পুঁজিবাজার
ডিএসইর ফিক্স সার্টিফিকেশন পেল চার ব্রোকারেজ হাউজ

৭১ বছরে পদার্পণ করল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি। পুঁজিবাজারের ইতিহাসে আজকের দিনটি খুবই অর্থবহ ও গৌরবের৷ ডিএসইর ৭১ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে চারটি ব্রোকারেজ হাউজকে ডিএসইর ফিক্স সার্টিফিকেশন প্রদান করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
রোববার (২৮ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বোর্ড রুমে ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে ফিক্স সার্টিফিকেশন প্রদান করেন ডিএসইর প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (ইনচার্জ) সাত্বিক আহমেদ শাহ।
ব্রোকারেজ হাউজগুলো হলো- প্রোডেনশিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড, রিলিফ এক্সচেঞ্জ লিমিটেড, রয়েল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেড।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার ও সিটিও (ইনচার্জ) মো. তারিকুল ইসলাম, ডিএসইর উপ-মহাব্যবস্থাপক সাইয়িদ মাহমুদ জুবায়ের, আইসিটি ডিভিশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক হাসানুল করিম, প্রোডেনশিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রেজাউল ইসলাম, রিলিফ এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানজির নেওয়াজ খান, রয়েল ক্যাপিটাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. মনির আহমেদ এবং শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন খান।
সাত্বিক আহমেদ শাহ বলেন, ডিএসইর ৭১ বছরে পদার্পণে আমি প্রতিষ্ঠানটির প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা হিসেবে চারটি ব্রোকারেজ হাউজকে ডিএসইর ফিক্স সার্টিফিকেশন প্রদান করতে পেরে আনন্দিত৷ এ জন্য নিজেকে গর্বিত মনে করছি। ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। ৭১ সংখ্যাটা আমাদের অন্তরের সঙ্গে গেঁথে রয়েছে৷ এই ৭১ বছরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সনাতনী ক্রাইআউট থেকে অটোমেশন, অটোমেশন পরবর্তী সিডিএস, সিডিএস পরবর্তী ডিমিউচুয়ালাইজেশন হয়ে অত্যাধুনিক স্টক এক্সচেঞ্জে পরিণত হয়েছে। স্টক এক্সচেঞ্জটির ৭১ বছর পদার্পণকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতেৃত্বে ‘স্মার্ট পুঁজিবাজার’ রূপান্তর করব- এটাই আমাদের প্রত্যাশা। আধুনিক স্টক এক্সচেঞ্জের সাথে তাল মিলিয়ে ব্রোকারেজ হাউজগুলো যদি পর্যায়ক্রমে এপিআই সংযোগের মাধ্যমে নিজস্ব ওএমএস চালু করে তাহলে গ্রাহক সেবার মান অধিকতর উন্নতি হবে। যা পুঁজিবাজার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পর ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয়ের সাথে তাল মিলিয়ে পুঁজিবাজারে সার্বিক উন্নয়নে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের বিশেষ অঙ্গীকার। সে লক্ষ্যেই দেশের পুঁজিবাজারকে ডিজিটাল পুঁজিবাজার থেকে স্মার্ট পুঁজিবাজার হিসেবে গড়ে তোলা হবে। আমরা সব সময় মনে করি শেয়ারবাজার যদি তার প্রাথমিক লক্ষ্যগুলো অর্জন করতে চায়, সেক্ষেত্রে উন্নত ডিজিটালাইজেশনের বিকল্প কিছু নেই। এ বিষয়টি প্রথম থেকেই আমরা গুরুত্ব দিয়ে আসছি। ফিক্স সার্টিফিকেশনের এই বিষয়টি আমাদের অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং একটি দক্ষ পুঁজিবাজার গড়ে উঠবে।
মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ডিভিশনের পক্ষে উপ-মহাব্যবস্থাপক সাইয়িদ মাহমুদ জুবায়ের স্বাগত বক্তব্যে বলেন, একজন নতুন ট্রেকহোল্ডার নিজস্ব ওএমএসের মাধ্যমে ট্রেড পরিচালনা করতে যাচ্ছে, যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ২০২১ সাল থেকে এপিআই ভিত্তিক (বিএইচওএমএস) চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করে। এরই প্রেক্ষিতে ৫২টি ব্রোকারেজ হাউজ নাসডাক ম্যাচিং ইঞ্জিনে এপিআই সংযোগ নিয়ে নিজস্ব অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে লেনদেন করার জন্য ডিএসইতে আবেদন করে। ইতোমধ্যে ৯টি ব্রোকারেজ হাউজ ফিক্স সার্টিফিকেশন গ্রহণ করেছে এবং ৬টি ব্রোকার হাউজ নিজস্ব অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে লেনদেনও শুরু করেছে।
আইসিটি বিভাগের পক্ষে উপ-মহাব্যবস্থাপক এ এন এম হাসানুল করিম স্বাগত বক্তব্যে বলেন, তিনি উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে নিজস্ব ওএমএস চালু করায় সাধুবাদ জানিয়ে যথাযথ বিজনেস ও আইসিটি কমপ্লাইয়েন্স মেনে চলার অনুরোধ জানান।
তিনি আরো বলেন, এই সার্টিফিকেশন প্রদানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ট্রেকের ওএমএস এক ধাপ এগিয়ে মূল ট্রেডিং সিস্টেম এ ট্রেড করার যোগ্যতা অর্জন করলেও সিস্টেমটি সঠিকভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে অনেক বেশি যত্নশীল থাকতে হবে।
আইসিটি ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার ও সিটিও (ইনচার্জ) মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের যে সেন্ট্রাল অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ওএমএস) রয়েছে সেখানে নির্দিষ্ট কিছু ফিচার কাঠামো রয়েছে। এটা সকল ব্যবহারকারীর জন্য সমান। ব্রোকার হোস্টেড অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ওএমএস) এর মাধ্যমে একজন ব্রোকার তার বিনিয়োগকারীদের নিজের সুবিধামত ভ্যালু এডেড সার্ভিস নিশ্চিত করতে পারে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তার (ভারপ্রাপ্ত) কাছ থেকে সার্টিফিকেট গ্রহণ করেন প্রোডেনশিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রেজাউল ইসলাম, রিলিফ এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানজির নেওয়াজ খান, রয়েল ক্যাপিটাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. মনির আহমেদ এবং শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন খান।
এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন ফিক্স সার্টিফিকেশন প্রাপ্ত ব্রোকারেজ হাউজ ও ভেন্ডর কোম্পানি কুয়ান্ট ফিনটেক লিমিটেড এবং নিরুপন লিমিটেডের প্রতিনিধিবৃন্দ।
কাফি

পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে এফএএস ফাইন্যান্স

বিদায়ী সপ্তাহে (২৪ আগস্ট-২৮ আগস্ট) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর পতনের শীর্ষ তালিকায় সবচেয়ে বেশি দর কমেছে এফএএস ফাইন্যান্স ও ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির দর কমেছে ৩৩.৩৩ শতাংশ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
সপ্তাহের পতনের শীর্ষ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফারইস্ট ফাইন্যান্স। আগের সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে প্রতিষ্ঠানটির দর ছিল ২ টাকা ৯০ পয়সা। বিদায়ী সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে ক্লোজিং দর দাঁড়িয়েছে ২ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির দর কমেছে ৯০ পয়সা বা ৩১.০৩ শতাংশ।
তালিকার তৃতীয় স্থানে ২৮ শতাংশ পতন নিয়ে অবস্থান করছে প্রিমিয়ার লিজিং। আগের সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে প্রতিষ্ঠানটির দর ছিল ২ টাকা ৫০ পয়সা। বিদায়ী সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে যার ক্লোজিং দর দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৮০ পয়সায়। সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির দর কমেছে ৭০ পয়সা।
এছাড়া, সাপ্তাহিক পতনের শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের ২৬.৯২ শতাংশ, প্রাইম ফাইন্যান্সের ২৬.৩২ শতাংশ, বিআইএফসির ২৫.৪৫ শতাংশ, পিপলস লিজিংয়ের ২১.০৫ শতাংশ, জিএসপি ফাইন্যান্সের ১৮.৬০ শতাংশ, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ১৪.৮১ এবং সুহ্নদ ইন্ডাষ্ট্রিজের ১৪.৪৯ শতাংশ দর কমেছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে ইনফরমেশন সার্ভিসেস

