Connect with us

শিল্প-বাণিজ্য

করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে চার লাখ টাকা করার দাবি এফবিসিসিআইয়ের

Published

on

ক্রাফটসম্যান

বর্তমান মূল্যস্ফীতি এবং নিম্ন আয়ের মানুষের প্রকৃত আয় বিবেচনায় নিয়ে আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। একই সঙ্গে সিনিয়র সিটিজেন ও নারীদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) হোটেল সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পরামর্শক কমিটির ৪৪তম সভায় এই দাবি জানানো হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং এফবিসিসিআইয়ের যৌথ উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট উপলক্ষে এফবিসিসিআইয়ের সুপারিশগুলো তুলে ধরেন সংগঠনটির সভাপতি মাহবুবুল আলম।

এফবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা লাখ টাকা বাড়িয়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং সিনিয়র সিটিজেন ও নারীদের জন্য ৫ লাখ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়। বর্তমান মূল্যস্ফীতি এবং নিম্ন আয়ের মানুষের প্রকৃত আয় বিবেচনায় নিয়ে এ দাবি জানানো হয়েছে।

এফবিসিসিআই বলছে, বর্তমানে প্রায় এক কোটি টিআইএনধারী রয়েছে। এর মধ্যে আনুমানিক ৩৫ লাখ আয়কর রিটার্ন দাখিল করে। যাদের আয় করমুক্ত সীমার উপরে আছে তাদেরকে আয়কর রিটার্ন দাখিলের আওতায় আনা দরকার।

লিখিত বক্তব্যে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, বর্তমানে জাতীয় অর্থনীতি একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়ালেও করোনা পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদি বিরূপ প্রভাব এবং চলমান রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মধ্যেও এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতির উন্নয়নের গতিধারাকে এগিয়ে নিতে হচ্ছে। এ জন্য দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সহায়ক পরিবেশকে আরও সুদৃঢ় ও জোরদার করা জরুরি হয়ে পড়েছে। কারণ অর্থনীতি সঠিক গতিতে চললেই সরকার তার কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আহরণ করতে পারবে।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফিতি নিয়ন্ত্রণ ও বাজার মনিটরিং, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, রেমিট্যান্স প্রবাহ, রপ্তানি বৃদ্ধি ও সম্প্রসারণ/বহুমুখীকরণ/নতুন বাজার সংযোজন, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, সুদের হার এবং আর্থিক ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন কার্যক্রম জোরদার করা, ট্যাক্স-জিডিপি রেশিও বৃদ্ধি, রাজস্ব নীতির সংস্কার এবং মুদ্রা ও রাজস্ব নীতির মধ্যে সমন্বয়, সর্বস্তরে সুশাসন এবং সর্বোপরি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাই জাতীয় অর্থনীতিতে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দৃঢ় করতে ব্যবসায়িক খরচ (কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস) কমিয়ে আনা, বিনিয়োগ সুরক্ষা, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, সুষম বিনিয়োগ সহায়ক মূদ্রা ও শুল্ক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, শিপিং খরচসহ সব ধরনের পরিবহন খরচ হ্রাসের আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ প্রভৃতি ক্ষেত্রে স্থায়ী পরিকাঠামো উন্নয়নে স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর আদায়ের ক্ষেত্রে হয়রানি ও জটিলতা দূর করার মাধ্যমে ব্যবসাবান্ধব কর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে আগামী বাজেটে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান এফবিসিসিআই সভাপতি।

মাহবুবুল আলম বলেন, ব্যাংকিং ও ফিন্যান্সিয়াল সেক্টরে শৃঙ্খলা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। ব্যাংকিং খাতের সংস্কার বিষয়ে সরকার এরই মধ্যে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যা ইতিবাচক ফল নিয়ে আসবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, বিনিয়োগ বাড়াতে এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকার লক্ষ্যে সুদের হার স্থিতিশীল রাখতেন হবে। বিনিয়োগের স্বার্থেই সুদের হার কমিয়ে আনতে হবে। বৈদেশিক অর্থায়নে এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় ও অনুৎপাদনশীল প্রকল্প গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। অর্থ পাচার/মানি লন্ডারিং রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ব্যাপারে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির প্রয়োজন হবে।

