Connect with us

অর্থনীতি

রিহ্যাব নির্বাচনে ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের নিরঙ্কুশ জয়

Published

on

আয়কর

আবাসন খাতের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (রিহ্যাব) দ্বিবার্ষিক (২০২৪-২৬) নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম মিলে ২৯টি পরিচালক পদের বিপরীতে ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ ২৫টি পদে জয় পেয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকায় ২৬টি পরিচালক পদের মধ্যে ২৩টিতে জয় পেয়েছে মো. ওয়াহিদুজ্জামান এবং লিয়াকত আলী ভুইয়ার প্যানেল। চট্টগ্রামে তিনটি পরিচালক পদের মধ্যে দুটিতে জয় পেয়েছে তারা।

ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন রিহ্যাব নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সুব্রত কুমার দে।

নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচন স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে হয়েছে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি

রবিবার থেকে চালের বস্তায় জাত-দাম লেখা বাধ্যতামূলক

Published

on

আয়কর

চালের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে আগামীকাল রবিবার (১৪ এপ্রিল) থেকে বস্তার ওপর বিভিন্ন তথ্য লেখা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়।

এতে জানানো হয়, সম্প্রতি দেশের চাল উৎপাদনকারী কয়েকটি জেলায় পরিদর্শন করে নিশ্চিত হওয়া গেছে, বাজারে একই জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল ভিন্ন ভিন্ন নামে ও দামে বিক্রি হচ্ছে। চালের দাম অযৌক্তিক পর্যায়ে গেলে বা অকস্মাৎ বৃদ্ধি পেলে মিলার, পাইকারি বিক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা একে অপরকে দোষারোপ করছেন। এতে ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পছন্দমত জাতের ধান, চাল কিনতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

এ অবস্থার উত্তরণের লক্ষ্যে চালের বাজার মূল্য সহনশীল ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে, ধানের নামেই যাতে চাল বাজারজাতকরণ করা হয়, তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এবং এ সংক্রান্ত কার্যক্রম মনিটরিংয়ের সুবিধার্থে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়।

চালের উৎপাদনকারী মিলাররা গুদাম থেকে বাণিজ্যিক কাজে চাল সরবরাহের আগ চালের বস্তার ওপর উৎপাদনকারী মিলের নাম, জেলা ও উপজেলার নাম, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্য এবং ধান/চালের জাত উল্লেখ করতে হবে। ধানের জাতের নাম, প্রস্তুতকারক, ঠিকানা (উপজেলা ও জেলা), নিট ওজন, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্যের এই তথ্যগুলো ছক মোতাবেক লেখা থাকবে। বস্তার ওপর উল্লিখিত তথ্যাদি কালিতে হাত দিয়ে লেখা যাবে না।

চাল উৎপাদনকারী সকল মিল মালিক (অটো/হাস্কিং) থেকে সরবরাহ করা সকল প্রকার চালের বস্তা/প্যাকেটের (৫০/২৫/১০/৫/২/১ কেজি ইত্যাদি) ওপর উল্লিখিত তথ্যাদি মুদ্রিত করতে হবে। করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা প্রতিপালন করতে হবে। এক্ষেত্রে মিল গেট দামের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান চাইলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য উল্লেখ করতে পারবে।

এ পরিপত্রের আলোকে সকল জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী অফিসার/আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক/জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক/ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। খাদ্য পরিদর্শকরা পরিদর্শনকালে এ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। এর ব্যত্যয় ঘটলে ‘খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ, বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন, ২০২৩’ এর ধারা ৬ ও ধারা ৭ মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে এ পরিপত্রের নির্দেশ আবশ্যিকভাবে প্রতিপালন করতে হবে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আমানতের অর্ধেকের বেশি কোটিপতিদের

Published

on

আয়কর

দেশের ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যত টাকা জমা আছে, তার অর্ধেকের বেশি কোটিপতিদের অর্থ। গত ডিসেম্বর শেষে দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় মোট আমানতের পরিমাণ ছিল ৪৪ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৫৫ শতাংশের বেশি বা ২৪ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা কোটিপতিদের আমানত।

