Connect with us

অর্থনীতি

নিলামে ২৫ কেজি সোনা বিক্রি করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

Published

on

লাভেলো

দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সময়ে জব্দ বা আটক করা ২৫ কেজি ৩১২ গ্রাম সোনা নিলামে বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রায় ১৬ বছর পর গতকাল বুধবার নিলামে এ সোনা বিক্রি করা হয়েছে। নিলামের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এসব সোনা কিনেছে ভেনাস জুয়েলার্স। যার আর্থিক মূল্য ছিলো ১৭ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

এর আগে ২০২২ সালের নভেম্বরে নিলাম ডেকেও উপযুক্ত দরদাতা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত এই সোনা বিক্রি করতে পারেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পরে চলতি বছর নতুন করে আবার নিলাম ডাকা হয়। এতে সেরা দাতা হিসেবে ভেনাস জুয়েলার্স এসব সোনা কিনে নিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. মেজবাউল হক সাংবাদিকদের বলেন, শুল্ক গোয়েন্দাদের জব্দ করা সোনা নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। বিক্রির বিপরীতে পাওয়া ১৭ কোটি ৯৯ লাখ টাকা কাস্টমসের হিসাবে জমা দেওয়া হয়েছে। প্রথম নিলামে প্রত্যাশিত দর না পাওয়ায় দ্বিতীয় নিলামের মাধ্যমে এ সোনা বিক্রি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সর্বশেষ ২০০৮ সালের ২৩ জুলাই নিলামের মাধ্যমে ২১ কেজি ৮২২ গ্রাম সোনা বিক্রি করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই বছরের শুরুর দিকে তিন ধাপে আরও ২৫, ২১ ও ২০ কেজি সোনা বিক্রি করা হয়েছিল। এরপর ২০২২ সালের নভেম্বরে বিভিন্ন সময়ে জব্দ করা ২৫ কেজি ৩১২ গ্রাম সোনা বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে ওই বছরের নভেম্বরে নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এ নিলামে অংশ নিলেও অপেক্ষাকৃত কম দর প্রস্তাব করে। এতে শেষ পর্যন্ত নিলামটি বাতিল করা হয়। এরপর আরও কয়েক দফা নিলাম ডাকা হলেও কোনো সোনা বিক্রি হয়নি।

জানা গেছে, স্থায়ী খাতে নেওয়া সোনার প্রায় ২ হাজার ৪২৯ কেজি ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কিনে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বা মজুতে যুক্ত করেছে। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত মালিককে ফেরত বা নিলামে বিক্রি করা হয়েছে ১ হাজার ৮৭ কেজি ৪০০ গ্রাম। যেসব সোনার দাবি নিয়ে জটিলতা থাকে, সেগুলো অস্থায়ী খাতের সোনা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখা হয়। আর যেসব সোনার দাবিদার নিয়ে কোনো জটিলতা থাকে না, সেগুলো স্থায়ী খাতে যুক্ত করা হয়।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি

১২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৯ হাজার ৬০৪ কোটি টাকা

Published

on

লাভেলো

ঈদুল ফিতরের আগে ১২ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৮৭ কোটি ৭১ লাখ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯ হাজার ৬০৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা হিসাবে)।

ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবস সোমবার (১৫ এপ্রিল) এ তথ্য প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, এপ্রিলের ১২ দিনে প্রতিদিন রেমিট্যান্স এসেছে ৭ কোটি ৩০ লাখ ৯১ হাজার ৬৬৬ মার্কিন ডলার। মার্চে প্রতিদিন প্রবাসী আয় এসেছে ৬ কোটি ৬৫ লাখ ৬১ হাজার ৬৬৬ মার্কিন ডলার। আবার গত বছরের এপ্রিল মাসে একই সময়ে প্রতিদিন প্রবাসী আয় এসেছিল ৫ কোটি ৬১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬৬ মার্কিন ডলার।