এফবিসিসিআই সভাপতি আরও বলেন, রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি করার পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। বিদেশে দক্ষ জনসম্পদ পাঠাতে পারলে ভালো এবং টেকসই রেমিট্যান্স মিলবে। দক্ষ জনবলের পাঠানো রেমিট্যান্স অধিকতর মূল্য সংযোজন করতে সক্ষম। সম্ভাবনাময় এবং নতুন জনশক্তি রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি বলেন, ইকোনমিক ডিপ্লোমেসি তথা বাংলাদেশের বৈদেশিক মিশনগুলোকে দেশের রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। এক্ষেত্রে কমার্সিয়াল কাউন্সিলরদের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

মাহবুবুল আলম বলেন, রাজস্ব বাড়াতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ জোরদার করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সহায়ক পলিসি সাপোর্ট, কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করে করের আওতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রাজস্ব আহরণ বাড়াতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রপ্তানি বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে নগদ সহায়তার বিকল্প সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। বিকল্প সহায়তা হিসেবে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও পরিবহন খাতে প্রণোদনা বা বিশেষ সুবিধা দিতে হবে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে কয়েকটি বিষয়ের ওপর বিশেষ নজর দেওয়ার দাবি জানিয়েছে এফবিসিসিআই। এর মধ্যে রয়েছে-
>>> কর্মসংস্থানের স্বার্থে বিনিয়োগ, দেশীয় শিল্প ও সেবা এবং সিএমএসএমই-কে শুল্ক করের যৌত্তিক প্রতিরক্ষা।
>>> ক্ষেত্রবিশেষে অব্যাহতি যা বন্ড সুবিধা দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ভিত্তিতে রপ্তানি বৈচিত্রকরণের প্রয়াস অব্যাহত রাখা।
>>> ভোগ্যপণ্যসহ নিত্য ব্যবহার্য্য পণ্যের মূল্য ও সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা।
>>> করণীতি, কর পদ্ধতি ও ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, অটোমেশন ও ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে নেট বা করজাল সম্প্রসারণ।
>>> স্বোচ্ছায় কর প্রতিপালন হার বৃদ্ধি করে রাজস্ব আদায় তথা কর জিডিপির অনুপাত বৃদ্ধি করা।
>>> আয় ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও যথাযথ করনীতির মাধ্যমে অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস করা।
>> সমন্বিত শুল্ক-করা এবং মুদ্রা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।

এফবিসিসিআই যেসব দাবি জানিয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
>>> করহার কমিয়ে আয়কর এবং মূসকের আওতা সম্প্রসারণ করে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ বাড়ানো। ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি করতে আয়করের আওতা বাড়ানো। সক্ষম করাদাতাদের আয়করের আওতায় আনা। এ লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সমন্বিত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জরুরি সংস্কারক আবশ্যক।

>>> আমদানি পণ্যের যথাযথ শুল্কায়ন, পণ্য খালাস এবং সব ধরনের শুল্ক ও কর পরিশোধ ত্বরান্বিত করতে বিদ্যমান এসাইকুডা সিস্টেমের সার্বিক উন্নয়নসহ বাংলাদেশ সিঙ্গেল উইন্ডো সংক্রান্ত কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করা।

>>> অথরাইজড ইকোনমিক অপারেটরের সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিতে হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের রাজস্ব আহরণ এবং রাজস্ব পলিসি কার্যক্রম পৃথক করা এবং ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন বিভাগ নামে একটি বিভাগ গঠন করা।

