Connect with us

অর্থনীতি

কৃষির উৎপাদন বাড়াতে গুণগত বীজ ও আধুনিক স্টোরেজ নিশ্চিতের তাগিদ

Published

on

স্ট্যান্ডার্ড

কৃষিতে কাঙ্ক্ষিত উৎপাদনশীলতা অর্জনে কৃষক পর্যায়ে উন্নত জাতের বীজ সহজলভ্যকরণ, উচ্চ ফলনশীল ও জলবায়ু সহিষ্ণু জাতের খাদ্য উদ্ভাবন প্রক্রিয়া জোরদার এবং গবেষণায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় হ্রাসে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, বিশেষায়িত হিমাগার স্থাপন, উন্নত সরবরাহ ব্যবস্থা এবং কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের ওপর জোর দিয়েছেন তারা।

বুধবার (২০ মার্চ) এফবিসিসিআইয়ের মতিঝিল কার্যালয়ে অ্যাগ্রিকালচার, অ্যাগ্রো প্রসেসিং অ্যান্ড অ্যাগ্রো-বেজড ইন্ডাস্ট্রিজ বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির এক বৈঠকে এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেন আলোচকরা।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, কৃষির বিকাশে সবচেয়ে জরুরি হলো গুণগত ও উন্নত জাতের বীজ। বীজের মান উন্নয়নে আমাদের গবেষণায় জোর দিতে হবে। সেই সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যবহারে বেশি বেশি মনোযোগ দিতে হবে। কৃষিতে প্রযুক্তি যত উন্নত হবে উৎপাদনশীলতা তত বৃদ্ধি পাবে। উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণের বিভিন্ন ধাপে কৃষিপণ্যের অপচয় রোধে সারাদেশে কুল-চেইন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, কৃষকদের জন্য পণ্যের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। তাদের স্বার্থ সংরক্ষণে নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে হবে।

কমিটির চেয়ারম্যান এবং প্রাণ আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী ভবিষ্যতের খাদ্য নিরাপত্তা ও ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে কৃষি জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেন। গতানুগতিক ফসলের পাশাপাশি হর্টিকালচার, ফিশারিজ, লাইভস্টক, পোল্ট্রিসহ ডাল ও তেলবীজ জাতীয় শস্যের উৎপাদন বৃদ্ধিতে নজর বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

এফবিসিসিআইয়ের প্যানেল উপদেষ্টা এবং বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ কৃষকদের সমস্যাসমূহ চিহ্নিতকরণ এবং সমাধানে কৃষক সমিতি গঠনের পরামর্শ দেন। কৃষিপণ্যের মূল্য সংযোজন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং রপ্তানি সম্প্রসারণে কমপ্লায়েন্স এবং গ্যাপ (গুড অ্যাগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিস) বাস্তবায়নের সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

কৃষি খাতের চ্যালেঞ্জ এবং সমাধানের পথ খুঁজে পেতে কমিটির সদস্যদের কাছে লিখিত আকারে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা ও সুপারিশ আহ্বান করে কমিটির ডিরেক্টর ইন চার্জ এবং এফবিসিসিআই’র পরিচালক মোহাম্মদ ইসহাকুল হোসেন সুইট।

উম্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে কৃষিপণ্যের চাহিদা, উৎপাদন ও মজুতের সঠিক ও সমন্বিত তথ্য ভান্ডার গড়ে তোলার পরামর্শ দেন কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও সদস্যরা। সেই সঙ্গে বাজার স্থিতিশীল রাখতে কৃষিপণ্যের স্টক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি

কমোডিটি এক্সচেঞ্জ ও সুকুকে বিনিয়োগে আগ্রহী কাতার: সালমান এফ রহমান

Published

on

স্ট্যান্ডার্ড

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে সম্প্রতি চালু হওয়া কমোডিটি এক্সচেঞ্জ ও শরিয়াহভিত্তিক ইসলামি বন্ড বা সুকুকে বিনিয়োগ নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে কাতার প্রতিনিধি দল। বিষয়টি নিয়ে তারা পরবর্তীতে আরও বিস্তারিত জেনে এ খাতে বিনিয়োগ করবেন। বাংলাদেশ ও কাতারের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের মধ্যকার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এমনটাই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

সোমবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সালমান এফ রহমান। আর কাতারের ব্যবসায়ী নেতৃত্ব দেন দেশটির শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী আহমেদ বিন জসিম আল থানি।