বিদায়ী সপ্তাহে (২৪ আগস্ট-২৮ আগস্ট) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক (আইএসএন)।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
সপ্তাহের ব্যবধানে আইএসএনের দর বেড়েছে ৪৫.৫৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে কোম্পানিটির দর ছিল ৭২ টাকা ৬০ পয়সা। বিদায়ী সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে যার ক্লোজিং দর দাঁড়িয়েছে ১০৫ টাকা ৭০ পয়সায়।
দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স।আগের সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে প্রতিষ্ঠানটির দর ছিল ৬২ টাকা ৭০ পয়সা। বিদায়ী সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে ক্লোজিং দর দাঁড়িয়েছে ৮৩ টাকা ২০ পয়সায়। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির দর বেড়েছে ২০ টাকা ৫০ পয়সা বা ৩২.৭০ শতাংশ।
তালিকার তৃতীয় স্থানে ৩২.৩৫ শতাংশ দর বৃদ্ধি নিয়ে অবস্থান করছে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার। আগের সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে কোম্পানিটির দর ছিল ১৭ টাকা। বিদায়ী সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে যার ক্লোজিং দর দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৫০ পয়সায়। সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির দর বেড়েছে ৫ টাকা ৫০ পয়সা।
এছাড়া, সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে প্রোগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ২৯.১৩ শতাংশ, মুন্নু ফেব্রিকের ২৩.৯০ শতাংশ, সোনালী পেপারের ২২.৩৬ শতাংশ, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল-পিটিএলের ২১.১০ শতাংশ, সিনোবাংলার ১৮.৮১ শতাংশ, শাহাজীবাজার পাওয়ারের ১৮.৭৮ শতাংশ, এবং জাহিন টেক্সটাইলের ১৮ শতাংশ।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক

বিদায়ী সপ্তাহে (২৪ আগস্ট-২৮ আগস্ট) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষ তালিকার শীর্ষে উঠেছে সিটি ব্যাংক। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৮ কোটি ৯১ লাখ টাকার।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালেক স্পিনিং। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে ২৪ কোটি ৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ২.১০ শতাংশ।
লেনদেনের তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি)। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড়ে কোম্পানিটির ২২ কোটি ৯৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ২.০১ শতাংশ।
এছাড়া, সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে সোনালী পেপারের ২১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, বেক্সিমকো ফার্মার ২১ কোটি ১৮ লাখ টাকা, বিচ হ্যাচারির ২০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, বিকন ফার্মার ২০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, আলিফ ইন্ডাষ্ট্রিজের ১৯ কোটি টাকা, ওরিয়ন ইনফিউশনের ১৮ কোটি ৬৬ লাখ টাকা এবং সী পার্ল রিসোর্টের ১৪ কোটি ১০ লাখ টাকার।
কাফি
পুঁজিবাজার
ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো ১০ হাজার কোটি টাকা

বিদায়ী সপ্তাহে (২৪ আগস্ট থেকে ২৮ আগস্ট) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন হয়েছে। এতে এতে সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ১০ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সমাপ্ত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ১৮ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এ মূলধন ছিল ৭ লাখ ৮ হাজার ১৮১ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ১০ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা বা ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
চলতি সপ্তাহে বেড়েছে ডিএসইর সব কয়টি সূচকও। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১৪২.৯৯ পয়েন্ট বা ২.৬৬ শতাংশ। এছাড়া ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ৬৭.৫৫ পয়েন্ট বা ৩.২৩ শতাংশ। আর ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ২৬.৮৬ পয়েন্ট বা ২.২৮ শতাংশ।
সূচকের উত্থানের পাশাপাশি ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণও। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ৭২৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ৪ হাজার ৫৩৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ১ হাজার ১৯৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।
প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ২৩৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা বা ২৬.৩২ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ১৪৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৯০৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৯৬টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৬৮টি কোম্পানির, কমেছে ১০৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
এসএম
পুঁজিবাজার
ডিএসইর ফিক্স সার্টিফিকেশন পেলো ১৩ ব্রোকারেজ হাউজ