>>> ট্যাক্স, ভ্যাট ও কাস্টমস প্রশাসনকে সমন্বয় করা ও অটোমেশনের আওতায় নিয়ে আসা। রাজস্ব বোর্ড দ্বারা জাতীয় রাজস্ব পরিচালিত হলেও ট্যাক্স, ভ্যাট এবং কাস্টমস এই তিনটি শাখার মধ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বয় না থাকায় এই তিন শাখার কার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার অভাব পরিলক্ষিত হয়। এ জন্য অটোমেটেড ও ইন্টিগ্রেটেড রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি।

>>> আমদানি করা কাঁচামাল, মধ্যবর্তী কাঁচামালসহ যাবতীয় শিল্প উপকরণের ওপর আরোপিত অগ্রিম আয়কর (এআইটি) এবং ভ্যাট আইনের আওতায় আগাম কর (এটি) প্রত্যাহার করা।

>>> ঢাকায় একটি পৃথক বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ) এবং চট্টগ্রামে একটি বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ) স্থাপনসহ দেশের সব উপজেলায় আয়কর অফিস চালু করে সক্ষম করদাতাদেরকে আয়করের আওতায় নিয়ে আসা।

>>> ন্যাশনাল ট্যারিফ পলিসি বাস্তবায়নের দায়িত্ব (স্থানীয় শিল্পের স্বার্থে) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে দেওয়া।

>>> বর্তমান মূল্যস্ফীতি এবং নিম্ন আয়ের মানুষের প্রকৃত আয় বিবেচনায় নিয়ে ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা এক লাখ টাকা বাড়িয়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সিনিয়র সিটিজেন ও নারীদের ৫ লাখ টাক নির্ধারণ করা।

>>> সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি এবং ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি করতে সব উপজেলা পর্যায়ে আয়কর দপ্তর স্থাপন করা।

>>> শিল্প পরিচালনার ব্যয় কমানোর জন্য আমদানি পর্যায়ে অগ্রিম আয়করের (এআইটি) হার ধাপে ধাপে কমিয়ে আনা।
>>> মিনিমাম ট্যাক্স ও উইথহোল্ডিং ট্যাক্স-কে যৌক্তিকীকরণ করা।

>>> রপ্তানি বাণিজ্যের বৃহত্তর স্বার্থে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পের রপ্তানিকারকদের ইআরকিউ ফান্ড থেকে রপ্তানির প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য পরিশোধিত ফি থেকে উৎসে আয়কর কর্তনের হার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা।

>>> সব কৃষিজাত নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যকে উৎসে কর কর্তনের আওতা বহির্ভূত রাখা।

>>> রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পসহ সব রপ্তানির বিপরীতে প্রযোজ্য উৎসে কর হার ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে আগের মতো শুন্য দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করা এবং তা আগামী ৫ বছর পর্যন্ত কার্যকর রাখা। পাশাপাশি নগদ সহায়তার ওপর আয়কর কর্তনের হার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা।

>>> স্বেচ্ছা ক্ষমতা পদ্ধতি পরিহার করে কেবল সুনিদিষ্ট দালিলিক তথ্য বা প্রমাণের ভিত্তিতে এবং সেই সম্পর্কে করদাতার শুনানি এবং ব্যাখ্যা গ্রহণ করে আয়কর নির্ধারণ করা।

>>> বর্তমান আয়কর আইনে খুচরা বিক্রেতা ও ছোট পেশাজীবীদের আয় বা কর নির্ধারণের কোনো সুনির্দিষ্ট বা সহজ বিধান নেই। তাদেরকে কর নেটের আওতায় আনার জন্য একটি পৃথক ধারা সংযোজন করা।

>>> আয়কর আইন-২০২৩ এর ধারা ২৬১ প্রভিডেন্ট এবং গ্র্যাচুইটি তহবিলের জন্য রিটার্ন জমা দেওয়া এবং ১৫ শতাংশ কর কর্তন সংক্রান্ত বিধান প্রত্যাহার করা।

>>> স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিলের পাশাপাশি সাধারণ পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিলের সুযোগ পুনরায় প্রবর্তন করা।

