Connect with us

ধর্ম ও জীবন

দিল্লি জামে মসজিদের নতুন শাহী ইমাম শাবান বুখারী

Published

on

মার্কেন্টাইল

শবে বরাতে দিল্লি জামে মসজিদের নতুন ইমাম ঘোষণা করা হয়েছে। রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পবিত্র এই রাতে মসজিদের আঙিনায় অনুষ্ঠিত দস্তরবন্দীর (পাগড়ি প্রদান অনুষ্ঠান) মাধ্যমে নতুন ইমাম ও উত্তরসূরির কথা জানান মসজিদটির বর্তমান শাহী ইমাম সৈয়দ আহমাদ বুখারি। নতুন ইমামের নাম সৈয়দ শাবান বুখারী।

দস্তরবন্দীর (পাগড়ি প্রদান অনুষ্ঠান) মাধ্যমে দিল্লি জামে মসজিদের শাহী ইমাম ঘোষণা করা হয়। যিনি পরবর্তীতে ঐতিহাসিক এই মসজিদে নামাজের দায়িত্ব পালন করেন। জামে মসজিদের নিয়ম অনুযায়ী ইমাম জীবদ্দশাতেই পরবর্তী ইমামের নাম ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে দিল্লি জামে মসজিদের বর্তমান শাহী ইমাম সৈয়দ আহমাদ বুখারী বলেন, আজ ইবাদতের রাত। এ রাতে গুনাহ মাফ করা হয় এবং রহমত বর্ষিত হয়। সবার উচিত এ রাতে ইবাদত করা।

তবে এই অনুষ্ঠানের পরও বর্তমান ইমামই জামে মসজিদের সব দায়িত্ব পালন করবেন। আগামীতে তিনি অসুস্থ হলে তার উত্তরাধিকারী জামে মসজিদের কার্যকরী ইমাম হিসেবে নিযুক্ত হবেন।

দিল্লির নিজামুদ্দিন দরগায় শবে রাত উদযাপন করা হয়েছে। এ রাতকে ঘিরে পবিত্র দরগাতে ঘিরে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে। শবে বরাত ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্তা গ্রহণ করেছে দিল্লি পুলিশ। ভারতের জাতীয় রাজধানীর চারপাশে বিভিন্ন চেক পোস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

মোগল সম্রাট শাহজাহান দিল্লি জামে মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু করেন ১৬৫০ খ্রিস্টাব্দে। এ বিশাল ধর্মীয় স্থাপত্যশৈলী নির্মাণ সম্পন্ন হয় ১৬৫৬ খ্রিস্টাব্দে। সম্রাট শাহজাহান শাহী মসজিদের ইমামতির জন্য বুখারা নগরীর (বর্তমান উজবেকিস্থানের একটি শহর) সৈয়দ আব্দুল গফুর শাহ বুখারিকে নিয়ে আসেন। এবং তাকে ইমাম হিসেবে নিয়োগদান করেন। সৈয়দ আব্দুল গফুর শাহ বুখারী দিল্লী জামে মসজিদেরর প্রথম ইমাম, তার ইমামতিতে ১৬৫৬ সালের ২৩শে জুলাই প্রথম নামাজ আদায় করা হয়। সম্রাট শাহজাহান তাকে শাহী ইমাম উপাধী প্রদান করেন এবং ইমামত-এ-উজমার উচ্চ পদে নিয়োগ প্রদান করেন।

এরপর থেকে এই পদ বরাবরই বুখারি পরিবারের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। মোগল শাসনের ইতি হওয়ার পরও বুখারি পরিবার বংশ পরম্পরায় নিজেরাই জামে মসজিদের ইমামের দায়িত্ব পালন করছেন।

সূচনালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত জামে মসজিদের ইমামের দায়িত্ব পালন করা ইমামরা হলেন- সৈয়দ আব্দুল গফুর শাহ বুখারি, সৈয়দ আব্দুল শাকুর শাহ বুখারি, সৈয়দ আব্দুল রাহিম শাহ বুখারি, সৈয়দ আব্দুল গফুর শাহ বুখারি থানি, সৈয়দ আব্দুল রেহমান শাহ বুখারি, সৈয়দ আব্দুল কারিম শাহ বুখারি, সৈয়দ মীর জীবন শাহ বুখারি, সৈয়দ মীর আহমেদ আলী শাহ বুখারি, সৈয়দ মোহাম্মাদ শাহ বুখারি, সৈয়দ আহমেদ বুখারি, সৈয়দ হামিদ বুখারি, সৈয়দ আব্দুল্লাহ বুখারি, সৈয়দ আহমেদ বুখারি।

তবে সাম্প্রতিককালে দিল্লি জামে মসজিদের ইমাম পদ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে দিল্লির ওয়াকফ বোর্ড। বুখারি পরিবার জামে মসজিদকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং এই মসজিদকে পরিবারের সম্পত্তি হিসেবে দেখে বলে অভিযোগ দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডের।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

ধর্ম ও জীবন

শাওয়ালের ছয় রোজা কি ধারাবাহিকভাবে রাখা জরুরি?