এ হিসাবে ঈদের আগের ১২দিনে বেশি প্রবাসী আয় এসেছে। মূলত ইদের আগে দেশে আত্মীয়-স্বজনদের কেনাকাটা ও ব্যয় মেটানোর জন্য প্রবাসী আয় পাঠানো হয়। আর এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে প্রবাসী আয়ে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এপ্রিলের প্রথম ১২দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ৭ কোটি ২০ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪ কোটি ৮৪ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার।

বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ৭৫ কোটি ৩৯ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। এবং দেশে বাণিজ্যরত বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ২৬ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

নিয়ন্ত্রণহীন আলুর বাজার, কেজিতে বাড়লো ১২ টাকা

Published

on

লাভেলো

মৌসুমের শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণহীন আলুর বাজার। সরকারের নির্ধারিত দাম ২৯ টাকা হলেও, বাজারে কেজিতে ১২-১৫ টাকা বেড়ে আলুর দাম ঠেকেছে হাফ সেঞ্চুরিতে। এর নেপথ্যে সিন্ডিকেটের কারসাজি রয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভোক্তারা। সোমবার (১৫ এপ্রিল) রাজধানীর বেশ কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

ক্রেতারা বলছেন, আলুর বাজার সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এই সময় সাধারণত আলু ২০ টাকা কেজি থাকার কথা। কিন্তু সেই আলু বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০ টাকায়। অথচ সরকার আলুর দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে ২৯ টাকা।

ক্যান্টনমেন্ট এলাকার কচুক্ষেত বাজারের আলু বিক্রেতা আমিনুল বলেন, রমজানের আগে থেকে বাড়তি দামে আলু বিক্রি করছি। এখন আলুর মৌসুম। তারপরও আলু বিক্রি করছি ৪৫-৪৮ টাকা। কোথাও ৫০-৫২ টাকায় বিক্রি করছে। তিনি বলেন, শুধু ঈদের ছুটিতে প্রতিকেজি আলুর দাম বেড়েছে ১০-১৫ টাকা। বাজারের এই অস্থিরতার পেছনে সিন্ডিকেটের কারসাজি রয়েছে বলে অভিযোগ তার।

আলু ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, মৌসুমের শুরুতেই দাম ৫০ টাকা হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। মজুতদাররা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অস্থিতিশীল করছেন বাজার। দাম নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের দাবিও করেন তারা।

জয়নাল নামের এক ক্রেতার অভিযোগ, ঈদের আগে ৩৮ টাকার আলু এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৫০ টাকা ছাড়িয়ে। হঠাৎ করে আলুর দাম ১২ টাকা কেজিতে বেড়ে যাওয়ার কোনো কারণ দেখছি না।

আলুর দরে অস্থির হলেও অন্যান্য সবজির দাম বাড়েনি। বরং ঈদের পর কিছু সবজির দাম কমেছে। বাজারের ঘুরে দেখা গেছে, চিচিংগা ৫০ টাকা, করলা ৫৫-৬০ টাকা, কাঁচা পেপে ৫৫ টাকা, কাঁচা কলা ৪০ টাকা হালি, মিষ্টি কুমড়া ৩২ টাকা কেজি, সব ধরনের বেগুন ৫৫-৬০ টাকা কেজি, কাঁচা মরিচ ৮০-৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল শাক আগে দরে ১০ টাকা প্রতি আঁটি বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে লেবু ৪০-৪৫ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে স্বস্তি টমোটতে। শেষ সিজনে টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকা কেজি দরে। গাজর ৮০-৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে শসা ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা, ধুন্দল ৬০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা বান্ডিল, কচুর মুখি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া এক পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন

Published

on

লাভেলো

মোবাইল সেবা গ্রহণের মাধ্যমে আর্থিত লেনদেনের ও গ্রাহকের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। হাতের মুঠোয় থাকা মোবাইল ফোনে ঘরে বসে খোলা যাচ্ছে হিসাব। ফলে শহর থেকে গ্রামে বাড়ছে লেনদেনের সুবিধা। পাশপাশি কেনাকাটা, বিল পরিশোধ, ঋণ নেওয়াসহ যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন নানা পরিষেবা। বিদেশ থেকে আসছে রেমিট্যান্স। তাতে বিকাশ, রকেট, নগদের মতো মোবাইলে আর্থিক সেবার (এমএফএস) ওপর মানুষের আগ্রহের পাশাপাশি বাড়ছে নির্ভরশীলতা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।