এপিআই সংযোগের মাধ্যমে নিজস্ব ওএমএস চালু করণের লক্ষ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি আরও ১৩টি ব্রোকারেজ হাউজকে ফিক্স সার্টিফিকেশন প্রদান করেছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর নিকুঞ্জে ডিএসই ট্রেনিং একাডেমিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রোকারহাউজগুলোর কর্মকর্তাদের কাছে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ফিক্স সার্টিফিকেশন প্রদান করেন ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম। এসময় তিনি বলেন, আজ যে ১৩টি ব্রোকারেজ হাউজ ফিক্স সার্টিফিকেশন গ্রহণ করেছে, তাদের প্রতি আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আর যে সকল ব্রোকারেজ হাউজগুলো তাদের বিভিন্ন সমস্যার কারণে এখন পর্যন্ত ফিক্স সার্টিফিকেশনের আওতায় আসতে পারছে না, তাদেরকে কিভাবে ডিএসইর পক্ষ থেকে সহযোগিতার মাধ্যমে ফিক্স সার্টিফিকেশনের আওতায় আনা যায় তার চেষ্টা করছি।
তিনি আরও বলেন, পুঁজিবাজার উন্নয়নের লক্ষ্যে আমরা সকলে সম্মিলিতভাবে কাজ করে যাচ্ছি। যার ইতিবাচক প্রভাব ধীরে ধীরে বাজারে প্রতিফলিত হচ্ছে। আমরা আশা করি, চলমান পরিবর্তনের ধারা পুঁজিবাজারে টেকসই উন্নয়ন বয়ে আনবে। পুঁজিবাজারের উন্নয়নে আমাদের সকলকেই সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
১৩টি ব্রোকারেজ হাউজের পক্ষে ফিক্স সার্টিফিকেশন গ্রহণ করেন- এপেক্স ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের সহকারী মহাব্যবস্থাপক এন্ড হেড অব আইটি মো. আবু বকর সিদ্দিক, ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন দাস, ইবিএল সিকিউরিটিজ পিএলসির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা এম. শাহরিয়ার ফায়েজ, গ্রীনডেল্টা সিকিউরিটিজ লিমিটেডের হেড অব বিজনেজ ফকরুদ্দিন আলী আহমেদ রাজিব, আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মফিজুর রহমান, ইসলামি ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান, এফসিএ, সিআইপিএ, এনএলআই সিকিউরিটিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহা. শাহেদ ইমরান, এনআরবিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম, ওয়ান সিকিউরিটিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, এসবিএসি ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম নাছির উদ্দিন, শাহজালাল ইসলামি ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিষ্ণু পদ কুন্ডু, স্মার্ট শেয়ার অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর মোহাম্মদ এবং ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রহমত পাশা।
তার আগে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ডিএসইর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুর রহমান। এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন- ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাহমাত পাশা। পরিশেষে, অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য প্রধান করেন ডিএসইর প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আসিফুর রহমান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএসইর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন, রিচার্ড ডি রোজারিও, আইসিটি ডিভিশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক এএনএম হাসানুল করিম, প্রোডাক্ট এন্ড মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ডিভিশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক সাইয়িদ মাহমুদ জুবায়ের সহ ডিএসই ও ব্রোকারেজ হাউজের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
উল্লেখ্য যে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এপিআই (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ইন্টারফেস) ভিত্তিক BHOMS চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেন ২০২০ সাল থেকে। এরই প্রেক্ষিতে ৬৫টি ব্রোকারেজ হাউজ নাসডাক ম্যাচিং ইঞ্জিনে এপিআই সংযোগ নিয়ে নিজস্ব অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে লেনদেন করার জন্য ডিএসইতে আবেদন করেন। আজকে ১৩টি সহ মোট ৩৯টি ব্রোকার হাউজকে ফিক্স সার্টিফিকেশন প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ২২টি ব্রোকার হাউজ ফিক্স সার্টিফিকেশন পাওয়ার পর তারা এপিআই সংযোগের মাধ্যমে নিজস্ব ওএমএস চালু করেছে।