>>> কর দিবস পরবর্তী সময়ে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে প্রদত্ত অগ্রিম কর, উৎসে করসহ অন্যান্য প্রদত্ত করের ওপর জরিমানা সংক্রান্ত ধারা ১৭৪ বাতিল করা।

>>> ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সব সিটি করপোরেশন, বিভাগীয় শহর এবং জেলা শহরে সক্ষম সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট মার্কেট সমিতির সহায়তায় বাধ্যতামূলক মূসক নিবন্ধনের আওতায় আনা।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

শিল্প-বাণিজ্য

কর্মপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে শিল্পমন্ত্রীর আহবান

Published

on

ক্রাফটসম্যান

বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ২০২৪ এর আলোকে প্রণীত কর্মপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও কর্মপন্থা নির্ধারণে কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। তিনি বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়কে একটি আধুনিক, যুগোপযোগী ও গতিশীল মন্ত্রণালয় হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর মতিঝিলে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শিল্প মন্ত্রণালয় আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহবান জানান।

মন্ত্রী বলেন, সার্বিক বিবেচনায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের পারফরম্যান্স খুব ভালো। এটিকে আরো এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী আমার ওপর আস্থা রেখে দ্বিতীয় বারের মতো এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন।

তিনি বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনাসমূহ ও চলমান প্রকল্পসমূহ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। মন্ত্রী এ সময় সততা, দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ ও টিমওয়ার্কের সঙ্গে কাজ করার জন্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানান।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার প্রধানগণ মন্ত্রীর সঙ্গে তাদের ঈদ ও নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় ও উদযাপনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন।

সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা এ সময় বলেন, এবারের ঈদ যাত্রা বেশ নির্বিঘ্ন ছিল। সাধারণ জনগণকে কোন ভোগান্তি পোহাতে হয়নি।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ২০২৪ এর আলোকে শিল্প মন্ত্রণালয় প্রণীত ‘কর্মপরিকল্পনা ২০২৪-২০২৮’ শীর্ষক পুস্তিকার মোড়ক উন্মোচন করেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

পণ্যের দাম ঠিক রাখতে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

Published

on

ক্রাফটসম্যান

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার জেরে দেশে বিভিন্ন পণ্যের দাম যাতে না বাড়ে সেজন্য বিকল্প দেশ থেকে পণ্য আমদানি এবং সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক রাখার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মিট দ্য প্রেসে তিনি এ তথ্য জানান। এসময় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শুক্কুর আলী শুভ এতে সভাপতিত্ব‌ করেন।

এসময় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইরান ও ইসরায়েল হঠাৎ করে হামলা করেছে। এটা আমাদের জানা ছিল না। মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি তেলসহ অন্যান্য পণ্য আসে। এখন ইসরায়েল ইরানে পাল্টা হামলা চালাবে কি-না জানি না। তারপর সব বিষয় মাথায় রেখে পণ্যের দাম যেন না বাড়ে, সেজন্য আমরা বিকল্পভাবে পণ্য আনার চেষ্টা করছি।

তিনি আরও বলেন, টিসিবির পণ্যকে দোকানের মধ্যে নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া, টিসিবি কার্ড পাওয়া ব্যক্তিদের তালিকা হালনাগাদ করা হবে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