এতে দেখা যায়, বিকাশ, রকেট, নগদের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় চলতি বছরের দ্বিতীয় মাস ফেব্রুয়ারিতে ১ লাখ ৩০ হাজার ১৪০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। এই অংক এযাবতকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড লেনদেন। এর আগে একক মাসে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছিল গত বছরের জুনে ১ লাখ ৩২ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা।

এদিকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেনের সঙ্গে দিনদিন বাড়ছে গ্রাহকের সংখ্যা। বর্তমানে বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, মাই ক্যাশ, শিওর ক্যাশসহ নানা নামে ১৩টির মতো ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান এমএফএস সেবা দিচ্ছে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নিবন্ধিত গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ কোটি ১৪ লাখ ৭৮ হাজারে। গ্রাহক বেশি হওয়ার কারণ, অনেক গ্রাহক একাধিক সিম ব্যবহার করছেন। লেনদেনের সুবিধার্থে একাধিক সিমে হিসাব খুলছেন।

নিবন্ধিত এসব হিসাবের মধ্যে পুরুষ গ্রাহক ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৮৬ হাজার ও নারী ৯ কোটি ২৩ লাখ ৪৭ হাজার। আলোচিত সময়ে মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৩ জনে।

এখন গ্রাহক ঘরে বসেই ডিজিটাল কেওয়াইসি (গ্রাহক সম্পর্কিত তথ্য) ফরম পূরণ করে সহজেই এমএফএস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে হিসাব খুলতে পারছেন। ফলে গ্রাহক ঝামেলা মুক্তভাবে হিসাব খুলতে পারছেন।

২০১০ সালে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০১১ সালের ৩১ মার্চ বেসরকারি খাতের ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালুর মধ্য দিয়ে দেশে মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসেসের যাত্রা শুরু হয়। এরপর ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে বিকাশ। বর্তমানে দেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার সিংহভাগই বিকাশের দখলে। এরপর ‘নগদ’-এর অবস্থান।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

ব্যাংক-বিমা-শেয়ারবাজার খুলছে আজ

Published

on

লাভেলো

পবিত্র ঈদুল ফিতর এবং বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে টানা ছুটি শেষে সোমবার (১৫ এপ্রিল) খুলছে সরকারি অফিস-আদালত, ব্যাংক-বিমাসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

গত বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়। ঈদ উপলক্ষ্যে ১০, ১১ ও ১২ এপ্রিল (বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার) সরকারি ছুটি ছিল।

ঈদের পর ১৩ এপ্রিল শনিবার সাপ্তাহিক ও ১৪ এপ্রিল রোববার পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে বাংলা নববর্ষের ছুটি। ফলে ১০ তারিখ থেকে ১৪ তারিখ পর্যন্ত ছুটি কাটিয়েছেন চাকরিজীবীরা।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) অফিস পাড়ায় যোগ দেবেন সরকারি অফিস-আদালত, ব্যাংক-বিমা-শেয়ারবাজারসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্মজীবীরা।

এ বছর সংবাদপত্রে ছুটি ছিল ছয় দিন। সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপারস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) ৯ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে। এ কারণে ১০ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে কোনো সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়নি। তবে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় অনলাইন গণমাধ্যম ও টেলিভিশনগুলো খোলা ছিল।

এ ছাড়া স্কুল-কলেজ খুলবে আগামী সপ্তাহে।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

চলতি বছর বিশ্ববাণিজ্যে ২ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে: ডব্লিউটিও

