কর্পোরেট সংবাদ
১১ হাজার মানুষকে অর্থ সহায়তা দিল এনআরবিসি ব্যাংক

‘স্বপ্ন বাস্তবায়নে আপনার দুয়ারে’ এই স্লোগানে অনাড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠার ১১ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে এনআরবিসি ব্যাংক। রমজানের পবিত্রতা রক্ষা ও ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে বিশেষ এই দিনে ইফতার সামগ্রী ক্রয় ও ঈদ উৎসবের আনন্দ বাড়াতে সারা দেশের ১১ হাজার এতিম, দুস্থ, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষদের প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এনআরবিসি ব্যাংক থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
২০১৩ সালের ২ এপ্রিল ৫৩ জন প্রবাসী উদ্যোক্তাদের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয় এনআরবিসি ব্যাংক। পথচলায় ১১ বছর পার করে ১২ বছরে পদার্পণ করেছে ব্যাংকটি। ইতোমধ্যে বিভিন্ন আর্থিক সূচকে শীর্ষে উঠে এসে নতুন নতুন মাইলফলক স্থাপন করছে এনআরবিসি ব্যাংক।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্যাংকটির নতুন পথচলায় আর্থিক ভিত্তিগুলো অনেক শক্তিশালী হয়েছে। ২০১৭ সালে আমানত ছিল ৪ হাজার ৫২৩ কোটি টাকা। ২০২৩ সাল শেষে তা প্রায় ৪গুণেরও বেশি বেড়ে হয়েছে ১৭ হাজার ৬১৩ কোটি টাকা। ঋণ বিতরণ বেড়েছে তিনগুণেরও বেশি। ২০১৭ সালে ঋণ ছিল ৪ হাজার ৩০০ কোটি টাকা, আর ২০২৩ সাল শেষে হয়েছে ১৪ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা।
ব্যাংকের কর্মীর সংখ্যা ৬১৭ জন থেকে ৬ গুণ বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৮৩২ জন। ২০১৭ সালে শাখার সংখ্যা ছিল মাত্র ৬১টি। ২০২৩ সাল শেষে শাখা-উপশাখার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮০০টি।
এতে আরও বলা হয়, ব্যাংকটি গ্রামের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য গৃহীত কর্মসূচির মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে। ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত উপশাখা স্থাপনের মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষদেরকে বিনা জামানতে ক্ষুদ্রঋণ দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৮০ হাজার মানুষ এনআরবিসি ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠেছেন। এসব জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ডের জন্য সমসাময়িক ব্যাংকগুলোর তুলনায় সবার শীর্ষে। নতুন প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করেছে এনআরবিসি ব্যাংক। নতুন প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর মধ্যে শাখা-উপশাখার সবার শীর্ষে এনআরবিসি ব্যাংক। কোন কোন ক্ষেত্রে আগের প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর তুলনায় অনেক এগিয়ে এনআরবিসি ব্যাংক।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান পারভেজ তমাল বলেন, ‘আমরা ১১ বছর অতিক্রম করে ১২ বছরে পদার্পন করছি। আমাদের সবসময় চিন্তুা ছিল সর্বোত্তাম ও নিরাপদ ব্যাংকিং সেবা। আগের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার মাপকাঠিতে আগামীতে আমরা সবার শীর্ষে থাকতে চাই। এ ছাড়া গ্রামের মানুষ যেন শহরমুখী না হয় তার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। গ্রামেই ঘরে বসে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি।’
ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু বলেন, ‘প্রবাসী হিসেবে আমাদের যে অভিজ্ঞতা, আমরা দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে চেয়েছিলাম। ব্যাংক প্রতিষ্ঠার এটাই ছিল উদ্দেশ্য। প্রত্যন্ত অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা আমাদের দায়িত্বেও মধ্যে পড়ে।’
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও গোলাম আউলিয়া বলেন, ‘এনআরবিসি ব্যাংক গ্রাম-বাংলার গণমানুষের ব্যাংক। যেখানে বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সম্ভব আমরা সেখানে বিনিয়োগ করছি। ব্যাংকিং সেবাকে মানুষের দৌঁড়গোড়ায় পৌছে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আমরা রিয়েলটাইম ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে ফিনটেকের উপর জোর দিয়েছি। সাধারণ মানুষ খুব দ্রুত ক্ষুদ্রঋণ পাচ্ছেন। সেই জায়গা থেকে আমরা ন্যানো ক্রেডিটের দিকে যাচ্ছি। আমাদের মূল লক্ষ্য প্রতিবছর ১ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।’
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আদনান ইমাম , ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান একেএম মোস্তাফিজুর রহমান, পরিচালক ওলিউর রহমান, এ এম সাইদুর রহমান, লকিয়ত উল্লাহ, মোহাম্মদ নাজিম, স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান এয়ার চিফ মার্শাল (অব:) আবু এসরার, স্বতন্ত্র পরিচালক ড. খান মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ড. রাদ মজিব লালনসহ ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
এমআই

কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংক অফিসার কল্যাণ সমিতির দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা ও অভিষেক

ইসলামী ব্যাংক অফিসার কল্যাণ সমিতির দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা ও অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান। ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ব্যাংকের অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম। উপদেষ্টা ম-লীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন ও মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার।
ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর এবং সমিতির সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবুল বাশার ও মো. মোশাররফ হোসাইন, সমিতির সদ্য বিদায়ী সভাপতি এ.কে.এম মাহবুব মোরশেদ ও সাধারণ সম্পাদক এ.এস.এম. রেজাউল করিম ও সহ-সভাপতি মো. মাহবুব-এ-আলম, নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল লাইছ মোহাম্মদ খালেদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মজুনজ্জামান, ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব আলম, মুহাম্মাদ সাঈদ উল্লাহ, ড. এম কামাল উদ্দীন জসীম ও মো. মাকসুদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এসময় রচনা প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর পুরস্কার বিতরণ ও ’বন্ধন’ ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের শপথ পাঠ করান ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন। অনুষ্ঠানে কার্যনিবাহী পরিষদের সাবেক ও নবনির্বাচিত প্রতিনিধিগণ, প্রধান কার্যালয় ও বিভিন্ন শাখার ঊর্ধ্বতন নির্বাহী এবং কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান বলেন, ইসলামী ব্যাংকের সুনাম পুনরুদ্ধারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মানুষের অপরিসীম আস্থা এবং বিশ্বাসের অটুট মেলবন্ধনে এ ব্যাংক সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, এ ব্যাংকের একটি সুন্দর অতীত ছিল এবং ভবিষ্যতও সুন্দর হবে বলে আমি আশা করি। ব্যাংকের একঝাঁক সৎ এবং পরিশ্রমী কর্মী ব্যাংকের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করছে। তিনি অফিসার কল্যাণ সমিতির নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মেধা ও প্রজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে ব্যাংকের কল্যাণে কাজ করার আহবান জানান।
কর্পোরেট সংবাদ
কমনওয়েলথ বিজনেস এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ডে সেরা ব্যাংকের সম্মাননা জিতল ব্র্যাক ব্যাংক