Published

on

মার্কেন্টাইল

শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখা সুন্নত। আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে এ আমল করেছেন এবং আমল করার নির্দেশ দিয়েছেন। শাওয়ালের ছয় রোজার ফজিলত বর্ণনা করে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, যারা রমজানে রোজা পালন করবে এবং শাওয়ালে আরও ছয়টি রোজা রাখবে; তারা যেন সারা বছরই রোজা পালন করল। (সহিহ মুসলিম)

শাওয়ালের ছয় রোজা একটানা না রেখে বিরতি দিয়ে আলাদা আলাদা রাখলেও আদায় হয়ে যাবে। কেউ যদি একটানা রোজা রাখে তাতেও আদায় হয়ে যাবে। হাদিসের কোনো বর্ণনায় শাওয়ালের ছয় রোজা একসঙ্গে রাখতে হবে এ রকম কিছু বলা হয়নি।

সাপ্তাহিক সুন্নত রোজা অর্থাৎ প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবারের রোজার সাথে মিল রেখে সহজেই শাওয়ালের রোজাগুলো রাখা যায়। কেউ যদি শাওয়াল মাসের সপ্তাহগুলোয় প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখে, তাহলে তিন সপ্তাহেই সহজে তার ছয়টি রোজা রাখা হয়ে যাবে।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

বিপদ-আপদ থেকে মুক্তির দোয়া

Published

on

মার্কেন্টাইল

প্রতিটি মানুষের জীবনে বিপদ-আপদ আসতে পারে। অনেক সময় পাপের পরিণাম বেশি হলেও আসে বিপদ। তবে মাঝেমধ্যে আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষা হিসেবেও আসতে পারে বিভিন্ন ধরনের বিপদ-আপদ এবং বালামসিবত। এ জন্য আল্লাহর রসুল (সা.) সব ধরনের বিপদ-মুসিবত থেকে মুক্তির জন্য দোয়া শিখিয়েছেন।

হযরত জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, কোনো ব্যক্তি (আল্লাহর কাছে) কোনো কিছু প্রার্থনা করলে আল্লাহ তাআলা তাকে তা দান করেন। অথবা তদানুযায়ী তার থেকে কোনো অমঙ্গল প্রতিহত করেন। যতক্ষণ না সে কোনো পাপাচারে লিপ্ত হয় বা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য দোয়া করে। (তিরমিজি)

হযরত সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, দোয়া ছাড়া আর কিছুই তাকদির পরিবর্তন করতে পারে না আর নেক আমল ছাড়া আর কিছুই বয়সে বৃদ্ধি ঘটায় না। (সহিহ ১৫৪, তিরমিজি ২১৩৯)

হযরত উসমান ইবনে আফফান (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা তিনবার করে এই দোয়াটি পাঠ করবে, তাকে আসমান-জমিনের কোনো জিনিস ক্ষতি করতে পারবে না।

উচ্চারণ : বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদুররু মায়াস‌মিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা ফিসসামা-ই ওহুয়াস সামিউল আলিম

অর্থাৎ, আমি আল্লাহ‌র নামে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, যার নামের সঙ্গে আসমান ও জমিনে কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না, আর তিনি সর্বশ্রোতা ও মহাজ্ঞানী। (তিরমিজি, হাদিস : ৩৪১০)

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

১০০ বছর পর খুলে দেওয়া হলো গ্রিসের ঐতিহাসিক ইয়েনি যামি মসজিদ

Published

on

মার্কেন্টাইল

১০০ বছর আগে মুসলমানরা গ্রিসে যুদ্ধে হেরে যাওয়ার পর অনেক মসজিদ বন্ধ করে দেয় অর্থোডক্স খ্রিস্টানরা। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম ঐতিহাসিক ইয়েনি যামি মসজিদ। গ্রিসের থেসালিনিকির সেই ঐতিহাসিক ইয়েনি যামি মসজিদ ১০০ বছর পর নামাজের জন্য খুলে দিয়েছে গ্রিস সরকার। এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।

জানা গেছে, দেশটিতে গত শতক থেকেই বহাল থাকলেও সম্প্রতি মত পাল্টায় দেশটির কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১০ এপ্রিল) খুলে দেওয়া হয় মসজিদটি। পরে মুসল্লিরা এখানে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন। এদিন ৭০ মুসল্লি নামাজে অংশ নেন।