নয় মাসে পান রপ্তা‌নি আয় ২০০ কো‌টি টাকা

Published

on

ক্রাফটসম্যান

গ্রামগঞ্জ থেকে শুরু করে শহরে পর্যন্ত রয়েছে পানের জনপ্রিয়তা। বাঙালি সংস্কৃতি আর আভিজাত্যের অন্যতম একটি অংশ পান। বিয়ে কিংবা দাওয়াত; এক খিলি পান ছাড়া যেন কোনো আচার-অনুষ্ঠান চলেই না। শিল্পির কণ্ঠে গান ‘যদি সুন্দর একটা মুখ পাইতাম মহেশখালীর পানের খিলি তারে বানাই খাওয়াইতাম’, ‘পান খাইলে সুপারি লাগে, আরো লাগে চুন, ঘষিয়া ঘষিয়া জ্বলে পীরিতের আগুন’। পান নিয়ে এমন অনেক গান, কবিতা, প্রবাদ আছে, যা আমাদের সাহিত্যকে করেছে সমৃদ্ধ। বাঙালি সাহিত্য-সংস্কৃতির সঙ্গে অর্থনীতিকেও সমৃদ্ধ করছে পান। অলি-গলির দোকান পেরিয়ে পান যাচ্ছে বিদেশে। রপ্তানিতে আয় করছে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা।

কক্সবাজারের মহেশখালী, রাজশাহী, দিনাজপুর, রাজবাড়ী, কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পান চাষ হয়। দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে এখন বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে অর্থকরী এ ফসল।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সবশেষ প্রকাশিত পরিসংখ্যানের তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের (জুলাই-মার্চ) ৯ মাসে পান রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে এক কোটি ৮২ লাখ মার্কিন ডলার। যা দেশীয় মুদ্রায় ২০০ কোটি টাকার বেশি (প্র‌তি ডলার ১১০ টাকা ধরে)।

ইপিবির তথ্য বলছে, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে পান রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছিল এক কোটি ২৭ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। রপ্তানির লক্ষ্য বাড়িয়ে চলতি অর্থবছরে ঠিক করা হয় এক কোটি ৪০ লাখ ডলার। তবে গত ৯ মাসে লক্ষ্যের চেয়ে ৭৪ শতাংশ বেশি পান রপ্তানি হয়েছে। অর্থবছর শেষে পান রপ্তানির এ অংক আরো বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

পান রপ্তানির বিষয় জানতে চাইলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, পান রপ্তানি বাড়াতে সরকার জোর দিয়েছে। রপ্তানিকারকদের নগদ সহায়তার পাশাপাশি কোল্ড স্টোরেজের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয় নিয়মিত মনিটরিং করছে। কোনো সমস্যা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তা সমাধানের উদ্যোগ নিচ্ছে। যার ফলে এবার পান রপ্তানি লক্ষ্যের চেয়ে বেশি হয়েছে। আগামীতে রপ্তানি আরো বাড়ছে বলে প্রত্যাশা করেন এ কর্মকর্তা।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পান পাতা বাজারে বিক্রি হয় পণ বা বিড়া হিসেবে। প্রতি পণে ৮০টি পাতা থাকে। স্থানীয় বাজারে প্রতি পণ পানের দাম পাওয়া যায় ৪০ থেকে ১২০ টাকা। অর্থাৎ আকারভেদে প্রতিটি পাতা ৫০ পয়সা থেকে দেড় টাকায় বিক্রি হয়। দেশের বাজারে দুই ধরনের পানের (দেশি পাতা ও মিঠা পাতা) চাহিদা থাকলেও শুধু মিষ্টি পানই বিদেশে রপ্তানি হয়। রপ্তানির জন্য বাছাই করা ভালোমানের পান পাতা প্রতিটি ২ থেকে ৪ টাকা করে বা প্রতি পণ ১৬০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে সার্বিক ৫ হাজার ৫৫৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ। ওই সময় প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ হাজার ২০০ কোটি ডলার। অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) ৪ হাজার ৩৫৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি। তবে নয় মাসে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হলেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

পোশাকপণ্য রফতানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১.৮ বিলিয়ন ডলার কম

Published

on

ক্রাফটসম্যান

চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) পোশাকপণ্য রফতানি হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার কম। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পক্ষ থেকে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়।

বিজিএমইএ জানায়, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়সীমায় বাংলাদেশ থেকে পোশাক রফতানি হয়েছে ৩৭ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারের। যদিও এ সময়ের মধ্যে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৯ বিলিয়ন ডলার। সে অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে পোশাকপণ্য রফতানি হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার কম।