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ ‘কমনওয়েলথ বিজনেস এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫’-এ বাংলাদেশে বেসরকারি খাতের ‘বেস্ট ব্যাংক’-এর সম্মাননা অর্জন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
ব্যবসায়িক উৎকর্ষতা, উদ্ভাবন, গ্রাহককেন্দ্রিক সুশাসন এবং মানুষ, সমাজ তথা দেশের প্রতি অসামান্য অবদানের জন্য ব্র্যাক ব্যাংককে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
শুক্রবার কুয়ালালামপুরের কনকর্ড হোটেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর শীর্ষ কর্পোরেট নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মো. মাহীয়ুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার গ্রহণ করেন।
কমনওয়েলথ বিজনেস এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ডস প্রতিবছর আয়োজিত একটি প্রোগ্রাম, যেখানে গ্লোবাল বেস্ট প্র্যাকটিস, পরিচালন উৎকর্ষতা এবং টেকসই প্রভাবের জন্য কমনওয়েলভুক্ত দেশগুলোর প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা জানানো হয়। এই সম্মাননা একটি প্রতিষ্ঠানের সামাজিক দায়বদ্ধতা, নৈতিকতা এবং পরিবেশ রক্ষায় গৃহীত উদ্যোগের পরিচয়ও বহন করে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ধারাবাহিক আর্থিক সাফল্য, শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির ধারা, সুশাসন, সর্বোচ্চ বাজার মূলধন, সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী কর্তৃক শেয়ারহোল্ডিং এবং এসঅ্যান্ডপি ও মুডিসের মতো বিশ্বখ্যাত ক্রেডিট রেটিং সংস্থা থেকে দেশসেরা রেটিংপ্রাপ্তি এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জনের পেছনে প্রদান ভূমিকা রেখেছে।
এই সম্মানজনক পুরস্কারপ্রাপ্তির বিষয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও (কারেন্ট চার্জ) তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। এই অর্জন ব্র্যাক ব্যাংকের সুশাসন, মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও টেকসই উন্নয়নের অগ্রদূত হওয়ার প্রতিফলন। আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ আমাদের গ্রাহক ও স্টেকহোল্ডারদের প্রতি, যাদের বিশ্বাস ও আস্থা আমাদের এই আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জনে সহায়তা করেছে। এই পুরস্কার আমাদের বাংলাদেশে সবচেয়ে বিশ্বস্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদ্ভাবনী ব্যাংক হিসেবে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।”
কর্পোরেট সংবাদ
এবি ব্যাংকের উদ্যোগে মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচীর উদ্বোধন

এবি ব্যাংক পিএলসির উদ্যেগে, বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের এসআইসিআইপি প্রকল্পের অধীনে বরিশালে মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচীর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
মাসব্যাপী এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবসায়িক জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, এবং তাদেরকে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং সেবার আওতায় এনে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সহায়তা করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের বরিশাল কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক মধুসুদন বনিক, বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই এন্ড স্পেসাল প্রোগ্রার্মস ডিপার্টমেন্ট এর যুগ্ম পরিচালক এবং এসআইসিআইপি প্রকল্পের ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মো. আইয়ুব আলী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বরিশাল কার্যালয়ের যুগ্ম পরিচালক মোল্লা আল মাহমুদ।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এবি ব্যাংকের হেড অব এসএমই ব্যাংকিং, ইফতেখার এনাম আওয়াল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এবি ব্যাংক ব্যাংকের ঊর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ও বরিশাল অঞ্চলের সম্ভাবনাময় বাছাইকৃত ২৫ জন তরুণ উদ্যেক্তা।
কর্পোরেট সংবাদ
বিটিআই থেকে অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের এক্সক্লুসিভ হোম লোন সুবিধা