Published

on

লাভেলো

২০২৪ সালে বিশ্ববাণিজ্যে লেনদেনের পরিমাণ ২ দশমিক ৬ শতাংশ বাড়বে। ২০২৩ সালে বিশ্ববাণিজ্যে লেনদেনের পরিমাণ ১ দশমিক ২ শতাংশ কমেছিল বলে জানিয়েছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও)। সে হিসাবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বলে আশা করা যায়। তবে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাণিজ্যে ঝুঁকি আছে বলেও মনে করে সংস্থাটি।

ডব্লিউটিওর প্রধান অর্থনীতিবিদ রালফ ওসা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সিএনবিসিকে বলেছেন, মূল্যস্ফীতি হ্রাস ও দেশগুলোর মুদ্রানীতি প্রত্যাশা অনুযায়ী স্বাভাবিক করার ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যে পুনরুদ্ধার ঘটেছে।

সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে ডব্লিউটিও সতর্ক করে বলেছে, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা উল্লেখযোগ্য হারে ঝুঁকি তৈরি করছে। এতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রভাব পড়ার লক্ষণ দেখা দিয়েছে।

ডব্লিউটিও জানায়, তারা আশা করে যে চলতি বছরে বিশ্ববাণিজ্য ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াবে এবং পরের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে তা আরও জোরদার হবে। কারণ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি কমে আসছে।

ডব্লিউটিওর সর্বশেষ ‘গ্লোবাল ট্রেড আউটলুক অ্যান্ড স্ট্যাটিসটিক’ বা ‘বৈশ্বিক বাণিজ্য পূর্বাভাস ও পরিসংখ্যান’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ডব্লিউটিও পূর্বাভাস দিয়েছে যে এ বছর মোট বিশ্ববাণিজ্যের পরিমাণ ২ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে এবং ২০২৫ সালে তা আরও ৩ দশমিক ৩ শতাংশ হারে বাড়বে। ২০২৩ সালে মোট বিশ্ববাণিজ্য তার আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ২ শতাংশ কমেছিল। তখন মূল্যস্ফীতির চাপ ও উচ্চ সুদের হার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।

ডব্লিউটিওর প্রধান অর্থনীতিবিদ রালফ ওসা জানান, মূলত বিভিন্ন দেশে মূল্যস্ফীতি কমায় এবং তাদের আর্থিক নীতি স্বাভাবিকীকরণের ফলে বিশ্ববাণিজ্য ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। বিশ্ববাণিজ্যের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রবণতা আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইউরোপজুড়ে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, যেখানে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রায় সামরিক আক্রমণের প্রভাবে জ্বালানিসংকট তীব্র হয়েছিল। এতে ইউরোপে বাণিজ্যিক লেনদেনে পতন ঘটেছিল।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
লাভেলো
জাতীয়8 hours ago

জানা গেল ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ

লাভেলো
লাইফস্টাইল8 hours ago

হার্ট ভালো রাখতে যে মসলা খাবেন

লাভেলো
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার8 hours ago

চাকরি দেবে প্রাণ গ্রুপ, নেবে ১০০ জন

লাভেলো
জাতীয়9 hours ago

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এলো আরও দুই সেনা সদস্য

লাভেলো
জাতীয়10 hours ago

রাতেই যেসব এলাকায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস

লাভেলো
আন্তর্জাতিক10 hours ago

ওমরাহ ভিসার মেয়াদ নিয়ে সৌদির নতুন নির্দেশনা

লাভেলো
জাতীয়11 hours ago

দুই যুদ্ধজাহাজের পাহারায় দুবাইয়ের পথে এমভি আবদুল্লাহ

লাভেলো
জাতীয়11 hours ago

সরকারের নির্দেশনা উপেক্ষা করে উদীচীর অনুষ্ঠান দুঃখজনক: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

লাভেলো
অর্থনীতি12 hours ago

১২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৯ হাজার ৬০৪ কোটি টাকা

লাভেলো
কর্পোরেট সংবাদ12 hours ago

এসইভিপি পদে পদোন্নতি পেলেন ব্র্যাক ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০