এসব আমানতকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় এক কোটি থেকে শুরু করে দেড়শ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন। আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ১০০ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন এরকম আমানত হিসাব রয়েছে ছয়টি। এই ছয় হিসাবেই রয়েছে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেষ আর্থিক অবস্থা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের করা এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে সরকারি, বেসরকারি ও বিশেষায়িত মিলিয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৪০টি। এর মধ্যে সরকারি মালিকানাধীন ৩টি, বেসরকারি মালিকানাধীন ৩২টি ও বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৫টি। এই ৪০টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গত ডিসেম্বর শেষে গ্রাহক বা আমানতকারীর হিসাব ছিল ৪ লাখ ৩১ হাজার ২২১টি। এসব হিসাবের মধ্যে কোটি টাকার বেশি আমানত জমা আছে, এমন হিসাবের সংখ্যা ৫ হাজার ২৮৭। আর পাঁচ হাজার টাকা থেকে শুরু করে এক কোটি টাকার কম আমানত রেখেছেন এমন আমানতকারীর হিসাব রয়েছে ৪ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৪টি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যত আমানত ছিল, তার প্রায় ৫৫ শতাংশই রয়েছে মাত্র সোয়া এক শতাংশ আমানতকারীর হিসাবে। আর পৌনে ৯৯ শতাংশ আমানতকারীর হিসাবে ছিল মোট আমানতের সাড়ে ৪৪ শতাংশ। অর্থাৎ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ৪ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৪ জন আমানতকারী মিলে জমা রেখেছেন ১৯ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা। তার বিপরীতে মাত্র ৫ হাজার ২৮৭ জন আমানতকারী জমা রেখেছেন ২৪ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা।

অর্থনীতিবিদেরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন যে দেশে বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছে। একশ্রেণির মানুষ রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে অর্থবিত্তের মালিক হয়ে উঠছেন। তার বিপরীতে উচ্চ মূল্যস্ফীতিসহ জীবনযাত্রার খরচ বেড়ে যাওয়ায় মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্তসহ বিপুল জনগোষ্ঠীর সঞ্চয়ে টান পড়ছে। দেশে বৈষম্য এখন যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, সেটিকে চরম উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদেরা। তাই বৈষম্য কমাতে ধনীদের ওপর কর বাড়ানোর প্রস্তাব করে আসছেন তাঁরা।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় যে আমানত রয়েছে, তার মধ্যে ব্যক্তিশ্রেণির আমানত যেমন আছে, তেমনি রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক আমানতও। ফলে কোটি টাকার বেশি আমানত যেসব হিসাবে রয়েছে, তার সবই ব্যক্তিশ্রেণির আমানত নয়, প্রাতিষ্ঠানিক আমানতও রয়েছে এর মধ্যে।

সরকারি পরিসংখ্যানেও উঠে এসেছে দেশের প্রকট বৈষম্যের তথ্য।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএসের তথ্য বলছে, দেশের সবচেয়ে বেশি ধনী ১০ শতাংশ মানুষের হাতেই এখন দেশের মোট আয়ের ৪১ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে গরিব ১০ শতাংশ মানুষের আয় দেশের মোট আয়ের মাত্র ১ দশমিক ৩১ শতাংশ। এ তথ্য বিবিএসের খানার আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২-এ উঠে এসেছে।

একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈষম্যের নির্দেশক গিনি সহগ সূচক বেড়ে এখন দাঁড়িয়েছে দশমিক ৪৯৯ পয়েন্টে। কোনো দেশে এ সূচক দশমিক ৫০০ পয়েন্ট পেরোলেই সেই দেশকে উচ্চ বৈষম্যের দেশ হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ উচ্চ বৈষম্যের দেশের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

নয় মাসে পান রপ্তা‌নি আয় ২০০ কো‌টি টাকা

Published

on

আয়কর

গ্রামগঞ্জ থেকে শুরু করে শহরে পর্যন্ত রয়েছে পানের জনপ্রিয়তা। বাঙালি সংস্কৃতি আর আভিজাত্যের অন্যতম একটি অংশ পান। বিয়ে কিংবা দাওয়াত; এক খিলি পান ছাড়া যেন কোনো আচার-অনুষ্ঠান চলেই না। শিল্পির কণ্ঠে গান ‘যদি সুন্দর একটা মুখ পাইতাম মহেশখালীর পানের খিলি তারে বানাই খাওয়াইতাম’, ‘পান খাইলে সুপারি লাগে, আরো লাগে চুন, ঘষিয়া ঘষিয়া জ্বলে পীরিতের আগুন’। পান নিয়ে এমন অনেক গান, কবিতা, প্রবাদ আছে, যা আমাদের সাহিত্যকে করেছে সমৃদ্ধ। বাঙালি সাহিত্য-সংস্কৃতির সঙ্গে অর্থনীতিকেও সমৃদ্ধ করছে পান। অলি-গলির দোকান পেরিয়ে পান যাচ্ছে বিদেশে। রপ্তানিতে আয় করছে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা।