এক শতাব্দি আগে ইহুদি থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল ডনমেহ সম্প্রদায়ের মানুষ। আর তাদের জন্য অটোম্যান শাসকরা এ মসজিদ নির্মাণ করেন। ১৯০২ সালে তৈরি মসজিদটির স্থাপত্যে দেখা মেলে ইসলামিক কারুকার্যের। ইতালিয়ান স্থপতি ভিতালিনো পোসেলির হাত ধরেই গড়ে ওঠে মসজিদটি। ১৯২৩ সালে গ্রিস এবং তুরস্কের মধ্যে দুই দেশের সংখ্যালঘু মুসলিম ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী বিনিময় হয়। ফলে ইয়েনি যামি মসজিদটিতে নামাজ আদায় বন্ধ হয়ে যায়। পরে এটি কখনো ব্যবহার হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র, কখনো জাদুঘর হিসেবে।

এক মুসল্লি বলেন, গ্রিস সরকার জানিয়েছিল, একশো বছর পর মসজিদটির দরজা খুলে দেওয়া হবে। তাই নামাজ পড়তে এসেছিলাম। প্রায় ৬৩ বছর যাবৎ এখানে আছি, এতদিন এটাকে জাদুঘর হিসেবে চিনলেও, জানতাম না এটা একটা মসজিদ।

ইউরোপের এ দেশটিতে ২০২০ সাল পর্যন্তও মুসলিমদের জন্য কোনো মসজিদ ছিল না। ভোটানিকোসে প্রথম সরকারিভাবে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয় ২০২০ সালে।

কাফি

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

শাওয়ালের ৬ রোজার গুরুত্ব

Published

on

মার্কেন্টাইল

রমজানের পরেই আসে শাওয়াল মাস। এ মাসই ঈদুল ফিতরের বার্তা নিয়ে আসে। রমজানের ফরজ রোজা পালনের পর শাওয়াল মাসে ৬ টি নফল রোজা রয়েছে। এই রোজা পালনের বিশেষ গুরুত্ব ও ফজিলত রয়েছে।

আবু আইয়ুব আনসারি রা. একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আল্লাহর সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজান মাসের সব ফরজ রোজাগুলো রাখল অতঃপর শাওয়াল মাসে আরও ছয়টি রোজা রাখল, সে যেন সারাবছর ধরেই রোজা রাখল। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১১৬৪)

শাওয়ালের ছয়টি রোজার মাধ্যমে রমজানের রোজার শুকরিয়া আদায় করা হয়। যখন কোনো বান্দার আমল আল্লাহ তাআলা কবুল করেন, তখন তাকে অন্য নেক আমলের তাওফিক দেন। সুতরাং এ রোজাগুলো রাখতে পারা রমজানের রোজা কবুল হওয়ারও লক্ষণ।

রাসূল সা. নিজে এ রোজা রাখতেন এবং সাহাবায়ে কেরামদের রোজা রাখার নির্দেশ দিতেন।

শাওয়াল মাসের এ ছয়টি রোজা পালন করা রাসূল সা.-এর সুন্নত। যেহেতু রাসুলে পাক সা. নিজে তা আমল করেছেন এবং আমল করার নির্দেশ দিয়েছেন।

মাসের যেকোনো সময় এ রোজা আদায় করা যায়। ধারাবাহিকভাবে বা মাঝে মাঝে বিরতি দিয়েও আদায় করা যায়।

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

জুমার দিনের শ্রেষ্ঠ তিন আমল

Published

on

মার্কেন্টাইল

রসুলুল্লাহ সা. বলেন, ‘জুমার দিন দিবসসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, তা আল্লাহর নিকট অধিক সম্মানিত।’ (ইবনে মাজাহ: হাদিস ১০৮৪) সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিনের আমল অনেক বেশি ও গুরুত্বপূর্ণ। এ দিনের বিশেষ মর্যাদার কথা জানা যায় কোরআন-হাদিসের বিভিন্ন ব্যাখ্যায়। সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিনের আমল অনেক বেশি ও গুরুত্ত্বপূর্ণ। এ দিনের বিশেষ মর্যাদার কথা জানা যায় কুরআন-হাদিসের বিভিন্ন ব্যাখ্যায়।

সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিনের আমল অনেক বেশি ও গুরুত্ত্বপূর্ণ। এ দিনের বিশেষ মর্যাদার কথা জানা যায় কুরআন-হাদিসের বিভিন্ন ব্যাখ্যায়।মুফতি আবদুল্লাহ তামিম

