়িয়েছেন। মূলধারার বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় অর্থনীতি ও নিঃসরণকারী দেশ সহযোগিতা থেকে সরে গেলে বৈশ্বিক জলবায়ু উদ্যোগ ব্যাহত হবে।

বিশ্বব্যাপী যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) দীর্ঘদিন ধরে রিপাবলিকানদের বিরোধিতার মুখে রয়েছে। ট্রাম্প প্রথম মেয়াদেই এর অর্থায়ন বন্ধ করেছিলেন। যদিও পরবর্তী সময়ে বাইডেন প্রশাসন অর্থায়ন পুনর্বহাল করে।

এ ছাড়া কার্বন ফ্রি এনার্জি কমপ্যাক্ট, ইউনাইটেড নেশনস ইউনিভার্সিটি, ইন্টারন্যাশনাল কটন অ্যাডভাইজরি কমিটি, ইন্টারন্যাশনাল ট্রপিক্যাল টিম্বার অর্গানাইজেশনসহ আরও বেশ কয়েকটি সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আরও পর্যালোচনা চলছে বলে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

খালেদা খালেদা
পুঁজিবাজার5 hours ago

খালেদা জিয়ার সময়েই স্থাপিত হয়েছে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো: ডিএসই চেয়ারম্যান

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের অৰ্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান ছিল অনন্য ও অসামান্য।...

খালেদা খালেদা
পুঁজিবাজার12 hours ago

ব্লকে ২৩ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লকে মোট ২০টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। কোম্পানিগুলোর মোট ২৮ লাখ ১৪ হাজার...

খালেদা খালেদা
পুঁজিবাজার13 hours ago

পিপলস লিজিংয়ের সর্বোচ্চ দরপতন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স...

খালেদা খালেদা
পুঁজিবাজার13 hours ago

দর বৃদ্ধির শীর্ষে ফাইন ফুডস

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯১ কোম্পানির মধ্যে ১২৫টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

খালেদা খালেদা
পুঁজিবাজার13 hours ago

লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে লেনদেনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি। ডিএসই...

খালেদা খালেদা
পুঁজিবাজার14 hours ago

শেষ কার্যদিবসে লেনদেন আরও কমলো

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক ধারায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া...

খালেদা খালেদা
পুঁজিবাজার15 hours ago

তুরস্কে ওষুধ রপ্তানি করবে রেনাটা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের প্রতিষ্ঠান রেনাটা পিএলসি তুরস্কে ওষুধ রপ্তানির অনুমোদন পেয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১
খালেদা
জাতীয়4 hours ago

ইসি নির্বাচনি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে: ইইউ

খালেদা
আবহাওয়া5 hours ago

দেশের ২৪ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে দুঃসংবাদ

খালেদা
পুঁজিবাজার5 hours ago

খালেদা জিয়ার সময়েই স্থাপিত হয়েছে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো: ডিএসই চেয়ারম্যান

খালেদা
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার5 hours ago

জকসু নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হয়েছে: ভিপি প্রার্থী রাকিব

খালেদা
জাতীয়6 hours ago

সরকারের ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার পথ বন্ধ করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ

খালেদা
অর্থনীতি6 hours ago

স্বর্ণের দাম আরও কমলো

খালেদা
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার7 hours ago

‘স্থায়ী বহিষ্কার’ হচ্ছেন ঢাবির আওয়ামীপন্থী চার শিক্ষক

খালেদা
রাজনীতি7 hours ago

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে মুছাব্বির হত্যা: মির্জা ফখরুল

খালেদা
আন্তর্জাতিক7 hours ago

বিশ্ব ব্যবস্থা ধ্বংসে যুক্তরাষ্ট্র বড় ভূমিকা রাখছে: জার্মান প্রেসিডেন্ট

খালেদা
জাতীয়8 hours ago

প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে ৪৬৯ আপিল, শুনানি শনিবার

খালেদা
জাতীয়4 hours ago

ইসি নির্বাচনি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে: ইইউ

খালেদা
আবহাওয়া5 hours ago

দেশের ২৪ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে দুঃসংবাদ

খালেদা
পুঁজিবাজার5 hours ago

খালেদা জিয়ার সময়েই স্থাপিত হয়েছে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো: ডিএসই চেয়ারম্যান

খালেদা
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার5 hours ago

জকসু নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হয়েছে: ভিপি প্রার্থী রাকিব

খালেদা
জাতীয়6 hours ago

সরকারের ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার পথ বন্ধ করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ

খালেদা
অর্থনীতি6 hours ago

স্বর্ণের দাম আরও কমলো

খালেদা
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার7 hours ago

‘স্থায়ী বহিষ্কার’ হচ্ছেন ঢাবির আওয়ামীপন্থী চার শিক্ষক

খালেদা
রাজনীতি7 hours ago

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে মুছাব্বির হত্যা: মির্জা ফখরুল

খালেদা
আন্তর্জাতিক7 hours ago

বিশ্ব ব্যবস্থা ধ্বংসে যুক্তরাষ্ট্র বড় ভূমিকা রাখছে: জার্মান প্রেসিডেন্ট

খালেদা
জাতীয়8 hours ago

প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে ৪৬৯ আপিল, শুনানি শনিবার

খালেদা
জাতীয়4 hours ago

ইসি নির্বাচনি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে: ইইউ

খালেদা
আবহাওয়া5 hours ago

দেশের ২৪ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে দুঃসংবাদ

খালেদা
পুঁজিবাজার5 hours ago

খালেদা জিয়ার সময়েই স্থাপিত হয়েছে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো: ডিএসই চেয়ারম্যান

খালেদা
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার5 hours ago

জকসু নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হয়েছে: ভিপি প্রার্থী রাকিব

খালেদা
জাতীয়6 hours ago

সরকারের ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার পথ বন্ধ করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ

খালেদা
অর্থনীতি6 hours ago

স্বর্ণের দাম আরও কমলো

খালেদা
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার7 hours ago

‘স্থায়ী বহিষ্কার’ হচ্ছেন ঢাবির আওয়ামীপন্থী চার শিক্ষক

খালেদা
রাজনীতি7 hours ago

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে মুছাব্বির হত্যা: মির্জা ফখরুল

খালেদা
আন্তর্জাতিক7 hours ago

বিশ্ব ব্যবস্থা ধ্বংসে যুক্তরাষ্ট্র বড় ভূমিকা রাখছে: জার্মান প্রেসিডেন্ট

খালেদা
জাতীয়8 hours ago

প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে ৪৬৯ আপিল, শুনানি শনিবার