সালমান এফ রহমান বলেন, বৈঠকে এফ‌টিএর বিষয়ে প্রস্তাব দিলে কাতারের মন্ত্রী আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ প্রস্তাবে তারা খুবই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন যে, বিশ্বের অনেকগুলো দেশের সঙ্গে তাদের এফটিএ আছে, সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গেও করেছেন। পাকিস্তানের সঙ্গে এ চুক্তি করার শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গেও এফটিএ করতে তারা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ এবং সুকুকে (শরিয়াহভিত্তিক ইসলামি বন্ড) বিনিয়োগ নিয়েও তারা আমাদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়া, দুই দেশের বেসরকারি খাত উন্নয়নে কাজ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশ থেকে কাতার খাদ্যপণ্য আমদানি করে। বাংলাদেশ মাংসসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য দেশটিতে রপ্তানি করতে চায়। তবে, কাতারের প্রতিনিধি দল বলেছে— এ আমদানি-রপ্তানি পুরোটাই হয় বেসরকারি খাতের হাত ধরে। তাই দুই দেশের সরকার এক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে এসব ক্ষেত্রে ব্যবসা–বাণিজ্যের উন্নয়নে কাজ করবে।

তিনি বলেন, দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে এফ‌বি‌সি‌সিআই সভাপতি একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে কাতার সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কাতার চেম্বারের প্রেসিডেন্ট এ প্রস্তাবে স্বাগত জানিয়েছেন। আমি মনে করি এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে ফলোআপ করলে উভয় দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের দিক থেকে লাভবান হবে।

বাংলাদেশের বন্দর অবকাঠামোতে বিনিয়োগ করতে কাতার আগ্রহী বলে শোনা যাচ্ছিল। এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি-না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সালমান এফ রহমান বলেন, কাতারে একটি বড় বন্দর রয়েছে। কিন্তু সেটি সেভাবে ব্যবহার হচ্ছে না। তাই তারা আমাদের বন্দরের বিষয়ে আরও জেনে তাদের বন্দরের সঙ্গে ট্রেডিং করিডোর তৈরির আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ বিষয়টি নিয়েও আগামীতে কাজ হবে।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী ও এফবিসিসিআই সভাপতি ছাড়াও সরকারের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নিতে চায় কিরগিজস্তান

Published

on

স্ট্যান্ডার্ড

বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নিতে চায় মধ্য এশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত দেশ কিরগিজ রিপাবলিক। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্কও জোরদার করতে চায় দেশটি।

সোমবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানান ঢাকা সফররত কিরগিজ রিপাবলিকের ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আভাজবেক আতাখানভ।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা বলেন, তৈরি পোশাক শিল্প, শিক্ষাসহ নানা খাতে দুদেশের সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ আছে। দুদেশই এসব সুযোগ কাজে লাগাতে চায়। এছাড়াও কৃষি ও প্রযুক্তি খাতেও কাজ করতে পারে দুই দেশ।

সালমান এফ রহমান বলেন, দুই দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধির অনেক সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশি প্রায় এক হাজার মেডিকেল শিক্ষার্থী দেশটিতে অধ্যয়ন করছে। বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী প্রত্যাশা করে দেশটি।

কোভিড সময়কালীন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে জোড়ালোভাবে সক্ষমতা তৈরি করে কিরগিজ রিপাবলিক। তারপর থেকেই ইউরোপীয় ইউনিয়নে তৈরি পোশাক শিল্প রপ্তানি করছে দেশটি। এবার বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে সফররত কিরগিজ রিপাবলিকের ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আভাজবেক আতাখানভ।

ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের চলমান আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করে কিরগিজ মন্ত্রী জানান, কিরগিজ প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করতে চান এবং উৎপাদনমুখী শিল্প কারখানায় বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ে শীর্ষে এডিবি

Published

on

স্ট্যান্ডার্ড

বাংলাদেশেকে দেওয়া বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ের তালিকার শীর্ষে রয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) ১৪০ কোটি ডলার ছাড় করেছে এশিয়া অঞ্চলের এই ঋণদাতা সংস্থাটি। গতকাল রোববার প্রকাশিত দেশের বৈদেশিক ঋণের হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তৈরি করা সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, ঋণের অর্থছাড়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে জাপান। বাংলাদেশের অন্যতম বড় দ্বিপক্ষীয় দাতা দেশটি দিয়েছে ১৩৫ কোটি ৮০ লাখ ডলার। তৃতীয় স্থানে থাকা বিশ্বব্যাংক ছাড় করেছে ৯৬ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে আছে যথাক্রমে রাশিয়া ও চীন। এই দুটি দেশ ছাড় করেছে যথাক্রমে ৮০ কোটি ৭০ লাখ ডলার ও ৩৬ কোটি ডলার।

অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসের হিসাবে সার্বিকভাবে ঋণের ছাড় আগের তুলনায় খুব একটা বাড়েনি। ইআরডি সূত্র বলছে, জুলাই-মার্চ সময়ে সব মিলিয়ে ৫৬৩ কোটি ডলার এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৫৩৬ কোটি ডলার।

তবে বিদেশি ঋণ ও সহায়তার প্রতিশ্রুতি বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। গত ৯ মাসে ঋণদাতা সংস্থা ও দেশগুলো ঋণ ও অনুদান মিলিয়ে ৭২৪ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থঋণ ও অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আগের বছর একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল মাত্র ৩০৭ কোটি ডলার। বেশ অনেক বছর ধরে বাংলাদেশ খুব বেশি অনুদান পায় না। তবে এ বছর হঠাৎ করে অনুদানের প্রতিশ্রুতি বেড়েছে। গত ৯ মাসে অনুদানের প্রতিশ্রুতি এসেছে ৫০ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

৯ মাসে বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধ ১০৫ কোটি ডলার

Published

on

স্ট্যান্ডার্ড

বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসেই ঋণের সুদ বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ১০০ কোটি ডলারের বেশি। গত জুলাই-মার্চ সময়ে বিদেশি ঋণের বিপরীতে ১০৫ কোটি ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি। একই সময়ে গত অর্থবছরে সুদ বাবদ ৪৮ কোটি ডলার পরিশোধ করেছিল বাংলাদেশ।

রবিবার (২১ এপ্রিল) দেশের বৈদেশিক ঋণের হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তৈরি করা সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।

ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে বিদেশি ঋণের সুদাসল পরিশোধ বাবদ খরচ বেড়েছে। যা পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৮৯ কোটি ডলার। গত ৯ মাসে ২৫৭ কোটি ডলারের বেশি সুদ ও আসল পরিশোধ করা হয়েছে। গত বছর একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১৭৩ কোটি ডলার।

বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ এসেছে এমন সময়ে, যখন দেশে কয়েক মাস ধরে বৈদেশিক মুদ্রার সংকট চলছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, ডলার-সংকটের এ সময়ে বিদেশি ঋণ পরিশোধের জন্য অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের কারণে রিজার্ভ ও বাজেটের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চীন ও রাশিয়ার স্বল্প মেয়াদের ঋণের কারণে ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়ছে। ইতিমধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ঋণ পরিশোধ শুরু হয়েছে। মেট্রোরেল প্রকল্পের ঋণ পরিশোধের কিস্তিও শুরু হয়েছে। এ ছাড়া কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের ঋণ পরিশোধও শিগগিরই শুরু হবে।

আগামী দু-তিন বছরের মধ্যে অন্য মেগা প্রকল্পের ঋণ পরিশোধ শুরু হলে চাপ আরও বাড়বে। অন্যদিকে ঋণের ছাড় আগের তুলনায় তেমন বাড়েনি।

ইআরডি সূত্র বলছে, জুলাই-মার্চ সময়ে সব মিলিয়ে এসেছে ৫৬৩ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৫৩৬ কোটি ডলার।

এসএম

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

মেলায় এসএমই উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ চায় এফবিসিসিআই

Published

on

স্ট্যান্ডার্ড

দেশের সম্ভাবনাময় পণ্যগুলো বিদেশে রফতানি ও রফতানিপণ্যের নিত্যনতুন বাজার সৃষ্টিতে জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দেশের এসএমই তথা প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন এফবিসিসিআই’র সভাপতি মাহবুবুল আলম।

রোববার (২১ এপ্রিল) বিকালে এফবিসিসিআই’র জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা এবং বৈদেশিক প্রতিনিধি দল বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রথম সভায় এ মন্তব্য করেন মাহবুবুল আলম।