কক্সবাজারের মহেশখালী, রাজশাহী, দিনাজপুর, রাজবাড়ী, কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পান চাষ হয়। দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে এখন বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে অর্থকরী এ ফসল।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সবশেষ প্রকাশিত পরিসংখ্যানের তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের (জুলাই-মার্চ) ৯ মাসে পান রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে এক কোটি ৮২ লাখ মার্কিন ডলার। যা দেশীয় মুদ্রায় ২০০ কোটি টাকার বেশি (প্র‌তি ডলার ১১০ টাকা ধরে)।

ইপিবির তথ্য বলছে, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে পান রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছিল এক কোটি ২৭ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। রপ্তানির লক্ষ্য বাড়িয়ে চলতি অর্থবছরে ঠিক করা হয় এক কোটি ৪০ লাখ ডলার। তবে গত ৯ মাসে লক্ষ্যের চেয়ে ৭৪ শতাংশ বেশি পান রপ্তানি হয়েছে। অর্থবছর শেষে পান রপ্তানির এ অংক আরো বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

পান রপ্তানির বিষয় জানতে চাইলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, পান রপ্তানি বাড়াতে সরকার জোর দিয়েছে। রপ্তানিকারকদের নগদ সহায়তার পাশাপাশি কোল্ড স্টোরেজের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয় নিয়মিত মনিটরিং করছে। কোনো সমস্যা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তা সমাধানের উদ্যোগ নিচ্ছে। যার ফলে এবার পান রপ্তানি লক্ষ্যের চেয়ে বেশি হয়েছে। আগামীতে রপ্তানি আরো বাড়ছে বলে প্রত্যাশা করেন এ কর্মকর্তা।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পান পাতা বাজারে বিক্রি হয় পণ বা বিড়া হিসেবে। প্রতি পণে ৮০টি পাতা থাকে। স্থানীয় বাজারে প্রতি পণ পানের দাম পাওয়া যায় ৪০ থেকে ১২০ টাকা। অর্থাৎ আকারভেদে প্রতিটি পাতা ৫০ পয়সা থেকে দেড় টাকায় বিক্রি হয়। দেশের বাজারে দুই ধরনের পানের (দেশি পাতা ও মিঠা পাতা) চাহিদা থাকলেও শুধু মিষ্টি পানই বিদেশে রপ্তানি হয়। রপ্তানির জন্য বাছাই করা ভালোমানের পান পাতা প্রতিটি ২ থেকে ৪ টাকা করে বা প্রতি পণ ১৬০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে সার্বিক ৫ হাজার ৫৫৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ। ওই সময় প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ হাজার ২০০ কোটি ডলার। অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) ৪ হাজার ৩৫৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি। তবে নয় মাসে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হলেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে বেড়েছে আমানত