জুমার দিন পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব
হযরত সালমান ফারসি থেকে বর্ণিত, রসুল সা. বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, সাধ্যমতো পবিত্র হলো, তেল ব্যবহার করল, ঘর থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করল, অতঃপর মসজিদে এলো, সেখানে দুজন মুসল্লির মধ্যে ফাঁক করে সামনে এগিয়ে যায় না, নির্দিষ্ট পরিমাণ নামাজ পড়ল, অতঃপর ইমাম কথা শুরু করলে চুপ থাকল; তাহলে আল্লাহ তাআলা তাঁর দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ মাফ করবেন। (সহিহ বুখারি ৮৮৩)

জুমার দিন গোসল করা ও আগে আগে মসজিদে যাওয়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। আউস বিন আউস সাকাফি রা. থেকে বর্ণিত, রসুল সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালো করে গোসল করল, দ্রুততর সময়ে মসজিদে গেল ও (ইমামের) কাছাকাছি বসে মনোযোগসহ (খুতবা) শুনল, তাঁর জন্য প্রতি কদমের বদলে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব থাকবে। (আবু দাউদ ৩৪৫)

জুমার দিন সবার আগে মসজিদে যাওয়া
শুক্রবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হচ্ছে আগে মসজিদে যাওয়া। আল্লাহ তাআলা বলেন, হে মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের আজান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে দ্রুত ছুটে যাও এবং বেচাকেনা বন্ধ করো। এটা তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা বোঝো। (সুরা জুমা ০৯)

হাদিসে রসুল সা. আরও বলেছেন, জুমার দিন মসজিদের দরজায় ফেরেশতারা অবস্থান করেন। ক্রমানুসারে আগে আগমনকারীদের নাম লিখতে থাকেন। যে সবার আগে আসে সে ওই ব্যক্তির মতো যে একটি মোটাতাজা উট কোরবানি করে। এরপর যে আসে সে ওই ব্যক্তি যে একটি গাভী কোরবানি করে। এরপর আগমনকারী ব্যক্তি মুরগি দানকারীর ন্যায়। তারপর ইমাম যখন বের হন, তখন ফেরেশতাগণ তাদের লেখা বন্ধ করে দেন এবং মনোযোগ সহকারে খুতবা শুনতে থাকেন। (বুখারি ৯২৯)

সুরা কাহফ তেলাওয়াত ও দরুদ পড়া
মর্যাদপূর্ণ এই দিনের বিশেষ একটি আমল হচ্ছে সুরা কাহফ তিলওয়াত করা। আবু সাঈদ খুদরি রা. থেকে বর্ণিত, রসুল সা. বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহফ পাঠ করবে তার জন্য দুই জুমা পর্যন্ত নূর উজ্জ্বল করা হবে। (আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইল ৯৫২)

রসুল সা. বলেন, দিনসমূহের মধ্যে জুমার দিনই সর্বোত্তম। এই দিনে আদম আ.-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। এই দিনে শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে। এই দিনে সমস্ত সৃষ্টিকে বেহুশ করা হবে। অতএব তোমরা এই দিনে আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করো। কেননা তোমাদের দরুদ আমার সম্মুখে পেশ করা হয়ে থাকে। (আবু দাউদ ১০৪৭)

শেয়ার করুন:-
অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনো সংবাদ বা কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
মার্কেন্টাইল
টেলিকম ও প্রযুক্তি6 hours ago

বাংলাদেশে প্রায় সাত লাখ আইটি ফ্রিল্যান্সার রয়েছে: পলক

মার্কেন্টাইল
লাইফস্টাইল6 hours ago

হার্ট ভালো রাখতে খাবেন যেসব মসলা

মার্কেন্টাইল
জাতীয়6 hours ago

বজ্রপাতে তিন জেলায় ৪ জনের মৃত্যু

মার্কেন্টাইল
ধর্ম ও জীবন7 hours ago

শাওয়ালের ছয় রোজা কি ধারাবাহিকভাবে রাখা জরুরি?

মার্কেন্টাইল
অর্থনীতি7 hours ago

সাত ধরনের মোটরযানের কর মওকুফ

মার্কেন্টাইল
আন্তর্জাতিক7 hours ago

পাকিস্তান-আফগানিস্তানে ঝড়ের আঘাতে শতাধিক প্রাণহানি

মার্কেন্টাইল
বিনোদন7 hours ago

বর্ষবরণ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে সোলসের কনসার্ট শুরু

মার্কেন্টাইল
পুঁজিবাজার8 hours ago

নগদ লভ্যাংশ দেবে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

মার্কেন্টাইল
জাতীয়8 hours ago

থাইল্যান্ড, সৌদি ও গাম্বিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

মার্কেন্টাইল
জাতীয়8 hours ago

কৃতি শিক্ষার্থীরাই স্মার্ট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: স্পিকার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

২০১৮ সাল থেকে ২০২৩

অর্থসংবাদ আর্কাইভ

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০