অ্যাপার্টমেন্ট ক্রেতাদের এক্সক্লুসিভ হোম লোন সুবিধা দিতে সম্প্রতি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার কোম্পানি বিল্ডিং টেকনোলজি অ্যান্ড আইডিয়াস লিমিটেডের (বিটিআই) সঙ্গে চুক্তি করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
এই চুক্তির আওতায় বিটিআইয়ের নির্দিষ্ট প্রকল্প থেকে অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ে ইচ্ছুক গ্রাহকরা ব্র্যাক ব্যাংকের আকর্ষণীয় হোম লোন সুবিধা উপভোগের পাশাপাশি সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ফ্রি ইন্টেরিয়র সাপোর্ট উপভোগ করতে পারবেন।
এই উদ্যোগটি গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নত করার ব্যাপারে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। গ্রাহকদের জন্য সুবিধাজনক আবাসন অর্থায়ন ও ইন্টেরিয়র সল্যুশনের সুযোগ বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে।
গত ২৫ আগস্ট ঢাকায় ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মো. মাহীয়ুল ইসলাম এবং বিটিআইয়ের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এফ.আর. খান।
এসময় ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকটির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক শেখ মোহাম্মদ আশফাক, সিনিয়র জোনাল হেড (নর্থ জোন) এ.কে.এম. তারেক, রিজিওনাল হেড (ঢাকা সেন্ট্রাল ও নারায়ণগঞ্জ) সাজিয়া হোসেন এবং হেড অব রিটেইল সেলস মহবুবুল ফারুক খান।
অন্যদিকে, বিটিআইয়ের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মাশরুর হাসান মীমসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
কর্পোরেট সংবাদ
ফোর্বস এশিয়ার ১০০ টু ওয়াচ-এ পাঠাও

ফোর্বস এশিয়ার ‘১০০ টু ওয়াচ ২০২৫’ তালিকায় জায়গা পেয়েছে পাঠাও। এই তালিকায় এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় এবং দ্রুত এগিয়ে চলা কোম্পানিগুলোকে বেছে নেওয়া হয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
পাঠাও জানায়, আসন্ন অক্টোবরে পাঠাও-এর ১০ বছর পূর্তি হবে। আর সেটি উদযাপান হবে। সেটি প্রতিষ্ঠানটির জন্য অত্যন্ত গর্বের।
বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ২০১৫ সালে ছোট একটি ডেলিভারি সেবা দিয়ে পাঠাও এর যাত্রা শুরু হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য ছিল মানুষকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এক দশক পরে, পাঠাও বাংলাদেশ ও নেপালের লাখ লাখ মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। রাইড, ফুড ডেলিভারি, কুরিয়ার সার্ভিস থেকে শুরু করে আর্থিক সেবা, সবকিছুই মানুষের জীবনকে সহজ ও স্বাধীন করতে সাহায্য করছে। এখন পর্যন্ত ১ কোটিরও বেশি মানুষ পাঠাও ব্যবহার করেছেন এবং প্রায় ৫ লাখ মানুষ পাঠাও-এর মাধ্যমে আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন।
পাঠাও বলছে, আমাদের কাছে প্রযুক্তি মানে শুধু অ্যাপ নয়, মানুষের জীবনকে বদলে দেওয়া। যারা প্রতিদিন পাঠাও ব্যবহার করেন, রাইডাররা যারা সম্মানজনক আয় করেন, ব্যবসায়ীরা যারা আমাদের সাথে ব্যবসা বড় করছেন, সবাই এই যাত্রার অংশ। ফোর্বসের এই স্বীকৃতি শুধু পাঠাও-এর জন্য নয়, বরং বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের ভিশন, পরিশ্রম আর অগ্রগতির প্রতীক।
পাঠাও এর সিইও ফাহিম আহমেদ বলেছেন, ফোর্বস এশিয়ার ১০০ টু ওয়াচ তালিকায় জায়গা পাওয়া এবং পাঠাও-এর ১০ বছর পূর্তি এ দুটোই প্রমাণ করে আমরা কতটা দূর এগিয়েছি, কীভাবে মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনছি এবং একটি আরও কানেক্টেড ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ার প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি কতটা দৃঢ়।
তিনি বলেন, ফোর্বসের স্বীকৃতি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়, তবে একই সঙ্গে এটি মনে করিয়ে দেয় যে আমাদের পথচলা এখনও অনেক বাকি। আমরা ১০ বছরের সাফল্য উদযাপন করছি কৃতজ্ঞতা নিয়ে, এবং সামনে আরও কোটি মানুষের জীবনে সেবা, সংযোগ ও উন্নতির সুযোগ তৈরি করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।