Published

on

আয়কর

গত বছরের শেষ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে আমানত বেড়েছে ২০৫ কোটি টাকা। আর একই সময়ে পোশাককর্মীরা ব্যাংকে থাকা তাদের আমানত থেকে ১৮ কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, এই সময়ে কৃষকেরা সঞ্চয় ভেঙেছেন ৯১ কোটি টাকা। আর মুক্তিযোদ্ধাদের হিসাব থেকে আমানত তুলে নেয়া হয়েছে ১৪৬ কোটি টাকা। তার বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে সঞ্চয়ের পরিমাণ বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে পোশাকশ্রমিকদের ৯ লাখ ৩ হাজার ব্যাংক হিসাবে সব মিলিয়ে ৩০০ কোটি টাকা সঞ্চয় ছিলো। কিন্তু অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে সেই সঞ্চয় কমে দাঁড়িয়েছে ২৮২ কোটি টাকায়। যদিও এ সময়ে পোশাকশ্রমিকদের ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ লাখ ৩৯ হাজার। সেই হিসাবে তিন মাসের ব্যবধানে পোশাকশ্রমিকদের ব্যাংক হিসাব বাড়লেও সঞ্চয়ের পরিমাণ ১৮ কোটি টাকা বা ৬ শতাংশ কমে গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, একই ঘটনা ঘটেছে কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের সঞ্চয় বা আমানতের ক্ষেত্রেও। গত অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে কৃষকদের ব্যাংক হিসাবে থাকা আমানতের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ৫৯২ কোটি টাকায়। কৃষকদের দেড় কোটির মতো ব্যাংক হিসাব রয়েছে। আমানত কমলেও কৃষকের ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা আগের প্রান্তিকের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। কৃষকের চেয়ে আমানত বেশি কমেছে মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাংক হিসাবে। তিন মাসে মুক্তিযোদ্ধাদের হিসাবে থাকা আমানত ১৪৬ কোটি টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ৮৬৩ কোটি টাকায়। যদিও এই সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাংক হিসাব বেড়েছে।

দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের যেসব হিসাব রয়েছে, সেখানে সরকারের দেয়া নানা সুবিধার টাকাও জমা হয়। সরকারের আর্থিক সহায়তার অর্থ জমা হওয়ার পরপরই তা অনেকে তুলে নেন। এ কারণে কয়েক মাস পরপর কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাংক হিসাবে জমা অর্থের কমবেশি হয়।

পোশাককর্মী, কৃষক ও মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাংক হিসাবে জমা অর্থের পরিমাণ কমলেও শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে আমানত বা সঞ্চয় করা অর্থের পরিমাণ বেশ বেড়েছে। গত অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে জমা অর্থের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা।

গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে জমা অর্থের পরিমাণ ছিলো ২ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। সেই হিসাবে তিন মাসের ব্যবধানে শিক্ষার্থীদের জমানো অর্থের পরিমাণ বেড়েছে ২০৫ কোটি টাকা। এ সময়ের ব্যবধানে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় পৌনে দুই লাখ।

কৃষক, শ্রমিক ও মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাংক হিসাবে সঞ্চয় কমে যাওয়ার জন্য উচ্চ মূল্যস্ফীতিকেই দায়ী করছেন অর্থনীতিবিদেরা। তারা বলছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় যেভাবে বেড়েছে, তা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সীমিত আয়ের মানুষ। তাই বাধ্য হয়ে অনেকে সঞ্চয় ভাঙছেন।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

ক্রেডিট কার্ডে বাংলাদেশিদের বেশি খরচ ভারত ও থাইল্যান্ডে

Published

on

আয়কর

দেশের বাইরে গিয়ে বাংলাদেশিরা ক্রেডিট কার্ডে বিভিন্ন পণ্য ও সেবা কিনতে সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করেন কয়েকটি দেশে। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত, দ্বিতীয় অবস্থানে আছে থাইল্যান্ড।
এরপরই খরচ বেশি করছে যুক্তরাষ্ট্র, আরব আমিরাত ও সিঙ্গাপুরে। বিদেশে বাংলাদেশিরা ক্রেডিট কার্ডের মোট খরচের প্রায় ৬৪ শতাংশই এ পাঁচ দেশে করছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার সংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগ ক্রেডিট কার্ড ইস্যুকারী দেশের ৪৩টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তথ্য নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। মাস ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করে থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশিদের একটি বড় অংশ প্রতি মাসে ভারতে ভ্রমণ ও চিকিৎসার জন্য যান। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে বাংলাদেশিদের ভ্রমণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ কারণে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ড সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হচ্ছে ভারতে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিবেশী দেশটিতে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশিরা ১০৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা খরচ করেছেন, যা মোট খরচের প্রায় ২২ শতাংশ। ভরতে খরচের এ অংক জানুয়ারিতে ছিল ৯৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

একইভাবে ফেব্রুয়ারিতে থাইল্যান্ড গিয়ে বাংলাদেশিরা ৬১ কোটি ১০ লাখ টাকা বা ১২ দশমিক ২৩ শতাংশ খরচ করেছেন; তার আগের মাস জানুয়ারিতে খরচ করেছিলেন ৫৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