তিনি বলেন, দেশের সম্ভাবনাময় পণ্যগুলো বিশ্ববাজারে তুলে ধরতে বিদেশের বাণিজ্যমেলাগুলোয় দেশের প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ আরো বাড়াতে হবে। তারা যাতে পণ্য প্রদর্শনের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে। তবে এ ব্যাপারে এফবিসিসিআইর পক্ষ থেকে সরকারের সাথে আলাপ আলোচনা ও কাজ হচ্ছে বলে জানান এফবিসিসিআই সভাপতি।

দেশে হস্তশিল্পের বিপ্লব ফিরিয়ে আনা ও পণ্যের রফতানি বাড়াতে ইউরোপসহ পার্শ্ববর্তী দেশে রোড-শো করার পরামর্শ দেন মাহবুবুল আলম।

কমিটির ডিরেক্টর ইন-চার্জ আলী হোসেন শিশির বলেন, সারাবিশ্বে চলমান অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। দেশী পণ্য বহির্বিশ্বে তুলে ধরতে ও পণ্যকে বহুমুখী পণ্য হিসেবে রফতানি করতে এই কমিটি কাজ করবে বলে জানান তিনি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ছোট দেশ হলেও এর সম্ভাবনা অনেক। দেশের ৩০ থেকে ৪০ ভাগই তরুণ। শুধু তৈরি পোশাক খাতে সীমাবদ্ধ না থেকে পণ্য বৈচিত্র্যকরণ ও নতুন বাজার সৃষ্টিতে কাজ করবো আমরা। তবে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি), পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিডার আরো সহযোগিতা দরকার এ ক্ষেত্রে।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, বিদেশে মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশীয় পণ্য প্রদর্শন ও বিদেশে পণ্যের রফতানি বাড়াতে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে এফবিসিসিআই।

উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে এফবিসিসিআইর অধীনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন খাতভিত্তিক মেলা আয়োজন ও সেখানে অংশগ্রহণের আগ্রহের কথা জানান বক্তারা।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইর সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাত সরকার, মো. মুনির হোসেন, পরিচালক হাফেজ হাজী হারুন অর রশীদ, ইসহাকুল ইসলাম সুইট, আমির হোসেন নূরানী, মহাসচিব মো. আলমগীর, কমিটির কো-চেয়ারেম্যানবৃন্দ ও সদস্যরা।

এমআই

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার11 mins ago

পর্ষদ সভা করবে স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার23 mins ago

এনভয় টেক্সটাইলসের পর্ষদ সভা ২৮ এপ্রিল

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার34 mins ago

একমি ল্যাবরেটরিজের পর্ষদ সভার তারিখ নির্ধারণ

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার44 mins ago

এপেক্স স্পিনিংয়ের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

অ্যাপেক্স ফুডসের লভ্যাংশ ঘোষণা
পুঁজিবাজার44 mins ago

এপেক্স ফুডসের পর্ষদ সভা ২৯ এপ্রিল

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার49 mins ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো এনার্জিপ্যাক

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার51 mins ago

পর্ষদ সভা করবে গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার54 mins ago

বেস্ট হোল্ডিংসের পর্ষদ সভা ২৯ এপ্রিল

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার58 mins ago

জেমিনি সি ফুডের পর্ষদ সভার তারিখ নির্ধারণ

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার58 mins ago

রহিম টেক্সটাইলের পর্ষদ সভা ২৯ এপ্রিল

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার1 hour ago

আইটিসির পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভা করবে আরএকে সিরামিকস

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো সিলকো ফার্মা

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার1 hour ago

এমজেএল বিডির পর্ষদ সভার তারিখ নির্ধারণ

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার1 hour ago

নাহি অ্যালুমিনিয়ামের পর্ষদ সভা ২৯ এপ্রিল

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ডাচ-বাংলা ব্যাংক

স্ট্যান্ডার্ড
জাতীয়2 hours ago

বাংলাদেশ-কাতারের মধ্যে ১০ চুক্তি ও সমঝোতা সই

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভা করবে মোজাফফর হোসেন স্পিনিং

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার2 hours ago

মালেক স্পিনিংয়ের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভা করবে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো কেডিএস এক্সেসরিজ

Delta Spinners
পুঁজিবাজার2 hours ago

ডেল্টা স্পিনার্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভা করবে ক্রাউন সিমেন্ট

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার2 hours ago

আড়াই ঘণ্টায় লেনদেন ৩১১ কোটি টাকা

স্ট্যান্ডার্ড
পুঁজিবাজার2 hours ago

এডিএন টেলিকমের পর্ষদ সভার তারিখ নির্ধারণ

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০