এর আগে গত অর্থবছরের একই সময়সীমায় বাংলাদেশ থেকে পোশাক রফতানি হয়েছিল ৩৫ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের। সে অনুযায়ী অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে পোশাক রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

বিশেষ করে জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের বিক্রি এ প্রবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে বিজিএমইএর দেয়া পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে পোশাক পণ্য রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার পাশাপাশি খুচরা বিক্রি বাড়ায় এ পোশাকপণ্য রফতানিতে এ প্রবৃদ্ধি অর্জন হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিএমইএ।

তবে পোশাক শিল্প মালিকরা মনে করছেন, রফতানিতে প্রবৃদ্ধি অর্জন হলেও এতে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। গত সাত মাসে বাংলাদেশের প্রধান তিনটি রফতানি পণ্যের দাম কমেছে। এর মধ্যে টি-শার্টের দাম কমেছে ১২ থেকে ১৭ শতাংশ। ট্রাউজারের দাম কমেছে সাড়ে ৭ শতাংশ পর্যন্ত। আর সোয়েটারের মূল্য কমেছে ১০ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত।

পোশাক শিল্প মালিকরা বলছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি খাতটিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। গত পাঁচ বছরে পোশাকপণ্যের উৎপাদন খরচ বেড়েছে ৫০ শতাংশ। একই সময়ে গ্যাসের মূল্য ২৮৬ দশমিক ৫ ও বিদ্যুতের মূল্য ২১ দশমিক ৪৭ বেড়েছে। ডিজেলের মূল্য বেড়েছে ৬৮ শতাংশ। এর সঙ্গে সঙ্গে পরিবহন খরচও। গত জানুয়ারি থেকে ন্যূনতম মজুরি বেড়েছে ৫৬ শতাংশ।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

আখাউড়া স্থলবন্দরে পাঁচ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

Published

on

ক্রাফটসম্যান

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আজ ১০ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পাঁচদিনের ছুটি শুরু হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে।

ফলে বুধবার (১০ এপ্রিল) সকাল থেকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার সঙ্গে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। তবে উভয়দেশের বৈধ পাসপোর্টধারী যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে পারাপার করছেন।

এসব তথ্য জানিয়েছেন আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, দুদেশের ব্যবসায়ীদের সিদ্ধান্তে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ ১০ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত পাঁচদিন এ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে।

প্রসঙ্গত, দেশের অন্যতম বৃহৎ ও রপ্তানিমুখী আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রতিদিন হিমায়িত মাছ, প্লাস্টিক, রড, সিমেন্ট ও বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী রপ্তানি হয়।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
ক্রাফটসম্যান
অর্থনীতি4 hours ago

রমজানে কমলেও ঈদের পর বাড়ল ডিমের দাম

ক্রাফটসম্যান
জাতীয়4 hours ago

প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ শুরু বৃহস্পতিবার

ক্রাফটসম্যান
খেলাধুলা5 hours ago

বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল শনিবার

ক্রাফটসম্যান
পুঁজিবাজার5 hours ago

বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে ৫০ লাখ শেয়ার ছাড়বে ক্রাফটসম্যান ফুটওয়্যার

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন
পুঁজিবাজার5 hours ago

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা

ক্রাফটসম্যান
জাতীয়5 hours ago

চিকিৎসায় অবহেলা মেনে নেয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ক্রাফটসম্যান
জাতীয়6 hours ago

জিম্মিদশার ৩১ দিনের লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন জাহাজের ক্যাপ্টেন

ক্রাফটসম্যান
আন্তর্জাতিক6 hours ago

জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত

ক্রাফটসম্যান
জাতীয়6 hours ago

টেকসই সমুদ্র ব্যবস্থাপনায় সম্মিলিত প্রয়াসের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ক্রাফটসম্যান
পুঁজিবাজার7 hours ago

অগ্নি সিস্টেমসের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০