তবে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র, আরব আমিরাত ও সিঙ্গাপুরে ক্রেডিট কার্ডে বাংলাদেশিদের খরচ কমেছে। আলোচিত সময় যুক্তরাষ্ট্রে খরচ করেছেন ৬০ কোটি ৯০ লাখ টাকা, যা জানুয়ারিতে ছিল ৭২ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমিরাতে বাংলাদেশিরা ফেব্রুয়ারিতে ক্রেডিট কার্ডে খরচ করেছেন ৫২ কোটি ৯০ লাখ টাকা, যা জানুয়ারিতে ছিল ৬১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। সিঙ্গাপুরে খরচ করেছেন ৩৪ কোটি ১০ লাখ টাকা, যা জানুয়ারিতে ছিল ৩৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিদেশিরা বাংলাদেশে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যে অর্থ খরচ করেন, তার তিনগুণের বেশি অর্থ বাংলাদেশিরা খরচ করেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে ঘুরতে আসা বা বসবাসরত বিদেশিরা ক্রেডিট কার্ডে ২৫৩ কোটি টাকা খরচ করেছেন। একই সময়ে বাংলাদেশিরা বিদেশে গিয়ে ক্রেডিট কার্ডে ৬৭১ কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, একজন বাংলাদেশি নাগরিক বিদেশে গিয়ে প্রতি বছর ১২ হাজার ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করতে পারেন। এ অর্থ কার্ডের মাধ্যমে খরচ করতে পারেন, আবার বিদেশে যাওয়ার সময় নগদ ডলারও সঙ্গে করে নিয়ে যেতে পারেন। তবে কার্ডের মাধ্যমে ডলার পেমেন্ট করতে গেলে একবারে সর্বোচ্চ ৩০০ ডলার পর্যন্ত খরচ করার সুযোগ রয়েছে।

এদিকে কার্ব মার্কেট বা খোলা বাজারে নগদ ডলারের দাম বেশি থাকায় কার্ডের মাধ্যমে ডলার পেমেন্টে গ্রাহকেরা আগ্রহী হচ্ছেন উল্লেখ করে কর্মকর্তারা বলেন, এখন দেশের কার্ব মার্কেট থেকে নগদ ডলার কিনতে গেলে ১১৮ থেকে ১১৯ টাকার মতো খরচ করতে হয়। সেখানে অধিকাংশ ব্যাংকেই ১১৪-১১৫ টাকায় ইলেকট্রনিক ডলার কিনে কার্ডের মাধ্যমে খরচ করা যায়। এসব কারণে কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্টে সবাই আগ্রহী হচ্ছে।

এছাড়া দেশে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার গত ফেব্রুয়ারিতে প্রায় সাড়ে ৪ শতাংশ কমেছে। ফেব্রুয়ারিতে দেশে ক্রেডিট কার্ডে খরচ হয়েছে ২ হাজার ৫৫৮ কোটি টাকা। জানুয়ারিতে খরচ হয়েছিল ২ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
আয়কর
পুঁজিবাজার53 mins ago

তিন কোম্পানির পর্ষদ সভা কাল

আয়কর
খেলাধুলা1 hour ago

রাতে মাঠে নামছে চেন্নাই, একাদশে থাকবেন মুস্তাফিজ?

আয়কর
জাতীয়2 hours ago

দস্যুমুক্ত এমভি আবদুল্লাহ দুবাই পৌঁছাবে যেদিন

আয়কর
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার2 hours ago

আনোয়ার খান হাসপাতালে চাকরির সুযোগ

আয়কর
আন্তর্জাতিক2 hours ago

ভারতের রিজার্ভ বেড়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ

আয়কর
জাতীয়3 hours ago

জাহাজ ও নাবিকদের এত দ্রুত মুক্তির ঘটনা নজিরবিহীন: নৌ প্রতিমন্ত্রী

আয়কর
আন্তর্জাতিক3 hours ago

আমি প্রেসিডেন্ট থাকলে ইসরায়েলে হামলা হতো না: ট্রাম্প

আয়কর
জাতীয়3 hours ago

রমনার বটমূলে শেষ হলো বর্ষবরণ অনুষ্ঠান

আয়কর
আন্তর্জাতিক4 hours ago

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক

আয়কর
জাতীয়4 hours ago

গাবতলীতে ঢাকায় ফেরা মানুষের চাপ কম

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০